ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

সুস্থ থাকতে ডিজিটাল ডিটক্সের পথে হাঁটুন

আরটিভি নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ : ০২ জানুয়ারি ২০২৬, ০৬:৫৯ পিএম
প্রতীকী ছবি

আমাদের বর্তমান দ্রুতগতির জীবনে স্মার্টফোন বা কম্পিউটার ছাড়া চলা প্রায় অসম্ভব। মিলেনিয়াল থেকে জেন-জি—সব প্রজন্মের মধ্যেই প্রযুক্তির ওপর গভীর এক আসক্তি তৈরি হয়েছে। তবে এই অবিরাম নোটিফিকেশন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সব সময় ‘অন’ থাকার চাপ এবং নিজেকে প্রাসঙ্গিক প্রমাণের তাগিদ এখন মানসিকভাবে ক্লান্তিকর হয়ে উঠছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রযুক্তির এই অতি নির্ভরশীলতা অনেক সময় বিষণ্ণতা, বার্নআউট এবং সামাজিক অস্থিরতার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এই অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে বর্তমানে অনেকেই ‘ডিজিটাল ডিটক্স’ বা প্রযুক্তি থেকে সাময়িক বিরতি নেওয়ার গুরুত্ব উপলব্ধি করছেন।

যারা প্রযুক্তির ওপর একটু বেশি নির্ভরশীল, তাদের জন্য শুরুতেই সব বন্ধ করে দেওয়া কঠিন হতে পারে। এক্ষেত্রে ছোট ছোট লক্ষ্য নির্ধারণ করা সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

দিনের শুরু এবং শেষের অন্তত আধঘণ্টা সময় ফোন বা ল্যাপটপ ছাড়া কাটানোর চেষ্টা করা যেতে পারে। প্রয়োজনে ফোনটি চোখের আড়াল করে ড্রয়ারে রেখে দেওয়া বা দীর্ঘ সময় স্ক্রিন স্ক্রল করার পরিবর্তে বই পড়া, বুনন বা শরীরচর্চার মতো সৃজনশীল কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখা যায়।

বন্ধু এবং সহকর্মীদের নিজের এই ডিটক্সের কথা জানিয়ে দিলে অহেতুক জরুরি নয় এমন কল বা মেসেজের চাপ থেকেও মুক্ত থাকা সম্ভব।

প্রযুক্তি থেকে এই সাময়িক বিরতি মানুষের জীবনে অত্যন্ত ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

আরও পড়ুন

ভুক্তভোগীদের অভিজ্ঞতা থেকে জানা যায়, ফোন সরিয়ে রাখলে মানুষের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ বাড়ে এবং গভীর বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভার্চ্যুয়াল জগতের চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর।

এছাড়াও ঘুমানোর আগে স্ক্রিন থেকে দূরে থাকলে মস্তিষ্ক শান্ত হয়, ফলে ঘুমের মান উন্নত হয় এবং দিনের বেলা কাজে মনোযোগ বাড়ে।

অনেকে দেখেছেন, ডিজিটাল জগতের মোহ ছেড়ে চারপাশে তাকালে অনেক জ্ঞানী ও সম্ভাবনাময় মানুষের সঙ্গে পরিচয় হওয়ার সুযোগ ঘটে, যা আগে হয়তো অদেখাই থেকে যেত।

প্রযুক্তিকে আমরা ভালোবাসি এবং আধুনিক জীবনে এর উপকারিতাও অস্বীকার করার উপায় নেই। তবে সমস্যাটি প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে নয়, বরং এর মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার নিয়ে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এখনই সময় সচেতন হওয়ার এবং প্রযুক্তির ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি সীমারেখা টেনে দেওয়ার। প্রযুক্তিকে চিরতরে বাদ দেওয়া নয়, বরং আমরা কোথায় থামব এবং কখন নিজেদের জন্য সময় বের করব—সেটি বুঝতে পারাই ডিজিটাল ডিটক্সের আসল উদ্দেশ্য।

এই সচেতনতাই আমাদের যান্ত্রিকতা থেকে বের করে এনে সুন্দর ও স্বাভাবিক জীবনের স্বাদ দিতে পারে।

আরটিভি/এএইচ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
এনার্জি ড্রিংকেই বাড়তে পারে তরুণদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি
সারাদিনের ক্লান্তি দূর করতে কিংবা কাজের ফাঁকে চাঙা থাকতে অনেকেই ভরসা করেন এনার্জি ড্রিংকের ওপর।
এনার্জি ড্রিংকেই বাড়তে পারে তরুণদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি
কেন হাসতে হাসতে চোখে পানি আসে
প্রাণ খুলে হাসছেন, অথচ হঠাৎ চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়ছে।
কেন হাসতে হাসতে চোখে পানি আসে
পেঁয়াজ কাটলেই চোখে পানি আসে কেন
রান্নার প্রস্তুতি নিতে গিয়ে পেঁয়াজ কাটতে হয় প্রায় প্রতিদিনই।
পেঁয়াজ কাটলেই চোখে পানি আসে কেন
অতিরিক্ত গরম চা খেয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াচ্ছেন না তো?
সকালের শুরুতে এক কাপ চা, বিকেলে ক্লান্তি দূর করতে আবারও চায়ের কাপে চুমুক—এমন অভ্যাস অনেকেরই।
অতিরিক্ত গরম চা খেয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াচ্ছেন না তো?
প্রতিদিনের ৫ অভ্যাসেই ক্ষতি হচ্ছে মেরুদণ্ডের!
দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটারের সামনে বসে কাজ করা, অবসর সময়ে সোফায় গা এলিয়ে মুঠোফোন দেখা কিংবা শারীরিক পরিশ্রম না করা—আধুনিক জীবনে এমন অভ্যাস অনেকেরই।
প্রতিদিনের ৫ অভ্যাসেই ক্ষতি হচ্ছে মেরুদণ্ডের!