ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

ফ্রিজে দুধ রাখার সঠিক নিয়ম

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১৬ এএম
ছবি: সংগৃহীত

দুধ আমাদের দৈনন্দিন খাবারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। চা-কফি, মিষ্টি বা নানা রান্নায় প্রতিদিনই দুধ ব্যবহার হয়। তবে অনেকেই দ্বিধায় থাকেন, দুধ কি জ্বাল দিয়ে রাখা ভালো, নাকি প্যাকেটসহ ফ্রিজে রাখলেই ঠিক থাকে? ভুলভাবে সংরক্ষণ করলে দুধ দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে এবং স্বাস্থ্যঝুঁকিও তৈরি হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দুধ সংরক্ষণের দুটি প্রচলিত পদ্ধতি রয়েছে, দুধ জ্বাল দেওয়া এবং প্যাকেটসহ ফ্রিজে রাখা। প্রয়োজন অনুযায়ী এই দুই পদ্ধতির যেকোনোটি ব্যবহার করা যেতে পারে।

জ্বাল দেওয়া দুধ

দুধ জ্বাল দিলে উচ্চ তাপে অনেক ব্যাকটেরিয়া নষ্ট হয়ে যায়। ফলে দুধ কিছুটা বেশি সময় নিরাপদ থাকে। সাধারণভাবে জ্বাল দেওয়া দুধ এক থেকে দুই দিন পর্যন্ত বাইরে রাখা যায়।

তবে বেশি সময় ধরে জ্বাল দিলে দুধের স্বাদ পরিবর্তন হতে পারে এবং কিছু পুষ্টিগুণ কমে যেতে পারে। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী দুধ জ্বাল দেওয়া ভালো। দীর্ঘ সময় সংরক্ষণ করতে চাইলে জ্বাল দেওয়া দুধ ঠান্ডা করে ফ্রিজে রাখা সবচেয়ে নিরাপদ।

আরও পড়ুন

প্যাকেটসহ ফ্রিজে রাখা

দুধ সংরক্ষণের সহজ উপায় হলো প্যাকেটসহ সরাসরি ফ্রিজে রাখা। এতে দুধের স্বাদ, গন্ধ ও পুষ্টিগুণ প্রায় অপরিবর্তিত থাকে।

ফ্রিজের দরজায় না রেখে ভেতরের শেলফে রাখলে দুধ বেশি দিন সতেজ থাকে। প্যাকেট খুলে ফেললে অবশ্যই ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে। সাধারণত খোলা দুধ তিন থেকে চার দিন পর্যন্ত ফ্রিজে ভালো থাকে।

কোন পদ্ধতি ভালো?

যদি দুধ এক-দুই দিনের মধ্যেই ব্যবহার করেন, তাহলে প্যাকেটসহ ফ্রিজে রাখা সবচেয়ে সহজ উপায়। আর যদি দুধ কয়েকদিন রাখতে হয়, তাহলে জ্বাল দিয়ে ফ্রিজে সংরক্ষণ করা ভালো।

সংরক্ষণের সময় সতর্কতা

দুধ কখনো রোদ বা গরম স্থানে রাখা উচিত নয়। এতে দ্রুত ব্যাকটেরিয়া তৈরি হয়। এছাড়া ফ্রিজে তীব্র গন্ধযুক্ত খাবারের পাশে দুধ না রাখাই ভালো, কারণ এতে দুধের স্বাদ বদলে যেতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, সঠিকভাবে সংরক্ষণ করলে দুধ দীর্ঘ সময় সতেজ ও নিরাপদ থাকে। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক পদ্ধতি বেছে নেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা
প্রেমে বিচ্ছেদ বা সম্পর্কের টানাপোড়েনে পুরুষরা নারীদের তুলনায় কম আবেগপ্রবণ, এমন প্রচলিত ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছে সাম্প্রতিক এক বৈশ্বিক গবেষণা। দেখা গেছে, সম্পর্কের অবনতি ঘটলে বা বিচ্ছেদ হলে পুরুষেরা নারীদের চেয়েও বেশি মানসিক যন্ত্রণা ও হৃদয়ভঙ্গের কষ্টে ভোগেন। যুক্তরাজ্যের ল্যাঙ্কাস্টার ইউনিভার্সিটির গবেষকদের নেতৃত্বে পরিচালিত বিজ্ঞানীদের একটি দল অনলাইনে সম্পর্ক বিষয়ক সহায়তা চাওয়া ১৮৪,০০০-এরও বেশি মানুষের কথোপকথনের 'বিগ ডাটা' বিশ্লেষণ করে এই তথ্য প্রকাশ করেছেন।  প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতির মাধ্যমে বেনামী অনলাইন ফোরামের ডেটা বিশ্লেষণ করে সাধারণ মানুষের সম্পর্কের প্রধান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা হয়। গবেষণায় দেখা যায়, সম্পর্কের টানাপোড়েনে সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে উঠে এসেছে 'যোগাযোগের অভাব' বা যোগাযোগের জটিলতা। প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন এই সমস্যার কথা উল্লেখ করেছেন। এছাড়া প্রতি আটজনের মধ্যে একজন বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ করেছেন। তবে সবচেয়ে বড় চমক এসেছে লিঙ্গভিত্তিক আবেগ প্রকাশের তথ্যে। গবেষকরা দেখেন, সমস্যার বিবরণ দেওয়ার চেয়ে সম্পর্কের কারণে তৈরি হওয়া ‘হৃদয়ভঙ্গ’ বা মানসিক যন্ত্রণার কথা পুরুষরা নারীদের চেয়ে অনেক বেশি আলোচনা করেছেন। অনুভূতি প্রকাশের ক্ষেত্রে পুরুষদের লেখায় 'অনুশোচনা', 'বিচ্ছেদ', 'কান্না' ও 'হৃদয়ভঙ্গ'-এর মতো শব্দগুলোর ব্যবহার বেশি দেখা গেছে। গবেষণার প্রধান গবেষক ড. রায়ান বয়েড এবং মূল লেখক শার্লট এন্টউইসল জানান, সমাজে পুরুষদের আবেগ প্রকাশে যে সামাজিক বাধা বা মানসিক সংকোচ রয়েছে, অনলাইন ফোরামের মতো বেনামী প্ল্যাটফর্মে তা উন্মুক্ত হওয়ায় প্রকৃত চিত্র সামনে এসেছে।  সামাজিক বাধা সরিয়ে নিলে দেখা যায়, পুরুষেরা নারীদের মতোই সম্পর্কে সমানভাবে অনুভূতির বিনিয়োগ করেন এবং সমস্যা সমাধানে সচেষ্ট থাকেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই গবেষণার ফলাফল সম্পর্কের টানাপোড়েন বুঝতে এবং পুরুষদের মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তায় অনীহা সংক্রান্ত সামাজিক কুসংস্কার দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আরটিভি/এসআর  
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা
বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধে ঘরে অতিষ্ঠ? দূর করুন সহজেই
পোষা বিড়াল ঘরের সদস্যের মতোই। তবে আদরের এই প্রাণীটি নির্দিষ্ট জায়গার বাইরে প্রস্রাব করলে বিপাকে পড়তে হয়।
বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধে ঘরে অতিষ্ঠ? দূর করুন সহজেই
আজ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার দিন
সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে যদি দেখা যায় রাস্তায় নেই কোনো ব্যক্তিগত গাড়ি, নেই তীব্র যানজট।
আজ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার দিন
কেন বাংলাদেশে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা
বাংলাদেশে শিশুদের বার্ড ফ্লুতে (এইচ৫এন১) আক্রান্ত হওয়ার মূল কারণ হলো গৃহপালিত বা উঠানের পোলট্রি (হাঁস-মুরগি) পাখির সংস্পর্শে আসা।
কেন বাংলাদেশে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা
যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন ডেঙ্গু রোগীর অবস্থা ক্রিটিক্যাল কি না
ডেঙ্গু জ্বরের উৎপত্তি ঘটে ডেঙ্গু ভাইরাসের মাধ্যমে। এই ভাইরাসের বাহক এডিস নামক স্ত্রী মশার কামড়েই ডেঙ্গু হয়।
যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন ডেঙ্গু রোগীর অবস্থা ক্রিটিক্যাল কি না
আরও পড়ুন
কফিতে দুধ মিশিয়ে খেলে শরীরে যে পরিবর্তন ঘটে
গোসল ফরজ অবস্থায় সন্তানকে দুধ পান করানো কী জায়েজ?
জনতার চাপে মজনুর মাথায় দুধ ঢেলে দিলেন পরিদর্শক
অন্যের বাচ্চাকে বুকের দুধ খাইয়ে আলোচনায় মন্ত্রী