ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

হরমুজ খুলতে দুই শর্ত দিলো ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২১ জুন ২০২৬, ০৬:৫৭ পিএম
ফাইল ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের অন্তর্বর্তীকালীন শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের পর দীর্ঘমেয়াদে যুদ্ধ বন্ধের যে আশা জেগে উঠেছিল, তিনদিন না যেতেই তা ভেস্তে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলার জেরে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পথ হিসেবে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে সব ধরনের জাহাজ ও নৌযান চলাচল বন্ধ ঘোষণা করে দিয়েছে ইরান।

আর এবার হরমুজ খুলতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামনে রাখা হয়েছে দুই শর্ত। তেহরান স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, লেবাননে যুদ্ধবিরতি পুরোপুরি কার্যকর ও চুক্তির প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন না করা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি খোলা হবে না।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বহুল প্রত্যাশিত চুক্তির আলোচনা প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের বরাত দিয়ে রোববার (২১ জুন) ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের তেল বিক্রির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত বৈশ্বিক বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালী বন্ধই থাকবে।

এদিকে, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের স্থায়ী অবসানের লক্ষ্যে সুইজারল্যান্ডে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা শুরুর বিষয়টি রোববার নিশ্চিত করেছে মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতার।

আরও পড়ুন

কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে রোববার সুইজারল্যান্ডে ‘লেক লুসার্ন শীর্ষ সম্মেলন এবং উচ্চপর্যায়ের কমিটির প্রথম বৈঠক শুরুর’ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এই বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র, ইরান এবং দুই মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতার ও পাকিস্তানের প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন।

উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল-গ্যাস সমৃদ্ধ দেশ কাতার বলছে, এই বৈঠক একটি ব্যাপক ও দীর্ঘস্থায়ী চুক্তির দিকে নিয়ে যাবে; যা সমঝোতা স্মারকের সব বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করবে। বিবৃতিতে চলতি সপ্তাহের শুরুতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের খবরেও বলা হয়েছে, লেবাননে বিস্তৃত যুদ্ধবিরতি এবং ইরানের জব্দ থাকা সম্পদ নিয়ে আলোচনা করতে ইরান, কাতার এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদল সুইজারল্যান্ডে বৈঠকে বসেছে।

দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি বলেছে, লেবাননে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি এবং ইরানের অবরুদ্ধ সম্পদ সচল করার বিষয়ে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও কাতারের মধ্যে বর্তমানে আলোচনার নির্ধারিত স্থানে একটি ত্রিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুট। আরব উপদ্বীপ এবং ইরানের মধ্যবর্তী সরু এই জলপথ দিয়ে বিশ্বের ২০ শতাংশ জ্বালানি পরিবহন হয়। প্রতিদিনের হিসেবে প্রায় ২ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল এবং অন্যান্য জ্বালানি পণ্য আনা-নেওয়া করা হয় গুরুত্বপূর্ণ এ সমুদ্রপথে। ফলে, প্রাণালীটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা এবং সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার তীব্র ঝুঁকি তৈরি হয়েছে আবারও।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আবারও সৌদিতে সতর্কতা জারি
সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চল লক্ষ্য করে ইয়েমেনের হুথি যোদ্ধাদের ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত ও ধ্বংসের দাবি করেছে দেশটির নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট।
আবারও সৌদিতে সতর্কতা জারি
সৌদি আরবে হঠাৎ ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি, ঘটনা কী
সৌদি আরবের বিভিন্ন অঞ্চলে ঘন কুয়াশা এবং মাঝারি থেকে ভারী বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। এ আশঙ্কায় দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে রেড ও অরেঞ্জ অ্যালার্ট জারি করেছে ন্যাশনাল সেন্টার ফর মেটিওরোলজি (এনসিএম)। রোববার (১ নভেম্বর) এক সতর্কবার্তায় এনসিএম জানায়, ঘন কুয়াশার কারণে পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের কিছু অংশে দুটি রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি ওই অঞ্চলের অন্যান্য অংশে অরেঞ্জ অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। আবহাওয়ার ক্ষেত্রে রেড অ্যালাটের মানে হল গুরুতর আবহাওয়াজনিত বিপদের সতর্কতা, আর অরেঞ্জ অ্যালার্ট মানে সম্ভাব্য বিপজ্জনক আবহাওয়ার আগাম সতর্কতা। আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, নর্দান বর্ডার, হাইল, মক্কা, আসির, আল-বাহা ও জাজান অঞ্চলের কিছু অংশে মাঝারি বৃষ্টিপাতের জন্য ‘অরেঞ্জ অ্যালার্ট’ জারি করা হয়েছে। সৌদি আরবের জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র জানিয়েছে, জাজান, আসির, আল-বাহা, মক্কা, মদিনা, হাইল এবং নর্দার্ন বর্ডারস অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে মাঝারি থেকে ভারী বজ্রঝড় হতে পারে। একইসঙ্গে শিলাবৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং এর ফলে আকস্মিক বন্যা হতে পারে। এসব অঞ্চলের পাশাপাশি রিয়াদ ও আল-কাসিমের কিছু এলাকায় ধুলো ও বালুঝড় সৃষ্টিকারী প্রবল বায়ু ঝড় বয়ে যেতে পারে বলে আবহাওয়া কেন্দ্র জানিয়েছে। আরটিভি/এসআর
সৌদি আরবে হঠাৎ ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি, ঘটনা কী
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সংঘাতে পরিণতি হবে ভয়াবহ ধ্বংসাত্মক, বলছে মিশর
মধ্যপ্রাচ্যে আবারও বাজতে শুরু করেছে যুদ্ধের দামামা। তবে, নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলে পরিণতি হবে ভয়াবহ ধ্বংসাত্মক হবে বলে সতর্ক করেছে মিশর।   
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সংঘাতে পরিণতি হবে ভয়াবহ ধ্বংসাত্মক, বলছে মিশর
হেরে গিয়ে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করতে চান নেতানিয়াহু, দাবি বিরোধীদের
ইসরায়েলের নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়ে কাতার ও তুরস্কের মতো বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলেছেন বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তার এই দাবিকে পরাজয়ের গ্লানি ঢাকার চেষ্টা আখ্যা দিয়ে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বিরোধী শিবিরের গাদি আইজেনকট।  এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে আরব দলগুলোর প্রাপ্ত তহবিলের উৎস খতিয়ে দেখতে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেইতকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এসব অভিযোগকে হাস্যকর ও বিপজ্জনক বলে উড়িয়ে দিয়েছে।  দোহার বিরুদ্ধে ইসরায়েলি রাজনীতিকেরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভুয়া তথ্য ছড়াচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেছে দেশটি। নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফলে এটা স্পষ্ট-নেতানিয়াহুর জোট কিংবা বিরোধী জোট, কোনো পক্ষ পার্লামেন্টে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি।  আরব ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতির কারণে সব সমীকরণ পাল্টে গেছে। ১২০ আসনের নেসেটে দুটি আরব দলের জোট জয়েন্ট লিস্ট এবং রাআম রেকর্ড ১৯টি আসন পেয়েছে। নেতানিয়াহুর জোট ৫৩টি আসন এবং তার প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকটের জোট ৪৮টি আসন পেয়েছে। এমন ফলাফলে আরব দল দুটি এখন সরকার গঠনের প্রধান নিয়ামক হয়ে উঠেছে। নির্বাচনে বিদেশি হস্তক্ষেপের বিষয়ে গুরুতর সন্দেহের তদন্ত করতে শিন বেইতকে অনুরোধ জানান কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির (সিইসি) প্রধান। এরপর বৃহস্পতিবার লিকুদ পার্টি অভিযোগ তোলে যে আরব দলগুলোকে ভোট দেওয়ার জন্য ভোটারদের ঘুষ দেওয়া হয়েছে। দুটি আরব দলই এই অভিযোগ দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। সংখ্যাগরিষ্ঠ আরবদের জোট জয়েন্ট লিস্ট এই দাবিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করেছে। নেতানিয়াহুর সমালোচকেরা এই পুরো বিতর্ককে রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, নেতানিয়াহু আরব দলগুলোর বৈধতা নষ্ট করতে চাইছেন। যাতে আইজেনকট তাদের সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক সমঝোতা করতে না পারেন। কারণ, বর্তমানে আরবদের সমর্থনই বিরোধী জোটের ক্ষমতায় যাওয়ার একমাত্র পথ। ইসরায়েলি গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির কাছে একটি অভিযোগ আসে যে আরব এলাকায় ভোটারদের উপস্থিতি বাড়াতে কাতার তহবিল জুগিয়েছে। তবে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই দাবি সম্পূর্ণভাবে নাকচ করেছে। নেতানিয়াহু এবং তার দল লিকুদ এই অভিযোগকে রাজনৈতিক ভূমিকম্প এবং গণতন্ত্রের ওপর আঘাত হিসেবে আখ্যা দেয়। তাদের দাবি-কট্টর ডানপন্থী সরকারকে হটাতেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে শিন বেইত পরবর্তী সময়ে স্পষ্ট করে জানিয়েছে, তাদের এই তদন্ত বৈধভাবে ভোট দেওয়া পুরো আরব সম্প্রদায়কে প্রশ্নবিদ্ধ করে না। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ডিন লিভনে জানান, নির্বাচনের স্বচ্ছতা পদ্ধতিগতভাবে লঙ্ঘনের কোনো প্রমাণ মেলেনি। তদন্তের বিষয়ে তথ্য পাওয়ার পর আইজেনকট জানান, ঠিক কী ঘটেছে বা আদৌ কিছু ঘটেছে কি না, তা বলার সময় এখনো আসেনি। একই সঙ্গে তিনি নির্বাচনের ফলাফলকে অবৈধ প্রমাণ করতে নেতানিয়াহু সুপরিকল্পিত প্রচারণা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন। জয়েন্ট লিস্টের শরিক দল বালাদের চেয়ারম্যান সামি আবু শেহাদেহ এই অভিযোগ উড়িয়ে দেন। পরাজিত পক্ষ বর্ণবাদী মিথ্যা অপবাদ তৈরি করছে এবং নির্বাচনের ফল উল্টে দিতে নিরাপত্তা বাহিনীকে বলপ্রয়োগের আহ্বান জানাচ্ছে বলে দাবি তার। নেতানিয়াহু কয়েক দিন ধরে আরব ভোটার ও দলগুলোর ওপর ধারাবাহিকভাবে আক্রমণ করে আসছেন। নির্বাচনের দিন তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করেন, আরব ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি ডানপন্থীদের জন্য চরম জরুরি অবস্থা এবং এটি তাদের বেঁচে থাকার প্রশ্ন। ডানপন্থী সমর্থকদের ভোটকেন্দ্রে টানতে তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি আরব ভোটারদের ছবিও প্রকাশ করেন। ইসরায়েলের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ আরব নাগরিক। তাদের অনেকে নিজেদের ইসরায়েলের ফিলিস্তিনি নাগরিক হিসেবে পরিচয় দেন। বহুবছর ধরে অনেক আরব ভোটাররা ইসরায়েলের নির্বাচন বর্জন করে আসছিলেন। তাদের বক্তব্য ছিল-ভোট দিলে এমন একটি ব্যবস্থাকে বৈধতা দেওয়া হয়, যেখানে তাদের দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক হিসেবে দেখা হয়; কিন্তু এবার নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন ইসরায়েলের ইতিহাসের সবচেয়ে কট্টর ডানপন্থী জোট সরকারকে উৎখাত করার লক্ষ্যেই তারা বিপুলসংখ্যক ভোট দিয়েছেন। আরটিভি/এসআর  
হেরে গিয়ে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করতে চান নেতানিয়াহু, দাবি বিরোধীদের
আরব পাঠ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে সিজদায় লুটিয়ে পড়লেন শিশু মায়ার
আরব বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ পাঠ প্রতিযোগিতা ‘আরব রিডিং চ্যালেঞ্জ’-এর দশম আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন মিসরের ১১ বছর বয়সী শিক্ষার্থী মায়ার ওসমান।
আরব পাঠ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে সিজদায় লুটিয়ে পড়লেন শিশু মায়ার
আরও পড়ুন
এবার ইরানের পিকঅ্যাক্সে হামলার ইঙ্গিত ট্রাম্পের, বললেন ‘১০ মিনিটে শেষ করতে পারব’
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সংঘাতে পরিণতি হবে ভয়াবহ ধ্বংসাত্মক, বলছে মিশর
ইরানে হামলার তারিখ জানাল যুক্তরাষ্ট্র!
ইরানের শর্ত না মানলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা নয়: গালিবাফ