ঢাকা শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩

রোববার থেকে এইচএসসির ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন, কীভাবে করবেন

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৪ এএম
ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১১টার কিছু আগে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফল প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, এ বছর পরীক্ষায় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। সারাদেশে মোট ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।

ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, চলতি বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। আর জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হার ৪৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। পাশাপাশি এই বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ৩১৩ জন শিক্ষার্থী।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্র ছিলেন ৬ লাখ ২১ হাজার ৯৬৯ জন এবং ছাত্রী ছিলেন ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৬১৪ জন। অর্থাৎ, এবার ছাত্রদের তুলনায় ২৬ হাজার ৬৪৫ জন বেশি ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নেন।

সারাদেশের ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। এ বছর সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোতে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

এদিকে ফলাফল প্রকাশের পর তা নিয়ে অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীরা উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করার সুযোগ পাচ্ছেন। আগামী রোববার (১ নভেম্বর) থেকে অনলাইনে এ আবেদন গ্রহণ শুরু হবে, যা চলবে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থীদের আবেদন ও ফি পরিশোধের কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।

যেভাবে আবেদন করবেন
ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণের জন্য শিক্ষার্থীদের ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের নির্ধারিত অনলাইন পোর্টালে প্রবেশ করতে হবে। আবেদন করতে হবে https://rescrutiny.eduboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে। এ ক্ষেত্রে রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড নির্বাচন করে সাবমিট বাটনে ক্লিক করতে হবে।

এরপর আবেদনকারীর একটি সচল মোবাইল নম্বর দিতে হবে। পুনঃনিরীক্ষণের ফলাফল প্রকাশিত হলে ওই নম্বরেই এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানানো হবে। পরবর্তী ধাপে শিক্ষার্থীর বিষয়ভিত্তিক ফলাফল প্রদর্শিত হবে। সেখান থেকে যেসব বিষয়ের উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণ করতে চান, সেগুলো নির্বাচন করে ‘ফি প্রদান করুন’ অপশনে যেতে হবে।

শিক্ষাবোর্ড নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি পত্রের জন্য আবেদন ফি ১৫০ টাকা। কোনো বিষয়ে দুটি পত্র থাকলে উভয় পত্রের জন্যই আবেদন করতে হবে। বিষয় নির্বাচন শেষে পরবর্তী স্ক্রিনে মোট প্রদেয় ফির পরিমাণ দেখা যাবে।

আবেদনের ফি পরিশোধ করা যাবে বিকাশ, নগদ, ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের রকেট, উপায় এবং সোনালী সেবার মাধ্যমে। পেমেন্ট সম্পন্ন করার বিস্তারিত নির্দেশনা জানতে আবেদন পোর্টালের ‘হেল্প’ অপশন অনুসরণ করতে হবে।

ফি পরিশোধের পর পুনরায় আবেদন পোর্টালে প্রবেশ করে ‘জমা দিন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। এই ধাপ সম্পন্ন হলেই আবেদন জমা দেয়ার প্রক্রিয়া শেষ হবে।

শিক্ষাবোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী, একজন শিক্ষার্থী ফি পরিশোধ করে আবেদন জমা দেয়ার পরও নতুন কোনো বিষয়ে পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে একই পদ্ধতিতে বিষয় নির্বাচন করে ফি পরিশোধ করতে হবে। তবে নতুন করে মোবাইল নম্বর দেয়ার প্রয়োজন হবে না।

অন্যদিকে, ফি পরিশোধের আগে আবেদন সংশোধন বা পরিবর্তনের সুযোগ থাকবে। এ জন্য ‘মুছে ফেলুন’ অপশনে গিয়ে যেসব বিষয় নির্বাচন করা হয়েছে, কিন্তু যেগুলোর ফি এখনো দেয়া হয়নি, সেগুলো প্রত্যাহার করে নতুন করে বিষয় নির্বাচন করা যাবে।

তবে একবার কোনো বিষয়ের আবেদন ফি জমা দেয়া হলে সেই বিষয় আর বাতিল করা যাবে না। একই সঙ্গে কোনো অবস্থাতেই পরিশোধিত আবেদন ফি ফেরত দেয়া হবে না।

শিক্ষাবোর্ড জানিয়েছে, উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন সম্পূর্ণ অনলাইনভিত্তিক। তাই সরাসরি বা ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না। আগ্রহী শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
নতুন দায়িত্ব পেলেন শিক্ষামন্ত্রী
সরকারি কর্মচারীদের বেতন কাঠামো ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পুনর্মূল্যায়নে গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটিতে সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
নতুন দায়িত্ব পেলেন শিক্ষামন্ত্রী
শিশুর প্রকৃত শিখন নিশ্চিতে সমন্বিত উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার: ববি হাজ্জাজ
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে শুধু বিদ্যালয়ের অবকাঠামো নির্মাণ বা শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করাই যথেষ্ট নয়। বরং প্রতিটি শিশু বিদ্যালয়ে এসে কী শিখছে, তার মৌলিক শিক্ষার ভিত্তি কতটা মজবুত হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার সার্বিক উন্নয়নে সরকার শিখনফল, পুষ্টি, শিক্ষক উন্নয়ন, কার্যকর মনিটরিং এবং জবাবদিহিতাকে সমান গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলা পরিষদে আয়োজিত ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফিডিং কর্মসূচি’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় প্রধান শিক্ষকদের ওরিয়েন্টেশন এবং প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা কি আমাদের সন্তানদের প্রাথমিক শিক্ষার মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত ও যথাযথ শিক্ষা দিতে পারছি? আমার মনে হয়, এখনো আমরা সেই জায়গায় পৌঁছাতে পারিনি। তবে এর অর্থ এই নয় যে, শিক্ষকরা চেষ্টা করছেন না কিংবা তাদের দায়িত্ব পালনে ঘাটতি রয়েছে। আমাদের দেখতে হবে, কোথায় কোথায় ঘাটতি রয়েছে এবং সম্মিলিতভাবে কীভাবে সেগুলো দূর করা যায়। শিক্ষকদের বিদ্যালয়ের সমস্যা, প্রয়োজন ও উন্নয়নসংক্রান্ত প্রস্তাব সরাসরি তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি। শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক পর্যায়েই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে। পরবর্তী সময়ে মাধ্যমিকে যাওয়ার পথে এ সংখ্যা আরও বাড়ছে। কোনো শিশুই যেন বিদ্যালয়ের বাইরে না থাকে, সে লক্ষ্যে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় পুষ্টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিদ্যালয়ে তাদের ধরে রাখা এবং নিয়মিত শিখন কার্যক্রমে সম্পৃক্ত রাখাও এ কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)-এর সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের বয়স অনুযায়ী আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত পুষ্টিমান বিবেচনায় রেখে খাবারের মান নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কর্মসূচির আওতায় বিদ্যালয়গুলোতে খাবার সংরক্ষণের জন্য স্টোরেজ সুবিধা গড়ে তোলার বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি খাবারের গুণগত মান নিয়ে কোনো সমস্যা দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবহিত করে প্রয়োজনীয় পরীক্ষার জন্য ল্যাবরেটরিতে পাঠানোর নির্দেশনা দেন তিনি। এক্ষেত্রে গুজব বা অসম্পূর্ণ তথ্যের পরিবর্তে যথাযথ পরীক্ষা ও তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৫) অনুমোদিত হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষার অবকাঠামো ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় উন্নয়নে নতুন উদ্যোগ বাস্তবায়নের সুযোগ তৈরি হবে। তবে উন্নয়ন প্রকল্পের সুফল পেতে নির্মাণকাজের প্রতিটি পর্যায়ে যথাযথ তদারকি ও গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে। নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার কিংবা অনিয়মের কারণে যেন নতুন অবকাঠামো দ্রুত নষ্ট না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ৩১ লাখ শিক্ষার্থী স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় রয়েছে। ভবিষ্যতে এ কর্মসূচি সম্প্রসারণ করে ২০২৭ সালে প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ শিক্ষার্থীকে এর আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এত বড় পরিসরে কর্মসূচি বাস্তবায়নে কার্যকর ব্যবস্থাপনা, স্থানীয় অংশগ্রহণ এবং যথাযথ তদারকি নিশ্চিত করতে হবে। সভায় সভাপতিত্ব করেন হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. জি. এম. সরফরাজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ড. রেজা কিবরিয়া, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির বাংলাদেশের হেড অব প্রোগ্রাম জেসি উড, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক এবং বাহুবল উপজেলা নির্বাহী অফিসার। সভায় বাহুবল উপজেলার সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরে প্রতিমন্ত্রী হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলার বিষ্ণুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দারাগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বিদ্যালয় দু’টিতে চলমান স্কুল ফিডিং কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে খাবার বিতরণ ও খাবারের গুণগত মান, সংরক্ষণ এবং পরিবেশন ব্যবস্থার খোঁজখবর নেন। আরটিভি/টিআর
শিশুর প্রকৃত শিখন নিশ্চিতে সমন্বিত উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার: ববি হাজ্জাজ
প্রাথমিকের ৩ লাখ ৮৩ হাজার শিক্ষক পাচ্ছেন একটি করে ট্যাব
প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে ৪১ হাজার ৯০ কোটি টাকা ব্যয়ে পঞ্চম প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৫) অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।
প্রাথমিকের ৩ লাখ ৮৩ হাজার শিক্ষক পাচ্ছেন একটি করে ট্যাব
‘কারিগরি শিক্ষার উন্নয়নে চীনের সঙ্গে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি করতে হবে’
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের সূচনা হয়েছিল। তার সেই সম্পর্কের ধারাবাহিকতা আজও বজায় রয়েছে।
কারিগরি শিক্ষার উন্নয়নে চীনের সঙ্গে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি করতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী
এইচএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা
বুধবার (৪ নভেম্বর) বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এইচএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা
আরও পড়ুন
ডেঙ্গু প্রতিরোধে চট্টগ্রামে বিএনপির লিফলেট বিতরণ
চবিতে ছাত্রদল নেতার অবৈধ দোকানের সংবাদে ছবি প্রকাশ নিয়ে সাংবাদিকের নামে জিডি
স্ত্রীর ছবি ফেসবুকে প্রকাশ, বন্ধুকে হত্যার দায়ে কুয়েতে বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল কখন জানা যাবে