ঢাকা বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩

‘জ্ঞান হারানোর পরও রড-স্ট্যাম্প দিয়ে পেটায়, আমার পরিচিত মুখগুলোই আমাকে আঘাত করছিল’

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০১ পিএম
হামলার শিকার জাককানইবির শিক্ষার্থী হোসাইন সাকিব। ছবি: আরটিভি

‘আমি জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে পড়ে যাওয়ার পরও তারা আমাকে রড ও স্ট্যাম্প দিয়ে মারতে থাকে। আমার পরিচিত মুখগুলোই আমাকে আঘাত করছিল।’ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাককানইবি) সাম্প্রতিক সংঘর্ষে মাথায় গুরুতর আঘাত পাওয়া ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের শিক্ষার্থী হোসাইন সাকিব এভাবেই বর্ণনা করেন তার ওপর হামলার ঘটনা।

গত বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে চলছিল নজরুল প্রিমিয়ার লীগ (এনপিএল) ক্রিকেট টুর্নামেন্ট। একই মাঠের পাশে ফুটবল খেলছিলেন ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থীরা। খেলার মাঠের বাউন্ডারির ভেতরে বারবার ফুটবল চলে যাওয়াকে কেন্দ্র করে টুর্নামেন্টের আয়োজক ও ফুটবল খেলতে থাকা শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে খেলা শেষে বিরোধ মীমাংসার জন্য দুই পক্ষ একত্র হলে আবারও বাগবিতণ্ডা থেকে হাতাহাতি শুরু হয়।

একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে দুই পক্ষের শিক্ষার্থীরা অগ্নিবীণা হলের সামনে এবং কলা ভবনের সামনে ও পেছনে কয়েক দফা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে ছয় শিক্ষার্থী আহত হন। তাদের মধ্যে চারজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে আরও দুজনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সেদিনের ঘটনার বর্ণনা দিয়ে হোসাইন সাকিব বলেন, আমি বিদ্রোহী হল থেকে এক বন্ধুর সঙ্গে হাঁটতে বের হয়ে সিঙ্গারা হাউসের দিকে যাচ্ছিলাম। মূলত কী নিয়ে মারামারি হচ্ছিল, তা আমি জানতাম না। মাঠের ভেতর দিয়ে যাওয়ার সময় দেখি, ব্যবস্থাপনা ও ফিন্যান্স বিভাগসহ কয়েকটি বিভাগের ৯০ থেকে ১০০ জন শিক্ষার্থী জড়ো হচ্ছেন। তাদের হাতে হাতুড়ি, স্ট্যাম্প, রড ও পাইপ ছিল।

তিনি বলেন, এ দৃশ্য দেখে কলা ভবনের সামনে গিয়ে নিজের বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থীকে সতর্ক করেন এবং ঝামেলা না করে সেখান থেকে চলে যেতে বলেন। এরপর তিনি নিজের মতো চলে যান। কিছুদূর যাওয়ার পর প্রক্টরের সামনেই ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থীরা ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সাকিবের ভাষ্য, পরে তিনি নির্মাণাধীন বিজ্ঞান অনুষদ ভবনের ফুটপাত দিয়ে পেছনের দিকে গিয়ে দাঁড়ান। সেখানে শুভ ও রবিউল নামের দুই বড় ভাই আসেন। তারা সেখান থেকে বিভাগের শিক্ষার্থীদের খোঁজখবর নিচ্ছিলেন এবং কার কতটা আঘাত লেগেছে, তা জানার চেষ্টা করছিলেন।

সাকিব বলেন, ঠিক তখনই ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল আমাদের দিকে এগিয়ে আসে। তাদের হাতে রড, স্ট্যাম্প ও হাতুড়ি ছিল। আমার সঙ্গে থাকা চারজন আগে দৌড়ে পালিয়ে যান। শুরুতে আমি পালানোর কথা ভাবিনি। কারণ, কল্পনাও করিনি যে তারা আমাকে মারবে, তাও আবার মেরে ফেলার মতো করে। আমি সবার শেষে দৌড় দিই। তখন শুনতে পাই, ‘এটা ইংলিশের, এটারেও ধর।’

এরপর তাকে ধাওয়া করে ধরে কলা ভবনের পেছনে একটি ড্রেনের ওপর ফেলে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন সাকিব। তিনি বলেন, তখনও আমি অবাক হয়ে ভাবছিলাম, এই পরিচিত মুখগুলোই আমাকে আঘাত করছে। আমার ডান হাতে ফোন ও ওয়ালেট ছিল। ড্রেনের ওপর পড়ে যাওয়ায় ফোনটি ভেঙে যায়। তাদের একজন আমার কপাল বরাবর রড দিয়ে আঘাত করে। পরপর তিনবার আঘাত করা হয়। আমি জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে পড়ে যাই। এরপরও তারা আমাকে রড ও স্ট্যাম্প দিয়ে মারতে থাকে।

নিজের ওপর হামলায় জড়িত হিসেবে ব্যবস্থাপনা বিভাগের দিদারুল, রায়হান, মাসুদ রানা মুবিন, জিলানী, হোসাইন, আরিফ, মশিউর রহমান সাহান ও রিয়াদ এবং ফিন্যান্স বিভাগের রায়হান তালুকদার ও নসিমের নাম উল্লেখ করেন সাকিব। তার অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী সিফাতের নেতৃত্বে এ হামলা হয়। শুধু ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী হওয়ায় তাকে আক্রমণের শিকার হতে হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

আঘাতের বর্ণনা দিতে গিয়ে সাকিব বলেন, পিঠ থেকে পা পর্যন্ত আঘাতের চিহ্ন ছিল, শরীর রক্তে ভরে যাচ্ছিল। রক্ত জমে নাক বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। মুখে রক্ত যাওয়ার পর আমার আবার জ্ঞান ফিরে আসে।

পরে বিভাগের শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহায়তায় প্রথমে তাকে ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সাকিব জানান, সেখানে সিটি স্ক্যান ও এক্স-রে করার পর ৪৮ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। পরে তাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়।

বর্তমান শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে সাকিব বলেন, আমি এখন বাসায় আছি। তবে মারধরের কারণে সারা শরীরে ব্যথা। ঘুমাতে পারছি না, মাথায় আঘাত নিয়ে শোয়া কষ্টকর। ঠিকমতো খেতেও পারছি না।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ছাত্রদল নেতাকর্মীদের ওপর হামলা মামলায় ববি ছাত্রলীগকর্মী তাজ আটক
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইমরান মাহমুদুলসহ তিন নেতাকর্মীর ওপর হামলার ঘটনায় করা মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগকর্মী তাইজুল ইসলাম তাজকে আটক করেছে পুলিশ।
ছাত্রদল নেতাকর্মীদের ওপর হামলা মামলায় ববি ছাত্রলীগকর্মী তাজ আটক
রামেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ঘোষণা
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রামেক) প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামের তীব্র সংকট, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তাহীনতা এবং হাসপাতালের অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ইন্টার্ন ডক্টরস সোসাইটি, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পক্ষ থেকে আগামীকাল বুধবার (২১ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে এ কর্মবিরতি পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। সংগঠনটির অভিযোগ, হাসপাতালের ভর্তি ওয়ার্ডগুলোতে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামের তীব্র সংকট রয়েছে। পাশাপাশি রোগীর স্বজনদের অবাধ প্রবেশ এবং দায়িত্বরত আনসার সদস্যদের দায়িত্ব পালনে অবহেলার কারণে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের প্রতিনিয়ত অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি ও সংঘবদ্ধ হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে। ইতোমধ্যে একাধিক ইন্টার্ন চিকিৎসককে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এমনকি রোগীর স্বজনদের হুমকির মুখে একজন নারী ইন্টার্ন চিকিৎসককে নিরাপত্তার স্বার্থে সাধারণ পোশাকে ওয়ার্ড ত্যাগ করতে হয়েছে বলেও জানিয়েছে সংগঠনটি। এ ছাড়া হাসপাতালের অবজারভেশন রুম ও ক্যাজুয়ালটি বিভাগ চালু না থাকায় ভর্তি ওয়ার্ডগুলোতে রোগীর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে। ফলে সীমিত জনবল ও চিকিৎসা সরঞ্জাম নিয়ে রোগীদের সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের। ইন্টার্ন চিকিৎসকদের দাবি, এসব সমস্যা সমাধানে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ একাধিকবার আশ্বাস দিলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত অসন্তোষ ও নিরাপত্তাহীনতার পরিপ্রেক্ষিতে তাঁরা কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ইন্টার্ন চিকিৎসকদের পাঁচ দাবি হলো ১. হাসপাতালের ভর্তি ওয়ার্ডগুলোতে পর্যাপ্ত ওষুধ ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামের সরবরাহ নিশ্চিত করা। ২. কর্মরত ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। ৩. একজন রোগীর সঙ্গে সর্বোচ্চ দুজন স্বজনের হাসপাতালে প্রবেশের নিয়ম কার্যকর করা। ৪. রোগী ভর্তির দিন ও পরবর্তী দিন সংশ্লিষ্ট সব ওয়ার্ডে আনসার সদস্যদের সক্রিয় উপস্থিতি নিশ্চিত করা। ৫. অনতিবিলম্বে হাসপাতালের ক্যাজুয়ালটি বিভাগ চালু করা। ইন্টার্ন ডক্টরস সোসাইটি জানিয়েছে, ঘোষিত কর্মবিরতির মধ্যেও দাবিগুলোর কার্যকর সমাধান না হলে পরবর্তী সময়ে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। আরটিভি/টিআর
রামেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ঘোষণা
‘বাইক চালানোর কারণে’ শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায় তরিকুলের, অতঃপর...
শ্বাসকষ্টজনিত কারণে মারা গেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) কমিউনিকেশন অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তরিকুল ইসলাম। তার মৃত্যুতে বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তারা শোক প্রকাশ করেছেন। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে দ্রুত ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তরিকুলের বাড়ি চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলায়। তিনি ঝিনাইদহ শহরের পাগলা কানাই এলাকার একটি মেসে থাকতেন। পারিবারিক ও বিভাগীয় সূত্রে জানা গেছে, তরিকুল দীর্ঘদিন ধরে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। এর আগে গত কোরবানির ঈদের সময় প্যানিক অ্যাটাকের কারণে তাকে তিন দিন নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন থাকতে হয়েছিল। সে সময় চিকিৎসা শেষে তার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও মঙ্গলবার আবার একই সমস্যার পুনরাবৃত্তি ঘটে। শারীরিক জটিলতা বেড়ে গেলে সহপাঠী ও বন্ধুরা তাকে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে চিকিৎসকদের সর্বাত্মক চেষ্টা সত্ত্বেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। জার্নালিজম বিভাগের প্রভাষক জাকির হোসেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে শোক প্রকাশ করে লেখেন, তরিকুলের অকালপ্রয়াণে গভীরভাবে শোকাহত ও মর্মাহত। কিছু বিদায় মেনে নেওয়া খুবই কঠিন। মহান আল্লাহ তরিকুলকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। এ বিষয়ে কমিউনিকেশন অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম বিভাগের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক তন্ময় সাহা জয় বলেন, বিভাগের শিক্ষার্থী তরিকুলের মৃত্যুতে আমরা উদ্বিগ্ন। জানতে পেরেছি, এর আগেও তার এমন সমস্যা হয়েছিল। গতকাল বাইক চালানোর কারণে ঠান্ডা লেগে শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। আজ হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আমরা পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছি। আরটিভি/টিআর
‘বাইক চালানোর কারণে’ শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায় তরিকুলের, অতঃপর...
এক বছরেও শুরু হয়নি ছাত্রদল নেতা জোবায়েদ হত্যার বিচার
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ছাত্রদল নেতা জোবায়েদ হোসেন হত্যার এক বছর পূর্ণ হয়েছে। তবে এখনো শুরু হয়নি মামলার বিচার কার্যক্রম। সন্তান হত্যার বিচার দেখতে অপেক্ষার প্রহর গুনছেন তার বৃদ্ধ বাবা-মা।
এক বছরেও শুরু হয়নি ছাত্রদল নেতা জোবায়েদ হত্যার বিচার
জবিতে জিমনেসিয়ামের জন্য জায়গা বরাদ্দ, সরঞ্জাম কিনবে জকসু
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) জিমনেসিয়াম স্থাপনের জন্য জায়গা বরাদ্দ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সাজিদ ভবনের নিচে গ্যারেজের একটি অংশে এ জিমনেসিয়াম স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)।
জবিতে জিমনেসিয়ামের জন্য জায়গা বরাদ্দ, সরঞ্জাম কিনবে জকসু
আরও পড়ুন
মিসরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ১৩, আহত ৩৪
হামলার আশঙ্কায় মধ্যপ্রাচ্যের ১২ দেশে মার্কিন নাগরিকদের সতর্কতা
সুদানে ড্রোন হামলায় কয়েক দিনে নিহত ১৬০, বাড়ছে বেসামরিক প্রাণহানি
হুতিদের হামলার জেরে সৌদিতে স্থগিত আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সম্মেলন