ঢাকা শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

এক বছর বয়সের আগে শিশুকে গরুর দুধ দেওয়া থেকে বিরত থাকুন

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৬ জুন ২০২৬, ০৯:১৮ পিএম
ফাইল ছবি

গরুর দুধ একটি প্রাকৃতিক ও পুষ্টিকর খাবার। কিন্তু এক বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে বিষয়টি ভিন্ন। প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য পুষ্টিকর হওয়া সত্ত্বেও গরুর দুধ দ্রুত বর্ধনশীল শিশুর জটিল চাহিদা মেটাতে পারে না। পুষ্টিকর ভেবে আপনার এক বছরের কম বয়সী শিশুকে গরুর দুধ খেতে দেওয়ার আগে কিছু বিষয় জেনে নিতে হবে।

১২ মাসের কম বয়সী শিশুদের জন্য গরুর দুধ কেন অনিরাপদ?

গরুর দুধ এক বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য এটি সুপারিশ করা হয় না কারণ এটি বিভিন্ন স্বাস্থ্য ঝুঁকি বহন করতে পারে। এই ঝুঁকিগুলোর মধ্যে রয়েছে পুষ্টিজনিত সমস্যা, হজমের সমস্যা, কিডনি রোগ এবং অ্যালার্জি, যা প্রথম ১২ মাসে বিশেষভাবে সংবেদনশীল থাকে।

সিডিসি (CDC) পরামর্শ দেয় যে ১২ মাসের আগে গরুর দুধ দেওয়া উচিত নয়। এটি অন্ত্রে রক্তক্ষরণ ঘটাতে পারে, শিশুর কিডনির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে এবং সঠিক পুষ্টি সরবরাহ করে না। এক বছর পর সম্পূর্ণ পাস্তুরিত গরুর দুধ ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি-এর একটি ভালো উৎস। কিন্তু তারপরেও অতিরিক্ত পরিমাণে এটি আয়রন শোষণে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

এক বছরের কম বয়সী শিশুর জন্য গরুর দুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

আরও পড়ুন

শিশুদের প্রথম বছরে খুব নির্দিষ্ট পুষ্টির চাহিদা থাকে। গরুর দুধ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে ঘাটতি তৈরি করে।গরুর দুধে অতিরিক্ত প্রোটিন এবং কিছু খনিজ থাকে, কিন্তু ভিটামিন ই, স্বাস্থ্যকর চর্বির মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান কম থাকে, যা সুস্থ বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং মস্তিষ্কের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আয়রনের অভাব এবং কিডনির ওপর চাপ পড়ার ঝুঁকি

শৈশবে গরুর দুধ খাওয়ানো শুরু করলে দুটি সবচেয়ে গুরুতর সমস্যা হলো আয়রনের অভাবজনিত রক্তাল্পতা এবং কিডনির উপর চাপ। গরুর দুধে অল্প আয়রন থাকে, কিন্তু তা সহজে শোষিত হয় না। এটি অন্ত্রের জন্য একটি উত্তেজক পদার্থও, যার ফলে ধীরে ধীরে মলের সঙ্গে সামান্য রক্তক্ষরণ হতে পারে। গরুর দুধে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, সোডিয়াম, পটাশিয়াম এবং ফসফরাস থাকে। শিশুর অপরিণত কিডনির পক্ষে এগুলো হজম করা কঠিন এবং এর ফলে ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, বিশেষ করে গরম আবহাওয়ায় বা যখন শিশু অসুস্থ থাকে।

শিশুরা কখন থেকে গরুর দুধ পান করা শুরু করতে পারে?

বেশিরভাগ শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ শিশুর এক বছর বয়স হওয়ার পরেই সম্পূর্ণ গরুর দুধ খাওয়ানোর পরামর্শ দেন। এই সময়ে শিশুর পরিপাকতন্ত্র এবং কিডনি আরও উন্নত হয় এবং শিশু কঠিন খাবার খাওয়া শুরু করে।

আরটিভি/এমএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সকালে ভাত খাওয়া কি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর?
সকালের নাশতায় ভাত খাওয়ার অভ্যাস অনেক বাঙালিরই। কেউ আগের রাতের বেঁচে যাওয়া ভাত খান, আবার কেউ গরম ভাতের সঙ্গে ডিমভাজি কিংবা সবজি খেয়ে দিন শুরু করেন।
সকালে ভাত খাওয়া কি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর?
বয়সের আগেই বুড়িয়ে যাচ্ছেন, মিলিয়ে নিন ৮ লক্ষণ
বয়স বাড়ার সঙ্গে শরীরে নানা পরিবর্তন আসা স্বাভাবিক। তবে কারও কারও ক্ষেত্রে বয়সের তুলনায় দ্রুত দেখা দিতে পারে শারীরিক সক্ষমতা কমে যাওয়া, ত্বকে বলিরেখা কিংবা ঘুমের সমস্যা।
বয়সের আগেই বুড়িয়ে যাচ্ছেন, মিলিয়ে নিন ৮ লক্ষণ
হাড় মজবুত রাখতে সহায়ক হতে পারে লবঙ্গ, বলছে গবেষণা
লবঙ্গ শুধু রান্নার স্বাদ ও সুগন্ধ বাড়ায় না, হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও সহায়ক হতে পারে। এতে থাকা ম্যাঙ্গানিজ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান শরীরের বিভিন্ন কার্যক্রমে ভূমিকা রাখে। তবে হাড় মজবুত রাখতে লবঙ্গের কার্যকারিতা নিয়ে মানুষের ওপর আরও গবেষণা প্রয়োজন। স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথলাইন-এ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, লবঙ্গ একটি বহুল ব্যবহৃত মসলা। আস্ত কিংবা গুঁড়া দুইভাবেই এটি খাবারে ব্যবহার করা যায়। মাংসের পদ, গরম পানীয়, কেক ও বিস্কুটে স্বাদ ও সুগন্ধ বাড়াতে লবঙ্গের ব্যবহার প্রচলিত। রান্নায় ব্যবহারের পাশাপাশি এর সম্ভাব্য স্বাস্থ্যগত উপকারিতা নিয়েও গবেষণা হয়েছে। হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে পারে হাড়ের ঘনত্ব কমে গেলে অস্টিওপোরোসিস বা হাড় ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি বাড়ে। এতে হাড় দুর্বল হয়ে পড়ে এবং সহজে ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। প্রাণীর ওপর পরিচালিত কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে, লবঙ্গ হাড়ের ঘনত্ব বাড়াতে সহায়ক হতে পারে। লবঙ্গে রয়েছে ম্যাঙ্গানিজ, যা হাড়ের স্বাভাবিক গঠন ও স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয় একটি খনিজ উপাদান। পাশাপাশি এতে থাকা অন্যান্য পুষ্টি উপাদান শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রমে ভূমিকা রাখতে পারে। তবে লবঙ্গ খেলে মানুষের হাড়ের ঘনত্ব বাড়ে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উৎস লবঙ্গ লবঙ্গে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস বা জারণজনিত চাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে। এই চাপ কোষের ক্ষতির সঙ্গে সম্পর্কিত এবং দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন স্বাস্থ্যসমস্যার বিকাশে ভূমিকা রাখতে পারে। লবঙ্গের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ইউজেনল। এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত। সুষম খাদ্যতালিকায় লবঙ্গের পাশাপাশি ফলমূল, শাকসবজি ও অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার রাখলে সামগ্রিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করতে পারে। শুধু লবঙ্গের ওপর নির্ভর নয় হাড় মজবুত রাখতে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি-সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন গুরুত্বপূর্ণ। লবঙ্গের সম্ভাব্য উপকারিতা থাকলেও একে হাড় ক্ষয় প্রতিরোধ বা চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, লবঙ্গের মাধ্যমে মানুষের হাড়ের স্বাস্থ্য কতটা উন্নত হতে পারে, তা নিশ্চিত করতে আরও গবেষণা প্রয়োজন। তাই হাড়ের সুস্থতা বজায় রাখতে শুধু একটি মসলার ওপর নির্ভর না করে সুষম খাদ্যাভ্যাস ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। আরটিভি/এসকে
হাড় মজবুত রাখতে সহায়ক হতে পারে লবঙ্গ, বলছে গবেষণা
সিঁদুর খেলার পর ত্বকের যত্ন নেবেন যেভাবে
দশমী মানেই দেবীবরণের আবেগ, মিষ্টিমুখ আর লাল সিঁদুরে রাঙা একরাশ আনন্দ।
সিঁদুর খেলার পর ত্বকের যত্ন নেবেন যেভাবে
চোখের নিচে কালি পড়ে কেন, কমানোর উপায় কী?
পড়াশোনা, পরীক্ষা কিংবা কাজের ব্যস্ততায় অনেক সময় পর্যাপ্ত ঘুম হয় না। এর প্রভাব পড়ে শরীর ও চেহারায়। বিশেষ করে চোখের নিচে কালচে দাগ, ফোলা ভাব কিংবা সূক্ষ্ম ভাঁজ দেখা দিতে পারে।
চোখের নিচে কালি পড়ে কেন, কমানোর উপায় কী?
আরও পড়ুন
হামের উপসর্গ নিয়ে প্রাণ গেল আরও ৭ শিশুর
জীবন বাজি রেখে আগুনের ধ্বংসস্তূপে ঢুকলেন প্রতিবেশী, বাঁচালেন ৪ বছরের শিশুকে
কীর্তিনাশা নদী থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার
দোকানে চুরির অভিযোগে ধাওয়া, প্রাণ গেল ১ বছরের শিশুর