ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

জেনে নিন পৃথিবীর শেষ প্রান্ত কোথায় ও কেমন আছে সেখানকার মানুষ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৪ মে ২০২৬, ১২:২০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

পৃথিবী গোলাকার হলেও মানুষের বসতির এক ধরনের সীমানা আছে অতি উত্তরে ও অতি দক্ষিণে কোথায় মানুষ স্থায়ীভাবে বসবাস করে? সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে উঠে আসে দুইটি দূরবর্তী শহরের নাম, যাদের অনেকেই পৃথিবীর শেষ প্রান্ত বলে থাকেন।

দক্ষিণ গোলার্ধে মানুষের স্থায়ী বসতি ধীরে ধীরে পাতলা হয়ে আসে। ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ ও দক্ষিণ আমেরিকার একেবারে শেষ প্রান্তে রয়েছে কয়েকটি ছোট জনপদ। তবে সবচেয়ে দক্ষিণের আনুষ্ঠানিক শহর হিসেবে পরিচিত আর্জেন্টিনার উশুইয়া।

টিয়েরা দেল ফুয়েগো প্রদেশে অবস্থিত এই শহরে প্রায় ৮৩ হাজার মানুষ বসবাস করে। আধুনিক অবকাঠামো, পর্যটন এবং বন্দরনির্ভর অর্থনীতির কারণে এটি একটি পূর্ণাঙ্গ শহরের পরিচয় বহন করে। এখান থেকেই অ্যান্টার্কটিকা অভিযানের জাহাজও যাত্রা শুরু করে।

উত্তর মেরুর দিকে যেতে যেতে আবহাওয়া কঠিন হতে থাকে। কানাডার একেবারে উত্তরের অস্থায়ী বসতি অ্যালার্ট থাকলেও সেখানে স্থায়ী শহর নেই। এই দিক থেকে সবচেয়ে উত্তরের আনুষ্ঠানিক শহর হলো যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কার উটকিয়াগভিক (আগের নাম ব্যারো)।

প্রায় ৫ হাজার মানুষের এই শহরটি আর্কটিক সার্কেলের অনেক ভেতরে অবস্থিত। এখানে শীতকালে প্রায় ৬৫ দিন সূর্য ওঠে না, আবার গ্রীষ্মে টানা প্রায় আড়াই মাস সূর্য অস্ত যায় না। এই চরম পরিবেশেও স্থানীয় ইনুপিয়াত জনগোষ্ঠী শত শত বছর ধরে বসবাস করে আসছে।

মজার বিষয় হলো, দক্ষিণের উশুইয়ার সমান অক্ষাংশে উত্তর গোলার্ধে গেলে কোনো “শেষ প্রান্ত” নয়, বরং ইউরোপের অনেক সাধারণ শহর পাওয়া যায়। কারণ উত্তর গোলার্ধে স্থলভাগ ও জলবায়ু তুলনামূলকভাবে বেশি বাসযোগ্য।

পৃথিবীর এই দুই প্রান্ত উশুইয়া ও উটকিয়াগভিক শুধু ভৌগোলিক সীমা নয়, বরং মানুষের অভিযোজন ক্ষমতার অনন্য উদাহরণ। চরম ঠান্ডা, দীর্ঘ অন্ধকার কিংবা অবিরাম দিনের মধ্যেও মানুষ কীভাবে টিকে থাকে, এই দুই শহর তার জীবন্ত সাক্ষী।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
এশিয়ার ছোট্ট যে দেশে রয়েছে পাঁচ শতাধিক প্রজাতির পাখি
এশিয়ার অন্যতম ক্ষুদ্র দেশ ব্রুনেই দারুসসালাম। ‘শান্তির আবাস’ নামে পরিচিত দেশটির জনসংখ্যা পাঁচ লাখেরও কম। আয়তনে ছোট হলেও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্য, ইতিহাস ও ঐতিহ্যের বৈচিত্র্যে দেশটি বেশ সমৃদ্ধ। দেশটির প্রায় ৭০ শতাংশজুড়ে রয়েছে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় বনভূমি। নদীর ওপর গড়ে ওঠা শতবর্ষী জনপদ থেকে শুরু করে প্রবালপ্রাচীর ও ঘন বৃষ্টিবন- সব মিলিয়ে ভ্রমণপিপাসুদের জন্য রয়েছে নানা রকমের আকর্ষণ। ব্রুনেই ভ্রমণের সূচনা হতে পারে রাজধানী বন্দর সেরি বেগাওয়ান থেকে। শহরের অন্যতম প্রধান স্থাপনা ওমর আলী সাইফুদ্দিন মসজিদ। সোনালি গম্বুজ ও মার্বেলের স্তম্ভে সাজানো মসজিদটি দেশটির স্থাপত্যশৈলীর অনন্য নিদর্শন। এছাড়া রয়েছে বালাই খাজানাহ ইসলাম সুলতান হাজি হাসানাল বলকিয়াহ। ইসলামি জ্ঞান ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং গবেষণার জন্য প্রতিষ্ঠিত এ সংগ্রহশালায় রয়েছে কোরআনের প্রাচীন পাণ্ডুলিপি, ইসলামি নিদর্শন, জ্যোতির্বিজ্ঞানের যন্ত্রপাতি এবং মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর পবিত্র চুলের নিদর্শন। রাজধানীর কাছেই ব্রুনেই নদীর ওপর গড়ে উঠেছে কাম্পং আয়ার। প্রায় ৩০টি গ্রাম নিয়ে গঠিত এ জলপল্লির ইতিহাস অন্তত ৬০০ বছরের পুরোনো। কাঠের খুঁটির ওপর নির্মিত বাড়িগুলো প্রায় ৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ কাঠের সেতু ও হাঁটাপথে যুক্ত। নৌকায় কিংবা হেঁটে ঘুরে দেখা যায় রঙিন বাড়িঘর, স্থানীয় খাবারের দোকান ও নদীকেন্দ্রিক জনজীবন। ব্রুনেই নদীতে নৌভ্রমণের সময় দেখা মিলতে পারে বোর্নিও দ্বীপের স্থানীয় প্রাণী নাকওয়ালা বানরের। পাশাপাশি রয়েছে ম্যাকাক বানর, গুইসাপ, মাছরাঙা ও বিভিন্ন প্রজাতির পাখি। দেশটির বাজারগুলোতেও রয়েছে স্থানীয় জীবনযাত্রার পরিচয়। ব্রুনেইয়ের ঐতিহ্যবাহী খাবার আম্বুয়াত সাগু দিয়ে তৈরি আঠালো খাবার, যা বাঁশের বিশেষ চামচ দিয়ে টক ও ঝাল সসের সঙ্গে খাওয়া হয়। ধর্মীয় উৎসব ও জাতীয় দিবসেও দেশটির সংস্কৃতি ফুটে ওঠে। রমজান শেষে ঈদুল ফিতরে পরিবারগুলো অতিথিদের জন্য ঘরের দরজা খুলে দেয়। ২৩ ফেব্রুয়ারি জাতীয় দিবসে রাজধানীতে আয়োজন করা হয় শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। উৎসব ও আনুষ্ঠানিকতায় ব্যবহৃত সোনালি-রুপালি সুতা দিয়ে বোনা ঐতিহ্যবাহী কাপড় ‘কাইন তেনুনান’ও দেশটির সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। রাজধানী থেকে উপকূলের দিকে গেলে পাওয়া যাবে মুয়ারা ও মেরাগাংয়ের মতো সমুদ্রসৈকত। দেশটির জলসীমায় রয়েছে প্রবালপ্রাচীর, বৈচিত্র্যময় সামুদ্রিক প্রাণী এবং ডুব দেওয়ার জন্য প্রায় ৩০টি জাহাজডুবির স্থান। আরও পূর্বে তেমবুরং জেলায় রয়েছে উলু তেমবুরং জাতীয় উদ্যান। ঘন বৃষ্টিবনে ঘেরা এ উদ্যানের দীর্ঘ বৃক্ষশীর্ষ সেতু থেকে দেখা যায় দিগন্তজোড়া সবুজ বনভূমি। রয়েছে নদী, জলপ্রপাত, কায়াকিং ও নদীতে ভেসে চলার সুযোগ।  ব্রুনেইয়ে ৫০০টির বেশি প্রজাতির পাখি, ১৭০ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী এবং ৮০ প্রজাতির উভচর প্রাণীর বসবাস। দেশটির এই সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আলোকচিত্রীরাও তুলে ধরছেন তাদের কাজে।  সূত্র: সিএনএন আরটিভি/এসআর  
এশিয়ার ছোট্ট যে দেশে রয়েছে পাঁচ শতাধিক প্রজাতির পাখি
নায়িকার গোসলের পানি দিয়ে তৈরি সাবান, লাখ টাকায় কিনেছিল ভক্তরা
নায়ক-নায়িকা কিংবা সেলিব্রেটিদের নিয়ে মানুষের আগ্রহের শেষ নেই। পর্দায় তাদের অভিনয়, পোশাক, সৌন্দর্য থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত জীবন-সবকিছু নিয়েই ভক্তদের কৌতূহল। কখনো সেই ভালো লাগা সীমা ছাড়িয়ে পরিণত হয় অদ্ভুত আকাঙ্ক্ষায়। তবে মানুষের কল্পনা কত দূর যেতে পারে, তারই এক অদ্ভুত উদাহরণ নায়িকার গোসলের পানি দিয়ে তৈরি সাবান। শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও, ২০২৫ সালে সত্যিই বাজারে এসেছিল এমন একটি সাবান। হলিউড অভিনেত্রী সিডনি সুইনির গোসলের পানি সত্যি সত্যিই সেই সাবানে ব্যবহার করা হয়েছিল। কিন্তু কেন তৈরি হলো এই সাবান? কে এই অভিনেত্রী? আর একজন তারকার ব্যবহৃত গোসলের পানি পেতে ভক্তদের এমন আগ্রহের পেছনে কি কাজ করে কোনো মনস্তাত্ত্বিক প্রবণতা? সিডনি সুইনি মার্কিন অভিনেত্রী। ১৯৯৭ সালের ১২ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যে তার জন্ম। অল্প বয়স থেকেই অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত তিনি। তবে জনপ্রিয়তা বাড়ে এইচবিওর আলোচিত সিরিজ ‘ইউফোরিয়া’তে ক্যাসি হাওয়ার্ড চরিত্রে অভিনয়ের পর।  ‘দ্য হোয়াইট লোটাস’, ‘অ্যানিওয়ান বাট ইউ’সহ বেশ কিছু কাজের মাধ্যমে হলিউডে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন তিনি। অভিনয়ের পাশাপাশি সিডনির সৌন্দর্য ও শারীরিক গঠন নিয়েও সামাজিক মাধ্যমে নিয়মিত আলোচনা হয়। কখনো প্রশংসা, কখনো অশালীন মন্তব্য তারকার ব্যক্তিগত পরিচয়ের চেয়ে শারীরিক উপস্থিতিই যেন অনেকের কাছে বড় হয়ে ওঠে। বিষয়টি নিয়ে সিডনি নিজেও বিভিন্ন সময়ে অস্বস্তির কথা জানিয়েছেন। কিন্তু কীভাবে এলো গোসলের পানি দিয়ে সাবান তৈরির ভাবনা? ঘটনার শুরু ২০২৪ সালে। পুরুষদের পরিচর্যাপণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ড. স্কোয়াচ-এর একটি বিজ্ঞাপনে অংশ নেন সিডনি। বিজ্ঞাপনে তাকে বাথটাবে বসে সংস্থার বডি ওয়াশের প্রচার করতে দেখা যায়। বিজ্ঞাপনের উপস্থাপনা ছিল কিছুটা ইঙ্গিতপূর্ণ ও রসিকতাপূর্ণ। সেখানে সিডনিকে ‘বডি ওয়াশ জিনি’ হিসেবে দেখানো হয়েছিল। বিজ্ঞাপনটি প্রকাশের পর সামাজিক মাধ্যমে অনেক ভক্ত মজা করে তার গোসলের পানি চেয়ে মন্তব্য করতে থাকেন। প্রথমে বিষয়টি ছিল ইন্টারনেটের রসিকতা। কিন্তু সেই রসিকতাকেই বিপণনের সুযোগ হিসেবে দেখল সংস্থাটি।  ২০২৫ সালের মে মাসে ঘোষণা করা হয়, সিডনির গোসলের পানির সামান্য অংশ ব্যবহার করে তৈরি হচ্ছে বিশেষ সাবান। সাবানটির নাম দেওয়া হয় ‘সিডনিস বাথওয়াটার ব্লিস’।  সিডনি নিজেই জানিয়েছেন, বিজ্ঞাপনের শুটিংয়ের সময় তিনি বাথটাবে গোসল করেছিলেন এবং সেখানকার পানি সংগ্রহ করা হয়েছিল। অর্থাৎ সাবানটি শুধু প্রচারণার জন্য দেওয়া কোনো কাল্পনিক নাম ছিল না; এতে সত্যিই তার গোসলের পানির কিছু ফোঁটা ব্যবহার করা হয়েছিল। সাবানটিতে গোসলের পানির পাশাপাশি ছিল বালুকণার মতো এক্সফোলিয়েটিং উপাদান ও পাইন বার্ক এক্সট্র্যাক্ট। এর সুগন্ধে রাখা হয়েছিল পাইন, ডগলাস ফার ও মাটির সোঁদা ঘ্রাণ। সিডনির বেড়ে ওঠার অঞ্চল প্রশান্ত মহাসাগরীয় উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের প্রকৃতির ঘ্রাণ ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছিল। ২০২৫ সালের ৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রে সাবানটি বিক্রির জন্য উন্মুক্ত করা হয়। প্রতিটির দাম ছিল ৮ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ১ হাজার টাকার মতো। তৈরি হয়েছিল মাত্র ৫ হাজার সাবান। সীমিত সংস্করণের এই পণ্য দ্রুত আলোচনায় আসে এবং বিক্রির পরপরই শেষ হয়ে যায় বলে প্রচারণার সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়। এরপর রিসেল মার্কেটে এই সাবান বিক্রি হয়েছিল ২ লাখ টাকায়।  সূত্র: গলফ নিউজ, লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস আরটিভি/এসআর  
নায়িকার গোসলের পানি দিয়ে তৈরি সাবান, লাখ টাকায় কিনেছিল ভক্তরা
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর)  এক নজরে দেখে নেওয়া যাক তেমনই কিছু ঘটনা।
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
যে কারণে বিয়ারের স্রোতে ভেসে গিয়েছিল লন্ডনের রাস্তা, প্রাণ হারান ৮ জন
ইতিহাসের পাতায় অদ্ভুত এক শিল্পদুর্ঘটনা ‘লন্ডন বিয়ার ফ্লাড’। ১৮১৪ সালের ১৭ অক্টোবর। হঠাৎ বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে লন্ডনের সেন্ট জাইলস এলাকা।
যে কারণে বিয়ারের স্রোতে ভেসে গিয়েছিল লন্ডনের রাস্তা, প্রাণ হারান ৮ জন
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
বুধবার (৪ নভেম্বর) এক নজরে দেখে নেওয়া যাক তেমনই কিছু ঘটনা।
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
আরও পড়ুন
নিলামে উঠছে মেসিদের বিশ্বকাপ জয়ের সেই ট্রফি!
ষড়যন্ত্রের অভিযোগ নিয়ে এবার মুখ খুললেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ
আর্জেন্টিনায় ফেরার গুঞ্জন, মেসির সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত
দিবালা-মার্তিনেজসহ চোটে আর্জেন্টিনার ৫ অভিজ্ঞ তারকা