ঢাকা সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

সুখী দম্পতিরা ঘুমের আগে যে ৫ অভ্যাস মেনে চলেন

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৯ পিএম
দিনের ব্যস্ততা শেষে একে অন্যের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটানো দাম্পত্য সম্পর্ককে আরও সুন্দর ও ঘনিষ্ঠ করতে পারে।  ছবি: সংগৃহীত

দিনভর ব্যস্ততার পর রাতের কয়েকটি মুহূর্তও সম্পর্ককে আরও সুন্দর করে তুলতে পারে। সুখী দম্পতিরা ঘুমানোর আগে ছোট ছোট কিছু অভ্যাস মেনে চলেন, যা পারস্পরিক বোঝাপড়া ও ভালোবাসা ধরে রাখতে সাহায্য করে।

একসঙ্গে থাকা মানেই যে সম্পর্ক সবসময় ভালো থাকবে, এমন নয়। একটি সম্পর্ক সুন্দর রাখতে প্রতিদিনই দরকার যত্ন, মনোযোগ ও একে অন্যকে বোঝার চেষ্টা। বিশেষজ্ঞদের মতে, বড় কোনো আয়োজন নয়, বরং প্রতিদিনের ছোট ছোট অভ্যাসই অনেক সময় দাম্পত্য সম্পর্ককে আরও মজবুত করে।

দিনের শেষে ঘুমানোর আগে কয়েকটি সহজ অভ্যাস তাই হয়ে উঠতে পারে সম্পর্কের যত্ন নেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ সময়।

আরও পড়ুন

১. একে অন্যের খোঁজ নেন

সারাদিনের ব্যস্ততার পর সঙ্গীকে জিজ্ঞেস করতে পারেন, ‘আজ তোমার দিনটা কেমন কাটল?’

প্রশ্নটি খুব সাধারণ হলেও এর গুরুত্ব অনেক। সঙ্গীর দিন কেমন কেটেছে, অফিসে কোনো সমস্যা হয়েছে কি না কিংবা দিনের কোনো আনন্দের ঘটনা আছে কি না—এসব মন দিয়ে শুনুন।

সব সমস্যার সমাধান করে দিতে হবে এমন নয়। অনেক সময় শুধু মন দিয়ে শোনাটাই যথেষ্ট। এতে সঙ্গী বুঝতে পারেন, তার কথা এখনও আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

২. কিছু সময়ের জন্য মোবাইল দূরে রাখেন

একই বিছানায় থেকেও যদি দুজনই মোবাইল নিয়ে ব্যস্ত থাকেন, তাহলে ধীরে ধীরে মানসিক দূরত্ব তৈরি হতে পারে।

তাই ঘুমানোর আগে কিছুটা সময় মোবাইল দূরে রাখা ভালো। নোটিফিকেশন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কিংবা কাজের বার্তা কিছুক্ষণের জন্য ভুলে গিয়ে একে অন্যের সঙ্গে কথা বলা যেতে পারে।

সময় বেশি হওয়া জরুরি নয়। বরং সেই অল্প সময়টুকু কীভাবে কাটানো হচ্ছে, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

৩. রাতে টানা ঝগড়া করেন না

সব সমস্যার সমাধান রাতেই করতে হবে—এমন কোনো নিয়ম নেই। বিশেষ করে দুজনেই যদি দিনের শেষে ক্লান্ত থাকেন, তাহলে সামান্য কথাও বড় ঝগড়ায় পরিণত হতে পারে।

পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছে বুঝতে পারলে কিছু সময়ের জন্য আলোচনা থামিয়ে দেওয়া যেতে পারে। প্রয়োজনে বলা যায়, কাল শান্ত মাথায় এ নিয়ে কথা বলব।

এতে সমস্যা এড়িয়ে যাওয়া হয় না। বরং দুজনকে শান্ত হওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। অনেক সময় একটু ঘুমিয়ে পরদিন বিষয়টি নিয়ে কথা বললে পরিস্থিতি সহজভাবে সামলানো সম্ভব হয়।

৪. স্পর্শের মাধ্যমে ভালোবাসা প্রকাশ করেন

ভালোবাসা প্রকাশের জন্য সবসময় দামি উপহার প্রয়োজন হয় না। ঘুমানোর আগে একটি আলিঙ্গন কিংবা ছোট করে ‘ভালো করে ঘুমিও’ বলাও সঙ্গীর মনে ভালো লাগা তৈরি করতে পারে।

দিনভর ক্লান্তির পর এই সামান্য যত্ন সঙ্গীকে নিরাপদ ও আপন মনে করাতে পারে। মনে হতে পারে, দিনের শেষে পাশে থাকার মতো একজন মানুষ আছেন।

৫. সম্ভব হলে একসঙ্গে বিছানায় যান

দুজনের কাজের সময় সবসময় এক রকম নাও হতে পারে। তারপরও সম্ভব হলে রাতে একই সময়ে বিছানায় যাওয়ার চেষ্টা করা যেতে পারে।

ঘুমানোর আগে কয়েক মিনিট পাশাপাশি থাকা, দিনের কথা বলা কিংবা নিজেদের অনুভূতি ভাগ করে নেওয়া—এই ছোট সময়টুকুও সম্পর্ককে আরও কাছাকাছি আনতে পারে।

দিনের ব্যস্ততা ও নানা দায়িত্বের মাঝেও এই কয়েকটি মুহূর্ত দম্পতিকে আবার একে অন্যের কাছে ফিরিয়ে আনতে পারে।

সম্পর্ক ভালো রাখতে বড় কিছু নয়, দরকার যত্ন

দাম্পত্য সম্পর্ক সুন্দর রাখার জন্য সবসময় বড় কোনো আয়োজনের প্রয়োজন হয় না। সঙ্গীর কথা মন দিয়ে শোনা, কিছু সময় মোবাইল দূরে রাখা, অযথা রাতে ঝগড়া না বাড়ানো, ভালোবাসার স্পর্শ দেওয়া এবং সম্ভব হলে একসঙ্গে ঘুমাতে যাওয়া—এমন ছোট অভ্যাসই সম্পর্কের উষ্ণতা ধরে রাখতে সাহায্য করতে পারে।

দিনের শেষে তাই ঘুমানোর আগে কয়েকটি মুহূর্ত শুধু সঙ্গীর জন্য রাখুন। হয়তো এই সামান্য সময়ই সম্পর্ককে আরও গভীর ও সুন্দর করে তুলবে।

আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
আরও পড়ুন
দম্পতিকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ, মামলা নেয়নি পুলিশ
৪ হাজার ২১৮ কিমি অটোরিকশা সফর, শেষে প্রিয় যান নিয়ে ব্রিটেনে ফিরলেন দম্পতি
চিড়িয়াখানায় যাওয়ার পথে গুলিতে প্রাণ গেল ১৭ বছরের কিশোরীর, গ্রেপ্তার দম্পতি
স্কুলে মারামারি: সেই শিক্ষক দম্পতি দুই প্রান্তে বদলি