ঢাকা শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩

নিউ মেক্সিকোর নাম বদলে ‘নিউ আমেরিকা’ করতে চান ট্রাম্প?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৬ পিএম

উপসাগর ও হ্রদের পর এবার যুক্তরাষ্ট্রের একটি অঙ্গরাজ্যের নাম পরিবর্তনের দিকে নজর দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ব্যবহারের জন্য 'লেক ওন্টারিও'র নাম পরিবর্তন করে 'লেক আমেরিকা' করার পর, তার ভৌগোলিক রিব্র্যান্ডিং বা পুনঃনামকরণের তালিকায় পরবর্তী লক্ষ্য হিসেবে উঠে এসেছে নিউ মেক্সিকো অঙ্গরাজ্যটি।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম 'ট্রুথ সোশ্যাল'-এ নিউ মেক্সিকো অঙ্গরাজ্যের একটি মানচিত্র পোস্ট করেন। সেখানে অঙ্গরাজ্যটির নামের 'মেক্সিকো' (Mexico) অংশটি লাল কালি দিয়ে কেটে নিচে আমেরিকা লিখে দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে অঙ্গরাজ্যটির নাম পরিবর্তন করে ‘নিউ আমেরিকা’ করার একটি ইঙ্গিত পাওয়া যায়। পরবর্তীতে হোয়াইট হাউজের অফিশিয়াল এক্স (টুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকেও এই মানচিত্রের ছবিটি শেয়ার করা হয়। তবে কোনো পোস্টেই অঙ্গরাজ্যটির নাম পরিবর্তনের কোনো আনুষ্ঠানিক আদেশ, নীতি বা প্রাতিষ্ঠানিক পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

প্রেসিডেন্টরা নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে কোনো ভৌগোলিক ল্যান্ডমার্ক বা প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের (যেমন নদী, হ্রদ বা পাহাড়) নাম পরিবর্তন করতে পারেন এবং ফেডারেল সংস্থাগুলোকে তাদের মানচিত্র ও ডেটাবেস আপডেট করার নির্দেশ দিতে পারেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুযায়ী, কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট এককভাবে কোনো অঙ্গরাজ্যের নাম পরিবর্তন করার আইনি বা সাংবিধানিক ক্ষমতা রাখেন না।

যুক্তরাষ্ট্রের ভৌগোলিক নাম পরিবর্তনের পূর্ব ইতিহাস

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এর আগেও বেশ কয়েকটি ভৌগোলিক স্থানের নাম পরিবর্তন করেছেন বা করার উদ্যোগ নিয়েছেন:

লেক ওন্টারিও থেকে ‘লেক আমেরিকা’: যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে চলমান একটি দীর্ঘস্থায়ী বাণিজ্য বিরোধের জেরে গত ২৭ আগস্ট প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করে 'লেক ওন্টারিও'র নাম পরিবর্তন করে ‘লেক আমেরিকা’ রাখেন। দুই দেশের মধ্যে আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর ট্রাম্প প্রশাসন ২০ বিলিয়ন ডলার সমমূল্যের কানাডিয়ান পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক (ট্যারিফ) আরোপ করে, যার সূত্র ধরে এই নামকরণ বিতর্ক চূড়ান্ত রূপ নেয়।

মেক্সিকো উপসাগর থেকে ‘গালফ অব আমেরিকা’: গত ফেব্রুয়ারিতে ট্রাম্প তার উদ্বোধনী ভাষণে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী 'গালফ অব মেক্সিকো' বা মেক্সিকো উপসাগরের নাম পরিবর্তন করে 'গালফ অব আমেরিকা' করার নির্দেশ দেন। ২০১৬ সালে প্রথমবার হোয়াইট হাউজে আসার পর থেকেই মেক্সিকোর সাথে সীমান্ত নিরাপত্তা এবং আমদানি শুল্কসহ বিভিন্ন বিষয়ে ট্রাম্পের দ্বন্দ্ব চলছে।

মাউন্ট ডেনালি থেকে ‘মাউন্ট ম্যাককিনলে’: আলাস্কায় অবস্থিত উত্তর আমেরিকার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ ‘মাউন্ট ডেনালি’র নাম পরিবর্তন করে আবারও ‘মাউন্ট ম্যাককিনলে’ করার উদ্যোগ নেন ট্রাম্প। তিনি জানান, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম ম্যাককিনলের নাম সেখানে পুনর্বহাল করা উচিত, যিনি শুল্ক ও মেধার মাধ্যমে আমেরিকাকে সমৃদ্ধ করেছিলেন।

এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলো নিউ মেক্সিকো। ট্রাম্পের প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে অঙ্গরাজ্যটির নাম হতে পারে ‘নিউ আমেরিকা’। তবে গভর্নরের কঠোর আপত্তির কারণে এই প্রস্তাব বাস্তবে কতটা এগোয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মার্কিন ভিসাপ্রত্যাশী বিদেশি সাংবাদিকদের স্যোশাল মিডিয়ার প্রোফাইল যাচাই শুরু
যুক্তরাষ্ট্রে যেতে ভিসার আবেদন করা বিদেশি সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রোফাইল যাচাই-বাছাই শুরুর সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) থেকে এটি কার্যকর হচ্ছে। এর আগে গত ১৮ সেপ্টেম্বর এ সিদ্ধান্তের ঘোষণা দিয়েছিল মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছিল, ১ অক্টোবর থেকে ‘আই’ ভিসার আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে এই নীতি প্রযোজ্য হবে। পেশাগত দায়িত্ব পালনে যুক্তরাষ্ট্র যেতে আগ্রহী বিদেশি সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের ‘আই’ ভিসা দেওয়া হয়। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই যাচাইবাছাই প্রক্রিয়া সহজ করতে আই, টিডি ও টিএন নন-ইমিগ্রান্ট ভিসা আবেদনকারীদের সব ধরনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রোফাইলের প্রাইভেসি সেটিং ‘পাবলিক’ বা ‘ওপেন’ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া চলাকালে বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশের সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের সামাজিকমাধ্যমের প্রোফাইল উন্মুক্ত বা দৃশ্যমান রাখতে হবে। তবে আবেদনকারীদের কতদিন আগের অ্যাক্টিভিটি পর্যালোচনা করা হবে, কতদিন প্রোফাইল 'পাবলিক' রাখতে হবে কিংবা কোন ধরনের অনলাইন কনটেন্ট দেখা হবে—সে বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলা হয়নি। উল্লেখ্য, ২০১৯ সাল থেকেই অধিকাংশ ভিসাপ্রার্থীর কাছ থেকে সোশ্যাল মিডিয়া আইডির তথ্য নেওয়া বাধ্যতামূলক করে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। নতুন এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে আই, টিডি এবং টিএন নন-ইমিগ্রান্ট ভিসার আবেদনকারীদেরও এই প্রক্রিয়ার আওতায় আনা হলো। টিএন ভিসা মূলত ‘ইউনাইটেড স্টেটস-মেক্সিকো-কানাডা অ্যাগ্রিমেন্টের’ অধীনে সাময়িকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশকারী কানাডা ও মেক্সিকোর পেশাজীবীদের জন্য এবং টিডি ভিসা দেওয়া হয় তাদের স্ত্রী বা নির্ভরশীল সন্তানদের। আরটিভি/এসআর
মার্কিন ভিসাপ্রত্যাশী বিদেশি সাংবাদিকদের স্যোশাল মিডিয়ার প্রোফাইল যাচাই শুরু
লস অ্যাঞ্জেলেসে জন্মদিনে পার্টির বদলে গৃহহীনদের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র গড়লেন তরুণী
২১ বছর বয়সে পদার্পণ উপলক্ষে বিলাসবহুল পার্টি বা লাস ভেগাসে ভ্রমণের বদলে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক উদ্যোগ নিয়ে বিশ্বকে চমকে দিয়েছেন মিরিয়াম হারেগোট। নিজের বিশেষ দিনটিকে আরও অর্থবহ করে তুলতে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের প্রাণকেন্দ্রে গৃহহীনদের জন্য একটি আশ্রয়কেন্দ্র সংস্কার ও চালু করেছেন এই তরুণী। মানবিক এই উদ্যোগ প্রসঙ্গে মিরিয়াম বলেন, মানুষকে মানবিকতার ছোঁয়া দিতে পেরে দারুণ লাগছে, কারণ বর্তমান বিশ্বে এর বড্ড অভাব। আপনি নিজে সমাজে যে পরিবর্তন দেখতে চান, সেই পরিবর্তনের সূচনা আপনার নিজেকে দিয়েই করা উচিত। এই আশ্রয়কেন্দ্র চালুর পরপরই মিরিয়াম প্রতিষ্ঠা করেন ‘দ্য প্যাক প্রজেক্ট’ (P.A.C.K. - People Advocating Community Kinship) নামের একটি সংগঠন।  সাউথ সেন্ট্রাল লস অ্যাঞ্জেলেসের একদল তরুণ, উদ্যোক্তা এবং সৃজনশীল ব্যক্তিদের নিয়ে গঠিত এই সংগঠনটি মূলত গৃহহীন ও সুবিধাবঞ্চিত তরুণদের খাদ্য, বাসস্থান এবং শিক্ষার ব্যবস্থা করতে কাজ করে যাচ্ছে। তাদের এই প্রজেক্টের আওতায় ‘ফিড দ্য হোমিস’ (Feed The Homies) নামের একটি মাসিক উদ্যোগের মাধ্যমে স্কিড রো এলাকায় এ পর্যন্ত হাজার হাজার সুবিধাবঞ্চিত মানুষকে গরম খাবার পরিবেশন করা হয়েছে।  সমাজ পরিবর্তনের জন্য কোনো প্রাতিষ্ঠানিক পদবি, বড় তহবিল বা অনুমোদনের অপেক্ষা না করে মিরিয়াম যেভাবে নিজেই সমস্যার সমাধানে এগিয়ে এসেছেন, তা বর্তমান প্রজন্মের জন্য এক বিশাল অনুপ্রেরণা। আরটিভি/এসআর
লস অ্যাঞ্জেলেসে জন্মদিনে পার্টির বদলে গৃহহীনদের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র গড়লেন তরুণী
যুক্তরাষ্ট্রে ওষুধ নিয়ে যাওয়ার আগে যা জানা খুবই জরুরি
বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার সময় প্রেসার, ডায়াবেটিসসহ নিয়মিত ব্যবহারের ওষুধ সঙ্গে নিলে ইংরেজিতে প্রেসক্রিপশন বা ডাক্তারের চিঠি রাখার পরামর্শ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন (সিবিপি)।  ওষুধ মূল প্যাকেটে রাখা এবং প্রবেশের সময় কাস্টমস কর্মকর্তাকে জানানোও জরুরি। তবে শুধু প্রেসক্রিপশন থাকলেই সব ধরনের ওষুধ যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়া যায় না। নিউইয়র্কের জেএফকেসহ যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো প্রবেশপথে ওষুধ বহনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ফেডারেল নিয়ম প্রযোজ্য।  সিবিপির নির্দেশনা অনুযায়ী, সঙ্গে থাকা ওষুধ নিজের চিকিৎসায় কেন প্রয়োজন, তা বোঝাতে ইংরেজিতে বৈধ প্রেসক্রিপশন বা ডাক্তারের চিঠি রাখা উচিত। ওষুধ মূল প্যাকেটে না থাকলে প্রেসক্রিপশনের কপি অথবা রোগ ও চিকিৎসার প্রয়োজন ব্যাখ্যা করা ডাক্তারের চিঠি সঙ্গে রাখতে হবে। প্রেসক্রিপশনে রোগীর নাম, ওষুধের জেনেরিক নাম, ডোজ এবং ব্যবহারের নির্দেশনা স্পষ্ট থাকলে ওষুধ শনাক্ত করা সহজ হয়। মূল কাগজের পাশাপাশি ফটোকপি রাখা এবং ফোনে ডিজিটাল কপি সংরক্ষণ করা বাড়তি প্রস্তুতি হিসেবে কাজে আসতে পারে। ওষুধ মূল লেবেলযুক্ত প্যাকেট বা বোতলে রাখার পরামর্শ দিয়েছে সিবিপি। সম্ভব হলে প্যাকেটে ডাক্তারের ব্যবহারের নির্দেশনাও থাকতে হবে। এতে কাস্টমস পরীক্ষার সময় ওষুধ ও প্রেসক্রিপশনের তথ্য মিলিয়ে দেখা সহজ হয়। পরিমাণের ক্ষেত্রে সাধারণ নির্দেশনা হলো, নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী ওষুধ নেওয়া এবং সাধারণভাবে ৯০ দিনের সরবরাহের বেশি সঙ্গে না রাখা। তবে এই নির্দেশনাকে সব যাত্রীর জন্য সব ধরনের ওষুধ নেওয়ার অনুমতি হিসেবে ধরে নেওয়া যাবে না। যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, এফডিএ জানিয়েছে, সাময়িকভাবে আমেরিকায় আসা বিদেশি নাগরিকেরা ব্যক্তিগত চিকিৎসার জন্য ৯০ দিনের ওষুধ আনতে পারেন। এ নির্দেশনায় বিদেশি নাগরিক বলতে আমেরিকার নাগরিক বা স্থায়ী বাসিন্দা নন, এমন ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে। ফলে আমেরিকান নাগরিক বা গ্রিন কার্ডধারীদের একই সুবিধা প্রযোজ্য ধরে নেওয়া ঠিক হবে না। এফডিএর নির্দেশনা অনুযায়ী, বিদেশে অনুমোদিত কোনো ওষুধ আমেরিকায় অনুমোদিত না হলে সেটি আমদানিতে বিধিনিষেধ থাকতে পারে। ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য কিছু ক্ষেত্রে ছাড় বিবেচনা করা হলেও তা শর্তসাপেক্ষ। বাংলাদেশে ওষুধটি সহজে পাওয়া যায় কিংবা ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন রয়েছে, এই কারণেই আমেরিকায় প্রবেশের অনুমতি নিশ্চিত হয় না।  বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন নিয়ন্ত্রিত উপাদানযুক্ত ওষুধের ক্ষেত্রে। কিছু ঘুমের, ব্যথার বা অন্য চিকিৎসার ওষুধ এই শ্রেণিতে পড়তে পারে। এসব ওষুধের ক্ষেত্রে ড্রাগ এনফোর্সমেন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, ডিইএর নিয়মও মানতে হয়। তাই ভ্রমণের আগে ওষুধের জেনেরিক নাম ও উপাদান অনুযায়ী প্রযোজ্য নিয়ম যাচাই করা প্রয়োজন। যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘদিন থাকার পরিকল্পনা থাকলে সঙ্গে আনা ওষুধ শেষ হওয়ার আগেই স্থানীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করা ভালো। প্রাইমারি কেয়ার ডাক্তারের কাছে আগের প্রেসক্রিপশন ও চিকিৎসার কাগজপত্র নিয়ে গেলে চলমান চিকিৎসা মূল্যায়নে সহায়তা হবে। স্থানীয় ফার্মেসি থেকে পরবর্তী ওষুধ পাওয়ার বিষয়টি আগে থেকেই চিকিৎসক ও ফার্মেসির সঙ্গে নিশ্চিত করা উচিত। ভ্রমণের প্রস্তুতিতে সবচেয়ে জরুরি হলো ওষুধের পরিচয় স্পষ্ট রাখা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে নেওয়া এবং কাস্টমস কর্মকর্তাকে ওষুধের কথা জানানো। নিজের নাগরিকত্ব বা স্থায়ী বাসিন্দার অবস্থান এবং ওষুধের ধরন অনুযায়ী এফডিএ, সিবিপি ও প্রয়োজনে ডিইএর নির্দেশনা মিলিয়ে প্রস্তুতি নিতে হবে। আরটিভি/এসআর
যুক্তরাষ্ট্রে ওষুধ নিয়ে যাওয়ার আগে যা জানা খুবই জরুরি
যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক হামলা বাড়াচ্ছে এআই, নতুন প্রতিবেদনে চাঞ্চল্যকর তথ্য 
এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে সহিংসতার পরিকল্পনা ও আত্মহত্যায় উৎসাহ পাওয়ার ঘটনা বাড়ছে বলে নতুন এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের বন্দুক সহিংসতা প্রতিরোধবিষয়ক সংগঠন এভরিটাউন ফর গান সেফটি (everytown.org)।
যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক হামলা বাড়াচ্ছে এআই, নতুন প্রতিবেদনে চাঞ্চল্যকর তথ্য 
ডাটা সেন্টারের বিদ্যুৎ বিলের প্রস্তাব আটকাল যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট
যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে ডাটা সেন্টারের কারণে বাড়তে থাকা বিদ্যুৎ খরচের বোঝা সাধারণ মানুষের ওপর না দেওয়ার লক্ষ্যে আনা একটি বিল আটকে দেওয়া হয়েছে। 
ডাটা সেন্টারের বিদ্যুৎ বিলের প্রস্তাব আটকাল যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট
আরও পড়ুন
ডেঙ্গু মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৫ লাখ কিট পেল বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রে ওষুধ নিয়ে যাওয়ার আগে যা জানা খুবই জরুরি
যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক হামলা বাড়াচ্ছে এআই, নতুন প্রতিবেদনে চাঞ্চল্যকর তথ্য 
ডাটা সেন্টারের বিদ্যুৎ বিলের প্রস্তাব আটকাল যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট