
নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির ২০২৬ সালের নির্বাচন সামনে রেখে সাধারণ সম্পাদক পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী রাব্বী সৈয়দ তার ১০ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন। সদস্যদের অধিকার প্রতিষ্ঠা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের সেবার পরিধি বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।
রাব্বী সৈয়দের নির্বাচনী প্রচারণার পোস্টারে তার ব্যালট নম্বর সি৪ উল্লেখ করা হয়েছে। ইশতেহারে বাংলাদেশ সোসাইটিকে আরও আধুনিক, জনবান্ধব ও কার্যকর সংগঠন হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন তিনি।
ইশতেহারের অন্যতম প্রতিশ্রুতি হলো সদস্য নিবন্ধনব্যবস্থার আধুনিকায়ন, ভোটার নিবন্ধনের ত্রুটি দূর করা এবং সংগঠনের প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা। পাশাপাশি আয়-ব্যয়ের হিসাব ও আর্থিক কর্মকাণ্ডে জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করেছেন তিনি।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য নিজস্ব কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা এবং সোসাইটির কার্যালয়ের ভাড়াসংক্রান্ত সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতিও রয়েছে ইশতেহারে। সদস্যদের প্রয়োজনীয় সেবা সহজ করতে সমন্বিত সেবাকেন্দ্র ও ভ্রাম্যমাণ চিকিৎসাকেন্দ্র চালুর পরিকল্পনা জানিয়েছেন রাব্বী সৈয়দ।
এছাড়া এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর ২৪ ঘণ্টার গ্রাহকসেবা চালুর কথা বলেছেন তিনি। এর মাধ্যমে অভিবাসন, আইনি বিষয় ও কনস্যুলার সেবার ক্ষেত্রে প্রবাসীদের সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
শিক্ষাক্ষেত্রে নিউইয়র্কের পাঁচটি বরো থেকে মোট ১৫ জন শিক্ষার্থীকে মেধার ভিত্তিতে বৃত্তি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এই প্রার্থী। পাশাপাশি ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী দাফন ও শেষকৃত্যের ব্যবস্থা এবং মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে সহায়তার কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি।
নতুন প্রজন্মের নেতৃত্ব ও অংশগ্রহণ বাড়ানো, কর্মসংস্থানে সহায়তা এবং বিভিন্ন পেশার মানুষের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা গড়ে তোলার বিষয়টিও ইশতেহারে গুরুত্ব পেয়েছে। সংগঠনের কাজ আরও কার্যকর করতে বিভিন্ন উপকমিটির মাধ্যমে প্রশাসনিক দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়ার পরিকল্পনাও তুলে ধরেছেন রাব্বী সৈয়দ।
প্রবাসীদের দৈনন্দিন সমস্যা সমাধান, সংগঠনের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা এবং তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করাই তার ঘোষিত পরিকল্পনার অন্যতম লক্ষ্য। তবে এসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্বাচনে জয়, সংগঠনের সিদ্ধান্ত এবং সংশ্লিষ্ট উদ্যোগ কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের ওপর।
আরটিভি/জেএমএ




