
চলতি সপ্তাহে যৌথ সামরিক মহড়া শুরু করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়া। ওয়াশিংটন ও সিউলের যৌথ এই সামরিক আয়োজনকে ঘিরে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে উত্তর কোরিয়া। এর জবাবে পিয়ংইয়ং ‘নতুন স্তরের প্রতিরোধ ব্যবস্থা’ গড়ে তোলার কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ইয়োনহাপ নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, আগামী সোমবার (১৭ আগস্ট) থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত দুই দেশের যৌথ বার্ষিক মহড়া ‘উলচি ফ্রিডম শিল্ড’ (ইউএফএস) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। দুই দেশের মধ্যকার মহড়ার আগে উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র এক বিবৃতিতে এ ঘোষণা দেন। এ বছর বার্ষিক মহড়া নিয়ে এটিই পিয়ংইয়ংয়ের প্রথম আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া।
উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র এই মহড়াকে গত পাঁচ বছরের তুলনায় ভিন্ন এবং আধুনিক যুদ্ধকৌশল আয়ত্তের উদ্যোগ হিসেবে উপস্থাপন করছে। এসব পদক্ষেপ মূলত পিয়ংইয়ংয়ের সঙ্গে বড় ধরনের সামরিক সংঘাতের প্রস্তুতি ছাড়া আর কিছুই নয়। শত্রুপক্ষ সৃষ্ট এমন বিপজ্জনক পরিস্থিতি উত্তর কোরিয়া কোনোভাবেই সহ্য করবে না।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, উদ্ভূত নতুন মাত্রার হুমকির মুখে দেশ রক্ষায় পিয়ংইয়ং নতুন মাত্রার প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বাধ্য হচ্ছে। রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যৌথ পরাশক্তিকে অপ্রতিরোধ্য সামরিক শক্তি দিয়ে প্রতিহত করার নীতি স্পষ্ট করেছে দেশটি।
সাধারণত যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার এ ধরনের যৌথ মহড়াকে উত্তর কোরিয়া আক্রমণের প্রস্তুতি হিসেবে বিবেচনা করে থাকে। যৌথ মহড়ার এই ঘোষণার পরপরই সামরিক শক্তি প্রদর্শনের অংশ হিসেবে বুধবার (১২ আগস্ট) ও বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) জাপান সাগরের দিকে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে পিয়ংইয়ং।
আরটিভি/এআর


