ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

বিমানবন্দরে যাত্রীর ব্যাগে মিলল মমি করা কুমিরের মাথা, অতঃপর...

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

ইতালির তুরিন শহরের ক্যাসেল বিমানবন্দরে এক যাত্রীর ব্যাগ তল্লাশি করে মমি করা একটি কুমিরের মাথা উদ্ধার করেছে দেশটির ফাইন্যান্সিয়াল পুলিশ ও শুল্ক বিভাগ। সংরক্ষিত বন্যপ্রাণীর দেহাংশ অবৈধভাবে বহনের অভিযোগে ওই ইতালীয় নাগরিকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বিমানবন্দর কাস্টমস সূত্র জানায়, ওই ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি থেকে ছুটি কাটিয়ে ইস্তাম্বুল হয়ে তুরিনে পৌঁছান। কাস্টমস ও নিরাপত্তা তল্লাশি এড়াতে কুমিরের মাথাটি শুকিয়ে সাধারণ কাগজে মুড়িয়ে তার লাগেজে রাখা হয়েছিল।

গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তুরিন বিমানবন্দরে ওই যাত্রীর ব্যাগে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় ব্যাগের ভেতর থেকে কুমিরের মমি করা মাথাটি উদ্ধার করে কর্তৃপক্ষ। পরে সেটি জব্দ করা হয়।

ইতালীয় অর্থ ও শুল্ক পুলিশ জানিয়েছে, বৈধ লাইসেন্স ছাড়া সংরক্ষিত বন্যপ্রাণী বা তার দেহাংশ আমদানির অভিযোগে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে দেশটির প্রচলিত আইন অনুযায়ী তাকে ২০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ২ লাখ ইউরো জরিমানা অথবা ছয় মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া হতে পারে।

১৯৭৩ সালে স্বাক্ষরিত ওয়াশিংটন কনভেনশন বা সাইটিসের আওতায় বিভিন্ন বিপন্ন ও সংরক্ষিত বন্যপ্রাণীর আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করা হয়। অনুমোদন ছাড়া এসব প্রাণী বা তাদের দেহাংশ এক দেশ থেকে অন্য দেশে নেওয়া আইনত দণ্ডনীয়।

গার্ডিয়ানের তথ্য অনুযায়ী, ইতালিতে বিদেশি পশুপাখির অবৈধ বাণিজ্যের সঙ্গে সংগঠিত অপরাধী চক্রের সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার বিভিন্ন স্যুভেনির দোকানে শুকনো কুমিরের মাথা বিক্রি হতে দেখা যায়। পর্যটকদের অনেকে এগুলো স্মারক বা উপহার হিসেবে কিনে থাকেন। কিন্তু এসব বন্যপ্রাণীর দেহাংশ আন্তর্জাতিকভাবে পরিবহনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অনুমতি ও কাগজপত্র না থাকলে তা আইন লঙ্ঘনের পর্যায়ে পড়তে পারে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ইরানকে ৯০টি অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার দিতে রাজি রাশিয়া
ইরানের কাছে ৯০টি অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা বিক্রিতে সম্মতি দিয়েছে রাশিয়া। হেলিকপ্টার থেকে পরিচালিত এসব লঞ্চারের মাধ্যমে নির্ভুল লক্ষ্যভেদী ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা সম্ভব। ইউক্রেন যুদ্ধে রুশ বাহিনীও এ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের (এফটি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাশিয়ার প্রতিরক্ষা শিল্পের ২০২৪ ও ২০২৫ সালের উৎপাদনসংক্রান্ত নথিতে ‘এপিইউ-এল’ মডেলের ৯০টি লঞ্চার রপ্তানির আদেশের তথ্য রয়েছে। সেখানে ক্রেতার নাম সরাসরি উল্লেখ না করে ‘কে-১০’ সাংকেতিক পরিচয় ব্যবহার করা হয়েছে।  রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় অস্ত্র রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের নথিতে এই সংকেত দিয়ে ইরানকে বোঝানো হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়। তবে এসব সরঞ্জাম ইতোমধ্যে ইরানের কাছে পৌঁছেছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। লঞ্চারগুলো রাশিয়ার এমআই-২৮ মডেলের আক্রমণকারী হেলিকপ্টারে স্থাপন করা যায়। প্রতিটি লঞ্চারে দুটি করে ‘এলএমইউআর’ নির্ভুল লক্ষ্যভেদী ক্ষেপণাস্ত্র বহনের সক্ষমতা রয়েছে। আকাশে উড্ডয়নের সময়ও এসব ক্ষেপণাস্ত্রের গতিপথ পরিবর্তন করা যায়। ফলে চলমান লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার সুযোগ তৈরি হয়। এফটির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইরানের সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতেও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়েছে মস্কো। ‘সি৪৩০এল’ নামের একটি গোপন প্রকল্পের আওতায় রুশ প্রকৌশলীরা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের ইঞ্জিন ও জ্বালানি ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করেছেন। সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি ভবিষ্যতে পারস্য উপসাগরে মোতায়েন করা মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলোর জন্য নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি করতে পারে। ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহারের জন্য এর আগে ইরানের কাছ থেকে শাহেদ ড্রোন সংগ্রহ করেছিল রাশিয়া। পাশাপাশি ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতেও সহযোগিতা করছে মস্কো। বিশ্লেষকদের ধারণা, সামরিক ক্ষেত্রে দুই দেশের সম্পর্ক ক্রমেই ঘনিষ্ঠ হলেও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে সরাসরি অংশ নেওয়ার বিষয়ে সতর্ক রাশিয়া। যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য প্রভাবশালী শক্তির সঙ্গে কূটনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখাই ক্রেমলিনের অন্যতম লক্ষ্য।  এ কারণে রুশ সামরিক সহায়তায় ইরানের সক্ষমতা বাড়ার সম্ভাবনা থাকলেও তা আঞ্চলিক সংঘাতের সামগ্রিক পরিস্থিতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। আরটিভি/এসআর  
ইরানকে ৯০টি অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার দিতে রাজি রাশিয়া
ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির দপ্তরের প্রশংসাপত্র পেলেন বাংলাদেশি আলোকচিত্রী ফরিদ আহাম্মদ রনি
বাংলাদেশের আলোকচিত্রী ও লেখক ফরিদ আহাম্মদ রনির আলোকচিত্রভিত্তিক গ্রন্থ ‘প্যারিসের ছবি’ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর হাতে গ্রন্থটি উপহার দেওয়ার পর এবার রাষ্ট্রপতির দপ্তর থেকে পাওয়া আনুষ্ঠানিক প্রশংসাপত্র তার সৃজনশীল উদ্যোগকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে। ২০২৫ সালের ৩০ অক্টোবর ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর হাতে নিজের প্রকাশিত গ্রন্থ ‘প্যারিসের ছবি’ তুলে দেওয়ার সুযোগ পান ফরিদ আহাম্মদ রনি। প্যারিসের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সৌন্দর্যকে আলোকচিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরা এই গ্রন্থ রাষ্ট্রপতির হাতে পৌঁছে দেওয়া তার দীর্ঘদিনের সৃজনশীল যাত্রার একটি স্মরণীয় ঘটনা। এর আগে ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির দপ্তর এবং প্যারিসের মেয়র দপ্তর থেকেও গ্রন্থটির জন্য প্রশংসাপত্র ও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাওয়ার কথা জানান লেখক। সেই ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালের ২০ অক্টোবর ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির দপ্তর থেকে প্রাপ্ত আনুষ্ঠানিক চিঠি তার এই উদ্যোগে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। প্রাপ্ত চিঠিতে গ্রন্থটি উপহার দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশের পাশাপাশি ফ্রান্সের সাংস্কৃতিক মর্যাদা ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশটির ভাবমূর্তি তুলে ধরার ক্ষেত্রে লেখকের উদ্যোগের প্রশংসা করা হয়েছে। একই সঙ্গে ফ্রান্স ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং সাংস্কৃতিক বন্ধন সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে তার অবদানের স্বীকৃতিও উল্লেখ করা হয়েছে। ‘প্যারিসের ছবি’ কেবল একটি আলোকচিত্রের বই নয়, বরং ফ্রান্সের রাজধানীর ইতিহাস, স্থাপত্য, শিল্প, সংস্কৃতি ও নগরজীবনের এক নান্দনিক উপস্থাপনা। গ্রন্থটিতে আইফেল টাওয়ার, লুভর জাদুঘর, ঐতিহাসিক স্থাপনা, ভাস্কর্য, নগরজীবন এবং প্যারিসের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য আলোকচিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। বাংলা, ইংরেজি ও ফরাসি ভাষায় প্রকাশিত গ্রন্থটি বাংলাদেশের প্রকাশনা ও আলোকচিত্রচর্চার আন্তর্জাতিক পরিচিতি বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে। বহুভাষিক উপস্থাপনার মাধ্যমে বইটি বাংলাদেশ, ফ্রান্সসহ বিভিন্ন দেশের পাঠক ও শিল্পানুরাগীদের কাছে প্যারিসের সৌন্দর্য ও ঐতিহ্য তুলে ধরার সুযোগ সৃষ্টি করেছে। ২০২৫ সালের নভেম্বরে প্রকাশিত সংবাদ প্রতিবেদনেও গ্রন্থটির বহুভাষিক প্রকাশনা এবং ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির হাতে পৌঁছানোর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসে। ফরিদ আহাম্মদ রনির এই গ্রন্থ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বের কাছে পৌঁছেছে। ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর পাশাপাশি প্যারিসের সাবেক মেয়র আন্নে ইদালগোর হাতেও বইটি তুলে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া প্যারিসের ঐতিহাসিক গ্রঁ পালে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ChangeNOW Summit-এ মোনাকোর যুবরাজ প্রিন্স আলবার্ট দ্বিতীয়, ফ্রান্সের সাবেক প্রধানমন্ত্রী লরাঁ ফাবিউস এবং জাতিসংঘের আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল মেলিসা ফ্লেমিংয়ের হাতেও গ্রন্থটি পৌঁছে দেন তিনি। ২০২৬ সালের জুনে প্যারিসের বর্তমান মেয়র ইমানুয়েল গ্রেগোয়ারের কাছেও গ্রন্থটি উপহার দেওয়া হয়। একই বছরের আগস্টে ফ্রান্সের সাবেক রাষ্ট্রপতি ফ্রাঁসোয়া ওলান্দের হাতেও বইটি তুলে দেওয়ার খবর প্রকাশিত হয়। ফ্রান্স ও বাংলাদেশের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব, সহযোগিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ওপর প্রতিষ্ঠিত। শিল্প, সাহিত্য, আলোকচিত্র ও সংস্কৃতির মাধ্যমে দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ আরও গভীর করার সুযোগ রয়েছে। ফরিদ আহাম্মদ রনির ‘প্যারিসের ছবি’ সেই সাংস্কৃতিক যোগাযোগের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। একজন বাংলাদেশি আলোকচিত্রীর দৃষ্টিতে ফ্রান্সের রাজধানীকে আন্তর্জাতিক পাঠকের সামনে তুলে ধরার এই প্রচেষ্টা দুই দেশের সাংস্কৃতিক বিনিময়কে নতুনভাবে পরিচিত করার সুযোগ সৃষ্টি করেছে। রাষ্ট্রপতির দপ্তর থেকে পাওয়া আনুষ্ঠানিক প্রশংসাপত্র তার ব্যক্তিগত সৃজনশীল অর্জনের পাশাপাশি বাংলাদেশের আলোকচিত্র ও প্রকাশনা জগতের জন্যও অনুপ্রেরণার বিষয়। সংস্কৃতির কোনো ভৌগোলিক সীমারেখা নেই। শিল্প ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে মানুষে মানুষে সম্পর্ক গড়ে ওঠে, দেশ থেকে দেশে তৈরি হয় বন্ধুত্বের সেতু। ‘প্যারিসের ছবি’ সেই সেতুবন্ধনেরই একটি নান্দনিক প্রয়াস, যা ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। আরটিভি/টিআর
ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির দপ্তরের প্রশংসাপত্র পেলেন বাংলাদেশি আলোকচিত্রী ফরিদ আহাম্মদ রনি
এক বছরে দুই ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা, পদত্যাগের ঘোষণা স্পেনের মন্ত্রীর
এক বছরেরও কম সময়ে দুটি ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনায় পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন স্পেনের পরিবহনমন্ত্রী অস্কার পুয়েন্তে।
এক বছরে দুই ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা, পদত্যাগের ঘোষণা স্পেনের মন্ত্রীর
ফ্রান্সে টিভি চ্যানেল বন্ধের দাবিতে ৫ লাখের বেশি মানুষের স্বাক্ষর
ফ্রান্সের সংবাদভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল সিএনিউজ বন্ধের দাবিতে করা আবেদনে পাঁচ লাখের বেশি মানুষ স্বাক্ষর করেছেন।
ফ্রান্সে টিভি চ্যানেল বন্ধের দাবিতে ৫ লাখের বেশি মানুষের স্বাক্ষর
ইউক্রেনে ত্রাণকেন্দ্রে রাশিয়ার হামলা, নিহত ২৬
ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় জাপোরিঝঝিয়া অঞ্চলে একটি ত্রাণ বিতরণকেন্দ্রে রাশিয়ার বিমান হামলায় অন্তত ২৬ জন নিহত হয়েছেন। 
ইউক্রেনে ত্রাণকেন্দ্রে রাশিয়ার হামলা, নিহত ২৬
আরও পড়ুন
শাহজালাল বিমানবন্দরে যাত্রীর প্যান্টে মিলল ২৪ কোটি টাকার তরল সোনা
বাংলাদেশ থেকে ২২ হাজার ২৪১ যাত্রীর ফ্লাইট বাতিল
দুই সপ্তাহ পর খুলছে রিয়াদের কিং খালেদ বিমানবন্দর
টয়লেটে পাওয়া চিরকুট ঘিরে কলকাতা বিমানবন্দরে তোলপাড়, ছিল যে বার্তা