ঢাকা শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

ফ্যাক্টওয়াচের যাচাই

সান্ডার তেল কি সত্যিই যৌনশক্তি বাড়ায়

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ মে ২০২৫, ০৮:৫২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক যেন হঠাৎই ছেয়ে গেছে ‘সান্ডা’ নিয়ে আলোচনায়। কফিল নামের এক ব্যক্তির ছেলের জন্য সান্ডা ধরা ও রান্নার ছবি-ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর মুহূর্তেই এ নিয়ে শুরু হয় ট্রল, মিম আর আলোচনা। অনেকেই হাস্যরসের উপাদান হিসেবে দেখছেন বিষয়টিকে। এদিকে পুরাতন গুজব ছড়িয়ে পড়েছে নতুন করে – সান্ডার তেল নাকি যৌনশক্তি বাড়ায়। ‘সান্ডার তেল’ কি সত্যিই যৌনশক্তি বাড়ায়?

সান্ডা নিয়ে নানান গুজব ও তথ্য যাচাই করে আজ (২০ মে) একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান ফ্যাক্টওয়াচ। সেখানে তুলে ধরা হয়েছে সান্ডার বিস্তারিত। ফেসবুকের কিছু সাধারণজ্ঞান ভিত্তিক পেজে জানানো হচ্ছে সান্ডা কেবল বাতাস খেয়ে বেঁচে থাকে! ফ্যাক্টওয়াচ বলছে এ তথ্যের কোনো ভিত্তি নেই। প্রতিটি প্রাণিকেই বেঁচে থাকার জন্য এমন জৈব যৌগ গ্রহণ করতে হয়, যা শরীরের কোষে গিয়ে শক্তি তৈরি করে। বাতাসের মধ্যে যেহেতু এমন শক্তি তৈরির মতো উপাদান নেই, তাই বাতাস খেয়ে কোনো প্রাণী বেঁচে থাকতে পারে না। সান্ডা মূলত তৃণভোজী প্রাণী। ঘাস, সবজি এবং ফলমূলই তাদের খাদ্য। অপ্রাপ্তবয়স্ক সান্ডা মাঝে মাঝে ছোট পোকামাকড়ও খায়।

সান্ডা একটি চতুস্পদ প্রাণী, যা মেরুদন্ডী এবং সরীসৃপ শ্রেণীভুক্ত। আকারে ২৫ থেকে ৯০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হতে পারে। আমাদের দেশে এই সরীসৃপটি খুব একটা দেখা যায় না। মূলত আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য এবং ভারতীয় উপমহাদেশের শুষ্ক এলাকায় এদের বসবাস। অনেকেই সান্ডা এবং গুইসাপকে মিলিয়ে ফেলছেন। ছবি বানাতে গিয়ে সান্ডাকে গুইসাপ বা গুইসাপকে সান্ডা বলে চালিয়ে দিচ্ছেন। উভয় প্রাণীই সরীসৃপ শ্রেণীভুক্ত। সান্ডা এবং গুইসাপ দুটি প্রাণী একই শ্রেণি এবং বর্গর অন্তর্ভুক্ত হলেও পরিবার ও গণের পার্থক্য রয়েছে। এদের আচার আচরণেও পার্থক্য রয়েছে।

সান্ডা মূলত শুষ্ক, পাথুরে ও মরুভূমি অঞ্চলের প্রাণী। অন্যদিকে গুইসাপ বাস করে জলাভূমি, নদীপাড় এবং ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলে। সান্ডা প্রধানত নিরীহ প্রকৃতির ও শাকাহারী, যার খাদ্যতালিকায় বিভিন্ন গাছপালা ও শাকসবজি থাকে। অন্যদিকে, গুইসাপ একটি মাংসাশী ও সর্বভুক প্রাণী, যা মাছ, ব্যাঙ, ইঁদুর থেকে শুরু করে মৃতদেহ পর্যন্ত খেতে সক্ষম। আকারের দিক থেকে গুইসাপ সান্ডার তুলনায় অনেক বড় ও ওজনদার, গুইসাপের দৈর্ঘ্য যেখানে ৩ মিটার পর্যন্ত হতে পারে, সেখানে সান্ডার দৈর্ঘ্য সাধারণত ২৫ থেকে ৯০ সেন্টিমিটার হয়।

সান্ডা বা গুইসাপের মাংস কি খাবার যোগ্য?
ফ্যাক্টওয়াচ জানাচ্ছে, বিশ্বের অনেক জনপদেই সরীসৃপ খাওয়ার রেওয়াজ রয়েছে। সান্ডা বা গুইসাপও খাওয়া হয়। সৌদি আরব বা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে সান্ডা বেশ জনপ্রিয় খাদ্য। দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোতে ইগুয়ানা নামক অন্য আরেক প্রজাতির সরীসৃপ বেশ জনপ্রিয় খাবার। আবার মালয়েশিয়াসহ দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে গুইসাপও খাওয়া হয়।

বাংলাদেশের বান্দরবানে কয়েকটি রেস্তোরাঁয় গুইসাপের মাংস পরিবেশন বিষয়ক ভ্লগ দেখা গেছে। সাধারণভাবে গুইসাপের মাংসের স্বাদ মুরগির মাংসের সাথে, এবং সান্ডার মাংসকে সুস্বাদু মাছের সাথে তুলনা করা হয়। আরব নিউজে প্রকাশিত একটি নিবন্ধে সান্ডাকে মরুভূমির মাছ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ইন্দোনেশিয়ার সুনান কালিযাকা স্টেট ইসলামিক ইউনিভার্সিটি ইয়োগিয়াকার্টা থেকে ২০১৭ সালে প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে সান্ডাকে হালাল (খাবার যোগ্য) এবং গুইসাপকে হারাম (খাবার অযোগ্য) আখ্যা দেওয়া হয়েছে।

তথ্য যাচাই
সান্ডা ভেবে গুইসাপ খেয়ে যুবক অসুস্থ– এমন শিরোনামযুক্ত কিছু খবর এবং ফটোকার্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখা যাচ্ছে। স্পষ্টত, রসিকতা হিসেবে এসব ফটোকার্ড তৈরি করা হলেও, কোনো কোনো ফেসবুক ব্যবহারকারী বিষয়টি বিশ্বাস করে নানান রকম প্রশ্ন করছেন। আবার রাজনৈতিক ব্যক্তিদের ছবি ব্যবহার করেও সান্ডা ইস্যুতে আক্রমণ করা হচ্ছে। ফ্যাক্টওয়াচ জানাচ্ছে, ছড়িয়ে পড়া এসব ধারণার মধ্যে দুটি ভুল তথ্য রয়েছে।

প্রথমত, গুইসাপ পুকুরে বাস করে না, বরং মাটির গর্তে বা শুষ্ক পাথুরে জায়গায় বাস করে। তবে এদের পানিতে সাতার কাটার সক্ষমতাও রয়েছে। দ্বিতীয়ত, গুইসাপের মাংস কোনো বিষাক্ত খাবার নয়। বাংলাদেশের বান্দরবানসহ বিশ্বের বেশ কিছু দেশে স্থানীয় বাসিন্দা গুইসাপ রান্না করে খায়। বাণিজ্যিকভাবে সেখানকার স্থানীয় রেস্তোরাঁগুলোতেও গুইসাপের মাংস বিক্রি হয়। এই মাংস খাওয়ায় স্বাস্থ্যগত কোনো সমস্যা হয় না।

সান্ডার তেল কি যৌনশক্তি বর্ধক?
না। এমন ক্ষমতার কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি। কুসংস্কারের ওপর ভিত্তি করে এই প্রাণীর চর্বি বা শরীরের নির্দিষ্ট অঙ্গ সেবন করার কথা শোনা গেছে। তবে এসবের কোনো কার্যকারিতা না থাকলেও, প্লাসিবো ইফেক্টের কারণে কেউ কেউ এর ফলে নিজেকে অধিকতর সুস্থ বা সক্ষম ভাবতে পারেন।

বাংলাদেশে সান্ডা বেশ দুর্লভ একটি প্রাণী। তাহলে ‘সান্ডার তেল’-এর নামে কী বিক্রি হচ্ছে? ‘নিউজবাংলা টুয়েন্টিফোর ডটকম’ কয়েক বছর আগে সান্ডার তেল নিয়ে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করে। প্রতিবেদক সেখানে ক্রেতা সেজে ঢাকার কারওরান বাজারের একটি ‘হারবাল দাওয়াখানা’ নামক দোকানে যান। বিক্রেতা শুরুতে দাবি করেন, তিনি সান্ডার তেল বিক্রি করেন। সৌদি আরব থেকে কিছু ব্যবসায়ীর মাধ্যমে তিনি এই তেল আমদানি করেন। তবে সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর দোকানী স্বীকার করেন, এগুলো সান্ডার তেল নয়। নারিকেল তেল আর পাম অয়েল একসঙ্গে করে দুই একটা গাছের শেকড় দিয়ে আগুনে জ্বালিয়ে সেটাকে ছোট ছোট বোতলে ভরে ‘সান্ডার তেল’ নামে বিক্রি করছেন।

আরটিভি/একে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
৬০০ বছর আগে বিলুপ্ত হওয়া মোয়া পাখিকে প্রকৃতিতে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বায়োটেকনোলজি প্রতিষ্ঠান কলোসাল বায়োসায়েন্সেসের বিজ্ঞানীরা প্রায় ৬০০ বছর আগে পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া বিশালাকার মোয়া পাখিকে আবার প্রকৃতিতে ফিরিয়ে আনার উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন। এটি ‘জুরাসিক পার্ক’ সিনেমার মতো কল্পকাহিনির আদলে বাস্তবায়িত হওয়ার চেষ্টা। এর আগে প্রতিষ্ঠানটি প্রাগৈতিহাসিক ডায়ার উলফ বা নেকড়ে ফিরিয়ে আনার কাজেও আলোচনায় এসেছিল। মোয়া ছিল নিউজিল্যান্ডের উড়তে না পারা বিশালাকার পাখি, যার উচ্চতা প্রায় ১২ ফুট এবং ওজন ৫০০ পাউন্ডের বেশি ছিল। মাওরি জনগোষ্ঠী নিউজিল্যান্ডে বসতি স্থাপনের পর অতিরিক্ত শিকারের কারণে এই বিশালাকার পাখিটি বিলুপ্ত হয়ে যায়। এই প্রকল্পে ‘লর্ড অব দ্য রিংস’খ্যাত পরিচালক স্যার পিটার জ্যাকসনও যুক্ত রয়েছেন এবং তিনি প্রকল্পের একজন প্রধান বিনিয়োগকারী। নিউজিল্যান্ডের নাই টাহু রিসার্চ সেন্টার, মাওরি সম্প্রদায় ও ইউনিভার্সিটি অব ক্যান্টারবেরির সঙ্গে সমন্বয়ে কাজ করা হচ্ছে। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, মোয়া ফিরিয়ে আনা ডায়ার উলফের চেয়ে অনেক বেশি জটিল কারণ মোয়ার নিকটতম জীবিত আত্মীয় ‘টিনামু’ পাখির সঙ্গে বিবর্তনের দূরত্ব কোটি কোটি বছর। নতুন পরিকল্পনায় কোনো জীবিত পাখির ভ্রূণে জেনেটিক্যালি মোয়ার কোষ স্থাপন করা হবে, যা ডিম ও শুক্রাণু তৈরি করতে পারবে। পরবর্তীতে সেই ডিম থেকে মোয়ার ছানা জন্ম নিতে পারে। বর্তমানে ইমু পাখিকে সারোগেট হিসেবে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, কারণ ইমুর উচ্চতা মোয়ার কাছাকাছি হলেও মোয়ার ডিম ইমুর চেয়ে অনেক বড় হওয়ায় ভ্রূণ বৃদ্ধিতে সমস্যা হতে পারে। এই প্রকল্প সফল হলে, বিলুপ্ত মোয়া পাখির পুনরুত্থান হবে এবং প্রকৃতিতে তার অবদান ফিরে আসবে। সূত্র: এনডিটিভি আরটিভি/এসকে
৬০০ বছর আগে বিলুপ্ত হওয়া মোয়া পাখিকে প্রকৃতিতে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ
২৯ ডিসেম্বর: ইতিহাসে আজকের এই দিনে
ঘটে যাওয়া আজকের এই দিনের ঘটনা, অনেক আলোচিত-সমালোচিত ব্যক্তির জন্ম-মৃত্যু আমরা জানতে চাই। পাঠকের এ চাওয়া মাথায় রেখে নিয়মিত আয়োজন ‘ইতিহাসের এই দিনে’। আজ সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫। ১৪ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ। ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া নানান ঘটনা। ঘটনাবলি ১৫০৩ - ক্যারিগনিয়ানোর যুদ্ধে স্পেনের কাছে ফ্রান্স পরাজিত হয়।১৭৭৮ - যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা যুদ্ধ: সাড়ে তিন হাজার ব্রিটিশ সেনাসহ লেফটেন্যান্ট কর্নেল আর্চবেল্ড ক্যামবেল জর্জিয়াতে বন্দি হন। ইংরেজ সেনাবাহিনী জর্জিয়ার সাভানাহ দখল করে।১৮৬০ - ব্রিটেনের প্রথম লৌহবৃত্ত যুদ্ধজাহাজ এইচএমএস ওয়ারিয়র সাগরে ভাসানো হয়।১৮৯০ - যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ডাকোটার ওনডেড নি খাড়িতে আন্দোলনরত আদিবাসীদের ওপর নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালায় মার্কিন সেনারা। এতে ১৫৩ জন নিহত হন, যার বেশিরভাগ ছিল নারী ও শিশু। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের আদিবাসীদের ভূমি রক্ষার আন্দোলনের চির সমাপ্তি ঘটে। ইতিহাসে এটি ‘ওনডেড নি হত্যাযজ্ঞ’ নামে কুখ্যাত হয়ে আছে।১৯১১ - সান ইয়াৎ সেন চীনের অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিয়োগ পান। খান সাম্রাজ্য থেকে মঙ্গোলিয়ার স্বাধীনতা লাভ।১৯৩০ - স্যার মো. ইকবাল দুই দেশ ভাগ করা ও পাকিস্তান নির্মাণের জন্য একটা রূপরেখা প্রকাশ করেন।১৯৪০ - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: লন্ডনে বিমান হামলার ফলে সেকেন্ড গ্রেট ফায়ার লন্ডন সৃষ্টি হয়। এতে প্রায় ২০০ সাধারণ মানুষ নিহত হন।১৯৭২ - ভারতের কলকাতায় প্রথম মেট্রোরেলের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। মার্কিন পত্রিকা ‘লাইফ’-এর প্রকাশনা বন্ধ হয়ে যায়।১৯৭৫ - নিউইর্য়কের লা গ্রেডিয়া এয়ারপোর্টে বোমা বিস্ফোরণে ১১ জন নিহত ও ৭৪ জন আহত হন।১৯৮৯ - ১৯৪৮-এর পর চেকোস্লাভাকিয়ার প্রথম অকমিউনিস্ট প্রেসিডেন্ট হলেন ভাকলাভ হাভেল।১৯৯২ - কেনিয়ায় ২৫ বছর পর প্রথম প্রেসিডেন্ট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।১৯৯৬ - গুয়েতামালা সরকারের সঙ্গে গুয়েতামালার গেরিলা সংগঠন গুয়েতামালা ন্যাশনাল রেভুলেশন ইউনিয়নের নেতাদের সঙ্গে শান্তি চুক্তি করা হয়। এর ফলে দীর্ঘ ৩৬ বছরের গৃহযুদ্ধ শেষ হয়।২০০০ - বাংলাদেশে ঈদুল আজহার রাতে চাঁদপুরের মতলব উপজেলার ষাটনল এলাকায় মেঘনা নদীতে এমভি জলকপোত এবং এমভি রাজহংসী নামের দুটি যাত্রীবাহী লঞ্চের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে রাজহংসী লঞ্চটি পানিতে তলিয়ে যায়। ওই লঞ্চের ১৬২ জন যাত্রীর প্রাণহানি হয়েছিল।২০০৪ - বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত মুঠোফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান টেলিটক যাত্রা শুরু করে।২০০৮ - বাংলাদেশে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট বিজয়ী হয়। জন্ম ৭৬৫ - আলী আর-রিদা, দ্বাদশী শিয়া মুসলমানদের অষ্টম ইমাম।১৭০৯ - পিটার দ্য গ্রেটের কন্যা এলিজাবেথ পেত্রোভনা।১৮০০ - ভলকানাইজড রাবারের উদ্ভাবক চার্লস গুডইয়ার।১৮০৮ - এন্ড্রু জন‌সন, যুক্তরাষ্ট্রের সপ্তদশ প্রেসিডেন্ট।১৮৪৪ - উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় ভারতীয় ব্যারিস্টার, ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রথম সভাপতি।১৮৬৩ - সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠাতা।১৮৭৩ - সাহিত্যিক, সংগীতশিল্পী ইন্দিরা দেবী চৌধুরানী।১৯১৪ - শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন, বাংলাদেশি প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী।১৯১৭ - রামায়ণ (টেলিভিশন ধারাবাহিক) খ্যাত হিন্দি চলচ্চিত্র পরিচালক রামানন্দ সাগর।১৯২৬ - নোবেলজয়ী পাকিস্তানি পরমাণু বিজ্ঞানী আবদুস সালাম (পদার্থবিজ্ঞানী)।১৯৩৪ - নিত্যপ্রিয় ঘোষ, ভারতীয় বাঙালি প্রাবন্ধিক ও রবীন্দ্র বিশেষজ্ঞ।১৯৪২ - রাজেশ খান্না, ভারতীয় ফিল্ম তারকা।১৯৪৯ - সৈয়দ কিরমানী, ভারতীয় ক্রিকেটার।১৯৬০ - ডেভিড বুন, অস্ট্রোলিয়ান ক্রিকেটার।২০০২ - মুসফেকুস সোয়ালেহীন ফাহাদ। তিনি বিখ্যাত সৎ মানুষ সারতাজ আরেফিনের ভাই। মৃত্যু ১৮৯১ -জার্মান গণিতবিদ লিওপল্ড ক্রোনেকার।১৯২২ - অম্বিকাচরণ মজুমদার, বাঙালি রাজনীতিবিদ, আইনজীবী, সমাজসেবী এবং ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি ছিলেন।১৯২৬ -জার্মান কবি রাইনার মারিয়ার রিলক।১৯৭৯ - ভূপেন্দ্র কুমার দত্ত, ভারতীর, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন সক্রিয় কর্মী এবং বিপ্লবী।১৯৯৫ - মোনাজাতউদ্দিন, বাংলাদেশি সাংবাদিক।২০০৩ - সালমা সোবহান, বাংলাদেশের প্রখ্যাত ব্যরিস্টার, শিক্ষক, মানবাধিকারকমী।২০০৬ - নজরুলগীতির জনপ্রিয় শিল্পী ধীরেন বসু।২০১২ - টনি গ্রেগ, ইংরেজ টেস্ট ক্রিকেটার ও ক্রিকেট ধারাভাষ্যকার।২০১৫ - প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি সঙ্গীতশিল্পী সুবীর সেন।২০২০ - পিয়েরে কার্দিন বিশ্ব বিখ্যাত ফরাসি ফ্যাশন ডিজাইনার।২০২২ - বিশ্বখ্যাত ব্রাজিলের কিংবদন্তি ফুটবলার এডসন আরান্তেস দো নাসিমেন্তো, সারা বিশ্বে যিনি পেলে নামে বিখ্যাত।  আরটিভি/একে
২৯ ডিসেম্বর: ইতিহাসে আজকের এই দিনে
বৈবাহিক সম্পর্কে প্রতারণা, জেন জি’রা কীভাবে দেখেন
২০২৫ সালে দাঁড়িয়ে সম্পর্কের সংজ্ঞা বদলেছে আমূল। ল্যান্ডফোনের জমানায় বেড়ে ওঠা আশি বা নব্বই দশকের প্রজন্মের কাছে সম্পর্কের যে ব্যাকরণ ছিল সহজ ও ছকে বাঁধা, বর্তমান সময়ে তা যেন নতুন মোড়কে নতুন এক গোলকধাঁধা। সম্প্রতি একটি কোল্ডপ্লে কনসার্টে এক বিলিয়নিয়ার কোম্পানির সিইও ও তার প্রতিষ্ঠানের এইচআর প্রধানের ‘অন্তরঙ্গ’ মুহূর্ত সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। যদিও এটি ব্যক্তিগত বিষয়, কিন্তু আধুনিক যুগের সম্পর্কের জটিলতা আর প্রতারণার সংজ্ঞাকে তা আবারও প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। আজকের জেন জি প্রজন্মের অভিধানে প্রেম মানে কেবলই চিরস্থায়ী বন্ধন নয়। তাদের জীবন আবর্তিত হচ্ছে সিচুয়েশনশিপ, গোস্টিং আর ব্রেডক্রাম্বিংয়ের মতো নিত্যনতুন সব শব্দের ভিড়ে। সম্পর্কের ক্ষেত্রে দায়বদ্ধতা আর পিছুটান ছাপিয়ে এখনকার সময়ে ব্যক্তিভেদে সম্পর্কের অর্থও আলাদা। ২১ বছর বয়সী নিলুফার (ছদ্মনাম) কাছে যেমন জীবনের স্বাধীনতা আর অভিজ্ঞতাই মুখ্য। তার কাছে সম্পর্কের চূড়ান্ত পরিণতি মানেই বিয়ে নয়, বরং সফল হওয়া এবং নিজেকে শানিয়ে তোলা। সম্পর্কের ‘সীমানা’ বিষয়েও তার দৃষ্টিভঙ্গি বেশ নমনীয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্য কাউকে লাইক দেওয়াকে সে প্রতারণা মনে করে না। এমনকি সঙ্গী অন্য কাউকে ডেটে নিয়ে গেলে সেও নিজের সুবিধা ও স্বাধীনতা অনুযায়ী চলায় বিশ্বাসী। অন্যদিকে, কর্মজীবনের ব্যস্ততা ও করপোরেট সংস্কৃতির চাপ সম্পর্কের বিশ্বস্ততাকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে ঠেকেছে। ২৫ বছর বয়সী আবেদ (ছদ্মনাম), যিনি একটি বহুজাতিক সংস্থায় কর্মরত, তার মতে সারাদিনের দীর্ঘ সময় সহকর্মীদের সাথে কাটানোর পর আলাদাভাবে রোমান্টিক সম্পর্কে মনোযোগ দেওয়া বেশ কঠিন। তার চারপাশের বিবাহিত সহকর্মীদের দেখে তিনি বুঝেছেন, বর্তমান সময়ে স্বামী বা স্ত্রীর প্রতি বিশ্বস্ততার টান অনেকটাই ফিকে হয়ে এসেছে। ফলে দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্কের বদলে ফারহান এখন ক্যাজুয়াল ডেটিংয়েই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। আরও পড়ুন নিঃশব্দে সম্পর্ক ভেঙে দেয় যে ৩ অভ্যাস তার ভাষায়, একজনের প্রতি বিশ্বস্ত থাকাটা বেশ ঝামেলার কাজ। মজার ছলে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ২০২৫ সালেও কি ‘সত্যিকারের ভালোবাসা’ বলে কিছু টিকে আছে? সাধারণত সম্পর্কের প্রতারণাকে নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখা হলেও বর্তমান প্রজন্মের কাছে এর সংজ্ঞা ব্যক্তিভেদে ভিন্ন। আর্থিক টানাপোড়েন, পারিবারিক সমস্যা বা ব্যক্তিগত অপূর্ণতা মানুষকে অনেক সময় নতুন সঙ্গীর দিকে ঠেলে দেয়। অনেকে মনে করেন, তৃতীয় ব্যক্তির আগমনেই সম্পর্কের মৃত্যু ঘটে এবং কিছু সীমারেখা কখনোই অতিক্রম করা উচিত নয়। কিন্তু এই সীমারেখা ঠিক কোথায় টানা হবে, তা নিয়েই এখনকার প্রজন্মের সাথে আগের প্রজন্মের রয়েছে বিস্তর মতভেদ। সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে সম্পর্কের ধরন যত জটিল হচ্ছে, ততই বিস্ময় নিয়ে পুরনো প্রজন্ম দেখছে জেন জি’র এই বিবর্তনশীল প্রেম আর প্রতারণার নতুন সংজ্ঞায়ন। আরটিভি/এএইচ
বৈবাহিক সম্পর্কে প্রতারণা, জেন জি’রা কীভাবে দেখেন
কাটা কান পায়ের পাতায় বাঁচিয়ে রেখে মাথায় বসালেন চিকিৎসকরা
চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাসে এক অভিনব ও নজিরবিহীন সফলতা অর্জন করলেন চীনের শানডং প্রভিন্সিয়াল হাসপাতালের চিকিৎসকরা। এক ভয়াবহ শিল্প দুর্ঘটনায় এক নারীর বিচ্ছিন্ন হওয়া কান পায়ের পাতার ত্বকের নিচে সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করে, কয়েক মাস পর সেটি সফলভাবে আবার মাথায় প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। এটি বিশ্বে প্রথম এই ধরনের অস্ত্রোপচার। ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনায় ওই নারীর মাথার চামড়া এবং একটি কান পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। মুখমণ্ডল ও ঘাড়ের ত্বকও ছিন্নভিন্ন হওয়ায় সরাসরি কান পুনঃস্থাপন সম্ভব হয়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হাসপাতালের মাইক্রোসার্জারি ইউনিটের প্রধান কিউ শেনকিয়াং এক অভিনব পদ্ধতি গ্রহণ করেন। চিকিৎসকরা কানটি পচন থেকে রক্ষা করতে এবং রক্ত সঞ্চালন সচল রাখতে নারীর পায়ের পাতার ত্বকের নিচে সেটি প্রতিস্থাপন করেন। পায়ের রক্তনালীর মাধ্যমে কানটি সজীব রেখে রাখা হয় যতক্ষণ না মাথার ক্ষত শুকিয়ে আবার পুনঃস্থাপনের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি হয়। দীর্ঘ কয়েক মাসের সংরক্ষণের পর সম্প্রতি সফল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে কানটি পা থেকে বিচ্ছিন্ন করে আবার মাথায় বসানো হয়। বর্তমানে কানটি সুস্থ এবং সেখানে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রয়েছে। আরও পড়ুন ২৬টি মামলা জিতে অবশেষে গ্রেপ্তার ‘ভুয়া আইনজীবী’ এই অপারেশন চিকিৎসাবিজ্ঞানে এক নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে এবং ভবিষ্যতে জটিল বিচ্ছিন্ন অঙ্গ পুনঃস্থাপনের ক্ষেত্রে নতুন উদাহরণ স্থাপন করেছে। আরটিভি/এসকে
কাটা কান পায়ের পাতায় বাঁচিয়ে রেখে মাথায় বসালেন চিকিৎসকরা
২৬টি মামলা জিতে অবশেষে গ্রেপ্তার ‘ভুয়া আইনজীবী’
কেনিয়ায় এক অবিশ্বাস্য কাহিনি সামনে এসেছে যেখানে ব্রায়ান মওয়েন্ডা ন্টউইগা নামের এক ব্যক্তি নিজেকে দক্ষ আইনজীবী পরিচয় দিয়ে টানা ২৬টি মামলা জিতে সবাইকে স্তম্ভিত করে তুলেছিলেন। কিন্তু এক রহস্য ফাঁস হলে জানা যায়, তার আইন বিষয়ে কোনো প্রশিক্ষণ বা যোগ্যতা ছিল না। ব্রায়ান অত্যন্ত চালাক ও চতুর। তিনি হ্যাক করে কেনিয়ার ল’ সোসাইটির পোর্টালে আসল আইনজীবীদের প্রোফাইলে নিজের ছবি বসিয়ে দেন। ফলে বিচারক এবং ক্লায়েন্টরা কেউই বুঝতে পারেননি যে তিনি আসলে একজন ভুয়া আইনজীবী। তার আত্মবিশ্বাসী বক্তব্য এবং কোর্টরুমে দৃঢ় উপস্থিতি তাকে দীর্ঘদিন ধরে সবাইকে বোকা বানিয়ে রাখতে সাহায্য করেছিল। কিন্তু অবশেষে তার প্রতারণার ছদ্মবেশ ধরা পড়ে। পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে এবং এই ঘটনা এখন কেনিয়ার বিচারব্যবস্থা ও আইনজীবীদের যাচাই–বাছাই প্রক্রিয়ার উপর নতুন করে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। আরও পড়ুন এবার ক্যানসার সারাবে ব্যাঙ-গিরগিটি আইনের মতো গুরুতর ক্ষেত্রেও যথাযথ যাচাই এবং সতর্কতা জরুরি, যাতে আইনজীবীর আসল পরিচয় ও যোগ্যতা নিশ্চিত করা যায় এবং প্রতারণার সুযোগ না থাকে। আরটিভি/এসকে
২৬টি মামলা জিতে অবশেষে গ্রেপ্তার ‘ভুয়া আইনজীবী’
আরও পড়ুন
এভারকেয়ারের সামনে মাদরাসার শিক্ষার্থীদের কোরআন তেলাওয়াত
দুই সেকেন্ডে ৭০০ কিলোমিটার গতি তুলল ট্রেন, ভিডিও ভাইরাল
হরমুজ প্রণালিতে আবারও তেলবাহী ট্যাংকার জব্দ করল ইরান
পবিত্র কাবা চত্বরে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করা ব্যক্তির ভিডিও ভাইরাল