
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) জিমনেসিয়াম স্থাপনের জন্য জায়গা বরাদ্দ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সাজিদ ভবনের নিচে গ্যারেজের একটি অংশে এ জিমনেসিয়াম স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)। জায়গাটি প্রস্তুত করে দেওয়া হলে সংসদের নিজস্ব অর্থায়নে সেখানে শরীরচর্চার সরঞ্জাম স্থাপন করা হবে।
জানা গেছে, জকসুর ক্রীড়া সম্পাদক জর্জিস আনোয়ার নাঈমের উদ্যোগে দীর্ঘদিন ধরে জিমনেসিয়াম স্থাপনের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছিল। নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথম দিনই তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন। উপাচার্য ইতিবাচক মনোভাব দেখালেও জায়গার সংকটসহ বিভিন্ন কারণে তখন উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হয়নি। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি ভবনের ছাদে জিমনেসিয়াম স্থাপনের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল।
পরে জকসুর একটি সভায় ক্যাম্পাসে মাদক নির্মূলের বিষয়টি আলোচনায় এলে গ্যারেজের একটি অংশে জিমনেসিয়াম স্থাপনের প্রস্তাব দেন জর্জিস আনোয়ার। তার যুক্তি ছিল, ওই জায়গায় রাতে মাদক সেবনের অভিযোগ রয়েছে। সেখানে জিমনেসিয়াম স্থাপন করা হলে জায়গাটির ব্যবহার বাড়বে এবং মাদক সেবন প্রতিরোধেও সহায়ক পরিবেশ তৈরি হবে। সভায় উপাচার্য প্রস্তাবটির সঙ্গে একমত হন এবং এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জকসু সূত্রে জানা গেছে।
জকসু সূত্র জানিয়েছে, সিদ্ধান্তের পর জায়গাটি প্রস্তুত করা নিয়ে জটিলতা দেখা দেয়। পরে জকসুর পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান একাধিকবার উপাচার্যের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল দপ্তরের মাধ্যমে জিমনেসিয়ামের জন্য জায়গা বরাদ্দ দেওয়া হয়।
বরাদ্দ পাওয়া জায়গাটি তুলনামূলক ছোট হওয়ায় এর পরিসর বাড়ানোর জন্য প্রশাসনের কাছে নতুন করে প্রস্তাব দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে জকসুর। ছুটির পর জায়গাটি প্রস্তুত করে দেওয়া হলে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কেনা ও স্থাপনের কাজ শুরু করবে সংসদ। জায়গা প্রস্তুত হওয়ার পর এক থেকে দুই দিনের মধ্যে সরঞ্জাম স্থাপন করা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন জকসুর সংশ্লিষ্টরা।
জকসুর ক্রীড়া সম্পাদক জর্জিস আনোয়ার নাঈম আরটিভিকে বলেন, প্রশাসন আমাদের জিমনেসিয়ামের জন্য জায়গা বরাদ্দ দিয়েছে। ছুটির পর জায়গাটি প্রস্তুত করে দিলে জকসুর নিজস্ব অর্থায়ন ও ব্যবস্থাপনায় সরঞ্জাম স্থাপন করব। জায়গাটি কিছুটা ছোট হওয়ায় এর পরিসর বাড়ানোর জন্যও প্রস্তাব দেব। জকসুর ভিপি ও জিএসসহ অন্য প্রতিনিধিদের সহযোগিতায় আমরা উদ্যোগটি বাস্তবায়নের চেষ্টা করছি। আশা করছি, জায়গা প্রস্তুত হওয়ার পর এক থেকে দুই দিনের মধ্যেই সরঞ্জাম স্থাপন করতে পারব।
আরটিভি/এমএম


