ঢাকা মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩

আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নিলেন ইবির জার্নালিজম বিভাগের সভাপতি

ইবি সংবাদদাতা, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০৭ পিএম
ছবি : আরটিভি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত কমিউনিকেশন অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম বিভাগে আনুষ্ঠানিকভাবে সভাপতির দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়েছে। এদিন আনুষ্ঠানিকভাবে বিভাগীয় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তন্ময় সাহা জয়।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯:৩০ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মশারফ হোসেন একাডেমিক ভবনের চতুর্থ তলায় জার্নালিজম বিভাগের সভাপতির কক্ষে এই দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

বিভাগের প্রভাষক রুকাইয়া আখতারের সঞ্চালনায় এতে উপস্থিত ছিলেন ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মামুন আল রশীদ, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. বেগম রোকসানা মিলি, বিভাগের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি অধ্যাপক ড. আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া, সদ্য বিদায়ী সভাপতি অধ্যাপক ড. রশিদুজ্জামান, জিয়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম, গ্রিন ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান, সেন্ট্রাল ল্যাবের পরিচালক অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলাম।

এছাড়াও শারীরিক শিক্ষা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. সরফরাজ নেওয়াজ, অর্থনীতি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. পার্থ সারথি লস্কর, ল অ্যান্ড ল্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের সভাপতি সহযোগী অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল ওহাব শাহীন, ফাইন আর্টস বিভাগের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক রায়হান উদ্দিন ফকির, বিভাগের সহকারী অধ্যাপক উজ্জ্বল হোসেন ও প্রভাষক জাকির হোসেন সহ অন্যান্যরা।

অনুষ্ঠানে জিয়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রফেসর ড. রশীদুজ্জামান যেখানেই যান, দক্ষ এবং অত্যন্ত পরিপক্বতার সাথে মালী হিসেবে ফুল ফোটানোর কাজটি করেন। যেখানেই যান, সফলতা তার পথ ছুঁয়ে আসে। ​জার্নালিজম বিভাগেও সেটিই হয়েছে। সাবেক সভাপতি বিভাগকে যেখানে রেখে গেল তন্ময় সেখান থেকে যাত্রা শুরু করবে এবং ওর নেতৃত্বে বিভাগ এগিয়ে যাবে। তার যে প্রশস্ত পদচারণা আছে, সে জায়গা থেকে একটা বিভাগ চালানোর জন্য সে যথেষ্ট যোগ্য। তন্ময় সাহা জয়ের জন্য আমাদের সবার দোয়া ও শুভকামনা থাকবে।

সদ্য সাবেক বিভাগীয় সভাপতি অধ্যাপক ড. রশিদুজ্জামান বলেন, "এই বিভাগের প্রতি নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত তন্ময়ের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা অনেক গভীর। আমি নিজের দায়িত্ব অত্যন্ত আনন্দের সাথে পালন শেষে এখান থেকে কোনো ব্যথা, যন্ত্রণা বা অপ্রাপ্তি ছাড়াই বিদায় নিচ্ছি। শিক্ষক হিসেবে পদ, পজিশন বা কোনো ব্যক্তিগত সুবিধার পেছনে না ছুটে সবসময় বিভাগে নিজের সর্বোচ্চ সময় ও শ্রম দিয়ে সেবা পৌঁছানোর চেষ্টা করেছি। বিভাগে নবনিযুক্তদের ওপর আমার গভীর আস্থা রয়েছে এবং আমি সবসময় বিশ্ববিদ্যালয়ে থেকে এই বিভাগের সাথেই যুক্ত থাকব।"

তিনি আরও বলেন, "সাংবাদিকরা সকল খবর ও ঘটনার আগে থাকে, যার মাধ্যমে বিভাগে এমন একঝাঁক সাহসী তরুণ তৈরি হবে যারা জীবন বাজি রেখে সততা ও ন্যায়ের জন্য লড়াই করবে। এটিই এই বিভাগের মূল উদ্দেশ্য ও ভাবনা। তন্ময়ের নেতৃত্বে এই অগ্রযাত্রা ভবিষ্যতে আরো সুন্দরভাবে এগিয়ে যাবে এবং সাংবাদিকতা বিভাগ সমস্ত ভাবনার শীর্ষে অবস্থান করবে বলেই আমার দৃঢ় বিশ্বাস।"

নবনিযুক্ত বিভাগীয় সভাপতি সহকারী অধ্যাপক তন্ময় সাহা জয় বলেন, “স্যারের প্রচেষ্টায় আমাদের বিভাগের শিক্ষার্থী সংখ্যা বৃদ্ধি হয়েছে। আমাদের বিভাগে শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি নিত্যনতুন চাহিদাও তৈরি হচ্ছে। পর্যাপ্ত ফান্ড ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নিশ্চিত করা গেলে শিক্ষার মান আরও উন্নত করা সম্ভব। তবে শিক্ষার্থীদের প্র্যাকটিক্যাল বা হাতে-কলমে দক্ষ করে তুলতে বিভাগীয় ল্যাবগুলোর আধুনিকায়ন ও দ্রুত সুসজ্জিতকরণ অত্যন্ত জরুরি। শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় বিভাগ এগিয়ে যাচ্ছে। আগামী দিনেও ল্যাবসহ যাবতীয় অবকাঠামোগত সমস্যা সমাধানে সকলের সম্মিলিত সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আমি আশাবাদী।”

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
উচ্চস্বরে কথা বলা নিয়ে ইবির বাসে তুমুল কাণ্ড
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ডাবল ডেকার বাস ‘গোধূলি’তে সিনিয়র-জুনিয়র শিক্ষার্থীদের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ করেছে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুষ্টিয়ার জেলখানা মোড়ে বাসটি পৌঁছানোর পর এ ঘটনা ঘটে। বাংলা বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রিয়াজুল ইসলাম হৃদয় অভিযোগ করেন, বাসে কয়েকজন শিক্ষার্থী পুরো পথ উচ্চস্বরে কথা বলছিলেন। বাস থেকে নামার সময় তিনি তাদের উচ্চস্বরে কথা না বলার অনুরোধ করেন। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আইসিটি বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের আবু সাইদ তাঁকে মারধর করেন। এতে তাঁর নাক ফেটে যায় বলে দাবি করেন হৃদয়। হৃদয়ের আরও অভিযোগ, ঘটনার সময় বাসের একটি গ্লাস ভেঙে যায় এবং ভিডিও ধারণের চেষ্টা করলে তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। এছাড়া তাকে হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ করেন তিনি। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আবু সাইদ বলেন, গন্তব্যে পৌঁছানোর পর বাংলা বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের বাপ্পির সঙ্গে আমার কথা কাটাকাটি হয়। গন্তব্যে পৌঁছানোর আগে আমাকে বললে হয়তো কথা বলতাম না। তিনি আরও বলেন, কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে একই বিভাগ ও শিক্ষাবর্ষের হৃদয় এসে আমার গায়ে আগে হাত তোলে। এতে আমার হাত কেটে যায় এবং আমার ল্যাপটপের ডিসপ্লে ভেঙে যায়। এ ঘটনায় ক্ষতিপূরণ হিসেবে আমি ৬৫ হাজার টাকা দাবি করছি। পাল্টাপাল্টি অভিযোগের পর আগামীকাল উভয় বিভাগের সভাপতি উপস্থিতিতে সভা হবে বলে জানা গেছে। প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, এবিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ জানায়নি। খোঁজ নিয়ে দেখছি এবং কেউ অভিযোগ দিলে দেখা হবে। আরটিভি/এসআর
উচ্চস্বরে কথা বলা নিয়ে ইবির বাসে তুমুল কাণ্ড
মাভাবিপ্রবিতে এক পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে বিষধর সাপের দংশন
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) শহিদ আবরার ফাহাদ হলের ড্রেনে কাজ করার সময় মিলন(৩০) নামের এক পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে বিষধর সাপে দংশন করেছে।
মাভাবিপ্রবিতে এক পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে বিষধর সাপের দংশন
মাভাবিপ্রবিতে টাঙ্গাইল সচেতন নাগরিক ফোরামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে টাঙ্গাইল সচেতন নাগরিক ফোরামের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
মাভাবিপ্রবিতে টাঙ্গাইল সচেতন নাগরিক ফোরামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
‘ইরানকে ঘিরে বড় সংঘাতের আলামত আগে থেকেই ছিল’
ইরানকে ঘিরে সংঘাত শুরুর আগেই সামরিক, রাজনৈতিক ও প্রচারণামূলক প্রস্তুতির মধ্য দিয়ে বড় ধরনের সংঘাতের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছিল বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত রুশ ফেডারেশনের রাষ্ট্রদূতের প্রেস সেক্রেটারি সোফিয়া কুতেপোভা।
‘ইরানকে ঘিরে বড় সংঘাতের আলামত আগে থেকেই ছিল’
বেরোবিতে পদোন্নতি বোর্ড নিয়ে হুলস্থুল কাণ্ড
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ইউজিসির নির্দেশনা অমান্য করে ১৫ জন এবং অর্নুগ্রাম বহির্ভূত ২৮৯ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নিয়মবহির্ভূত পদোন্নতি ও আপগ্রেডেশন দেওয়ার অভিযোগের মধ্যে নতুন করে এক কর্মকর্তার পদোন্নতি বোর্ড নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।  পদোন্নতির জন্য পূর্বের পদে চার বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন থাকলেও নতুন পদে যোগদানের তিন মাসের মাথায় ফের পদোন্নতির জন্য বোর্ড পেয়েছেন কর্মকর্তা ড. রোকনুজ্জামান। প্রতিবেদকের হাতে আসা বিশ্ববিদ্যালয়ের নথি সূত্রে জানা যায়, রোকনুজ্জামান ২০০৯ সালের ২২ ডিসেম্বর সেকশন অফিসার গ্রেড-১ পদে নিয়োগ পান। ২০১১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি তিনি জুনিয়র রিসার্চ অফিসার পদে অস্থায়ী নিয়োগ পান। পরে ৩৫তম সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তে তার অস্থায়ী পদের মেয়াদ বাড়িয়ে ২০১৩ সালের ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়। ২০১৪ সালের ২৩ মে অনুষ্ঠিত ৪০তম সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে স্থায়ী রিসার্চ অফিসার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। এরপর পদোন্নতি পেয়ে ২০২৬ সালের জুনে সিনিয়র রিসার্চ অফিসার পদে যোগ দেন রোকনুজ্জামান। বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা পদোন্নতি নীতিমালা অনুযায়ী, সিনিয়র রিসার্চ অফিসার থেকে প্রিন্সিপাল রিসার্চ অফিসার পদে পদোন্নতির জন্য চার বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন।  তবে যোগদানের প্রায় তিন মাসের মাথায় গত ৪ আগস্ট তাকে প্রিন্সিপাল রিসার্চ অফিসার পদে পদোন্নতির জন্য ফের বোর্ড দেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছেন।এছাড়া তাকে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সিন্ডিকেট সভায় নিয়ম বহির্ভূতভাবে তাকে ফের  পদোন্নতি দেওয়া হতে পারে বলেও জানান তারা। এ বিষয়ে ড. রোকনুজ্জামানের বক্তব্য জানতে ফোন করা হলে তিনি কল রিসিভ করেননি। পদোন্নতি বোর্ডের সদস্য কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রাশেদুল ইসলাম বলেন, কমিটির সদস্য হিসেবে এ পর্যায়ে এ বিষয়ে কিছু বলতে পারছি না। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সিন্ডিকেট সভায় বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ও মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম বলেন, এই কমিটিতে আমি নেই। তাই আমি কিছু বলতে পারছি না।তবে তিনি ১৫-১৬ বছর ধরে পদোন্নতি বঞ্চিত বলে আমাকে জানানো হয়েছিল।  তবে একাধিক শিক্ষক দাবি করেছেন, অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম এই পদোন্নতি বোর্ডের সদস্য ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শওকাত আলী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত হওয়ায় রোকনুজ্জামান ২০২৪ সালে একসঙ্গে দুটি পদোন্নতির আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৫ সালে তাঁকে একটি সিনিয়র রিসার্চ অফিসার পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়।  উপাচার্যের দাবি, তিনি দেরিতে যোগদান করেছেন। তবে তাঁর পদোন্নতির এক বছর পার হয়েছে এবং দীর্ঘদিন বঞ্চিত থাকায় তাকে ফের পদোন্নতি বোর্ড দেওয়া হয়েছে। আরটিভি/এসআর
বেরোবিতে পদোন্নতি বোর্ড নিয়ে হুলস্থুল কাণ্ড
আরও পড়ুন
ইবিতে ফুটবল খেলায় সংঘর্ষে তদন্ত কমিটি গঠন
চাকরিচ্যুত ইবির অধ্যাপক ড. শিপন 
বৃহস্পতিবারে নোটিশ, বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন শুক্রবারে, ভোগান্তিতে ইবি শিক্ষার্থীরা
ইবিতে চার বিভাগে নতুন সভাপতি নিয়োগ