ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩

ইরান ও সৌদির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ফোনালাপ, কথা হলো যে বিষয়ে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৫ জানুয়ারি ২০২৬, ০৬:০৮ পিএম
বাঁয়ে সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান, ডানে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি

বিক্ষোভকারীদের ওপর কঠোর দমননীতি প্রয়োগের কারণে ইরানের ওপর যে কোনো সময় হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। এমন এমন আশঙ্কার মধ্যে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ও সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান টেলিফোনে দীর্ঘ আলোচনা করেছেন। বৃহস্পতিবার(১৫ জানুয়ারি) দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার এবং বর্তমান আঞ্চলিক অস্থিরতা নিরসনে এই আলাপ হয়। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, উভয় পক্ষই পারস্পরিক স্বার্থ রক্ষায় একমত হয়েছে। ফোনালাপে আরাঘচি দেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি এবং বিদেশি হস্তক্ষেপের বিষয়ে তেহরানের অবস্থান পরিষ্কার করেন।

আরও পড়ুন

আরাঘচি দাবি করেছেন, ইরানে চলমান বিক্ষোভ মূলত শান্তিপূর্ণ অর্থনৈতিক দাবি দিয়ে শুরু হয়েছিল। পরে ইসরায়েল সংশ্লিষ্ট সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো এতে যুক্ত হয়ে সহিংসতা ছড়িয়ে দেয়। তিনি মার্কিন কর্মকর্তাদের উসকানিমূলক মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করে একে অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেন। যেকোনো বহিরাগত হুমকির বিরুদ্ধে সীমান্ত রক্ষায় ইরান দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলে তিনি সৌদি মন্ত্রীকে আশ্বস্ত করেন। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় প্রতিবেশী দেশগুলোর দায়িত্বশীল ভূমিকার ওপর তিনি বিশেষ জোর দেন।

এদিকে ওয়াশিংটনের সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের আশঙ্কার মধ্যে সৌদি আরব এক সাহসী অবস্থান নিয়েছে। রিয়াদ স্পষ্ট জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে কোনো হামলায় তারা তাদের আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেবে না। এমনকি সৌদি ভূখণ্ড ব্যবহার করে কোনো সামরিক অভিযানকেও তারা সমর্থন করবে না। সৌদি সরকারের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এএফপি-কে এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছে। তেহরানের কাছে ইতিমধ্যে সৌদি আরবের এই গুরুত্বপূর্ণ বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

সৌদি আরবের এই সিদ্ধান্তকে মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের যুদ্ধ এড়ানোর একটি কৌশল হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। যুক্তরাষ্ট্র বিক্ষোভকারীদের রক্ষায় সামরিক শক্তি ব্যবহারের হুমকি দিলেও রিয়াদ এতে অংশ নিতে নারাজ।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ট্রাম্প-মোদি ফোনালাপ, যা কথা হলো
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফোনে দুই দেশের বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা ও জ্বালানি সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেছেন। আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 
ট্রাম্প-মোদি ফোনালাপ, যা কথা হলো
২৩৪ বছরের পথ পেরিয়ে এবার বিদায়ের পথে আমেরিকার পকেটের চেনা প্রিয় পেনি
একসময় আমেরিকার প্রায় প্রতিটি পকেট, কয়েনের জার কিংবা শিশুর পিগি ব্যাংকে দেখা যেত ছোট্ট এক সেন্টের মুদ্রা—পেনি। দোকানের কাউন্টারে খুচরা ফেরত, ছোটখাটো কেনাকাটা কিংবা সঞ্চয়ের প্রথম ধাপ—দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে মিশে ছিল এই ছোট্ট মুদ্রাটি। কিন্তু ২৩৪ বছরের দীর্ঘ পথ পেরিয়ে এবার সেই পরিচিত পেনি বিদায়ের পথে। মার্কিন সিনেটে পেনি তৈরির আনুষ্ঠানিক সমাপ্তির বিল পাস হয়েছে। ‘কমন সেন্টস অ্যাক্ট’ নামে পরিচিত এই বিল এখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বাক্ষরের জন্য যাচ্ছে। বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রচলনের জন্য নতুন পেনি তৈরির বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। তবে পেনির গল্প আজকের নয়।  ১৭৯২ সালের ‘কয়েনেজ অ্যাক্ট’-এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে এক সেন্টের মুদ্রা তৈরির অনুমোদন দেওয়া হয়। এর পর ১৭৯৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টাকশাল প্রথম পেনি তৈরি করে। সেই সময়ের পেনি ছিল বর্তমান মুদ্রার তুলনায় বড় এবং মূলত তামা দিয়ে তৈরি। এরপর আমেরিকার ইতিহাসের নানা অধ্যায়ের নীরব সাক্ষী হয়ে থেকেছে পেনি।  ১৯০৯ সালে মুদ্রাটিতে প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনের ছবি যুক্ত করা হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তামার চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ১৯৪৩ সালে পেনির একটি সংস্করণ তামার পরিবর্তে ইস্পাত দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে এর ধাতব উপাদানও পরিবর্তিত হয়েছে। দীর্ঘ এই যাত্রার পর ২০২৫ সালের ১২ নভেম্বর ফিলাডেলফিয়া টাকশালে প্রচলনের জন্য শেষ পেনিটি তৈরি করা হয়। এর মধ্য দিয়ে প্রচলিত পেনির নিয়মিত উৎপাদনের দীর্ঘ ইতিহাসের অবসান ঘটে। তবে মানুষের হাতে থাকা পেনিগুলো এখনো বৈধ মুদ্রা হিসেবে থাকবে এবং সেগুলো দিয়ে লেনদেন করা যাবে। পেনি তৈরির খরচই মূলত এর বিদায়ের অন্যতম বড় কারণ। মার্কিন টাকশালের হিসাবে, ২০২৪ সালে একটি পেনি তৈরি করতে প্রায় ৩ দশমিক ৬৯ সেন্ট খরচ হয়েছে। অথচ মুদ্রাটির মূল্য মাত্র ১ সেন্ট। একই বছরে প্রায় ৩২০ কোটি পেনি তৈরি করা হয়েছিল। এর পাশাপাশি সময়ের সঙ্গে নগদ অর্থের ব্যবহারও কমেছে।  কার্ড, মোবাইল পেমেন্ট ও অন্যান্য ডিজিটাল লেনদেন জনপ্রিয় হওয়ায় এক সেন্টের মতো ছোট মূল্যমানের মুদ্রার ব্যবহার আগের তুলনায় অনেক কমেছে। পেনি সরবরাহ ধীরে ধীরে কমে গেলে নগদ লেনদেনে নতুন নিয়ম চালু হতে পারে।  ‘কমন সেন্টস অ্যাক্ট’-এ মোট বিলের অঙ্ক কাছের পাঁচ সেন্টে সমন্বয়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। কোনো মোট বিলের শেষ অঙ্ক ১, ২, ৬ বা ৭ হলে তা নিচের পাঁচ সেন্টে নামিয়ে নেওয়া হবে।  আর শেষ অঙ্ক ৩, ৪, ৮ বা ৯ হলে তা ওপরের পাঁচ সেন্টে নেওয়া হবে। এই নিয়ম শুধু নগদ লেনদেনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। কার্ড বা ডিজিটাল পেমেন্টের ক্ষেত্রে আগের মতোই নির্দিষ্ট সেন্ট পর্যন্ত সঠিক মূল্য পরিশোধ করা যাবে। অর্থাৎ, আমেরিকার পকেট থেকে পেনি হয়তো ধীরে ধীরে হারিয়ে যাবে। কিন্তু দোকানের কাউন্টারে খুচরা হিসেবে পাওয়া সেই ছোট্ট কয়েন, শিশুর পিগি ব্যাংকে জমিয়ে রাখা প্রথম সঞ্চয় কিংবা পুরোনো কয়েনের জারে পড়ে থাকা এক সেন্ট—এসব স্মৃতির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ২৩৪ বছরের ইতিহাস সহজে মুছে যাওয়ার নয়। আরটিভি/এসআর
২৩৪ বছরের পথ পেরিয়ে এবার বিদায়ের পথে আমেরিকার পকেটের চেনা প্রিয় পেনি
এআইয়ের ঝুঁকি কমাতে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রযুক্তি নির্বাহীদের চুক্তি 
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) দ্রুত বিকাশ মানবজাতির জন্য চরম ঝুঁকি তৈরি করতে পারে—এমন বৈশ্বিক উদ্বেগের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে এক স্বেচ্ছামূলক চুক্তিতে সই করেছেন প্রযুক্তি খাতের ছয় শীর্ষ নির্বাহী।
এআইয়ের ঝুঁকি কমাতে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রযুক্তি নির্বাহীদের চুক্তি 
সব ঘাঁটি গুটিয়ে ইরাক ছাড়ল মার্কিন বাহিনী
ইরাকে থাকা সব সামরিক ঘাঁটি গুটিয়ে নিয়ে দীর্ঘ দুই দশকের উপস্থিতি শেষে চূড়ান্তভাবে সেনা প্রত্যাহার সম্পন্ন করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
সব ঘাঁটি গুটিয়ে ইরাক ছাড়ল মার্কিন বাহিনী
অষ্টম তলা থেকে পড়ে বেঁচে গেলেন জর্জিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্রী
যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যে অষ্টম তলার জানালা থেকে পড়ে গুরুতর আহত হয়েও বেঁচে গেছেন ২১ বছর বয়সী এক বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্রী।
অষ্টম তলা থেকে পড়ে বেঁচে গেলেন জর্জিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্রী
আরও পড়ুন
আসন্ন হজ ঘিরে ‘যুগান্তকারী প্যাকেজ’ ঘোষণা করল সৌদি
হজযাত্রীদের জন্য নতুন প্যাকেজ ঘোষণা সৌদি আরবের
সৌদিতে বসবাসরত বাংলাদেশিদের জন্য বিশেষ সতর্কতা
আগামী দুই মাসে প্রধানমন্ত্রীর তিন দেশ সফরের প্রস্তুতি