ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

অরুণাচল নিয়ে চীনের টানাটানির মুখে ভারতের নতুন পদক্ষেপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৮ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৪৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

অরুণাচল নিয়ে আবারও চীনের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে ভারত। চীনের বারবার নাম পরিবর্তনের উদ্যোগের মুখে এবার অরুণাচল প্রদেশের ২৭টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানকে সরকারি মানচিত্রে আনুষ্ঠানিকভাবে সংযুক্ত করেছে ভারত সরকার।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অরুণাচল প্রদেশ সরকারের সঙ্গে পরামর্শ করে স্থানগুলোকে তাদের নির্ধারিত নামসহ সরকারি মানচিত্রে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। খবর ইন্ডিয়া টুডে’র।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমটির খবরে বলা হয়, এসব স্থান সঠিকভাবে শনাক্ত করা এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোই এ উদ্যোগের উদ্দেশ্য। ভারতীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অরুণাচল প্রদেশে অবস্থিত মোট ২৭টি স্থান ও ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য সার্ভে অব ইন্ডিয়ার সরকারি মানচিত্রে তাদের নামসহ চিহ্নিত করা হয়েছে।

নয়াদিল্লির এই পদক্ষেপের পেছনে রয়েছে অরুণাচল প্রদেশের বিভিন্ন স্থানের নাম পরিবর্তনে বেইজিংয়ের ধারাবাহিক উদ্যোগ। বেইজিং অরুণাচলকে ‘জাংনান’ নামে অভিহিত করে সেখানে বিভিন্ন স্থানকে নতুন নামে তালিকাভুক্ত করে আসছে।

ভারত বরাবরই চীনের এসব উদ্যোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। দেশটির দাবি, এ ধরনের নাম পরিবর্তনের মাধ্যমে অরুণাচল প্রদেশের ওপর ভারতের সার্বভৌমত্বের বাস্তবতা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।

আরও পড়ুন

সরকারি মানচিত্রে চিহ্নিত স্থানগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বা এলএসি-সংলগ্ন লংজু। ১৯৫৯ সালে চীনা বাহিনী ওই এলাকায় প্রবেশ করলে ভারত-চীন সীমান্ত উত্তেজনার অন্যতম প্রথম কেন্দ্র হয়ে ওঠে লংজু। আপার সুবানসিরি জেলার কাছের মাজা গ্রামও তালিকায় রয়েছে।

এছাড়া, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি উচ্চ পার্বত্য গিরিপথ—জো লা, রিজা লা ও পুকুর লা—মানচিত্রে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৯৬২ সালের ভারত-চীন যুদ্ধের অন্যতম প্রথম সংঘর্ষের স্থান থাগ লাওকেও আনুষ্ঠানিকভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

চাংলাং জেলার জয়রামপুরও তালিকায় রয়েছে। পূর্ব অরুণাচল ও মিয়ানমার সীমান্তের দিকে নিরাপত্তা বাহিনীর চলাচলে গুরুত্বপূর্ণ লজিস্টিক কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত এই এলাকাটি।

তালিকায় আরও রয়েছে উচ্চভূমির হ্রদ শম্ভো সরোবর, বড়া কুন্ডুন, ছোট কুন্ডুন, ধন বাড়ি, প্রীতনগর, তেরিতনগর, রামনগর ও জাসবন্ত গড়। ১৯৬২ সালের যুদ্ধের বীর সেনা জাসবন্ত সিং রাওয়াতের স্মৃতিসৌধও রয়েছে জাসবন্ত গড়ে, যা তাওয়াং যাওয়ার সড়কে অবস্থিত।

এছাড়া, সাগর, পদ্মা, জ্যোতিনগর ও বৈশাখী গ্রামের নামও সরকারি মানচিত্রে যুক্ত করা হয়েছে। তালিকায় রয়েছে ১৯৬২ সালের যুদ্ধের আরেক বীর ত্রিলোক সিং থাপার স্মরণে নির্মিত শের-ই-থাপা স্মৃতিসৌধ। পাশাপাশি ছোট রোপুক, বড় রোপুক, শিবাজি নগর, সুনপুরা, কমলাং নগর ও বুদ্ধমন্দিরও চিহ্নিত করা হয়েছে মানচিত্রে।

নয়াদিল্লি জানিয়েছে, এসব স্থান তাদের নির্ধারিত নাম ও অবস্থানসহ সার্ভে অব ইন্ডিয়ার সরকারি মানচিত্রে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর আগে, চীন ২০১৭ সালে অরুণাচল প্রদেশের ছয়টি স্থানের নতুন নামের প্রথম তালিকা প্রকাশ করে। এরপর ২০২১ সালে ১৫টি এবং ২০২৩ সালে আরও ১১টি স্থানের নাম পরিবর্তনের তালিকা প্রকাশ করা হয়।

ভারত সরকারের ভাষ্য, ভারতীয় ভূখণ্ডের জন্য চীনের দেয়া তথাকথিত কাল্পনিক নাম কোনোভাবেই বাস্তব পরিস্থিতি পরিবর্তন করতে পারে না। এ ধরনের পদক্ষেপ দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের প্রচেষ্টাকেও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
রাস্তার মাঝখানে বাঘের ঘুম, আটকে রইল পর্যটকদের গাড়ি
ভারতের রণথম্বোর জাতীয় উদ্যানের একটি কাদাময় সড়কে হঠাৎ তৈরি হলো যানজট। অন্য কোনো যানবাহন বা দুর্ঘটনা নয়, বরং বনের রাজা বাঘ নিশ্চিন্তে দুপুরের ঘুম দেওয়ায় যানজট সৃষ্টি হয়। রাজস্থানের বিখ্যাত এ অভয়ারণ্যে সাফারিতে বেরিয়ে পর্যটকরা এমনই এক অভাবনীয় মুহূর্তের সাক্ষী হয়েছেন। যার ভিডিও নেটদুনিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। এলেনা নামে এক বিদেশি পর্যটক তার ইনস্টাগ্রামে ভিডিওটি পোস্ট করার পর থেকেই তা ভাইরাল হয়।  ভিডিওটিতে দেখা যায়, ধুলোবালি ঘেরা সাফারির আঁকাবাঁকা রাস্তার ঠিক মাঝখানে আয়েশ করে ঘুমাচ্ছে একটি বিশালদেহী বাঘ। আর তাকে না জাগিয়ে বা বিরক্ত না করে পথের ওপর সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে রয়েছে প্রায় ৩০টি পর্যটকবাহী জিপ। বাঘটিকে একটু কাছ থেকে দেখার জন্য পর্যটকদের মধ্যে ফিসফিসানি আর ক্যামেরার ক্লিক ক্লিক শব্দে এক নীরব ব্যস্ততা তৈরি হয়। বেশ কিছু সময় ঘুমিয়ে নেওয়ার পর বাঘটি ধীরে সুস্থে উঠে দাঁড়ায়, সাধারণ গৃহপালিত বিড়ালের মতো শরীর দোলা দিয়ে একটু আলসেমি ভাঙে, এবং উপস্থিত জিপের মানুষগুলোকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে শান্ত পায়ে বনের গহীনে মিলিয়ে যায়। ভিডিওটির ক্যাপশনে এলেনা রসিকতা করে লিখেছেন, ভারতের চিরচেনা যানজটের অভিজ্ঞতা যদি রাজকীয় হতে হয়, তবে তা এমনই হয়। তার এ পোস্টটিতে প্রায় ছয় লক্ষাধিক ভিউ এবং হাজার হাজার লাইক পড়েছে।  নেটিজেনরাও মন্তব্য বাক্সে মজার সব মন্তব্য ছুঁড়ে দিচ্ছেন। অনেকেই বলছেন, বনের রাজা যে নিজের ইচ্ছামতোই চলবেন; তা আরও একবার প্রমাণ করে দিলেন তিনি। কেউ বা কমেন্ট করেছেন, বাঘটি হয়তো পর্যটকদের মনে করিয়ে দিতে চেয়েছিল যে জঙ্গলটি আসলে কার শাসনে চলে। সূত্র: এনডিটিভি আরটিভি/এসআর  
রাস্তার মাঝখানে বাঘের ঘুম, আটকে রইল পর্যটকদের গাড়ি
বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভারতের বার্তা
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নয়াদিল্লিতে নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ বার্তা দেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।
বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভারতের বার্তা
ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, আঘাত হানবে কবে-কোথায়
বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া গভীর নিম্নচাপ ক্রমেই শক্তিশালী হয়ে উপকূলের দিকে এগিয়ে আসছে। ভারতের আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিলে বাংলাদেশের দেওয়া নাম ‘অর্ণব’ পেতে পারে।
ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, আঘাত হানবে কবে-কোথায়
বাংলাদেশের সঙ্গে কেমন সম্পর্ক চায় ভারত, জানালেন জয়সওয়াল
বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক, গঠনমূলক ও ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা জানিয়েছে ভারত। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, দুই দেশের বিদ্যমান কাঠামোবদ্ধ ব্যবস্থার মাধ্যমে সব দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে আলোচনায় প্রস্তুত রয়েছে নয়াদিল্লি। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ কথা বলেন।  তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভারতের সাধারণ অবস্থান হলো—ইতিবাচক, গঠনমূলক ও ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক বজায় রাখা। এ সম্পর্ককে ইতিবাচক দিকে এগিয়ে নেওয়াই ভারতের লক্ষ্য। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর এবং এ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মুখপাত্র বলেন, এ বিষয়ে কোনো নতুন তথ্য থাকলে তা জানানো হবে। এ ছাড়া বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে মুখপাত্র আরো বলেন, দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান কাঠামোবদ্ধ ব্যবস্থার মধ্যেই সব দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে ভারত প্রস্তুত। প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতার ক্ষেত্রেও দুই দেশের যোগাযোগ রয়েছে। ভারতের বহুপক্ষীয় বিমান মহড়া ‘তরঙ্গ শক্তি’তে বাংলাদেশের সি-১৩০জে পরিবহন বিমান অংশ নেওয়ার প্রসঙ্গেও ভারতের অবস্থান জানতে চাওয়া হয়।  জবাবে মুখপাত্র বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে ভারতের মূল অবস্থান অপরিবর্তিত—নয়াদিল্লি একটি ইতিবাচক, গঠনমূলক ও ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক চায়। আরটিভি/এসআর  
বাংলাদেশের সঙ্গে কেমন সম্পর্ক চায় ভারত, জানালেন জয়সওয়াল
সম্মতি ছাড়া জন্ম দেওয়ায় নিজের মা-বাবার বিরুদ্ধে মামলা করার পরিকল্পনা ছেলের
নিজের সম্মতি ছাড়া জন্ম দেওয়ার অপরাধে নিজের জন্মদাতা মা-বাবার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করার পরিকল্পনা করেছেন ২৭ বছর বয়সী এক ভারতীয় তরুণ।  মুম্বাইয়ের ব্যবসায়ী রাফায়েল স্যামুয়েল জানান, শিশুদের পৃথিবীতে নিয়ে আসা অনুচিত, কারণ পরবর্তীতে তাদের সারা জীবন ধরে বহু কষ্ট ও ভোগান্তির মধ্য দিয়ে যেতে হয়। রাফায়েল স্যামুয়েল বিষয়টি অনুধাবন করেন যে জন্মের আগে কারও সম্মতি নেওয়া বৈজ্ঞানিকভাবে অসম্ভব। তবে তার মতে, জন্ম নেওয়াটা তো আমাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত ছিল না। তাই যেহেতু তিনি বা অন্য কেউ স্বেচ্ছায় জন্ম নিতে চায়নি, সেহেতু আজীবন বেঁচে থাকার সব ধরনের খরচ মা-বাবারই বহন করা উচিত বলে যুক্তি দেন তিনি। সাধারণ কোনো পরিবারে এমন অযৌক্তিক দাবি সম্পর্কের ইতি ঘটাতে পারত, তবে পেশায় আইনজীবী রাফায়েলের মা-বাবার ক্ষেত্রে বিষয়টি বিপরীত। তারা বিষয়টিকে হাস্যরসাত্মক ও ইতিবাচকভাবেই দেখছেন।  রাফায়েলের মা কবিতা কার্নাড স্যামুয়েল এক বিবৃতিতে জানান, আমি আমার ছেলের সাহসের প্রশংসা করি যে মা-বাবা দুজনই আইনজীবী জেনেও সে আমাদের আদালতে নেওয়ার কথা ভাবছে। ও যদি কোনো যৌক্তিক ব্যাখ্যা দিতে পারে যে আমরা কীভাবে জন্মের আগে তার সম্মতি নিতে পারতাম, তবে আমি আমার ভুল স্বীকার করে নেব। স্যামুয়েলের এই ব্যতিক্রমী চিন্তাভাবনা মূলত ‘অ্যান্টি-ন্যাটালিজম’ বা ‘জন্মবিরোধিতা’ দর্শনের ওপর প্রতিষ্ঠিত। এই দর্শনের অনুসারীদের মতে, মানবজীবন নানা দুঃখ-কষ্টে পূর্ণ; তাই মানুষের সন্তান জন্মদান প্রক্রিয়া অবিলম্বে বন্ধ করা উচিত। এতে ধীরে ধীরে পৃথিবী থেকে মানবজাতি বিলুপ্ত হয়ে যাবে, যা সার্বিকভাবে এই গ্রহ এবং অন্যান্য পশুপাখির বেঁচে থাকার জন্য অনেক ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। এক বছর আগে ‘নিহিলানন্দ’ (Nihilanand) নামে একটি ফেসবুক পেজ খুলে নিজের বেশ কিছু ডিজিটাল পোস্টার ছড়িয়ে দেন রাফায়েল। সেখানে তিনি প্রশ্ন তোলেন, একটি শিশুকে এই পৃথিবীতে আসতে বাধ্য করা এবং ক্যারিয়ার গড়তে চাপ দেওয়া কি অপহরণ বা দাসত্বের শামিল নয়? তবে মা-বাবার সঙ্গে কোনো ব্যক্তিগত শত্রুতা নেই বলে জানান স্যামুয়েল। তিনি জানান, তার জীবন বেশ ভালোই কাটছে এবং তিনি বিষণ্ণ নন। তবে তিনি মনে করেন, মানুষের অস্তিত্ব ছাড়া পৃথিবী আরও সুন্দর হতে পারত। যদিও কোনো বিচারক এই মামলা গ্রহণ করবেন না বলে তিনি জানেন, তবুও এই বিষয়ে বৈশ্বিক জনসচেতনতা ও আলোচনা তৈরির লক্ষ্যেই তিনি আইনি ব্যবস্থা নিতে চান বলে জানান। আরটিভি/এসআর  
সম্মতি ছাড়া জন্ম দেওয়ায় নিজের মা-বাবার বিরুদ্ধে মামলা করার পরিকল্পনা ছেলের
আরও পড়ুন
ধামরাইয়ে চীনা কর্মকর্তাকে বেঁধে ৭০ লাখ টাকা লুটের ঘটনা তদন্তে পুলিশ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলের নেতাদের চীনে প্রশিক্ষণের প্রস্তাব
যুক্তরাষ্ট্রের এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের স্পর্শকাতর যন্ত্রাংশ হাতে পেল চীন!