ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

ফ্যান আস্তে ঘুরলে কি বিদ্যুৎ বিল কম ওঠে? 

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

দেশজুড়ে তীব্র গরম আর বিদ্যুতের সংকট। এই দুইয়ে মানুষ এখন দিশেহারা। লোডশেডিং আর বাড়তি বিলের ভয়ে অনেকেই বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নানা উপায় খুঁজছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আসে একটি প্রশ্ন, ফ্যান ধীরে চালালে কি সত্যিই বিদ্যুৎ কম খরচ হয়?

ধীরে ঘোরে, খরচও কম?

অনেকের ধারণা, ফ্যানের গতি কমালে বিদ্যুৎ খরচও কমে যায়। কারণ ধীরে ঘোরার সময় ফ্যান কম বিদ্যুৎ নেয়। এটাই স্বাভাবিক ভাবনা। কিন্তু বাস্তবটা এত সহজ নয়।

রেগুলেটরের ভেতরের খেলা

ফ্যানের গতি নিয়ন্ত্রণ হয় রেগুলেটরের মাধ্যমে। যখন আপনি গতি কমান, তখন রেগুলেটরের ভেতরে বাধা তৈরি হয়। ফলে বিদ্যুতের পুরোটা ফ্যানে না গিয়ে কিছু অংশ রেগুলেটরেই আটকে থাকে। এই আটকে থাকা শক্তি নষ্ট হয়ে তাপ হিসেবে বের হয়। যার কারণে রেগুলেটর গরম হয়ে যায়।

আরও পড়ুন

তাহলে লাভ কোথায়?

এখানেই আসল বিষয় লুকিয়ে আছে। আপনি ভাবছেন বিদ্যুৎ বাঁচছে, কিন্তু বাস্তবে সেই বিদ্যুতের বড় অংশ রেগুলেটরেই নষ্ট হচ্ছে। মানে মিটার যেভাবে ঘোরার কথা, প্রায় সেভাবেই ঘোরে। তাই ফ্যান ধীরে চালিয়ে বড় কোনো সাশ্রয় হয় না।

সামান্য সাশ্রয় সম্ভব?

তবে কিছু আধুনিক ধরনের রেগুলেটর থাকলে সামান্য বিদ্যুৎ সাশ্রয় হতে পারে। কিন্তু সেই পরিমাণ এতই কম যে সাধারণ ব্যবহারে তা তেমন পার্থক্য তৈরি করে না।

ফ্যান ধীরে চালালে বিদ্যুৎ বিল অনেক কমে যাবে। এটা পুরোপুরি সঠিক ধারণা নয়। বরং সঠিক যন্ত্র ব্যবহার, অপ্রয়োজনে ফ্যান বন্ধ রাখা এসবই আসল সাশ্রয়ের উপায়।

তাই গতি কমিয়ে নয়, সচেতন ব্যবহারেই বিদ্যুৎ বাঁচান।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আজ ক্যান্ডি দিবস
ক্যান্ডি মানেই মিষ্টি স্বাদ আর শৈশবের রঙিন স্মৃতি।
আজ ক্যান্ডি দিবস
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
আরও পড়ুন
তিন বাতি, দুই ফ্যান আর এক ফ্রিজে বিদ্যুৎ বিল ১ লাখ ১০ হাজার টাকা!
ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় মা ও মেয়ের মরদেহ দেখতে পায় পুলিশ, অতঃপর...
এসি ছাড়াই স্ট্যান্ড ফ্যানে করুন ঘর ঠান্ডা  
ফ্যান খুলে পড়ল এসএসসি পরীক্ষার্থীর মাথায়, আঘাত নিয়েও দিলেন পরীক্ষা