ঢাকা শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩

‘তেলাপোকাদের’ আন্দোলনে যোগ দিতে গিয়ে আটক ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১১ এএম
ভারতীয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি। ছবি: সংগৃহীত

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ‘মহাসমাবেশ ও বিক্ষোভ’ কর্মসূচি ডেকেছে তেলাপোকা বা ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবিতে ডাকা এই বিক্ষোভ সফল করতে ব্যাপক তৎপরতা চালাচ্ছে প্লাটফর্মটি। পুলিশের নির্দেশনা অমান্য করে এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যোগ দিতে গিয়ে আটক হয়েছেন ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি।

শনিবার (১০ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য দিয়েছেন হিন্দুস্তান টাইমস।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, দিল্লিতে নির্ধারিত প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আগে গুরুগ্রামের সেক্টর ৫৬-এর কেন্দ্রীয় বিহার আবাসন সমিতিতে ধ্রুব রাঠির বাসভবনে পৌঁছায় পুলিশের একাধিক দল।

ধ্রুব রাঠিকে দিল্লিতে গিয়ে প্রতিবাদে অংশ না নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছিল। গুরুগ্রাম পুলিশের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এর আগে জানিয়েছিলেন, ‘তিনি যদি নির্দেশ অমান্য করেন এবং দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেওয়ার চেষ্টা করেন, তাহলে তাকে আটক করা হবে।’

পুলিশের সেই নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগে ধ্রুব রাঠিকে আটক করা হয় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে দিল্লির যন্তর মন্তরে বড় ধরনের বিক্ষোভের প্রস্তুতি নিচ্ছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। বিক্ষোভ ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে রাজধানীজুড়ে ২০ হাজারের বেশি পুলিশ ও কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এরই মধ্যে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে চার শতাধিক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।

এই বিক্ষোভের অনুমতি দেয়নি পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। আন্দোলন ছড়িয়ে পড়া রোধ করতে শুক্রবার রাত ১০টার দিকে দিল্লির যন্তরমন্তর ও তার চারপাশের ৪ কিলোমিটার এলাকা পর্যন্ত মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার রাত ১০টা পর্যন্ত যন্তরমন্তর ও সংলগ্ন এলাকাগুলোতে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ থাকবে।

সেইসঙ্গে রাজধানী ও তার সংলগ্ন আশপাশের বিভিন্ন এলাকা এবং অন্যান্য রাজ্য থেকে যেন লোকজন সিজেপির কর্মসূচিতে যোগ দিতে না পারে, সেজন্য নয়াদিল্লির ৪৫টি মেট্রোস্টেশনের সবগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, বাতিল করা হয়েছে ২৫০টি ট্রেন।

দিল্লির কেন্দ্রস্থল যন্তর মন্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থাও কয়েকগুণ জোরদার করা হয়েছে। বিক্ষোভস্থলে যাওয়ার সড়কে অন্তত সাত স্তরের ব্যারিকেড বসানো হয়েছে। শেষ দিকের কয়েকটি স্তর ঝালাই করে জোড়া লাগানো হয়েছে, যাতে সেগুলো ভেঙে পার হওয়া আরও কঠিন হয়।

সংবেদনশীল স্থানগুলোতে বসানো হয়েছে লাউডস্পিকার। এগুলোর মাধ্যমে রেকর্ড করা ঘোষণায় জানানো হচ্ছে, প্রস্তাবিত বিক্ষোভের অনুমতি দেওয়া হয়নি। লোকজনকে বিক্ষোভে জমায়েত না হওয়া, স্লোগান না দেয়া, সরকারি সম্পত্তির ক্ষতি না করা এবং পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা না চালানোর আহ্বান জানানো হচ্ছে।

কমিউনিটি সেন্টার, মসজিদ ও আবাসিক কল্যাণ সমিতিগুলোকেও (আরডব্লিউএ) জানাতে বলা হয়েছে যে বিক্ষোভের অনুমতি নেই। বিক্ষোভে অংশ নিতে নয়াদিল্লিতে আসা ব্যক্তিদের সতর্ক করে বলা হয়েছে, তাদের গ্রেপ্তার করা হতে পারে এবং আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

নয়াদিল্লি ও মধ্য দিল্লির বিভিন্ন লজ ও হোটেলেও তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। হোটেল ব্যবস্থাপকদের অতিথিদের বিক্ষোভে অংশ নিতে নিরুৎসাহিত করতে বলা হচ্ছে। এছাড়া, এয়ারবিএনবির মাধ্যমে বাসা ভাড়া দেন এমন ব্যক্তিদের এবং সম্পত্তির মালিকদেরও বিক্ষোভে যোগ দেয়ার পরিকল্পনা করছেন— এমন ব্যক্তিদের কাছে তাদের সম্পত্তি ভাড়া না দিতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

প্রায় দেড় কিলোমিটার ব্যাসার্ধের একটি এলাকাকে অত্যন্ত সংবেদনশীল হিসেবে চিহ্নিত করেছে দিল্লি পুলিশ। এর মধ্যে রয়েছে যন্তর মন্তর, জনপথ, নির্বাচন কমিশনের কার্যালয় ও দিল্লি পুলিশ সদর দপ্তরের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থান। দিল্লি পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, এই এলাকায় ৬ হাজার ৫০০-এর বেশি সদস্য মোতায়েন করা হবে। ফলে এলাকাটি কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টিত অঞ্চলে পরিণত হবে।

নজরদারিও জোরদার করা হচ্ছে। নয়াদিল্লি জেলার বিভিন্ন সংবেদনশীল স্থানে অডিও রেকর্ডিংয়ের সুবিধাসহ ৩০০টির বেশি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হবে এগুলোর মাধ্যমে।

কড়া নজর রাখা হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়াগুলোতে। প্রস্তাবিত সমাবেশ সংক্রান্ত অনলাইন পোস্ট ও বার্তাগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং খবর অনুযায়ী, ২০০ জনেরও বেশি কন্টেন্ট ক্রিয়েটর পুলিশের নজরদারির আওতায় রয়েছেন।

সাম্প্রতিক বিক্ষোভগুলোতে পুলিশের অসদাচরণ ও অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ ওঠায় এবারের বিক্ষোভ মোকাবিলার প্রতিটি ঘটনা নথিবদ্ধ করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে দিল্লি পুলিশ।

ঘটনাগুলো বিভিন্ন দিক থেকে নথিবদ্ধ করতে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ও তার ঊর্ধ্বতন পদমর্যাদার কর্মকর্তাসহ দায়িত্বে থাকা অন্য সদস্যদেরও বডি ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে। বিক্ষোভ ও পুলিশের প্রতিক্রিয়া তাৎক্ষণিকভাবে ধারণ করতে শত শত আলোকচিত্রী ও ভিডিওগ্রাফার নিয়োগ করা হয়েছে। কর্মকর্তাদের আশা, এসব ফুটেজের মাধ্যমে ঘটনার ধারাবাহিকতা প্রতিষ্ঠা করা যাবে, যাচাইযোগ্য প্রমাণ দিয়ে বিভ্রান্তিকর দাবি মোকাবিলা করা যাবে এবং কোনো ঘটনা ঘটলে তদন্তে সহায়তা পাওয়া যাবে।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘তেলাপোকাদের’ বিক্ষোভ দমনে নয়াদিল্লিতে ২৫ হাজার পুলিশ, প্রস্তুত ১২ বন্দিশিবির
তেলাপোকাদের নতুন এই বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে গত ২০ জুলাইয়ের ঘটনা মনে রেখে কাজ করছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার।
‘তেলাপোকাদের’ বিক্ষোভ দমনে নয়াদিল্লিতে ২৫ হাজার পুলিশ, প্রস্তুত ১২ বন্দিশিবির
কলকাতায় মুসলিমদের পানি না দেওয়ার অভিযোগ, জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ চাইলেন তৃণমূল সাংসদ
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর কলকাতার জ্যোতি নগর কলোনিতে মুসলিম বাসিন্দাদের পানি সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
কলকাতায় মুসলিমদের পানি না দেওয়ার অভিযোগ, জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ চাইলেন তৃণমূল সাংসদ
অবরুদ্ধ দিল্লি, বন্ধ মেট্রোরেল-ইন্টারনেট সেবা
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে বড় ধরনের বিক্ষোভের আশঙ্কায় কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিক্ষোভের প্রস্তুতি নিচ্ছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।
অবরুদ্ধ দিল্লি, বন্ধ মেট্রোরেল-ইন্টারনেট সেবা
ভারতে খ্রিস্টান বাড়িতে ভয়ংকর মব, তুলসী গাছ রেখে দেওয়ানো হলো ধর্মীয় স্লোগান
ঘটনাটি সামনে আসার পর পুলিশের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি এবং কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলেও জানা যায়নি।
ভারতে খ্রিস্টান বাড়িতে ভয়ংকর মব, তুলসী গাছ রেখে দেওয়ানো হলো ধর্মীয় স্লোগান
কংগ্রেস বাংলাদেশের মতো ‘অরাজক পরিস্থিতি’ তৈরির চেষ্টা করছে ভারতে: বিজেপি
ভোটার তালিকা সংশোধন ইস্যু ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে ভারতে চলমান আন্দোলন ক্রমশ চরম রূপ নিচ্ছে। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) সমান্তরালে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়ে ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে তুমুল আন্দোলন গড়ে তুলেছে প্রধান বিরোধীদল কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোট।  এ অবস্থায় কংগ্রেসের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছে ক্ষমতাসীন বিজেপি। দলটির দাবি, রাহুল গান্ধী ক্ষমতায় ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন এবং কংগ্রেস দেশে নেপাল ও বাংলাদেশের মতো ‘অরাজক পরিস্থিতি’ তৈরি করার চেষ্টা করছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) এক ভিডিও বার্তায় এই অভিযোগ করেন বিজেপির মুখপাত্র প্রদীপ ভান্ডারি। এসময় তিনি বুধবার দিল্লিতে ইন্ডিয়া জোটের বিক্ষোভের কিছু ভিডিও ফুটেজও তুলে ধরেন। খবর ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের বিজেপি মুখপাত্রের অভিযোগ, দিল্লির বিক্ষোভে রাহুল গান্ধী, তার বোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং কংগ্রেসের কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তির ঘটনা দলটির উদ্দেশ্য স্পষ্ট করে দিয়েছে। কংগ্রেসের উদ্দেশ্য হলো নেপাল ও বাংলাদেশের মতো অরাজকতা তৈরি করে ভারতে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করা। বিজেপির এই অভিযোগের বিষয়ে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি এখন পর্যন্ত। এদিকে চলমান রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। ভোটার তালিকার চলমান বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর নিয়ে বিরোধী দলগুলোর প্রতিবাদের মধ্যেই তার নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দিল্লির নিউ মোতি বাগ এলাকার প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বাসভবনের বাইরে অতিরিক্ত নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের কার্যালয় এবং জ্ঞানেশ কুমারের ব্যক্তিগত নিরাপত্তাতেও অতিরিক্ত সদস্য যুক্ত করা হয়েছে। পাশপাশি আগামী ১০ অক্টোবর ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভ সমাবেশকে কেন্দ্র করে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে নয়াদিল্লিতে। পার্শ্ববর্তী প্রদেশগুলোতেও জারি করা হয়েছে সতর্কতা। সূত্রমতে, ভারতের কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর (সিএপিএফ) ২৩ হাজার সদস্যকে ১০ অক্টোবরের বিক্ষোভ সমাবেশের দিন দিল্লিতে মোতায়েন করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) থেকে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত সিএপিএফ এর ২২১ কোম্পানি সদস্যকে রাজধানীজুড়ে মোতায়েনের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে ভারতের ইউনিয়ম হোম মিনিস্ট্রি। এর বাইরে দিল্লি পুলিশের অধীনে আরও ১১০ কোম্পানি সিএপিএফ সদস্য থাকবে। এছাড়াও, বিক্ষোভের সময় দিল্লি পুলিশের আরও ২০ হাজার অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।  সেইসঙ্গে দিল্লির সীমান্তজুড়ে শক্ত নজরদারি করা হচ্ছে বলেও জানা গেছে একাধিক সূত্রে। নয়াদিল্লির সব মেট্রোস্টেশন ও প্রয়োজন অনুযায়ী সব মার্কেটও বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে বলেও জানা গেছে। বিরোধীদের বিক্ষোভ ঘিরে কয়েক স্তরের ব্যারিকেডের পরিকল্পনা রয়েছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পুরো রাজধানীজুড়েই সচল থাকবে ক্যামেরার ফেস রেকগনিশন নজরদারি। এ সময় জরুরি অবস্থায় আদেশ জারির ক্ষমতাও দেওয়া থাকবে ম্যাজিস্ট্রেটদের হাতে। বিক্ষোভের সময় পূর্ণ সতর্ক অবস্থানে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে উত্তরপ্রদেশ ও হরিয়ানাসহ পার্শ্ববর্তী প্রদেশগুলোর প্রশাসনকে। আরটিভি/এসএইচএম
কংগ্রেস বাংলাদেশের মতো ‘অরাজক পরিস্থিতি’ তৈরির চেষ্টা করছে ভারতে: বিজেপি
আরও পড়ুন
‘তেলাপোকাদের’ বিক্ষোভ দমনে নয়াদিল্লিতে ২৫ হাজার পুলিশ, প্রস্তুত ১২ বন্দিশিবির
ভারতে এবার নতুন আন্দোলনের ডাক ‘তেলাপোকা’ পার্টির
সরকারি স্কুলে প্রবেশে তেলাপোকা পার্টির অভিজিতকে বিপাকে ফেললেন মোদী
ভারতে তেলাপোকা পার্টির নেতাদেরকে ‘পাকিস্তানি’ আখ্যা দিয়ে বেধড়ক পিটুনি