
সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে আফগানিস্তানকে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়েছিল ভারত। দ্বিতীয় ম্যাচেও জয়ের ধারা ধরে রাখল স্বাগতিকরা। এবারও ৭ উইকেটের জয় তুলে নিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করেছে শ্রেয়াস আইয়ারের দল।
টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপাকে পড়ে আফগানিস্তান। আগের ম্যাচের মতো এবারও ইনিংসের শুরুতেই শূন্য রানে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার রহমানউল্লাহ গুরবাজ। এরপর অধিনায়ক ইব্রাহিম জাদরানের ৩৭ রানের পাশাপাশি রশিদ খান ও মোহাম্মদ নবীর কার্যকর ইনিংসে লড়াই করার মতো সংগ্রহ পায় আফগানরা।
রশিদ ১৬ বলে ২৮ এবং নবী ১৪ বলে ২০ রান করেন। তাদের ব্যাটে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৫৯ রান সংগ্রহ করে আফগানিস্তান।
ভারতের হয়ে বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেন অলরাউন্ডার নিতীশ কুমার রেড্ডি। মাত্র ৩ ওভারে ২৪ রান খরচায় ৩টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট শিকার করেন তিনি।
জবাবে ১৬০ রানের লক্ষ্য তাড়ায় শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে ভারত। উদ্বোধনী জুটিতেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেন সাঞ্জু স্যামসন ও অভিষেক শর্মা। মাত্র ৩৮ বলে দুজন মিলে গড়েন ৮৮ রানের ঝড়ো জুটি।
স্যামসন মাত্র ২০ বলে তুলে নেন টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের সপ্তম অর্ধশতক। শেষ পর্যন্ত ২২ বলে ৫৭ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন তিনি। তার ইনিংসে ছিল ৭টি চার ও ৪টি ছক্কা। অন্যদিকে অভিষেক শর্মা ১৯ বলে করেন ৩৯ রান।
পাওয়ার প্লেতেই ৮২ রান তুলে ম্যাচ জয়ের ভিত গড়ে ফেলে ভারত। দুই ওপেনার ফেরার পর ক্রিজে এসে অবশ্য ব্যাট হাতে সুবিধা করতে পারেননি অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার। ১১ বলে ১১ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি।
এরপর ইশান কিষাণ ও তিলক ভার্মা দায়িত্ব নিয়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন। ইশান ৩৮ এবং তিলক ১৫ রানে অপরাজিত থাকেন।
শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেটের জয় নিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিজেদের করে নেয় ভারত। বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য ম্যাচসেরার পুরস্কারও জেতেন নিতীশ কুমার রেড্ডি।
আরটিভি/এসকে




