ঢাকা বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩

এবার ‘ফর্মুলা স্টুডেন্ট কার’ বানাচ্ছে রুয়েটের টিম অ্যানেক্স রুয়েট

রুয়েট সংবাদদাতা, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৩ পিএম
ছবি : আরটিভি

ফর্মুলা কার্ট নির্মাণে সাফল্য অর্জনের পর সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এবার ফর্মুলা স্টুডেন্ট কার নির্মাণ করতে যাচ্ছে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) একদল তরুণ প্রকৌশল শিক্ষার্থী। রুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থীদের দল ‘টিম অ্যানেক্স রুয়েট’ প্রথমবারের মতো ফর্মুলা স্টুডেন্ট কার নির্মাণের কাজ শুরু করেছে।

২০২৭ সালে চীনে অনুষ্ঠিতব্য ফর্মুলা স্টুডেন্ট চায়না (এফএসসি) প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের লক্ষ্য নিয়ে বর্তমানে কাজ করছে ৪৫ সদস্যের এই দল। ইতোমধ্যে গাড়িটির চ্যাসিস নির্মাণ ও চাকা অ্যাসেম্বলিসহ বেশ কিছু কাঠামোগত কাজ সম্পন্ন করেছে তারা। প্রয়োজনীয় তহবিল সংগ্রহ এবং দলের সদস্যদের ধারাবাহিক প্রচেষ্টায় বাকি যন্ত্রাংশ নির্মাণ ও কারিগরি উন্নয়নের লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে টিম অ্যানেক্স রুয়েট।

টিম অ্যানেক্স ইতিপূর্বে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ এবং সাফল্যের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। ২০২৩ সালে ভারতের তামিলনাড়ুতে অনুষ্ঠিত ফর্মুলা কার্ট ডিজাইন কম্পিটিশনের সপ্তম আসরে অংশ নেয় দলটি। সেখানে তারা বিজনেস টিম বিভাগে ষষ্ঠ স্থান অর্জন করে। ২০২৫ সালেও একটি পূর্ণাঙ্গ ফর্মুলা কার্ট নির্মাণ করেছিল দলটি। তবে ভিসা জটিলতার কারণে শেষ পর্যন্ত ভারতে অনুষ্ঠিত ওই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। ২০২০ সালে ফর্মুলা স্টুডেন্ট চেক রিপাবলিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের লক্ষ্যে তারা আরেকটি কার্ট তৈরি করলেও কোভিড মহামারির কারণে অংশগ্রহণ করতে পারেনি। এ ছাড়া ২০১৯ সালে নাসা আয়োজিত নাসা হিউম্যান এক্সপ্লোরেশন রোভার চ্যালেঞ্জে (এইচইআরসি) অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতাও রয়েছে টিম অ্যানেক্সের।

এসব অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এবং প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে এবার আরও বড় পরিসরে নিজেদের প্রকৌশল দক্ষতা তুলে ধরতে চায় দলটি। বর্তমানে আটটি সাবটিমে বিভক্ত হয়ে পরিকল্পিতভাবে কাজ করছে তারা। সাবটিমগুলো হলো—টেকনিক্যাল, ডিজাইন, ইলেকট্রিক্যাল, বিজনেস, পিআর অ্যান্ড মিডিয়া, ম্যানুফ্যাকচারিং, লেজিসলেটিভ এবং কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স অ্যান্ড সেফটি। গাড়িটির নকশা, যান্ত্রিক ও বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা, উৎপাদন এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিভিন্ন কাজ এসব সাবটিমের মাধ্যমে সমন্বিতভাবে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে টিম অ্যানেক্সের ক্যাপ্টেন ও যন্ত্রকৌশল বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নোমান জামান দিপু বলেন, আমাদের ইতোমধ্যে প্রাথমিক ডিজাইন, সিমুলেশন এবং চ্যাসিসের ফেব্রিকেশন শেষ। এখন আমরা সাসপেনশন এবং স্টিয়ারিং সিস্টেম নিয়ে কাজ করছি। সঠিক সময়ের মধ্যে গাড়ির সম্পূর্ণ কাজ শেষ করার ব্যাপারে আমরা আশাবাদী।

চ্যাসিস ও চাকার কাজ শেষ হলেও গাড়িটির অন্যান্য যান্ত্রিক ও বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা নির্মাণ, বিভিন্ন যন্ত্রাংশের সমন্বয় এবং পরীক্ষা এখনো বাকি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব কাজ সম্পন্ন করে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নেওয়াই দলটির অন্যতম লক্ষ্য।

টিমকে সার্বিকভাবে এগিয়ে নিতে উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহেদ হাসান খান তুষার, অধ্যাপক ড. মো. রবিউল ইসলাম সরকার, অধ্যাপক ড. মো. নুরুল ইসলাম এবং অধ্যাপক মো. ওয়াহেদুল ইসলামসহ বিভাগের আরও কয়েকজন শিক্ষক।

আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের এ উদ্যোগ সফল করতে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহযোগিতা, সরঞ্জাম ও পৃষ্ঠপোষকতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ফর্মুলা স্টুডেন্ট কার নির্মাণের মাধ্যমে নিজেদের প্রকৌশল দক্ষতা তুলে ধরার পাশাপাশি বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে প্রযুক্তি উদ্ভাবনের সক্ষমতাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উপস্থাপন করতে চায় টিম অ্যানেক্স রুয়েট।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ক্লিনিক্যাল গবেষণায় তৈরি হচ্ছে নতুন সম্ভাবনা
দেশে ক্লিনিক্যাল গবেষণার মানোন্নয়ন, দক্ষ গবেষক তৈরি ও আন্তর্জাতিক গবেষণা সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে যাত্রা শুরু করেছে ‘বাংলাদেশ একাডেমি অব ক্লিনিক্যাল রিসার্চ সোসাইটি’। গবেষকদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ, কর্মশালা ও বৈজ্ঞানিক সম্মেলন আয়োজনের পাশাপাশি গবেষণার নৈতিক মান নিশ্চিত করতে কাজ করবে সংগঠনটি। গত ১৩ অক্টোবর সোসাইটিজ রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট, ১৮৬০-এর অধীনে সংগঠনটির নিবন্ধন সনদ ইস্যু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশের চিকিৎসক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্বাস্থ্য খাতের গবেষকদের দক্ষতা বাড়াতে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে গবেষণাপদ্ধতি, তথ্য সংগ্রহ ও ব্যবস্থাপনা, পরিসংখ্যানগত বিশ্লেষণ, বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ রচনা এবং আন্তর্জাতিক গবেষণা সাময়িকীতে প্রকাশনার বিষয়ে প্রশিক্ষণ। বিশেষ করে তরুণ চিকিৎসক ও নবীন গবেষকদের গবেষণার প্রশ্ন নির্ধারণ থেকে শুরু করে উপযুক্ত গবেষণাপদ্ধতি নির্বাচন, তথ্য বিশ্লেষণ ও ফলাফল প্রকাশ পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে দক্ষ করে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে তাত্ত্বিক আলোচনার পাশাপাশি ব্যবহারিক ও হাতে-কলমে প্রশিক্ষণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এ ছাড়া গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের নিরাপত্তা, ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা ও অবহিত সম্মতি নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক নীতিমালা অনুসরণের ওপর গুরুত্ব দেবে সংগঠনটি। বাংলাদেশ মেডিক্যাল রিসার্চ কাউন্সিলের (বিএমআরসি) নির্দেশনা ও প্রচলিত আইন অনুসরণ করে প্রাতিষ্ঠানিক গবেষণা নৈতিকতা কমিটি গঠন ও পরিচালনার উদ্যোগও রয়েছে। সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. শাহ মো. আহসান শহীদ গবেষণার গুণগত মান নিশ্চিত করতে গবেষকদের পদ্ধতিগত প্রশিক্ষণ ও গবেষণার নৈতিকতা আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছেন। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. এ. এন. এম. মোজাম্মেল হক জানান, গবেষকদের দক্ষতা উন্নয়নে পরিকল্পিত প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, কর্মশালা ও গবেষণা সহায়তামূলক কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী সদস্য মো. হাসিবুল হাসান বলেন, গবেষণাকে শুধু একাডেমিক প্রকাশনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগ, নিরাপদ খাদ্য, পুষ্টি ও রোগ প্রতিরোধে গবেষণাভিত্তিক জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি নীতিনির্ধারকদের জন্য বৈজ্ঞানিক তথ্য তৈরিতেও কাজ করবে সংগঠনটি। এদিকে দেশের গবেষকদের আন্তর্জাতিক পরিসরে যুক্ত করতে দেশি-বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথ গবেষণা, প্রশিক্ষণ এবং গবেষণাপত্র প্রকাশের সুযোগ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে সংগঠনটির। পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সম্মেলন, সেমিনার, কর্মশালা ও ওয়েবিনার আয়োজন করা হবে। এসব আয়োজনে তরুণ গবেষকদের গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন ও গবেষণাভিত্তিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরির কথাও জানিয়েছে সোসাইটি। সংগঠনটির কর্মকর্তারা জানান, বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি, গবেষণার নৈতিকতা ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে একটি গবেষণাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলাই তাদের মূল লক্ষ্য। এর মাধ্যমে দেশের ক্লিনিক্যাল গবেষণার সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি গবেষণালব্ধ জ্ঞান জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নে কাজে লাগাতে চান তারা। আরটিভি/টিআর
ক্লিনিক্যাল গবেষণায় তৈরি হচ্ছে নতুন সম্ভাবনা
তিন মাসে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত ৯ শিক্ষার্থী
গত তিন মাসে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনটি রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসব সংঘর্ষে আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন প্রায় ৯ জন শিক্ষার্থী। পরপর তিনটি সংঘর্ষের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তাব্যবস্থা ও প্রক্টরিয়াল বডির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। প্রথম সংঘর্ষ: ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে ত্রিমুখী সংঘর্ষ মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলে বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেতার অন্তর্ভুক্তিকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় রাত ১২টার দিকে বিদ্রোহী হলের সামনে সিনিয়র ও জুনিয়রদের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতি ও সংঘর্ষ হয়। প্রথম দফার সংঘর্ষে আহত হয়ে শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহজালাল আহমেদ জনি হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। এর কয়েক ঘণ্টা পর বুধবার (২৯ জুলাই) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্নিবীণা হলের ডাইনিংয়ে দ্বিতীয় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, অগ্নিবীণা হলের ডাইনিংয়ে খাবার খাওয়ার সময় ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলকর্মী রিজওয়ানুল করিম রাব্বী ছাত্রদলের এক পক্ষের হামলার শিকার হন। পরে আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ফুটেজে হামলাকারীদের হাতে লাঠি ও লোহার রড দেখা যায়। এ হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। কিছুক্ষণ পর উভয় পক্ষ আবারও অগ্নিবীণা ও বিদ্রোহী হলের সামনে মুখোমুখি হলে তৃতীয় দফায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। জানা গেছে, রিজওয়ানুল করিম রাব্বী আগে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাকে তিন বছরের জন্য বহিষ্কার করে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর ছাত্রলীগের পরিচয় পরিবর্তন করে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের রাজনীতিতে যুক্ত হন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। দ্বিতীয় সংঘর্ষ: ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে ফের সংঘর্ষ বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে আবারও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। শাখার আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব ও সদস্যসচিব মামুন সরকারের অনুসারীদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। এতে গুরুতর আহত হন নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তানজীম লাবিব। রাতে অগ্নিবীণা হলের সামনে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় লাবিব মাথায় আঘাত পেয়ে গুরুতর আহত হলে তাকে ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। তার মাথায় ছয়টি সেলাই দিতে হয়। প্রত্যক্ষদর্শী ও একাধিক সূত্রের বরাতে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি ভবনের সামনে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়। সেখানে প্রকাশ্যে গাঁজা সেবনের বিষয়টি নিয়ে সদস্যসচিবের অনুসারী রাশেদুল হাসান রাতুল চারুকলা বিভাগের দুই শিক্ষার্থীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। পরে তাদের মধ্যে বাক্‌বিতণ্ডা হয়। চারুকলা বিভাগের ওই শিক্ষার্থীরা আহ্বায়ক হাবিবের অনুসারী বলে জানা গেছে। এরপর আহ্বায়ক হাবিবের একটি মিছিলে এ ঘটনার জের ধরে রাতুল ও সদস্যসচিবের অন্য অনুসারীদের মধ্যে আবারও বাক্‌বিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তি হয়। এ ঘটনার সময় সদস্যসচিব মামুন সরকারকে নিয়ে কটূক্তি করার অভিযোগে যুগ্ম আহ্বায়ক ইনানকে বিদ্রোহী হল থেকে অগ্নিবীণা হলের সামনে নিয়ে আসেন সদস্যসচিব ও তার অনুসারীরা। পরে অগ্নিবীণা হলের সামনে আহ্বায়ক হাবিবের অনুসারীরা উপস্থিত হলে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি থেকে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এ সংঘর্ষে উসকানি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শাখা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক শাহাবুল আলম ও সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে। সংঘর্ষের পর এক পক্ষ অগ্নিবীণা হলে এবং অন্য পক্ষ বিদ্রোহী হলে অবস্থান নেয়। এ সময় পুরো ক্যাম্পাসে থমথমে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে প্রক্টরিয়াল বডির উপস্থিতিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তৃতীয় সংঘর্ষ: এনপিএল টুর্নামেন্টকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ছয় বুধবার (১৪ অক্টোবর) নজরুল প্রিমিয়ার লিগ (এনপিএল) টুর্নামেন্ট চলাকালে অন্য পক্ষের খেলার বল সীমানার ভেতরে চলে যাওয়াকে কেন্দ্র করে কয়েক দফায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এতে ছয় শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হন। তাদের হাসপাতালে নেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে এনপিএল টুর্নামেন্ট চলাকালে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়। পরে খেলার মাঠ, অগ্নিবীণা হলের সামনে, কলা ভবনের সামনে ও পেছনে চার দফায় সংঘর্ষ হয়। আহত ছয় শিক্ষার্থীর মধ্যে চারজনকে গুরুতর অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে আরও দুজনকে সেখানে নেওয়া হয়। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, এনপিএল চলাকালে খেলার মাঠের বাউন্ডারির ভেতরে বল চলে যাওয়াকে কেন্দ্র করে টুর্নামেন্টের আয়োজক ও বাউন্ডারির কাছে ফুটবল খেলতে থাকা শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রথমে বাক্‌বিতণ্ডা ও গালিগালাজ হয়। খেলা শেষ হওয়ার পর বিরোধ মীমাংসার জন্য দুই পক্ষ একত্র হলে আবারও বাক্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে হাতাহাতি হয়। এ সময় ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ১৬ ব্যাচের শুভকে ২০ ব্যাচের এক শিক্ষার্থী চড় মারেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ উঠেছে, এর প্রতিশোধ নিতে অগ্নিবীণা হল ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনের সামনে এনপিএল আয়োজক কমিটির সদস্য সিফাত, নাসিম ও আরেক খেলোয়াড়কে লাঠিসোঁটা দিয়ে মারধর করেন মাঠে ফুটবল খেলতে আসা ইংরেজি এবং লোকপ্রশাসন ও সরকার পরিচালনা বিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থীরা। পরে হামলাকারীরা কলা ভবনের সামনে অবস্থান নেন। পরে ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী ও আয়োজক কমিটির সদস্য সিফাতের নেতৃত্বে প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী কলা ভবনের সামনে গেলে প্রক্টরের উপস্থিতিতেই দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় কলা ভবনের সামনে অবস্থানরত ইংরেজি এবং লোকপ্রশাসন ও সরকার পরিচালনা বিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থীদের একটি পক্ষ সেখান থেকে সরে যায়। পরে তাদের খুঁজতে গিয়ে কলা ভবনের পেছনে তিনজনকে পেয়ে রড ও স্টাম্প দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুর রহমান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে তার সঙ্গেও ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেন অভিযুক্ত শিক্ষার্থীরা বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় মারধরের ভিডিও ধারণ করতে গেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আরটিভির প্রতিনিধি আবু তাহেরের ওপরও চড়াও হন শিক্ষার্থীরা। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় তার মুঠোফোন কেড়ে নিয়ে জোরপূর্বক ভিডিও মুছে ফেলা হয়, তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। পরে আহত ইংরেজি, লোকপ্রশাসন ও চারুকলা বিভাগের শিক্ষার্থী রবিউল, সাকিব, রাফি ও রোমানকে ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। অন্য পক্ষের দিদারুল ইসলাম আঘাত পেয়ে ত্রিশাল মেডিকেল সেন্টারে ভর্তি হন। আর সিফাত ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন বলে জানা গেছে। সংঘর্ষ এড়াতে যা বলছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সংঘর্ষ এড়ানোর বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আশরাফুল আলম বলেন, সিনিয়র-জুনিয়রদের মধ্যে সংঘর্ষ এড়াতে প্রথমে বিভাগগুলোকে দায়িত্ব নিতে হবে। বিভাগের শিক্ষকদের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কাউন্সেলিং করা হলে তা বেশি কার্যকর হবে। কারণ, শিক্ষার্থীরা বিভাগের শিক্ষকদের নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং শিক্ষকদের প্রতি তাদের যথেষ্ট সম্মান রয়েছে। তিনি বলেন, শিক্ষকেরা নিয়মিত কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সচেতন করবেন, যাতে তারা কোনো ধরনের সংঘর্ষে না জড়ান। সিনিয়ররা যেন জুনিয়রদের স্নেহ করেন এবং জুনিয়ররা যেন সিনিয়রদের সম্মান করেন। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের সচেতন করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তর রয়েছে। আরটিভি/টিআর
তিন মাসে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত ৯ শিক্ষার্থী
চাকসুর উদ্যোগে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতিগ্রন্থ ‘জুলাইগাঁথার’ মোড়ক উন্মোচন
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) উদ্যোগে প্রকাশিত জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতিচারণমূলক গ্রন্থ ‘জুলাইগাঁথার’ মোড়ক উন্মোচন করেছেন চাকসুর প্রতিনিধিরা। বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় চাকসু ভবন প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গ্রন্থটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জুলাই আন্দোলনের দুই শহীদ হৃদয় চন্দ্র ও ফরহাদ হোসেনের প্রতি গ্রন্থটি উৎসর্গ করা হয়েছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ ৬৭ জন লেখকের স্মৃতিচারণ স্থান পেয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গ্রন্থটির সম্পাদকীয় উপদেষ্টা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক, চাকসুর সহসভাপতি (ভিপি) ইব্রাহীম হোসেন রনি, সাহিত্য সম্পাদক হারেস মাতাব্বর, সহসম্পাদক জিহাদ আহনাফ এবং সম্পাদনা সহযোগী মুহাম্মদ রিয়াদ উদ্দিন। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক মোহাম্মদ আলী, চাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সাঈদ বিন হাবিব, মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনবিষয়ক সম্পাদক মোনায়েম শরীফ, যোগাযোগ ও আবাসনবিষয়ক সম্পাদক মো. ইসহাক ভুঁইয়া, বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, পাঠাগার ও ক্যাফেটেরিয়াবিষয়ক সম্পাদকসহ চাকসুর অন্যান্য প্রতিনিধি। অনুষ্ঠানে গ্রন্থটির সম্পাদকীয় উপদেষ্টা মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, ‘জুলাই নিয়ে চাকসুর এই বইটি একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। জুলাইয়ের মধ্য দিয়ে আমরা নতুন বাংলাদেশ ও ভিন্নমত প্রকাশের স্বাধীনতা পেয়েছি। কিন্তু জুলাই-পরবর্তী বাংলাদেশে আমরা যে পরিবর্তন চেয়েছিলাম, তা কি আদৌ এসেছে?’ চাকসুর ভিপি ইব্রাহীম হোসেন রনি বলেন, এই বইয়ের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জুলাই বিপ্লবের স্মৃতিগুলো একত্রে দলিল হয়ে থাকবে। আমরা বিশ্বাস করি, এই দেশে আর কেউ যদি স্বৈরাচার হয়ে উঠতে চায়, তাদের বলব, এখান থেকে শিক্ষা নিন। গ্রন্থটির সম্পাদক হারেস মাতাব্বর বলেন, জুলাইয়ের স্মৃতি ও ইতিহাস মলাটবদ্ধ করার অন্যতম উদ্দেশ্য হলো, বাংলাদেশে ভবিষ্যতে কোনো শাসক যদি ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠতে চায়, তাহলে পরবর্তী প্রজন্ম যেন জুলাইয়ের ইতিহাস ও চেতনাকে ধারণ করে তার বিরুদ্ধে কথা বলতে পারে। গ্রন্থটির বিশেষত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, এতে চট্টগ্রামের ১৬ জন শহীদের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি ১ থেকে ৩৬ জুলাই পর্যন্ত চট্টগ্রামের আন্দোলনের ঘটনাপ্রবাহ সংক্ষেপে উল্লেখ করা হয়েছে। আরটিভি/টিআর
চাকসুর উদ্যোগে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতিগ্রন্থ ‘জুলাইগাঁথার’ মোড়ক উন্মোচন
ছাত্রদল নেতাকর্মীদের ওপর হামলা মামলায় ববি ছাত্রলীগকর্মী তাজ আটক
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইমরান মাহমুদুলসহ তিন নেতাকর্মীর ওপর হামলার ঘটনায় করা মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগকর্মী তাইজুল ইসলাম তাজকে আটক করেছে পুলিশ।
ছাত্রদল নেতাকর্মীদের ওপর হামলা মামলায় ববি ছাত্রলীগকর্মী তাজ আটক
রামেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ঘোষণা
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রামেক) প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামের তীব্র সংকট, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তাহীনতা এবং হাসপাতালের অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ইন্টার্ন ডক্টরস সোসাইটি, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পক্ষ থেকে আগামীকাল বুধবার (২১ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে এ কর্মবিরতি পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। সংগঠনটির অভিযোগ, হাসপাতালের ভর্তি ওয়ার্ডগুলোতে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামের তীব্র সংকট রয়েছে। পাশাপাশি রোগীর স্বজনদের অবাধ প্রবেশ এবং দায়িত্বরত আনসার সদস্যদের দায়িত্ব পালনে অবহেলার কারণে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের প্রতিনিয়ত অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি ও সংঘবদ্ধ হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে। ইতোমধ্যে একাধিক ইন্টার্ন চিকিৎসককে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এমনকি রোগীর স্বজনদের হুমকির মুখে একজন নারী ইন্টার্ন চিকিৎসককে নিরাপত্তার স্বার্থে সাধারণ পোশাকে ওয়ার্ড ত্যাগ করতে হয়েছে বলেও জানিয়েছে সংগঠনটি। এ ছাড়া হাসপাতালের অবজারভেশন রুম ও ক্যাজুয়ালটি বিভাগ চালু না থাকায় ভর্তি ওয়ার্ডগুলোতে রোগীর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে। ফলে সীমিত জনবল ও চিকিৎসা সরঞ্জাম নিয়ে রোগীদের সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের। ইন্টার্ন চিকিৎসকদের দাবি, এসব সমস্যা সমাধানে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ একাধিকবার আশ্বাস দিলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত অসন্তোষ ও নিরাপত্তাহীনতার পরিপ্রেক্ষিতে তাঁরা কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ইন্টার্ন চিকিৎসকদের পাঁচ দাবি হলো ১. হাসপাতালের ভর্তি ওয়ার্ডগুলোতে পর্যাপ্ত ওষুধ ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামের সরবরাহ নিশ্চিত করা। ২. কর্মরত ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। ৩. একজন রোগীর সঙ্গে সর্বোচ্চ দুজন স্বজনের হাসপাতালে প্রবেশের নিয়ম কার্যকর করা। ৪. রোগী ভর্তির দিন ও পরবর্তী দিন সংশ্লিষ্ট সব ওয়ার্ডে আনসার সদস্যদের সক্রিয় উপস্থিতি নিশ্চিত করা। ৫. অনতিবিলম্বে হাসপাতালের ক্যাজুয়ালটি বিভাগ চালু করা। ইন্টার্ন ডক্টরস সোসাইটি জানিয়েছে, ঘোষিত কর্মবিরতির মধ্যেও দাবিগুলোর কার্যকর সমাধান না হলে পরবর্তী সময়ে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। আরটিভি/টিআর
রামেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ঘোষণা