মালয়েশিয়ার কুয়ালামপুর থেকে ভারতের কোচিগামী একটি যাত্রীবাহী বিমানে মাঝ আকাশে এক ভারতীয় যাত্রী জরুরি নির্গমন (ইমার্জেন্সি) দরজা খোলার চেষ্টা করলে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় তিনি ইমার্জেন্সি দরজার ভেতরের জানালাও ক্ষতিগ্রস্ত করেন। পরে অন্যান্য যাত্রী ও কেবিন ক্রু তাকে নিয়ন্ত্রণে আনেন। বিমানটি নিরাপদে অবতরণের পর তাকে আটক করেছে কেরালা পুলিশ।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, বুধবার (৫ আগস্ট) রাতে বাটিক এয়ারের ওডি২৩১ ফ্লাইটটি কুয়ালামপুর থেকে কোচির উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। অভিযুক্ত যাত্রীর নাম জামশের। তিনি ভারতের কেরালার পালাক্কাদ জেলার বাসিন্দা।
পুলিশের অভিযোগ অনুযায়ী, রাত সাড়ে ৯টা থেকে ১১টা ৫ মিনিটের মধ্যে, যখন বিমানটি মাঝ আকাশে ছিল, তখন জামশের জোরপূর্বক ইমার্জেন্সি দরজা খোলার চেষ্টা করেন। এর আগে তিনি দরজার ভেতরের জানালায় আঘাত করে সেটি ক্ষতিগ্রস্ত করেন। এছাড়া তিনি অন্যান্য যাত্রী ও কেবিন ক্রুদেরও হুমকি দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরিস্থিতি বুঝতে পেরে কেবিন ক্রু ও কয়েকজন যাত্রী দ্রুত তাকে নিবৃত করেন। এতে সম্ভাব্য বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে বিমানটি কোচি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করলে জামশেরকে কেরালা পুলিশ আটক করে।
বিমানে থাকা যাত্রী ম্যাটি ম্যাথু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনার বর্ণনা দিয়ে জানান, গভীর রাতে অধিকাংশ যাত্রী ঘুমিয়ে ছিলেন। হঠাৎ বিমানের ভেতরে বাতাস ঢোকার মতো শব্দ শুনে সবাই জেগে ওঠেন। তখন দেখা যায়, ওই ব্যক্তি ইমার্জেন্সি দরজার জানালা ভেঙে দরজা খোলার চেষ্টা করছেন। তবে বিমানের নকশা ও কেবিনের বায়ুচাপের কারণে দরজাটি খুলতে পারেননি।
ম্যাথু বলেন, এটি ছিল অত্যন্ত ভীতিকর একটি পরিস্থিতি। সৌভাগ্যবশত, বিমানের সব যাত্রী নিরাপদ ছিলেন।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে
আরটিভি/এসকে




