
যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই)-এর মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকায় স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশি চিকিৎসক জাহিদুল ইসলাম। নারী রোগীকে ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ এবং আইনি প্রক্রিয়া এড়াতে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় তাকে খুঁজছে মার্কিন তদন্ত সংস্থাটি।
শনিবার (৩ অক্টোবর) এফবিআইয়ের ওয়েবসাইট ও ফেসবুক পেজে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জাহিদুল ইসলাম সম্পর্কে এসব তথ্য জানানো হয়।
এফবিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯৬ সালের ৩ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়া অঙ্গরাজ্যের ফিলাডেলফিয়ার একটি হাসপাতালে এক নারী রোগীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে জাহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে। চিকিৎসা দেওয়ার সময় ওই নারীকে অচেতন করার উদ্দেশ্যে ওষুধ প্রয়োগের পর তাকে ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় রাজ্য পর্যায়ে মামলা হওয়ার পর আত্মগোপনে চলে যান জাহিদুল। পরে ১৯৯৭ সালের জুলাইয়ে পেনসিলভেনিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় জেলা আদালত তার বিরুদ্ধে ফেডারেল গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। এরপর থেকে তাকে খুঁজছে এফবিআই।
বিজ্ঞপ্তিতে জাহিদুল ইসলামের জন্মতারিখ আনুমানিক ১৯৫৫ সালের ১ অক্টোবর উল্লেখ করা হয়েছে। তার জাতীয়তা বাংলাদেশি। এফবিআইয়ের দেওয়া শারীরিক বর্ণনা অনুযায়ী, তার উচ্চতা ৫ ফুট ৫ ইঞ্চি, ওজন প্রায় ১৬০ পাউন্ড। তার চুল কালো, চোখ বাদামি এবং তিনি চশমা ব্যবহার করতে পারেন।
এফবিআইয়ের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, জাহিদুল ইসলাম তার স্ত্রী, যিনি পেশায় একজন চিকিৎসক, তার সঙ্গে ভ্রমণ করে থাকতে পারেন। কানাডার মন্ট্রিল ও যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে তার যোগাযোগ ও যাতায়াতের তথ্যও রয়েছে।

এফবিআই জাহিদুল ইসলামকে ‘সশস্ত্র ও বিপজ্জনক’ হিসেবে উল্লেখ করে জনসাধারণকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে। তার অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য জানা থাকলে নিকটস্থ এফবিআই কার্যালয় অথবা মার্কিন দূতাবাস কিংবা কনস্যুলেটে যোগাযোগ করার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
আরটিভি/এসকে


