
পাকিস্তানের করাচির গুলপ্লাজা শপিং সেন্টারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৪ জন। এ ঘটনায় আরও ৫৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাতে একটি কৃত্রিম ফুল ও পাত্র বিক্রির দোকান থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত। মুহূর্তের মধ্যে পুরো ভবনটিতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। দুর্ঘটনার সময় ভবনের কিছু অংশ ধসে যাওয়ায় উদ্ধারকাজে জটিলতা তৈরি হয়।
দক্ষিণের ডেপুটি ইনস্পেক্টর জেনারেল আসাদ রেজা জানান, নিহতদের মধ্যে পাঁচজনের দেহ শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। মৃতদের মধ্যে রয়েছেন কাশিফ, ফারাজ, মুহাম্মদ আমীর, ফুরকান এবং দুই অজানা ব্যক্তি। আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন।
স্থানীয় দোকানিরা বলছেন, ২০ বছরের পরিশ্রম ধোঁয়ায় মিলিয়ে গেছে। আমরা কিছুই বাঁচাতে পারিনি।
করাচি মেয়র মুর্তজা ওয়াহাব ও সিন্ধের মুখ্যমন্ত্রী মুরাদ আলি শাহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানান, এখনও নিখোঁজ রয়েছেন ৫৮-৬০ জন এবং প্রভাবিতদের ক্ষতিপূরণ স্বচ্ছভাবে দেওয়া হবে।
ফায়ার ব্রিগেড জানিয়েছে, উদ্ধার কার্যক্রমে ১২টি ফায়ার টেন্ডার, ছয়টি পানি বোভার এবং দুইটি স্নর্কেল ব্যবহার করা হচ্ছে। ভবনটি অনিরাপদ হওয়ায় উদ্ধার কার্যক্রম শুধুমাত্র তুলনামূলক নিরাপদ অংশে সীমিত রাখা হচ্ছে।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগুন নেভাতে প্রথম থেকেই ফোম ব্যবহার করা হয়েছে এবং প্রায় ৯০ শতাংশ আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।
সিন্ধ সরকার জানিয়েছে, এম এ জিন্নাহ রোডের গ্রিন লাইন বি আর টি নির্মাণের কারণে পানির সরবরাহে বিলম্ব হয়েছে, পরে জরুরি সরবরাহ তিনটি হাইড্রান্টের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী একটি বৈঠক ডেকে ঘটনার পর্যালোচনা করেছেন এবং দায়িত্বশীলদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। সূত্র: দ্য ন্যাশন
আরটিভি/এমএইচজে



