ঢাকা শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩

গোসলের সময় প্রস্রাব করুন, বছরে বাঁচাতে পারেন ২২০০ লিটার পানি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

গোসলের সময় প্রস্রাব করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। শুনতে কিছুটা অস্বাভাবিক লাগলেও এর পেছনে রয়েছে পানি সাশ্রয়ের যুক্তি। তাদের দাবি, গোসলের সময় প্রস্রাব করলে একজন মানুষ বছরে প্রায় ২ হাজার ২০০ লিটার পানি সাশ্রয় করতে পারেন।

সাধারণত প্রস্রাব করার পর টয়লেট ফ্লাশ করতে হয়। আধুনিক অনেক টয়লেটে ফ্লাশ মাঝপথে বন্ধ করার সুযোগ থাকলেও বেশিরভাগ টয়লেটে সেই সুবিধা নেই। ফলে অল্প পরিমাণ প্রস্রাব সরিয়ে নিতেও প্রতিবার নির্দিষ্ট পরিমাণ পানি ব্যবহার করতে হয়।

আধুনিক পশ্চিমা ধরনের একটি টয়লেটে একবার ফ্লাশ করতে গড়ে প্রায় ৬ লিটার পানি লাগে। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ দিনে গড়ে সাতবার প্রস্রাব করেন বলে ধরা হয়। সে হিসাবে শুধু প্রস্রাব ফ্লাশ করতেই প্রতিদিন প্রায় ৪২ লিটার পানি ব্যবহার হয়।

এই হিসাব এক বছরের জন্য করলে দাঁড়ায় প্রায় ১৫ হাজার ৩৩০ লিটার পানি। অর্থাৎ, একজন মানুষের ক্ষেত্রে বছরে শুধু প্রস্রাব ফ্লাশ করতেই বিপুল পরিমাণ পানি খরচ হয়।

এবার বিষয়টি আরও বড় পরিসরে দেখলে হিসাবটি চমকে দেওয়ার মতো। যুক্তরাষ্ট্রের জনসংখ্যা প্রায় ৩১ কোটি ৯০ লাখ ধরে প্রত্যেকে দিনে সাতবার প্রস্রাব করেন এমন হিসাব করলে শুধু প্রস্রাব ফ্লাশ করতেই দেশটিতে বছরে প্রায় ৪ দশমিক ৯ ট্রিলিয়ন লিটার পানি ব্যবহার হয়।

এই পরিমাণ পানি দিয়ে বছরে প্রায় ১৯ লাখ ৭০ হাজার অলিম্পিক আকারের সুইমিং পুল ভরে ফেলা সম্ভব। অর্থাৎ, বিপুল পরিমাণ পানি কেবল প্রস্রাব টয়লেট থেকে সরিয়ে নিতেই ব্যবহার হচ্ছে।

তবে গোসলের সময় প্রস্রাব করলে এই অপচয় কিছুটা কমানো সম্ভব। ধরা যাক, গোসলের সময় প্রস্রাব করার কারণে একজন মানুষ দিনে সাতবারের পরিবর্তে টয়লেটে ছয়বার প্রস্রাব করেন। তাহলে বছরে একবারের ফ্লাশের পানি বেঁচে যায়। সেই হিসাবে একজন মানুষ বছরে প্রায় ২ হাজার ১৯০ লিটার পানি সাশ্রয় করতে পারেন।

একই হিসাব যুক্তরাষ্ট্রের পুরো জনসংখ্যার ক্ষেত্রে প্রয়োগ করলে বছরে প্রায় ৬৯৯ বিলিয়ন লিটার পানি সাশ্রয় হতে পারে।

বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে পানির সংকট ক্রমেই বাড়ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের পাশাপাশি পানির অদক্ষ ব্যবহারও এই সংকটকে আরও তীব্র করছে। তাই ব্যক্তিগত পর্যায়ে ছোট ছোট পরিবর্তনের মাধ্যমেও পানি অপচয় কমানোর পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

তাদের মতে, গোসলের সময় প্রস্রাব করা সবার জন্য বাধ্যতামূলক কোনো সমাধান নয়। তবে কেউ যদি এতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, তাহলে টয়লেটের একটি ফ্লাশের পানি সাশ্রয় করার মাধ্যমে বছরে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পানি বাঁচাতে পারেন।

তথ্যসূত্র: আইএফএলসায়েন্স

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শত শত প্রজাতির ফুলের চাদরে ঢেকে গেছে পৃথিবীর শুষ্কতম মরুভূমি
পৃথিবীর সবচেয়ে শুষ্ক মরুভূমিগুলোর একটি চিলির আতাকামা।
শত শত প্রজাতির ফুলের চাদরে ঢেকে গেছে পৃথিবীর শুষ্কতম মরুভূমি
বিলুপ্ত লোমশ হাতি ম্যামথদের ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ
বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া লোমশ ম্যামথকে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে কাজ করছেন বিজ্ঞানীরা। এশীয় হাতির জিনে পরিবর্তন এনে ম্যামথের মতো বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন প্রাণী তৈরির পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্রের বায়োটেকনোলজি প্রতিষ্ঠান কলোসাল বায়োসায়েন্সেস। তবে কবে নাগাদ এ ধরনের প্রাণীর জন্ম হবে, তা নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়েছে।
বিলুপ্ত লোমশ হাতি ম্যামথদের ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ
আজ বিশ্ব হাসি দিবস
হাসি মানুষের যে কোনো অসুখের সবচেয়ে ভালো ওষুধ। মানবজীবনে হাসির গুরুত্ব অনেক। সময়কে সুন্দরভাবে উপভোগ করতে হাসির কোনো বিকল্প নেই। শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিশ্ব হাসি দিবস। প্রতি বছর অক্টোবরের প্রথম শুক্রবার দিবসটি পালন করা হয়।চিকিৎসকদের ভাষায়, সারাদিনকে প্রাণবন্ত করে তোলার জন্য সকালের ১ মিনিটের হাসিই যথেষ্ট। হাসি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। পাশাপাশি মানসিক চাপ থেকেও দূরে রাখে। ১৯৬৩ সাল। ওরচেস্টার ম্যাসাচুসেটসের শিল্পী হার্ভে বল নিজের একটি হাসিখুশি মুখের ছবি দেন। কালক্রমে সেটাই সদিচ্ছা এবং আনন্দের প্রতীক হয়ে ওঠে। কিন্তু বাণিজ্য বড় দায়। হার্ভে দেখেন সেই হাসিখুশি মুখ এমন সব জায়গায় ব্যবহার হচ্ছে যার ফলে ধীরে ধীরে ছবির আসল মানেটাই বদলে যাচ্ছে। উদ্বিগ্ন হার্ভে ভাবেন, এক কাজ করা যাক। হাসির জন্য একটা দিন রাখলে কেমন হয়। সেই দিনটা হাসিখুশিতে কাটানো এবং সহৃদয় আচরণের জন্য উৎসর্গ করা হবে। সেই শুরু। প্রথমবার বিশ্ব হাসি দিবস পালিত হয় ১৯৯৯ সালে, উরচেস্টারে। সাধারণ মানুষের মধ্যে সহৃদয়তার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই ছিল এর মুখ্য উদ্দেশ্য। তারপর থেকে প্রতি বছর এই দিনটা পালিত হচ্ছে। ২০০১ সালে মারা যান হার্ভে। তার স্মৃতিতে তৈরি হয় ‘হার্ভে বল ওয়ার্ল্ড স্মাইল ফাউন্ডেশন’। এই ফাউন্ডেশনই প্রতি বছর বিশ্ব হাসি দিবসের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে কাজ করে চলেছে। হাসির জন্য একটি প্রতীকীও আছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় হলুদ একটি মুখের হাসু বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় হাসি। হলুদ একটি মুখে কালো বিন্দুর দুটি চোখ, একটি চওড়া হাসি আপনার দিনটি ভালো করতে পারে। ১৯৭০ এর দশকে হাস্যোজ্জ্বল মুখ কার্টুন, কমিকস এবং রাজনৈতিক আন্দোলনের জন্য ব্যবহৃত হত। আরটিভি/টিআর
আজ বিশ্ব হাসি দিবস
জাতীয় পথশিশু দিবস আজ, পথেই কাটছে যাদের শৈশব
আজ ২ অক্টোবর জাতীয় পথশিশু দিবস।
জাতীয় পথশিশু দিবস আজ, পথেই কাটছে যাদের শৈশব
আজ আন্তর্জাতিক কফি দিবস: দেশের পাহাড়ে কফির নতুন গল্প 
সকালের ঘুম কাটাতে এক কাপ গরম কফি, কাজের ফাঁকে আড্ডা কিংবা বৃষ্টির দিনে জানালার পাশে বসে কফিতে চুমুক—অনেকের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গী হয়ে উঠেছে এই পানীয়।
আজ আন্তর্জাতিক কফি দিবস: দেশের পাহাড়ে কফির নতুন গল্প 
আরও পড়ুন
মেয়েকে তালাক করিয়ে প্রকাশ্য বাজারে দুধ দিয়ে গোসল মায়ের
ফরজ গোসলের সময় অনেকে যে ভুলটি করেন
গোসল ফরজ অবস্থায় সন্তানকে দুধ পান করানো কী জায়েজ?
চাঁপাইনবাবগঞ্জে মরা পাগলা নদীতে একসঙ্গে ডুবে গেল ৫ শিশু