ঢাকা শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩

মার্কিন সেনাবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচারে আপত্তি ভ্যান্সের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৩ এএম
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি ফোর্ট হুডে ২০০৯ সালে গুলি চালিয়ে ১৩ জনকে হত্যার দায়ে দণ্ডিত মার্কিন সেনাবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা নিদাল মালিক হাসানের মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচারের পরিকল্পনা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সাংবাদিকদের তিনি জানান, মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচার করা হলেও তিনি তা দেখবেন না। তবে এ নিয়ে বিতর্কের মধ্যেও হাসানের অপরাধ ভুলে না যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) হাসানের মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচারের পরিকল্পনার কথা নিশ্চিত করেছিল। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভ্যান্স বলেন, পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হবে কি না, তা তিনি নিশ্চিত নন। তবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পদ্ধতি নিয়ে বিতর্ক থাকলেও হাসান যে অনেক নিরপরাধ মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করেছেন, তা যেন কেউ ভুলে না যান।

২০০৯ সালে টেক্সাসের ফোর্ট হুড সামরিক ঘাঁটিতে গুলি চালিয়ে ১৩ জনকে হত্যা এবং আরও ৩২ জনকে আহত করার দায়ে হাসান দোষী সাব্যস্ত হন।

ভ্যান্স ক্যাথলিক ধর্ম গ্রহণ করেছেন। ক্যাথলিক গির্জা দীর্ঘদিন ধরেই মৃত্যুদণ্ডের বিরোধিতা করে আসছে।

এদিকে বুধবার (৭ অক্টোবর) টেক্সাসে এক রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হাসানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পদ্ধতি হিসেবে গুলি করে হত্যার প্রতি সমর্থন জানান। তার ভাষ্য, হাসান এ ধরনের শাস্তির যোগ্য।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচারের বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট না করলেও ট্রাম্প গুলি করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পক্ষে আবারও কথা বলেন। সাংবাদিকদের তিনি জানান, হাসানকে গুলি করে হত্যা করা হবে। কীভাবে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হবে, তা নিয়ে তিনি বিশেষ চিন্তিত নন; তবে হাসানের ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ড উপযুক্ত শাস্তি বলে মনে করেন তিনি। সরাসরি সম্প্রচার দেখবেন কি না, সে প্রশ্নের উত্তর দেননি ট্রাম্প।

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাথলিক বিশপদের সম্মেলনের প্রধান আর্চবিশপ পল এস কোকলিও শুক্রবার সকালে এ পরিকল্পনার নিন্দা জানিয়েছেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, যুদ্ধবিষয়ক দপ্তরের মৃত্যুদণ্ড প্রকাশ্যে সরাসরি সম্প্রচারের সিদ্ধান্তের কথা জেনে তিনি মর্মাহত ও গভীরভাবে দুঃখিত। তার মতে, এ সিদ্ধান্ত মৃত্যুকে ঘিরে বর্বর সংস্কৃতিকে উৎসাহিত করে এবং তা পুনর্বিবেচনা করা উচিত।

গত মাসের শেষ দিকে প্রাণঘাতী ইনজেকশনের মাধ্যমে ক্রিস্টা পাইকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর টেনেসির গভর্নর চলতি বছরে অঙ্গরাজ্যটিতে পরবর্তী মৃত্যুদণ্ড কার্যকর স্থগিত করেন। এর কয়েক দিন পর ট্রাম্প হাসানের মৃত্যুদণ্ড গুলি করে কার্যকরের অনুমোদন দেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ জানিয়েছেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর দেশটির সামরিক বাহিনীতে গুলি করে কোনো সদস্যের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়নি। সামরিক বাহিনীতে সর্বশেষ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছিল ১৯৬১ সালের ১৩ এপ্রিল। সে সময় সেনাবাহিনীর সদস্য জন বেনেটকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

হাসানের মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচারের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে কংগ্রেসের রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট—উভয় দলের আইনপ্রণেতারা তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন। তাদের অনেকে এ সিদ্ধান্তকে ভয়াবহ ও ঘৃণ্য বলে আখ্যা দিয়ে প্রতিরক্ষা দপ্তরকে পরিকল্পনা বাতিলের আহ্বান জানিয়েছেন।

উত্তর ক্যারোলাইনার রিপাবলিকান সিনেটর থম টিলিস বলেন, প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার মতো ঘটনা ইরান ও আফগানিস্তানের মতো দমনমূলক শাসনব্যবস্থায় দেখা যায়। যুক্তরাষ্ট্রে এমন কিছু হওয়া উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ভার্জিনিয়ার ডেমোক্র্যাট সিনেটর মার্ক ওয়ার্নারও পরিকল্পনাটির সমালোচনা করেছেন। তার মতে, বিশ্বের প্রায় কোনো দেশই এ ধরনের বর্বর চর্চায় যুক্ত হয় না। আলাস্কার রিপাবলিকান সিনেটর লিসা মারকোস্কি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে বিচারব্যবস্থা পরিচালনা করে, তা গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রতিরক্ষা দপ্তরের উচিত সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনা করা।

উটাহর রিপাবলিকান সিনেটর জন কার্টিসও পরিকল্পনাটির বিরোধিতা করেছেন। প্রাচীন রোমের রক্তাক্ত বিনোদনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচার করলে এ ধরনের নির্মম দৃশ্য দেখার আগ্রহ আরও বাড়তে পারে। এ কারণে প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান তিনি।

সূত্র: এপি

আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মেক্সিকোয় দুই ভাইসহ ৩ পর্যটক হত্যায় দোষী ৩ জন
মেক্সিকোয় বেড়াতে গিয়ে ঢেউয়ের সঙ্গে সার্ফিং করতে গিয়ে প্রাণ হারানো দুই অস্ট্রেলীয় ভাই ও তাদের মার্কিন বন্ধুকে হত্যার ঘটনায় তিনজনকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন আদালত। 
মেক্সিকোয় দুই ভাইসহ ৩ পর্যটক হত্যায় দোষী ৩ জন
দাম কমানোর প্রতিশ্রুতি ট্রাম্পের, উল্টো চাপে মার্কিনরা
যুক্তরাষ্ট্রের মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
দাম কমানোর প্রতিশ্রুতি ট্রাম্পের, উল্টো চাপে মার্কিনরা
যুক্তরাষ্ট্রে আছড়ে পড়ল বছরের প্রথম শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা উপকূলে আঘাত হেনেছে ২০২৬ সালের আটলান্টিক মৌসুমের প্রথম ঘূর্ণিঝড় ‘ইসাইয়াস’। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ডেস্টিনের কাছে উপকূলে আছড়ে পড়ে ঘূর্ণিঝড়টি।
যুক্তরাষ্ট্রে আছড়ে পড়ল বছরের প্রথম শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়
ভারতীয়দের গ্রিন কার্ডের পথ আটকাল ট্রাম্প প্রশাসন
যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি কর্মীদের স্থায়ী বসবাসের অনুমতি বা গ্রিন কার্ড পাওয়ার প্রক্রিয়ায় বড় বাধার মুখে পড়েছে বিশ্বের কয়েকটি বড় তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান।
ভারতীয়দের গ্রিন কার্ডের পথ আটকাল ট্রাম্প প্রশাসন
মাইক্রোসফটসহ ৮ প্রতিষ্ঠানের গ্রিন কার্ড স্থগিত করল ট্রাম্প প্রশাসন
জালিয়াতি রোধ এবং আমেরিকানদের চাকরি সুরক্ষার পদক্ষেপ জোরদার করে মাইক্রোসফট, শীর্ষস্থানীয় আইটি আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠান এবং সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাডোবিকে গ্রিন-কার্ড কর্মসূচি থেকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) এক সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। ক্ষমতায় আসার পর থেকেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি নাগরিকদের সংখ্যা কমাতে এবং তাদের স্থায়ী বাসস্থান ও নাগরিকত্ব পাওয়ার পথ সংকুচিত করতে ব্যাপক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন।  তবে ট্রাম্প প্রশাসনের এই দ্বিমুখী পদক্ষেপ দক্ষ কর্মীদের অভিবাসন কর্মসূচির বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় আঘাত—যা বিদেশি প্রযুক্তি কর্মীদের জন্য স্থায়ী নাগরিকত্ব পাওয়ার সাধারণ পথ বন্ধ করে দিতে পারে—পাশাপাশি দেশের শীর্ষস্থানীয় গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকেও সতর্কবার্তার মুখে দাঁড় করিয়েছে। জেডি ভ্যান্স বলেন, দুর্ভাগ্যবশত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এমন কোনো প্রতিষ্ঠান নেই যা সিস্টেম বা ব্যবস্থার অপব্যবহারের ক্ষেত্রে মাইক্রোসফটের চেয়ে এগিয়ে।  তিনি উল্লেখ করেন যে, প্রতিষ্ঠানটি গত বছর ৬ হাজার আমেরিকান কর্মীকে ছাঁটাই করেছে, অথচ অন্যদিকে ৬ হাজার ৩০০টি এইচ-১বি অস্থায়ী কর্মী ভিসা এবং প্রায় ৩ হাজার গ্রিন কার্ডের সুবিধা গ্রহণ করেছে। আমেরিকায় বিশেষ অবদানের জন্য ট্রাম্প যখন মাইক্রোসফটের সিইও সত্য নাদেলাসহ অন্যান্য প্রযুক্তি খাতের বিলিয়নেয়ারদের সম্মানিত করেন, তার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে ভ্যান্স এই মন্তব্যগুলো করেন।  সংবর্ধিত হওয়া ইলন মাস্কের মতো নাদেলাও একসময় এইচ-১বি ভিসাধারী ছিলেন। এছাড়া সম্মানিত হওয়া অন্য সিইওদের মধ্যে তিনজনও ছিলেন অভিবাসী। পুরস্কার গ্রহণের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে নাদেলা ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান এবং বলেন, তিনি প্রযুক্তিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে এবং আমেরিকার সমৃদ্ধি অর্জনে কাজ চালিয়ে যাবেন। ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব লেবার (মার্কিন শ্রম বিভাগ)-এর তথ্য অনুযায়ী, স্থায়ী শ্রম প্রত্যয়ন প্রক্রিয়া বা 'পিইআরএম' আবেদনের ক্ষেত্রে মাইক্রোসফট সবচেয়ে বড় আবেদনকারী প্রতিষ্ঠান। বেশিরভাগ কর্মসংস্থান-ভিত্তিক গ্রিন কার্ডের জন্য পার্ম প্রক্রিয়া প্রয়োজন হয়, যার অধীনে নিয়োগকর্তাকে অবশ্যই প্রমাণ করতে হয় যে কোনো বিদেশী কর্মী নিয়োগের ফলে মার্কিন কর্মীদের বেতন বা কর্মসংস্থানে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না। প্রতিষ্ঠানটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গত অর্থবছরে তারা যেসব এইচ-১বি আবেদন জমা দিয়েছিল, তার প্রায় ৮০ শতাংশই ছিল তাদের বর্তমান কর্মীদের ভিসার মেয়াদ বাড়ানো বা ক্যাটাগরি পরিবর্তনের জন্য, নতুন কোনো কর্মী নিয়োগের জন্য নয়। গত জুলাই মাসে কোম্পানিটি জানায় যে তারা ৪,৮০০টি পদ বিলুপ্ত বা ছাঁটাই করবে, যা তাদের মোট বিশ্বব্যাপী জনবলের প্রায় ২.১ শতাংশ। শ্রম সচিব কিথ সন্ডারলিং জানিয়েছেন, এই স্থগিতাদেশ কগনিজেন্ট , ইনফোসিস , টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস, উইপ্রো , এইচসিএল টেকনোলজিস এবং ক্যাপজেমিনাইয়ের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। সন্ডারলিং বলেন, 'আমরা এই কোম্পানিগুলোর সাথে জড়িত কোনো নতুন স্থায়ী শ্রম প্রত্যয়ন (পিইআরএম) আবেদন গ্রহণ করব না এবং পেন্ডিং বা প্রক্রিয়াধীন থাকা কোনো আবেদনও আর প্রসেস করব না।' তিনি বলেন, ২০০৯ সাল থেকে এই কোম্পানিগুলো প্রায় ৩০ লাখ বিদেশী কর্মী নিয়োগ করতে চেয়েছিল এবং প্রতিষ্ঠানগুলো ২,৩০,০০০-এরও বেশি এইচ-১বি ভিসা অনুমোদন এবং ১ লাখেরও বেশি স্থায়ী শ্রম প্রত্যয়ন (পিইআরএম) সনদ পেয়েছে। মার্কিন অভিবাসন তথ্যানুসারে, ২০২৬ অর্থবছরে অনুমোদিত এইচ-১বি সুবিধাভোগীদের সবচেয়ে বড় নিয়োগকর্তা ছিল অ্যামাজন ডটকম। এরপরের স্থানগুলোতে রয়েছে টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস, ইনফোসিস, অ্যাপল এবং মাইক্রোসফট। ভ্যান্স বলেন, এই নিষেধাজ্ঞা ‘যতদিন প্রয়োজন’ ততদিন বহাল থাকবে এবং প্রশাসন চায় কোম্পানিগুলো যেন তাদের কর্মী নিয়োগ পদ্ধতির পরিবর্তন ঘটায়।  তিনি বলেন, কিছু কোম্পানি অকার্যকর চাকরির বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে এবং পরবর্তীতে কম বেতনে বিদেশী কর্মী নিয়োগের যুক্তি হিসেবে আবেদনকারীর অভাবকে অজুহাত হিসেবে দাঁড় করায়। এদিকে মাইক্রোসফট তাদের বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা তাদের এইচ-১বি কর্মীদের সমমানের কাজ করা অন্যান্য কর্মীদের মতোই একই হারে বেতন প্রদান করে। ভারতের আইটি শিল্পের সংগঠন নাসকম জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে থাকা ভারতীয় টেক কোম্পানিগুলো এইচ-১বি ভিসার ওপর তাদের নির্ভরতা অনেকটাই কমিয়ে এনেছে এবং পার্ম (পিইআরএম) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গ্রিন কার্ড চাওয়া তাদের কর্মীর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেশ কম। গত বছরের সেপ্টেম্বরে শ্রম বিভাগ প্রজেক্ট ফায়ারওয়াল নামক একটি প্রয়োগকারী অভিযান শুরু করে, কারণ হোয়াইট হাউসের এক ঘোষণায় বিদেশ থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মীদের নতুন এইচ-১বি আবেদনের ওপর এককালীন ১ লাখ ডলার ফি আরোপ করা হয়েছিল। এ ছাড়াও আমেরিকান কর্মীদের বেতন কমানোর উদ্দেশ্যে বিদেশি শিক্ষার্থী ও গবেষকদের ভিসা ব্যবহারে অনিয়মের অভিযোগে নয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। আরটিভি/এসআর
মাইক্রোসফটসহ ৮ প্রতিষ্ঠানের গ্রিন কার্ড স্থগিত করল ট্রাম্প প্রশাসন
আরও পড়ুন
যুক্তরাষ্ট্রে আছড়ে পড়ল বছরের প্রথম শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়
ভারতীয়দের গ্রিন কার্ডের পথ আটকাল ট্রাম্প প্রশাসন
৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল পানামা
টানা চতুর্থবার বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় ড. খালিদ, বাংলাদেশে পঞ্চম