ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

নারী-পুরুষের শার্টের বোতাম বিপরীত দিকে থাকে কেন?

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

পুরুষের শার্টের বোতাম ডানদিকে আর নারীদের বাম দিকে কেন থাকে? এ বিষয়ে কি কখনো ভেবে দেখেছেন? এ বিষয়ে অবশ্য কেউই তেমন নিশ্চিত নন।

তবে অনেক ইতিহাসবিদের ধারণা, পুরুষের শার্টের বোতাম ডানদিকে থাকার কারণ হলো পোশাকে অস্ত্র রাখার ব্যবস্থার মাধ্যমেই এ ঘটনার চল হয়।

হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাশন ইতিহাসবিদ ড. ক্লো চ্যাপিন টাইমের সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে জানান, পুরুষের পোশাকের বোতাম ডান দিকে থাকার এই শৈলী সামরিক বাহিনী থেকে আসতে পারে।

শার্টে বন্দুক লুকানো থাকলে এক্ষেত্রে হাত দ্রুত পৌঁছানো সহজ। বোতামগুলো ডানদিকে থাকলে ডান হাতটি শার্ট বা জ্যাকেটে আরও সহজভাবে ঢুকিয়ে বের করা যায়।

আবার কিছু পণ্ডিত যুক্তি দেন, তরবারি রাখার সঙ্গেও এর সম্পর্ক থাকতে পারে। এ জেন্টলম্যান’স ওয়ারড্রোবের পল কিয়ার্স গার্ডিয়ানকে জানান, বেশিরভাগ মানুষই তলোয়ার সব সময় বাম দিকে পরিধান করেন, যাতে এটি ডান হাতে ধরা যায় সহজেই।’

বেশিরভাগ ইতিহাসবিদ ও গবেষকরা জানিয়েছেন, পুরুষের শার্টের বোতাম ডানদিকে হওয়ার কারণ হলো অস্ত্র সম্পর্কিত। অর্থাৎ শার্টের বোতাম ডানপাশে হলে অস্ত্র বাম পাশে রাখলে ডান হাত দিয়ে তা সহজেই বের করা যায়।

তাহলে নারীদের পোশাকের বোতাম বাম দিকে কেন?

শার্ট ব্র্যান্ড এলিজাবেথ ও ক্লার্কের প্রতিষ্ঠাতা মেলানি মুরের মতে, ১৩ শতকে যখন বোতাম আবিষ্কৃত হয়েছিল, তখন ধনী নারীদের পোশাক বেশ ভারি হত। বিশেষ করে ওই সময় ধনী নারীরা দাসীর সাহায্য ছাড়া নিজেরা পোশাক পরতে পারতেন না।

সেক্ষেত্রে পোশাকের বোতাম লাগানোর কাজও দাসীরাই সারতেন। এজন্য বাম পাশে বোতাম লাগানো হত, যাতে সেগুলো সহজেই লাগাতে পারেন দাসীরা। তখন থেকেই হয়তো এটি ধারণা প্রচলিত।

আরেকটি তত্ত্ব হলো, বেশিরভাগ নারীই বাম হাতে বাচ্চাদের ধরেন। এক্ষেত্রে যাতে তাদের বুকের দুধ খাওয়ানো সহজ হয় এজনই শার্টের বোতাম বাম দিকে রাখা হয়। যাতে জরুরি মুহূর্তে তারা সহজেই বোতাম খুলতে পারেন।

তবে অতীতের এই ধারণাকে এখন তোয়াক্কা করেন না বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফ্যাশন সংস্থা। এখন নারীদের শার্টের বোতামও ডান দিকে রাখা হয়।

সূত্র: ইনসাইডার/টাইম/গার্ডিয়ান

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
প্রথম প্রেম দিবস আজ
২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ‘প্রথম প্রেম দিবস’ পালনের যাত্রা শুরু হয়। এদিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি ছুটি পালন করা হয়। যদিও এর উৎপত্তি কীভাবে হয়েছে, তা কারও জানা নেই।
প্রথম প্রেম দিবস আজ
শুধু ৮০-তেই নয়, নব্বইয়ের নস্টালজিয়ায় মাততে চ্যাটজিপিটিকে যে নির্দেশ দেবেন
নব্বইয়ের দশক বলতে বুঝি ক্যাসেট, রঙিন টেলিভিশন, স্টুডিয়োতে ছবি তোলার আলাদা আয়োজন আর ফিল্ম ক্যামেরায় ধরা পড়া কিছুটা দানাদার ছবি। সেই সময়ের ফ্যাশন, চুলের স্টাইল কিংবা ছবির রঙ সবকিছুর মধ্যেই ছিল আলাদা এক নস্টালজিয়া। এখন সেই সময়ের আবহে নিজের ছবি দেখতে চাইলে ফিরে যেতে হবে না অতীতে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে কয়েক মুহূর্তেই নিজের আপলোড করা ছবিকে নব্বইয়ের দশকের স্মৃতির মতো করে তোলা সম্ভব।
শুধু ৮০-তেই নয়, নব্বইয়ের নস্টালজিয়ায় মাততে চ্যাটজিপিটিকে যে নির্দেশ দেবেন
প্রজন্ম পেরিয়েও কেন ফ্যাশনে অমলিন বেনারসি
ফ্যাশনের ধরন বদলায়, বদলায় পোশাকের নকশাও। কিন্তু বেনারসি শাড়ির আবেদন যেন কখনো পুরোনো হয় না। বিয়ের সাজ থেকে উৎসব—প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে কেন এতটা জনপ্রিয় এই শাড়ি? সময় বদলের সঙ্গে ফ্যাশনেও আসে নানা পরিবর্তন। কখনো শাড়ি হয়ে ওঠে আধুনিক পোশাক, আবার কখনো সাবেকি শাড়ির সাজেই ফুটে ওঠে নতুনত্ব। তবে কিছু পোশাক রয়েছে, যেগুলো শুধু পরার জন্য নয়, বরং এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে ঐতিহ্য, স্মৃতি ও আবেগ। বেনারসি শাড়ি তেমনই একটি। প্রজন্ম পেরিয়েও বেনারসির জনপ্রিয়তা কমেনি। বরং সময়ের সঙ্গে এর নকশা ও পরার ধরনে পরিবর্তন এলেও ঐতিহ্যবাহী বুনন ও সৌন্দর্যের আবেদন এখনও একই রকম। সাবেকি বুননেই বেনারসির আসল সৌন্দর্য বাজারে এখন নানা ধরনের শাড়ি বেনারসি নামে পাওয়া যায়। তবে সব শাড়িতে ঐতিহ্যবাহী বেনারসির মতো সূক্ষ্ম সোনালি বা রূপালি জরির কাজ কিংবা হাতে বোনা নকশা থাকে না। খাঁটি বেনারসির সৌন্দর্য মূলত এর বুনন ও কারুকাজে। অতিরিক্ত জাঁকজমক না থাকলেও সূক্ষ্ম নকশা, জরির কাজ ও ঐতিহ্যবাহী মোটিফ শাড়িটিকে আলাদা করে তোলে। আরও পড়ুন মায়ের পুরোনো শাড়ি ফেলে না দিয়ে বানিয়ে ফেলুন নতুন পোশাক জরির কাজেই বাড়ে সৌন্দর্য ঐতিহ্যবাহী বেনারসি শাড়িতে সাধারণত পুরো শাড়িজুড়ে বিভিন্ন ধরনের জরির কাজ দেখা যায়। সরু পাড়ে সোনালি বা রূপালি জরির সুতায় করা হয় সূক্ষ্ম কারুকাজ। শাড়ির শরীরজুড়ে থাকতে পারে জালির মতো নকশা ও নানা ধরনের ফুলের মোটিফ। তবে বেনারসির আঁচলেই সাধারণত সবচেয়ে বেশি নজর পড়ে। ভারী জরির কাজের পাশাপাশি ফুল, কল্কা ও অন্যান্য ঐতিহ্যবাহী নকশা আঁচলের সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে দেয়। বিয়ের সাজে বেনারসির আলাদা কদর একসময় বাঙালি বিয়ের সাজে ঐতিহ্যবাহী বেনারসির ব্যবহার ছিল খুবই জনপ্রিয়। সেই ধারা এখনও রয়েছে। বিয়ের জন্য অনেকেই ফুল ও কল্কা নকশার সাবেকি বেনারসি বেছে নেন। শুধু বিয়েই নয়, বিভিন্ন উৎসব ও বিশেষ অনুষ্ঠানেও বেনারসি শাড়ি পরা হয়। এর সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী গয়না ও সাজ মিলিয়ে তৈরি করা যায় আভিজাত্যপূর্ণ সাজ। মায়ের শাড়িতে জড়িয়ে থাকে স্মৃতি বেনারসির সঙ্গে পারিবারিক আবেগের সম্পর্কও কম নয়। মায়ের পরা শাড়ি মেয়ের পরা কিংবা পরিবারের এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মে একই শাড়ি পৌঁছে যাওয়ার ঘটনা অনেক পরিবারেই দেখা যায়। তাই মায়ের বেনারসি পরা শুধু ফ্যাশনের বিষয় নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে পুরোনো দিনের স্মৃতি ও প্রিয় মানুষের ভালোবাসা। একটি শাড়ি হয়ে ওঠে পরিবারের স্মৃতি ধরে রাখার মাধ্যম। টেকসই ফ্যাশনেও বেনারসি খাঁটি হাতে বোনা বেনারসি দীর্ঘদিন ব্যবহার করা যায়। যত্ন নিয়ে রাখলে একই শাড়ি বছরের পর বছর এমনকি প্রজন্মের পর প্রজন্ম পরাও সম্ভব। ফলে পুরোনো শাড়ি ফেলে দিয়ে নতুন শাড়ি কেনার বদলে একই শাড়ি দীর্ঘদিন ব্যবহার করা যায়। এই কারণেই ঐতিহ্যবাহী বেনারসিকে টেকসই ও পরিবেশবান্ধব ফ্যাশনের একটি উদাহরণ হিসেবেও দেখা যায়। ফ্যাশন বদলালেও বেনারসি কেন অমলিন? ফ্যাশনে নতুন নতুন প্রবণতা আসবে, আবার সময়ের সঙ্গে অনেক কিছু হারিয়েও যাবে। কিন্তু বেনারসির মতো ঐতিহ্যবাহী শাড়ির আবেদন সহজে শেষ হওয়ার নয়। এর সূক্ষ্ম বুনন, জরির কাজ, ফুল ও কল্কা নকশা যেমন চোখে পড়ে, তেমনই এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ঐতিহ্য ও আবেগও মানুষকে বারবার এই শাড়ির কাছে ফিরিয়ে আনে। তাই প্রজন্ম বদলালেও বেনারসি থেকে যায় বাঙালির সাজের অন্যতম চিরন্তন পোশাক হিসেবে। আরটিভি/জেএমএ
প্রজন্ম পেরিয়েও কেন ফ্যাশনে অমলিন বেনারসি
মায়ের পুরোনো শাড়ি ফেলে না দিয়ে বানিয়ে ফেলুন নতুন পোশাক
আলমারিতে পড়ে থাকা পুরোনো শাড়ি এবার পেতে পারে নতুন রূপ। একটু বুদ্ধি ও নকশার ছোঁয়ায় মায়ের প্রিয় শাড়ি দিয়েই তৈরি করা যায় আধুনিক ও আকর্ষণীয় নানা পোশাক। অনেকের আলমারিতেই এমন কিছু পুরোনো শাড়ি থাকে, যেগুলো আর পরা হয় না। আবার মায়ের পুরোনো শাড়ি হলে সেটি ফেলে দেওয়ার কথাও ভাবা যায় না। কারণ এসব শাড়ির সঙ্গে জড়িয়ে থাকে স্মৃতি ও আবেগ। তাই ফেলে না দিয়ে পুরোনো শাড়িকেই নতুন পোশাকে রূপ দেওয়া যেতে পারে। শাড়ির ধরন ও কাপড়ের মান অনুযায়ী তৈরি করা যায় বিভিন্ন ধরনের আধুনিক পোশাক। সিল্ক, বেনারসি, জামদানি, চান্দেরি, জর্জেট, শিফন কিংবা সুতি—প্রতিটি কাপড় দিয়েই ভিন্ন ধরনের পোশাক তৈরি করা সম্ভব। লেহঙ্গা বা স্কার্ট পুরোনো সিল্ক, বেনারসি কিংবা জামদানি শাড়ি দিয়ে তৈরি করা যায় সুন্দর লেহঙ্গা বা বড় ঘেরের স্কার্ট। একই শাড়ির কিছু অংশ দিয়ে ব্লাউজ বা ছোট জামা তৈরি করলে পুরো পোশাকটি হয়ে উঠবে আকর্ষণীয়। গাউন সিল্ক কিংবা ছাপা শাড়ি দিয়ে বানানো যায় আধুনিক গাউন। বিশেষ করে ফুলের নকশা বা সুন্দর ছাপ থাকা শাড়ি ব্যবহার করলে তৈরি পোশাকে পাওয়া যাবে একেবারে নতুন ধরনের সৌন্দর্য। আরও পড়ুন হেলমেট পরলে চুল পড়ছে? মানুন এই ৫ নিয়ম  আনারকলি পুরোনো শিফন বা জর্জেট শাড়ি দিয়েও তৈরি করা যায় ঘের দেওয়া আনারকলি। নিজের মাপ অনুযায়ী তৈরি করলে পোশাকটি শরীরের সঙ্গে সুন্দরভাবে মানিয়েও নেওয়া যায়। জমকালো ওড়না পুরোনো বেনারসি কিংবা চান্দেরি সিল্ক শাড়ি থেকে তৈরি করা যায় সুন্দর ওড়না। সাধারণ কুর্তা বা সালোয়ারের সঙ্গে এমন ওড়না ব্যবহার করলেই সাজে যোগ হবে উৎসবের ছোঁয়া। বিয়েবাড়ি কিংবা অন্য কোনো বিশেষ অনুষ্ঠানেও এটি পরা যেতে পারে। জ্যাকেট সিল্ক কিংবা সুতি শাড়ি দিয়ে তৈরি করা যায় লম্বা বা হাঁটু পর্যন্ত ঝুলের জ্যাকেট। কুর্তা, জিন্স কিংবা সাধারণ পোশাকের সঙ্গে এমন জ্যাকেট পরলে পুরো সাজে আসতে পারে আলাদা মাত্রা। স্মৃতির শাড়িতে নতুন সাজ পুরোনো শাড়ি নতুন করে ব্যবহার করলে একদিকে যেমন প্রিয় পোশাকটি ফেলে দিতে হয় না, অন্যদিকে পুরোনো স্মৃতিও থেকে যায় নতুন সাজে। তাই আলমারিতে পড়ে থাকা মায়ের প্রিয় শাড়িটি ফেলে না দিয়ে একটু সৃজনশীলতা দিয়ে বানিয়ে নিতে পারেন একেবারে নতুন পোশাক। আরটিভি/জেএমএ
মায়ের পুরোনো শাড়ি ফেলে না দিয়ে বানিয়ে ফেলুন নতুন পোশাক
মেয়েদের আসল সৌন্দর্য শাড়িতে
বাঙালি মানেই বারো মাসে তেরো পার্বণ, আর সেই উৎসব-আমেজে বাঙালির চিরন্তন ঐতিহ্য শাড়ি। হাজার বছর ধরে নারীর রূপের বহুমাত্রিক প্রকাশ ঘটাতে শাড়ির জুড়ি মেলা ভার। তবে যুগে যুগে ফ্যাশনের পালাবদলে নানা আধুনিক পোশাকের আগমন ঘটলেও একটি প্রশ্ন প্রায়ই ঘুরপাক খায় আর তা হলো মেয়েদের আসল সৌন্দর্য কি আসলেই শাড়িতে? ​ঐতিহ্যের সাথে আভিজাত্যের মেলবন্ধন​বাঙালি নারীর সাজপোশাকে শাড়ি কেবল একটি সাধারণ পরিধেয় বস্ত্র নয়, এটি এক জীবন্ত ঐতিহ্য। প্রাচীনকাল থেকেই আমাদের সংস্কৃতির সাথে শাড়ি গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। বলা হয়ে থাকে, শাড়ির মতো এমন মার্জিত পোশাক নারীর শরীরের গঠন ও ব্যক্তিত্বকে ফুটিয়ে তুলতে আর দ্বিতীয়টি নেই।  সুতি, তসর, ঢাকাই জামদানি, কাঁথাস্টিচ কিংবা বেনারসি প্রতিটি শাড়ির বুননে লুকিয়ে থাকে এক অদ্ভুত নান্দনিকতা। ​শাড়িতে নারীর আত্মবিশ্বাস ও রূপান্তর​শাড়ি পরার পর একজন নারীর চলন-বলন এবং শারীরিক ভাষায় যে আভিজাত্য প্রকাশ পায়, তা অন্য কোনো পোশাকে সহজে দেখা যায় না। এটি একাধারে যেমন শালীন, তেমনই অত্যন্ত আকর্ষণীয়। বিশেষ করে, শাড়ির কুঁচি এবং আঁচল সামলানোর ভঙিমায় নারীর যে লাবণ্য ও সাবলীলতা ফুটে ওঠে, তা যেকোনো বয়সের নারীকে অনন্য এক রূপ দেয়। বাঙালি নারীর ১২ হাত কাপড়ের এই পরিধান যেন তার অন্তরের শক্তি এবং বহুকালের সংস্কারেরই বহিঃপ্রকাশ। ​শাড়ি হলো এমন একটি ক্যানভাস, যেখানে নারীর নিজস্ব ব্যক্তিত্বের আলোয় রূপের পূর্ণতা পায়। ​আধুনিকতা বনাম চিরায়ত সৌন্দর্যআজকের দিনে তরুণ প্রজন্মের নারীরা কর্মক্ষেত্র থেকে শুরু করে দৈনন্দিন জীবনে ওয়েস্টার্ন বা সালোয়ার-কামিজের মতো আরামদায়ক পোশাক বেছে নিচ্ছেন যা সময়ের সাথে খুবই স্বাভাবিক।  কিন্তু পহেলা বৈশাখ, বিয়েবাড়ি, বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা কোনো সাংস্কৃতিক আয়োজনে যখন একজন তরুণী শাড়িতে সেজে ওঠেন, তখন চারপাশের রূপ যেন এক নিমিষে বদলে যায়। আধুনিকতার ছোঁয়া লেগেছে শাড়ির ডিজাইনেও।  এখন ফিউশন ফ্যাশনে শাড়ি পরার ধরনেও এসেছে নতুনত্ব। তা সত্ত্বেও এর মূল আবেদন চিরন্তন ও অপরিবর্তিত রয়েছে। ​আসল সৌন্দর্য আসলে কোথায়?পোশাক তো কেবল বাহ্যিক আবরণ মাত্র। রূপ বিশেষজ্ঞরা বলেন, আসল সৌন্দর্য লুকিয়ে থাকে মানুষের আত্মবিশ্বাস, ব্যক্তিত্ব ও হৃদয়ের স্বচ্ছতায়। শাড়ি সেই সৌন্দর্যকে কেবল হাজার গুণ বাড়িয়ে দেয় মাত্র। শাড়ি পরলে একজন নারীকে কেবল সুন্দর দেখায় না, বরং তিনি অনুভব করেন তার শেকড় ও সংস্কৃতির টান।  ​পরিশেষে বলা যায়, শাড়িতে নারীর রূপের যে পূর্ণতা প্রকাশ পায়, তা অন্য কোনো পোশাকে পাওয়া কঠিন। তাই যুগে যুগে কবি-সাহিত্যিকদের মন জয় করে শাড়ি আজও বাঙালি নারীর রূপের শ্রেষ্ঠ অলংকার হয়ে টিকে আছে যা গর্বে, আভিজাত্যে এবং শাশ্বত সৌন্দর্যে।  আরটিভি/এসকে
মেয়েদের আসল সৌন্দর্য শাড়িতে