ঢাকা রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

ইন্দোনেশিয়ায় বিনামূল্যের স্কুলের খাবার খেয়ে অসুস্থ প্রায় ২ হাজার

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

ইন্দোনেশিয়ায় প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তোর অন্যতম প্রধান উদ্যোগ ‘বিনা মূল্যের পুষ্টিকর খাবার’ কর্মসূচির খাবার খেয়ে চলতি সপ্তাহে প্রায় ২ হাজার মানুষ অসুস্থ হয়েছেন। আক্রান্তদের বেশিরভাগই শিক্ষার্থী।

শনিবার (৫সেপ্টেম্বর) দেশটির কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।

কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবারের মধ্যে পূর্ব জাভা, মধ্য জাভা, পশ্চিম সুমাত্রা, আচেহ ও দক্ষিণ সুলাওয়েসি প্রদেশে এসব ঘটনা ঘটে। কর্মসূচির আওতায় দেওয়া খাবার খেয়ে প্রায় ১ হাজার ৯৫০ শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও ইসলামিক বোর্ডিং স্কুলের শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়েছেন। ইন্দোনেশিয়ায় কর্মসূচিটি ‘এমবিজি’ নামে পরিচিত।

সবচেয়ে বেশি মানুষ অসুস্থ হয়েছেন মধ্য জাভার রেম্বাং এলাকায়। স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান আলি শিয়োফি জানান, রেম্বাংয়ের একটি সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের ৭৫২ শিক্ষার্থী ও ২৫ শিক্ষক খাবার খাওয়ার পর ডায়রিয়া, বমি, বমি বমি ভাব ও পেটব্যথায় আক্রান্ত হন।

পূর্ব জাভার সিদোয়ারজোতে অসুস্থ হয়েছেন আরও ৭৩০ জন। তাদের বেশিরভাগই একটি ইসলামিক বোর্ডিং স্কুলের শিক্ষার্থী। স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান লাখসমি হেরাওয়াতি ইউয়ানতিনা জানান, আক্রান্তদের মধ্যে ৭০৬ জনকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তারা বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

এ ছাড়া পশ্চিম সুমাত্রার আগাম এলাকায় ২৭৬ শিক্ষার্থী ও শিক্ষক অসুস্থ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সেখানে স্থানীয় পুষ্টিকেন্দ্র থেকে খাবার বিতরণ বন্ধ রাখা হয়েছে।

আচেহ প্রদেশের বেনার মেরিয়াহ এলাকায় স্কুলের খাবার খেয়ে মাথা ঘোরা ও বমি বমি ভাবসহ বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয় ১৫ শিক্ষার্থী ও এক অধ্যক্ষের। তাদের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। দক্ষিণ সুলাওয়েসির তানা তোরাজা এলাকায় দুটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের আরও ১৫ শিক্ষার্থীর মধ্যে খাদ্যে বিষক্রিয়ার উপসর্গ দেখা দেয়। তাদের তিনটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত চলছে।

২০২৫ সালের জানুয়ারিতে কর্মসূচিটি চালুর পর থেকেই এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট খাদ্যে বিষক্রিয়ার ঘটনা বাড়ছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ২ সেপ্টেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, ৩৬টি প্রদেশের ২৪৫টি জেলা ও শহরে এমবিজি কর্মসূচির খাবার খেয়ে অসুস্থ হওয়ার ৫৬০টি ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় মোট ৫০ হাজার ৫৯৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন।

জাতীয় পুষ্টি সংস্থার প্রধান সুদারিওনো জানান, সংস্থার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, আগের খাদ্যে বিষক্রিয়ার ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ ঘটনার পেছনে খাদ্য নিরাপত্তার নিয়ম না মানার বিষয়টি ছিল। খাবার সংরক্ষণ, কাঁচামাল গ্রহণ, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং খাবার পরিবেশনের সময়সীমা ঠিকভাবে না মানার মতো বিষয়গুলো এর মধ্যে রয়েছে।

সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোকে বড় ধাক্কা হিসেবে উল্লেখ করে সুদারিওনো বলেন, খাবার সরবরাহকারীদের ওপর নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে। পাশাপাশি দেশজুড়ে প্রায় ২৭ হাজার খাবার বিতরণ কেন্দ্র পর্যালোচনা করা হচ্ছে। পরিদর্শনে শত শত সন্দেহজনক বা ভুয়া কেন্দ্রের সন্ধান পাওয়া গেছে। স্বাস্থ্যবিধি ও স্যানিটেশন মান পূরণ করতে না পারায় অন্তত ৮৩৩টি রান্নাঘরও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

প্রাবোও সরকারের এই কর্মসূচির আওতায় প্রায় ৯ কোটি শিক্ষার্থী, শিশু ও গর্ভবতী নারীকে বিনামূল্যে খাবার দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে। অপুষ্টি কমানো এবং শিশুদের স্বাভাবিক শারীরিক বিকাশ নিশ্চিত করাই কর্মসূচিটির মূল উদ্দেশ্য। ২০২৯ সাল পর্যন্ত এ কর্মসূচিতে প্রায় ২৮ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হতে পারে। এটি প্রেসিডেন্ট প্রাবোওর অন্যতম প্রধান নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিও ছিল।

সূত্র: আরব নিউজ


আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জাপানে ঘরজামাই হয়ে থাকার সুযোগ, আবেদন করতে পারবে বাংলাদেশিরাও
জাপানে দীর্ঘদিনের একটি সামাজিক ও আইনি প্রথা আছে, যেখানে মেয়ের স্বামীকেই দত্তক নিয়ে পরিবারের ছেলে ও উত্তরসূরি বানানো হয়। এই প্রথার নাম ‘মুকোয়োশি’—সহজ বাংলায় বলা যায়, ‘দত্তক ঘরজামাই’। বিশ্বের অনেক দেশে দত্তক নেওয়ার সঙ্গে শিশুকে নতুন পরিবারে বড় করে তোলার ধারণাই বেশি পরিচিত। জাপানের ক্ষেত্রে চিত্রটি কিছুটা ভিন্ন। সেখানে প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষকেও দত্তক নেওয়ার রীতি বেশ প্রচলিত। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির মোট দত্তকের ৯০ শতাংশের বেশি প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষকে নিয়ে। সাধারণত ২০ থেকে ৩০ বছর বয়সী তরুণদের এভাবে পরিবারে নেওয়া হয়। তবে এর পেছনে শুধু পারিবারিক আবেগ নয়, অনেক সময় থাকে ভবিষ্যতের হিসাব-নিকাশও। জাপানে বহু পুরোনো ব্যবসা এখনও পারিবারিক মালিকানায় পরিচালিত হয়। কোনো পরিবারে ছেলে না থাকলে কিংবা পরিবারের নিজের ছেলেকে ব্যবসার উত্তরসূরি হিসেবে উপযুক্ত মনে না হলে তারা একজন যোগ্য পুরুষকে দত্তক নিতে পারে। আর সেই ব্যক্তি যদি মেয়ের স্বামী হন, তাহলে বিষয়টি আরও সহজ হয়ে যায়। বিয়ের পর তাকে দত্তক নেওয়া হলে তিনি শ্বশুরবাড়ির পদবি গ্রহণ করেন। ধীরে ধীরে পরিবারের ব্যবসা, সম্পদ এবং উত্তরাধিকারও তার হাতে চলে আসতে পারে। অর্থাৎ, সম্পর্কটা শুধু ‘জামাই’তে থেমে থাকে না। তিনি হয়ে ওঠেন পরিবারেরই একজন—অনেক ক্ষেত্রে পরবর্তী কর্তা। ‘মুকোয়োশি’র পেছনে সবচেয়ে বড় বিষয়গুলোর একটি হলো ধারাবাহিকতা। পরিবারের পদবি যেন হারিয়ে না যায়, ব্যবসার নেতৃত্ব যেন পরিবারের বাইরে চলে না যায় এবং বহু বছরের প্রতিষ্ঠান যেন পরবর্তী প্রজন্মেও টিকে থাকে—এই তিনটি বিষয় একসঙ্গে ধরে রাখার পথ হিসেবেই প্রথাটি ব্যবহৃত হয়েছে। জাপানি সমাজে ঐতিহ্যগতভাবে বিয়ের পর স্ত্রী স্বামীর পদবি গ্রহণ করেন। ফলে কোনো পরিবারে ছেলে না থাকলে পরিবারের পদবি টিকিয়ে রাখার প্রশ্ন দেখা দিতে পারে। মেয়ের স্বামীকে দত্তক নিয়ে তাকে পরিবারের পদবি দেওয়ার মাধ্যমে সেই সমস্যার সমাধান করা হয়। এভাবেই একজন জামাই একই সঙ্গে হয়ে ওঠেন পরিবারের ছেলে, ব্যবসার উত্তরসূরি এবং বংশের নাম বহনকারী। জাপানের বড় ব্যবসার ইতিহাসেও ‘মুকোয়োশি’র ছাপ রয়েছে। সুজুকি মোটর করপোরেশনের নেতৃত্বে একাধিকবার দত্তক পুত্রের আগমন ঘটেছে। প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘদিনের প্রধান ওসামু সুজুকিও ছিলেন এই প্রথায় পরিবারে আসা একজন দত্তক ঘরজামাই। নিনটেনডো, কিক্কোমান ও টয়োটার মতো জাপানি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও বিভিন্ন সময়ে এই ধরনের উত্তরাধিকার ব্যবস্থার সম্পর্ক দেখা গেছে। ফলে জাপানের কিছু বিখ্যাত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের দীর্ঘস্থায়ী পারিবারিক ধারাবাহিকতার পেছনেও রয়েছে এই অদ্ভুত অথচ কার্যকর সামাজিক রীতি। ‘মুকোয়োশি’র ব্যবহার ব্যবসার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। উত্তরাধিকার পরিকল্পনার ক্ষেত্রেও প্রাপ্তবয়স্ক কাউকে দত্তক নেওয়ার ঘটনা রয়েছে। বিশেষ করে নিঃসন্তান দম্পতিরা ভবিষ্যতে সম্পদ কার হাতে যাবে, সেটি নিশ্চিত করতে এই পথ বেছে নিতে পারেন। দত্তক প্রক্রিয়াটি জাপানের সরকারি পারিবারিক নথি ‘কোসেকি’-তে নিবন্ধিত হয়। দত্তক সম্পন্ন হওয়ার পর ওই ব্যক্তি নতুন পরিবারের পদবি গ্রহণ করেন এবং জন্মসন্তানের মতোই উত্তরাধিকার ও পারিবারিক দায়িত্ব পান। তবে এর সঙ্গে দায়িত্বও আসে। পরিবারের বয়স্ক সদস্যদের দেখাশোনার দায়িত্বও দত্তক নেওয়া সন্তানের ওপর বর্তাতে পারে। প্রশ্ন উঠতে পারে, এই ব্যবস্থায় কি বিদেশিদেরও জায়গা আছে? প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাপানে দীর্ঘমেয়াদি বসবাসের অনুমতি থাকা বিদেশিরাও নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে দত্তক হতে পারেন। তবে কিছু ক্ষেত্রে আদালতের অনুমোদনের প্রয়োজন হয়। অর্থাৎ, কোনো বাংলাদেশি ব্যক্তি শর্ত পূরণ করলে জাপানি পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক দত্তক সন্তান হতে পারেন। তবে দত্তক হলেই জাপানের নাগরিকত্ব বা ভিসা পাওয়া যায় না। সেগুলোর জন্য আলাদা আইনি প্রক্রিয়া রয়েছে। জন্মহার কমছে, গুরুত্ব বাড়ছে উত্তরাধিকারীর আধুনিক জাপানে জন্মহার কমে যাওয়ার সঙ্গে এই প্রথার গুরুত্বের একটি নতুন মাত্রাও তৈরি হয়েছে। অনেক পারিবারিক ব্যবসার মালিকের সন্তান থাকলেও ছেলে নেই। আবার নিজের সন্তান ব্যবসা পরিচালনায় আগ্রহী বা উপযুক্ত না-ও হতে পারেন। তখন পরিবারের সামনে প্রশ্ন আসে—শত বছরের ব্যবসা কে চালাবে? উত্তর খুঁজতে গিয়ে কোনো কোনো পরিবার পুত্রসন্তান জন্মের অপেক্ষায় না থেকে একজন উপযুক্ত ‘জামাই’কেই বেছে নেয়। এমনকি উপযুক্ত প্রার্থী খুঁজে দেওয়ার জন্য জাপানে বিশেষ ম্যাচমেকিং সেবারও অস্তিত্ব রয়েছে। এ নিয়ে জাপানে একটি প্রচলিত কথাও আছে—‘ছেলে তুমি বেছে নিতে পারো না, কিন্তু জামাই বেছে নিতে পারো।’ তবে সময়ের সঙ্গে ‘মুকোয়োশি’ নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। আধুনিক জাপানে নারীরা ব্যবসা, রাষ্ট্র ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ফলে শুধু পুরুষ উত্তরাধিকারী খোঁজার পুরোনো ধারণা কতটা প্রয়োজনীয়, তা নিয়ে আলোচনা রয়েছে। তারপরও প্রথাটি পুরোপুরি হারিয়ে যায়নি। কারও কাছে এটি একজন জামাইকে পরিবারের ছেলে করে নেওয়ার গল্প। কারও কাছে এটি শত বছরের ব্যবসাকে বাঁচিয়ে রাখার কৌশল। আবার কারও কাছে পরিবারের পদবি, সম্পদ ও উত্তরাধিকার পরবর্তী প্রজন্মের হাতে পৌঁছে দেওয়ার একটি ঐতিহাসিক ব্যবস্থা। জাপানের ‘মুকোয়োশি’ তাই শুধু দত্তক নেওয়ার গল্প নয়। এর ভেতরে আছে বিয়ে, পরিবার, ব্যবসা, উত্তরাধিকার এবং বদলে যাওয়া সমাজের এক অদ্ভুত সহাবস্থানের গল্প। আরটিভি/এসএস
জাপানে ঘরজামাই হয়ে থাকার সুযোগ, আবেদন করতে পারবে বাংলাদেশিরাও
ভয়াবহ বন্যায় তলিয়ে গেছে ব্যাংকক, দুর্যোগকবলিত এলাকা ঘোষণা
প্রবল বর্ষণের কারণে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। গত ৪৮ ঘণ্টায় প্রায় ৩০০ মিলিমিটার (১২ ইঞ্চি) বৃষ্টিপাতের পর রাজধানীর প্রধান সড়কগুলো প্লাবিত হয়ে যায়। কোথাও কোথাও গাড়ির একটি অংশ পানিতে ডুবে যায় এবং মানুষকে কোমরসমান পানির মধ্য দিয়ে হেঁটে চলাচল করতে দেখা যায়।  সেই সঙ্গে দেশটির আবহাওয়া সংস্থা সপ্তাহজুড়ে বজ্রঝড়ের পূর্বাভাস দিয়েছে। তাই শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ব্যাংকককে দুর্যোগকবলিত এলাকা ঘোষণা করেছেন নগরটির গভর্নর।  ব্যাংককের গভর্নর চাদচার্ট সিত্তিপুন্ট বলেন, এই সংকট ‘মানুষের জীবনের জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে’ এবং সরকারি ও বেসরকারি সম্পত্তির ক্ষতি করতে পারে। তিনি জানান, খালগুলোর আশপাশের এলাকাগুলোতে পরিস্থিতি সবচেয়ে গুরুতর। সেনাবাহিনী জানিয়েছে, দুর্যোগ মোকাবিলার অংশ হিসেবে তারা আশ্রয়কেন্দ্র ও ফিল্ড কিচেন স্থাপনসহ বিভিন্ন ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছে। অন্যদিকে ব্যাংকক মেট্রোপলিটন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (বিএমএ) স্কুলগুলোকে অস্থায়ী আবাসন হিসেবে নির্ধারণ করেছে এবং বাসিন্দাদের জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ভ্রমণ এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে। পরিস্থিতির মধ্যে সুপার মার্কেটগুলোতে ভিড় বেড়ে যায়। মানুষ প্রয়োজনীয় সরবরাহ মজুত করতে সেখানে ভিড় করেন।   ১৯ বছর বয়সী সানসুক লাওয়াচারাকুল বলেন, আমিও চিন্তিত, কারণ আগে থেকে খাবার মজুত করে রাখিনি। আর এর আগে আমি কখনো একা এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হইনি, কারণ আমার বাবা-মা আমার সঙ্গে নেই। শনিবার খালের আশপাশে বসবাসকারী লোকজনকে তাদের মালামাল উঁচু জায়গায় সরিয়ে নেয়ার জন্য জরুরি সতর্কতা জারি করে সরকার। ব্যাংককের বাসিন্দা সপ্পাকার্ন জুলাভিজিতফং বলেন, সতর্কতা জারির আগে তিনি স্থানান্তরের কথা বিবেচনা করার মতো যথেষ্ট সচেতন ছিলেন না। বন্যার পানিতে ঘেরা একটি কনডোমিনিয়াম থেকে লাগেজ নিয়ে বের হওয়ার সময় তিনি এ কথা বলেন।  শহরের প্রধান বিমানবন্দর সুবর্ণভূমি বিমানবন্দর স্বাভাবিকভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছিল। তবে পর্যটন কর্তৃপক্ষ ভ্রমণকারীদের তাদের পরিকল্পনায় অতিরিক্ত দুই থেকে তিন ঘণ্টা সময় রাখার পরামর্শ দিয়েছে। এর আগে, নভেম্বর মাসে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যার মুখোমুখি হয়েছিল থাইল্যান্ড। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোতে ওই বন্যায় অন্তত ১৪৫ জনের মৃত্যু হয় এবং হাজার হাজার বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সূত্র: রয়টার্স আরটিভি/এসআর
ভয়াবহ বন্যায় তলিয়ে গেছে ব্যাংকক, দুর্যোগকবলিত এলাকা ঘোষণা
মানসিক শান্তির খোঁজে ২০ বছরের ডাক্তারি পেশা ছেড়ে খুললেন বান রুটির দোকান
চিকিৎসক হিসেবে ২০ বছরের দীর্ঘ কর্মজীবন। ছিল সম্মান, দায়িত্ব আর মানুষের চিকিৎসার মতো প্রধান কাজ।
মানসিক শান্তির খোঁজে ২০ বছরের ডাক্তারি পেশা ছেড়ে খুললেন বান রুটির দোকান
লালগালিচায় চীনের প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানালেন ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সুসজ্জিত সামরিক বিমান উড়িয়ে এবং ১০০ ফুট (৩০ মিটার) দীর্ঘ লালগালিচা বিছিয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে লালগালিচা সংবর্ধনা জানিয়েছেন।
লালগালিচায় চীনের প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানালেন ট্রাম্প
বাসে জোরে গান বাজালে যে দেশে দিতে হবে ৫০০ ডলার জরিমানা
সিঙ্গাপুরে গণপরিবহনে উচ্চশব্দে গান বা অডিও বাজানো, সিটে পা তুলে বসাসহ বিভিন্ন আচরণের জন্য যাত্রীদের সর্বোচ্চ ৫০০ সিঙ্গাপুর ডলার জরিমানা করা হতে পারে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৪৩ হাজার টাকা। বাসে খাবার ও পানীয় গ্রহণ এবং ময়লা ফেলার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে জরিমানা।
বাসে জোরে গান বাজালে যে দেশে দিতে হবে ৫০০ ডলার জরিমানা
আরও পড়ুন
ইন্দোনেশিয়াকে হারিয়ে বাংলাদেশের টানা দ্বিতীয় জয়
ইন্দোনেশিয়ার দাবানলে ধোঁয়াশা মালয়েশিয়া, কৃত্রিম বৃষ্টি নামাতে অপারেশন
ইন্দোনেশিয়ার নৌবহরে যুক্ত হলো প্রথম রণতরী
হদিস মিলেছে জাভা সাগরে ২৪৩ আরোহী নিয়ে নিখোঁজ ফেরির