ঢাকা মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩

‘ইরানকে ঘিরে বড় সংঘাতের আলামত আগে থেকেই ছিল’

জবি সংবাদদাতা, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৫ পিএম
ঢাকায় নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূতের প্রেস সেক্রেটারি সোফিয়া কুতেপোভা। ছবি: আরটিভি

ইরানকে ঘিরে সংঘাত শুরুর আগেই সামরিক, রাজনৈতিক ও প্রচারণামূলক প্রস্তুতির মধ্য দিয়ে বড় ধরনের সংঘাতের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছিল বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত রুশ ফেডারেশনের রাষ্ট্রদূতের প্রেস সেক্রেটারি সোফিয়া কুতেপোভা।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের আয়োজনে ‘পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ ও বিশ্ব মিডিয়া: নৈতিক দায়বদ্ধতা ও আত্মপর্যালোচনা’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনারে বক্তব্যকালে তিনি এ কথা বলেন।

সোফিয়া কুতেপোভার মতে, সংঘাত শুরুর আগে সামরিক ও রাজনৈতিক প্রস্তুতির পাশাপাশি প্রচারণার যে মাত্রা দেখা গিয়েছিল, তা বড় ধরনের সংঘাতের সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছিল। সংঘাত শুরু হওয়ার ঘটনায় রাশিয়া গভীরভাবে মর্মাহত হয়েছিল বলেও জানান তিনি।

ইরানের সক্ষমতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংঘাতের পর ইরান নিজেকে একটি শক্তিশালী ও স্থিতিস্থাপক রাষ্ট্র হিসেবে তুলে ধরেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে সহজ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করার ক্ষেত্রে সফল হয়নি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সাংবাদিকতায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে সোফিয়া কুতেপোভা তথ্য যাচাইয়ের ওপর গুরুত্ব দেন। তার মতে, পাঠক ও দর্শকদের সঠিক তথ্য দিতে সাংবাদিকদের প্রতিটি তথ্যের সত্যতা যাচাই করা জরুরি।

রুশ দূতাবাসের প্রেস সেক্রেটারি জানান, দূতাবাসে দায়িত্ব নেওয়ার আগে তিনি রাশিয়ার একটি সংবাদমাধ্যমে কাজ করেছেন। নিজের পেশাগত অভিজ্ঞতা থেকে সাংবাদিকতায় সত্য ও তথ্য যাচাইকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

উল্লেখ্য, উক্ত সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. শাহ মো. নিসতার জাহান কবীর। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সুইডেনের উপসালা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক গ্রেগরি জে. সিমনস। অনুষ্ঠানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন, ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমী জাহানাবাদী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সাবিনা শারমীনসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
উচ্চস্বরে কথা বলা নিয়ে ইবির বাসে তুমুল কাণ্ড
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ডাবল ডেকার বাস ‘গোধূলি’তে সিনিয়র-জুনিয়র শিক্ষার্থীদের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ করেছে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুষ্টিয়ার জেলখানা মোড়ে বাসটি পৌঁছানোর পর এ ঘটনা ঘটে। বাংলা বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রিয়াজুল ইসলাম হৃদয় অভিযোগ করেন, বাসে কয়েকজন শিক্ষার্থী পুরো পথ উচ্চস্বরে কথা বলছিলেন। বাস থেকে নামার সময় তিনি তাদের উচ্চস্বরে কথা না বলার অনুরোধ করেন। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আইসিটি বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের আবু সাইদ তাঁকে মারধর করেন। এতে তাঁর নাক ফেটে যায় বলে দাবি করেন হৃদয়। হৃদয়ের আরও অভিযোগ, ঘটনার সময় বাসের একটি গ্লাস ভেঙে যায় এবং ভিডিও ধারণের চেষ্টা করলে তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। এছাড়া তাকে হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ করেন তিনি। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আবু সাইদ বলেন, গন্তব্যে পৌঁছানোর পর বাংলা বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের বাপ্পির সঙ্গে আমার কথা কাটাকাটি হয়। গন্তব্যে পৌঁছানোর আগে আমাকে বললে হয়তো কথা বলতাম না। তিনি আরও বলেন, কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে একই বিভাগ ও শিক্ষাবর্ষের হৃদয় এসে আমার গায়ে আগে হাত তোলে। এতে আমার হাত কেটে যায় এবং আমার ল্যাপটপের ডিসপ্লে ভেঙে যায়। এ ঘটনায় ক্ষতিপূরণ হিসেবে আমি ৬৫ হাজার টাকা দাবি করছি। পাল্টাপাল্টি অভিযোগের পর আগামীকাল উভয় বিভাগের সভাপতি উপস্থিতিতে সভা হবে বলে জানা গেছে। প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, এবিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ জানায়নি। খোঁজ নিয়ে দেখছি এবং কেউ অভিযোগ দিলে দেখা হবে। আরটিভি/এসআর
উচ্চস্বরে কথা বলা নিয়ে ইবির বাসে তুমুল কাণ্ড
আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নিলেন ইবির জার্নালিজম বিভাগের সভাপতি
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত কমিউনিকেশন অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম বিভাগে আনুষ্ঠানিকভাবে সভাপতির দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়েছে।
আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নিলেন ইবির জার্নালিজম বিভাগের সভাপতি
মাভাবিপ্রবিতে এক পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে বিষধর সাপের দংশন
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) শহিদ আবরার ফাহাদ হলের ড্রেনে কাজ করার সময় মিলন(৩০) নামের এক পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে বিষধর সাপে দংশন করেছে।
মাভাবিপ্রবিতে এক পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে বিষধর সাপের দংশন
মাভাবিপ্রবিতে টাঙ্গাইল সচেতন নাগরিক ফোরামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে টাঙ্গাইল সচেতন নাগরিক ফোরামের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
মাভাবিপ্রবিতে টাঙ্গাইল সচেতন নাগরিক ফোরামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
বেরোবিতে পদোন্নতি বোর্ড নিয়ে হুলস্থুল কাণ্ড
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ইউজিসির নির্দেশনা অমান্য করে ১৫ জন এবং অর্নুগ্রাম বহির্ভূত ২৮৯ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নিয়মবহির্ভূত পদোন্নতি ও আপগ্রেডেশন দেওয়ার অভিযোগের মধ্যে নতুন করে এক কর্মকর্তার পদোন্নতি বোর্ড নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।  পদোন্নতির জন্য পূর্বের পদে চার বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন থাকলেও নতুন পদে যোগদানের তিন মাসের মাথায় ফের পদোন্নতির জন্য বোর্ড পেয়েছেন কর্মকর্তা ড. রোকনুজ্জামান। প্রতিবেদকের হাতে আসা বিশ্ববিদ্যালয়ের নথি সূত্রে জানা যায়, রোকনুজ্জামান ২০০৯ সালের ২২ ডিসেম্বর সেকশন অফিসার গ্রেড-১ পদে নিয়োগ পান। ২০১১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি তিনি জুনিয়র রিসার্চ অফিসার পদে অস্থায়ী নিয়োগ পান। পরে ৩৫তম সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তে তার অস্থায়ী পদের মেয়াদ বাড়িয়ে ২০১৩ সালের ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়। ২০১৪ সালের ২৩ মে অনুষ্ঠিত ৪০তম সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে স্থায়ী রিসার্চ অফিসার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। এরপর পদোন্নতি পেয়ে ২০২৬ সালের জুনে সিনিয়র রিসার্চ অফিসার পদে যোগ দেন রোকনুজ্জামান। বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা পদোন্নতি নীতিমালা অনুযায়ী, সিনিয়র রিসার্চ অফিসার থেকে প্রিন্সিপাল রিসার্চ অফিসার পদে পদোন্নতির জন্য চার বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন।  তবে যোগদানের প্রায় তিন মাসের মাথায় গত ৪ আগস্ট তাকে প্রিন্সিপাল রিসার্চ অফিসার পদে পদোন্নতির জন্য ফের বোর্ড দেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছেন।এছাড়া তাকে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সিন্ডিকেট সভায় নিয়ম বহির্ভূতভাবে তাকে ফের  পদোন্নতি দেওয়া হতে পারে বলেও জানান তারা। এ বিষয়ে ড. রোকনুজ্জামানের বক্তব্য জানতে ফোন করা হলে তিনি কল রিসিভ করেননি। পদোন্নতি বোর্ডের সদস্য কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রাশেদুল ইসলাম বলেন, কমিটির সদস্য হিসেবে এ পর্যায়ে এ বিষয়ে কিছু বলতে পারছি না। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সিন্ডিকেট সভায় বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ও মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম বলেন, এই কমিটিতে আমি নেই। তাই আমি কিছু বলতে পারছি না।তবে তিনি ১৫-১৬ বছর ধরে পদোন্নতি বঞ্চিত বলে আমাকে জানানো হয়েছিল।  তবে একাধিক শিক্ষক দাবি করেছেন, অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম এই পদোন্নতি বোর্ডের সদস্য ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শওকাত আলী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত হওয়ায় রোকনুজ্জামান ২০২৪ সালে একসঙ্গে দুটি পদোন্নতির আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৫ সালে তাঁকে একটি সিনিয়র রিসার্চ অফিসার পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়।  উপাচার্যের দাবি, তিনি দেরিতে যোগদান করেছেন। তবে তাঁর পদোন্নতির এক বছর পার হয়েছে এবং দীর্ঘদিন বঞ্চিত থাকায় তাকে ফের পদোন্নতি বোর্ড দেওয়া হয়েছে। আরটিভি/এসআর
বেরোবিতে পদোন্নতি বোর্ড নিয়ে হুলস্থুল কাণ্ড
আরও পড়ুন
আমার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের বাস্তবায়ন: জবি উপাচার্য 
বাজেট সংকটে ৪ বছরেও শুরু হয়নি জবির প্রধান ফটক সংস্কার
‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’ পাচ্ছে জবির ২৯ শিক্ষার্থী
শেষ হয় ক্যাম্পাস, শেষ হয় না অপেক্ষা