
পরিবারভিত্তিক অভিবাসনের মাধ্যমে স্বজনদের যুক্তরাষ্ট্রে এনে গ্রিন কার্ড প্রসেস করার ক্ষেত্রে স্পনসরদের জন্য ২০২৬ সালের নতুন সর্বনিম্ন আয়সীমা ঘোষণা করেছে ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস (ইউএসসিআইএস)। মূলত ফর্ম আই-৮৬৪ বা ‘অ্যাফিডেভিট অব সাপোর্ট’-এর আওতায় ফেডারেল দারিদ্র্যসীমার অন্তত ১২৫ শতাংশ আয় প্রদর্শনের বাধ্যবাধকতা থেকে নতুন এই আয়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের ৪৮টি স্টেটসহ ওয়াশিংটন ডিসি, পুয়ের্তো রিকো, গুয়াম ও নর্দার্ন মারিয়ানা আইল্যান্ডসের জন্য দুই সদস্যের পরিবারের ক্ষেত্রে স্পনসরের ন্যূনতম বার্ষিক আয় ধরা হয়েছে ২৭ হাজার ৫০ ডলার। এ ছাড়া পরিবারের সদস্যসংখ্যা তিনজন হলে ৩৪ হাজার ১৫০ ডলার, চারজন হলে ৪১ হাজার ২৫০ ডলার এবং পাঁচজনের পরিবারের ক্ষেত্রে ৪৮ হাজার ৩৫০ ডলার আয় দেখাতে হবে।
একই অঞ্চলে ৬, ৭ ও ৮ সদস্যের পরিবারের জন্য স্পনসরের বাৎসরিক আয় যথাক্রমে ৫৫ হাজার ৪৫০, ৬২ হাজার ৫৫০ এবং ৬৯ হাজার ৬৫০ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যসংখ্যা আটজনের বেশি হলে প্রতি অতিরিক্ত সদস্যের জন্য আরও ৭ হাজার ১০০ ডলার করে বাড়তি আয় যুক্ত করতে হবে।
অন্যান্য স্টেটের তুলনায় হাওয়াই অঙ্গরাজ্যে এই আয়সীমা কিছুটা বেশি রাখা হয়েছে। সেখানে দুই সদস্যের পরিবারের ক্ষেত্রে ন্যূনতম আয় ৩১ হাজার ১১৩ ডলার ও আট সদস্যের পরিবারের জন্য ৮০ হাজার ৮৮ ডলার আয় দেখাতে হবে। এই অঞ্চলে আটজনের পর প্রতি অতিরিক্ত সদস্যের জন্য ৮ হাজার ১৬৩ ডলার করে যুক্ত হবে।
ইউএসসিআইএস আরও জানিয়েছে, সামরিক বাহিনীর সক্রিয় সদস্য যারা নিজ স্বামী বা স্ত্রী কিংবা অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের স্পনসর করবেন, তাদের ক্ষেত্রে সাধারণ ১২৫ শতাংশের বদলে ১০০ শতাংশ দারিদ্র্যসীমার আয় প্রযোজ্য হবে। এ ছাড়া মূল স্পনসরের প্রয়োজনীয় আয় না থাকলে নির্দিষ্ট নিয়মে জয়েন্ট স্পনসর যুক্ত করা কিংবা নিজস্ব সম্পদ দেখিয়েও গ্রিন কার্ডের আবেদন সম্পন্ন করার সুযোগ রাখা হয়েছে।
আরটিভি/এআর


