ঢাকা সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩

জন্ম থেকেই হৃদরোগ? শিশুকে সুস্থ রাখতে যে যত্ন জরুরি 

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২২ এএম
জন্মগত হৃদযন্ত্রের সমস্যা থাকলে শিশুর বয়স বাড়ার সঙ্গে নিয়মিত চিকিৎসা-পর্যবেক্ষণ জরুরি। ছবি: সংগৃহীত

শিশুর বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শুধু শরীরের আকারই নয়, হৃদযন্ত্রের গঠন ও কাজের ধরনও বদলায়। বেশিরভাগ শিশুর ক্ষেত্রেই এটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তবে জন্মগত হৃদযন্ত্রের ত্রুটি, হৃদযন্ত্রের ভালভের সমস্যা, হৃদস্পন্দনের অনিয়ম কিংবা হৃদপেশির অসুখ থাকলে নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

শিশু হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, জন্মগত হৃদযন্ত্রের সমস্যা থাকা শিশুর বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তার হৃদযন্ত্রের পরিবর্তনগুলো নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। কারণ, ছোটবেলায় কোনো সমস্যা সামান্য থাকলেও বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় সেটি নতুন করে দেখা দিতে পারে।

নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ কেন জরুরি?

নিয়মিত হৃদরোগের পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে শিশুর হৃদযন্ত্র কতটা ভালোভাবে কাজ করছে, তার বৃদ্ধি, রক্তচাপ, হৃদস্পন্দনের ছন্দ এবং শারীরিক পরিশ্রম সহ্য করার ক্ষমতা সম্পর্কে জানা যায়।

প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসক হৃদযন্ত্রের ছবি তোলার পরীক্ষা, হৃদস্পন্দন পরীক্ষাসহ বিভিন্ন পরীক্ষা করতে পারেন। তবে প্রতিবার চিকিৎসকের কাছে গেলেই যে ওষুধ বা কোনো চিকিৎসা নিতে হবে, এমন নয়। অনেক সময় শিশুর অবস্থা পর্যবেক্ষণ করাই মূল উদ্দেশ্য থাকে। কোনো পরিবর্তন দেখা দিলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

কোন লক্ষণগুলো দেখলে সতর্ক হবেন?

শিশুরা সবসময় নিজেদের শারীরিক সমস্যার কথা ঠিকভাবে বোঝাতে পারে না। তাই কিছু লক্ষণের দিকে অভিভাবকদের বিশেষ নজর রাখা প্রয়োজন।

খেলাধুলার সময় বারবার বিশ্রাম নেওয়া, সামান্য পরিশ্রমেই হাঁপিয়ে যাওয়া বা অন্য শিশুদের তুলনায় কম সক্রিয় থাকা অনেক সময় স্বাভাবিক বলে মনে হতে পারে। কিন্তু এসব সমস্যা যদি দীর্ঘদিন থাকে বা কোনো স্পষ্ট কারণ না থাকে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

বিশেষ করে দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসকষ্ট, অতিরিক্ত ক্লান্তি, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা অজ্ঞান হওয়ার মতো অনুভূতি, দ্রুত হৃদস্পন্দন, শারীরিক পরিশ্রমের সময় বুকে অস্বস্তি, ঠোঁট নীলচে হয়ে যাওয়া কিংবা বয়স অনুযায়ী ওজন না বাড়ার মতো লক্ষণ দেখা দিলে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

তবে এসব লক্ষণ শুধু হৃদরোগের কারণেই হয় না। অন্য কারণেও এমন উপসর্গ দেখা দিতে পারে। তাই নিজে থেকে কোনো সিদ্ধান্ত না নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই গুরুত্বপূর্ণ।

ছোটবেলা থেকেই তৈরি করুন স্বাস্থ্যকর অভ্যাস

শিশু হৃদরোগ বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শিশুর হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে ছোটবেলা থেকেই স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অভ্যাস তৈরি করা প্রয়োজন।

শিশুর খাবারের তালিকায় ফল, শাকসবজি, গোটা শস্য, ডালসহ পুষ্টিকর খাবার রাখা উচিত। অন্যদিকে অতিরিক্ত লবণ, চিনি, প্যাকেটজাত খাবার ও মিষ্টি পানীয় যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে।

শিশুর বয়স ও শারীরিক সক্ষমতা অনুযায়ী নিয়মিত খেলাধুলা, সাইকেল চালানো, সাঁতার কিংবা অন্যান্য শারীরিক কর্মকাণ্ডেও উৎসাহ দেওয়া দরকার। পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুম ও পানি পান নিশ্চিত করতে হবে।

শিশুকে অন্যের ধূমপানের ধোঁয়া থেকেও দূরে রাখা জরুরি।

চিকিৎসা বা অস্ত্রোপচারের পরও বন্ধ নয় নজরদারি

জন্মগত হৃদরোগের চিকিৎসা বা অস্ত্রোপচার হয়ে যাওয়ার পর অনেক অভিভাবক মনে করেন, শিশুর আর চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। কিন্তু এমনটি করা ঠিক নয় বলে জানান ডা. লাহা।

তার মতে, স্কুলজীবন, কৈশোর ও পরবর্তী সময়ে শিশুর শরীরের চাহিদা বদলাতে থাকে। সেই অনুযায়ী ব্যায়াম, খাবার, ওষুধ কিংবা ভবিষ্যতের চিকিৎসা নিয়ে নতুন করে পরামর্শের প্রয়োজন হতে পারে। তাই চিকিৎসা বা অস্ত্রোপচারের পরও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাওয়া জরুরি।

শিশুকে ভয় নয়, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে উৎসাহ

হৃদযন্ত্রের সমস্যা থাকলেই শিশুকে সব ধরনের খেলাধুলা বা স্বাভাবিক জীবন থেকে দূরে রাখতে হবে—এমন নয়। বরং অভিভাবক, শিশু ও চিকিৎসকের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ থাকা গুরুত্বপূর্ণ।

শিশুকে অতিরিক্ত ভয় বা অযথা বিধিনিষেধের মধ্যে না রেখে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে উৎসাহ দিতে হবে। সঠিক খাবার, সক্রিয় জীবনযাপন, পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং নিয়মিত চিকিৎসা-পর্যবেক্ষণই শিশুর ভবিষ্যৎ হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখার ভিত্তি তৈরি করতে পারে।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দাঁত পড়ে গেলে আর চিন্তা নেই, ওষুধেই গজাবে নতুন দাঁত!
একবার স্থায়ী দাঁত পড়ে গেলে বা তুলে ফেলতে হলে সাধারণত আর প্রাকৃতিকভাবে সেই দাঁত ফিরে আসে না। এ অবস্থায় ডেন্টাল ইমপ্ল্যান্ট, ব্রিজ কিংবা কৃত্রিম দাঁতের ওপর নির্ভর করতে হয়।
দাঁত পড়ে গেলে আর চিন্তা নেই, ওষুধেই গজাবে নতুন দাঁত!
লিভারের রোগের লক্ষণ মিলতে পারে হাত-পায়ে, যে ৫ পরিবর্তনে সতর্ক হবেন
লিভারের রোগ সব সময় স্পষ্ট উপসর্গ নিয়ে দেখা দেয় না। প্রাথমিক পর্যায়ে অনেকের শরীরে তেমন কোনো লক্ষণই প্রকাশ পায় না। ফলে অজান্তেই বাড়তে পারে রোগের জটিলতা।
লিভারের রোগের লক্ষণ মিলতে পারে হাত-পায়ে, যে ৫ পরিবর্তনে সতর্ক হবেন
কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ছে নারীদের, সতর্ক হবেন যে ৫ লক্ষণে
নারীদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা ও অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবিটিস, মূত্রনালির সংক্রমণ এবং কিছু অটোইমিউন রোগ কিডনির ক্ষতির কারণ হতে পারে। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক ক্ষেত্রে স্পষ্ট উপসর্গ না থাকায় রোগ শনাক্ত হতে দেরি হয়। তাই কিডনির সম্ভাব্য পাঁচটি লক্ষণ সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবিটিস কিডনি রোগের অন্যতম প্রধান কারণ। অনেক নারী নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা না করানোয় শরীরে এসব সমস্যার উপস্থিতি বুঝতে পারেন না। ফলে রোগ শনাক্ত ও চিকিৎসা শুরু হতে দেরি হয়, যা কিডনির পাশাপাশি শরীরের অন্যান্য অঙ্গের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। এ ছাড়া নারীদের মধ্যে মূত্রনালির সংক্রমণ তুলনামূলক বেশি দেখা যায়। লুপাস নেফ্রাইটিসের মতো অটোইমিউন রোগও কিডনির ক্ষতি করতে পারে। গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ, বারবার মূত্রনালির সংক্রমণ এবং কিছু ক্ষেত্রে পানিশূন্যতা কিডনির স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। কিডনি রোগের যে ৫ লক্ষণে সতর্ক হবেন ১. সকালে চোখ-মুখ ফুলে যাওয়া ঘুম থেকে ওঠার পর চোখ ও মুখ অস্বাভাবিকভাবে ফুলে যাওয়া কিডনির সমস্যার একটি সম্ভাব্য লক্ষণ। কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে শরীরে অতিরিক্ত তরল জমতে পারে। এ ছাড়া প্রস্রাবের মাধ্যমে প্রোটিন বেরিয়ে গেলেও শরীরে ফোলাভাব দেখা দিতে পারে। নিয়মিত এমন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। ২. পা ও গোড়ালি ফুলে যাওয়া পা, গোড়ালি কিংবা পায়ের পাতা অস্বাভাবিকভাবে ফুলে গেলে বিষয়টি অবহেলা করা ঠিক নয়। কিডনির কার্যকারিতা ব্যাহত হলে শরীরে তরল জমে এমন সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা, শিরার সমস্যা কিংবা হৃদ্‌রোগের কারণেও পা ফুলতে পারে। ৩. পেশিতে ব্যথা বা খিঁচুনি কিডনি শরীরে পানি ও বিভিন্ন খনিজের ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে এ ভারসাম্য বিঘ্নিত হয়ে পেশিতে ব্যথা, দুর্বলতা বা খিঁচুনি দেখা দিতে পারে। দীর্ঘদিন এমন সমস্যা চলতে থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। ৪. শ্বাসকষ্ট বা বুকে চাপ অনুভব করা কিডনির গুরুতর সমস্যায় শরীরে অতিরিক্ত তরল জমে ফুসফুসে প্রভাব ফেলতে পারে। এর ফলে শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে। বুকে চাপ বা ব্যথার সঙ্গে শ্বাসকষ্ট হলে তা জরুরি অবস্থার লক্ষণ হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে। ৫. প্রস্রাবের ধরনে পরিবর্তন প্রস্রাবের পরিমাণ বা ধরনে অস্বাভাবিক পরিবর্তন কিডনির সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে। রাতে বারবার প্রস্রাব হওয়া, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া, অতিরিক্ত ফেনাযুক্ত প্রস্রাব কিংবা প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া এসব লক্ষণ অবহেলা করা উচিত নয়। বিশেষ করে প্রস্রাবে রক্ত দেখা গেলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। কিডনি সুস্থ রাখতে কী করবেন? কিডনি রোগের ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত রক্তচাপ ও রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করা, সুষম খাবার খাওয়া, শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকা এবং পর্যাপ্ত পানি পান করা গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি মূত্রনালির সংক্রমণ হলে যথাযথ চিকিৎসা নিতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘদিন ব্যথানাশক ওষুধ সেবন থেকেও বিরত থাকা উচিত। তবে এসব লক্ষণ দেখা দিলেই কিডনি রোগ হয়েছে, এমন নয়। অন্য বিভিন্ন কারণেও একই ধরনের উপসর্গ হতে পারে। কিডনির অবস্থা জানতে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রক্তে ক্রিয়েটিনিন ও ইজিএফআর পরীক্ষা, প্রস্রাবে অ্যালবুমিন বা প্রোটিন পরীক্ষা করা প্রয়োজন হতে পারে। মনে রাখতে হবে, দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক সময় কোনো লক্ষণই দেখা যায় না। তাই ঝুঁকিতে থাকা নারীদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো এবং অস্বাভাবিক উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। সূত্র: আনন্দবাজার আরটিভি/এসকে
কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ছে নারীদের, সতর্ক হবেন যে ৫ লক্ষণে
বাজার থেকে কেনা ডিম আসল কিনা, বুঝবেন যেভাবে
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘নকল’ বা ‘প্লাস্টিকের ডিম’ নিয়ে নানা দাবি ছড়িয়ে পড়ায় ক্রেতাদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। দেখে বোঝার উপায় নেই, অনেকেই এই ডিম বাজার থেকে কিনে এনে ঠকছেন। শরীরেরও বারোটা বাজছে। তবে ডিমের মান যাচাইয়ে প্রচলিত কিছু ঘরোয়া পরীক্ষার বদলে খোসার অবস্থা, সংরক্ষণ পদ্ধতি ও ডিম ভাঙার পর এর গন্ধ-চেহারা পরীক্ষা করাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। নকল ডিম তৈরি হয় রাসায়নিক দিয়ে। সেই ডিম বিক্রি হচ্ছে দেশের অনেক বাজারে। তবে আসল ডিমের সঙ্গে এই ডিমের তফাত বোঝা খুব একটা কঠিন নয়। যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) তথ্য অনুযায়ী, ডিম কেনার সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি হলো সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে কিনা। খুচরা বিক্রির জন্য ডিম কেনার ক্ষেত্রে ঠান্ডা বা উপযুক্ত তাপমাত্রায় সংরক্ষিত ডিম বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যেভাবে বুঝবেন ‘আসল ডিম’ নাকি ‘প্লাস্টিকের’ ১. প্রথমেই নজর রাখতে হবে ডিমের খোলসের দিকে। আসল ডিমের খোলস হয় একটু এবড়ো-খেবড়ো। কিন্তু প্লাস্টিক ডিমের খোলস হবে একদম মসৃণ। তবে কেবল উপরিভাগ দেখে ডিমকে নকল বলে নির্ধারণ করা যায় না। ২. ডিম পরীক্ষা করার জন্য একে কানের কাছে ধরে আলতো করে ঝাঁকান। তাজা ডিমে সাধারণত শব্দ হয় না বা ভেতরে নড়াচড়া অনুভূত হয় না। পুরোনো ডিমে ভেতরের পরিবর্তনের কারণে হালকা শব্দ হতে পারে বা তরল পদার্থ নড়তে পারে। ৩. আসল ডিম আর নকলের মধ্যে ওজনের তফাত হবে। আসল ডিম হবে তার আকারের থেকে একটু ভারী। কিন্তু প্লাস্টিক ডিম ওজনে হালকা। ৪. আসল আর নকল ডিমের মধ্যে সব থেকে সহজ তফাত বুঝিয়ে দেয় আরেকটি পরীক্ষা। একটি গ্লাসে পানি নিয়ে ডিম তাতে ফেলে দিন। আসল নকল হলে তা ডুবে যাবে। ৫. গন্ধ দ্বারা শনাক্ত করুন। একটি নষ্ট ডিমে অপ্রীতিকর বা তীব্র গন্ধ থাকতে পারে। কখনো কখনো, ডিম ভাঙার আগেও এর খারাপ হওয়ার লক্ষণ বোঝা যায়। যদি কোনও ডিমে অস্বাভাবিক গন্ধ থাকে, তবে সেটি না খাওয়াই ভালো। বিশেষজ্ঞ নির্দেশনা অনুযায়ী, ডিম ভালোভাবে রান্না করাও নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ইউএসডিএ-এর পরামর্শ হলো ডিম এমনভাবে রান্না করা, যাতে কুসুম ও সাদা অংশ ভালোভাবে জমে যায়। ডিমযুক্ত খাবারের ক্ষেত্রেও নিরাপদ অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা নিশ্চিত করা জরুরি। তাই বাজার থেকে ডিম কেনার সময় শুধু ‘আসল না নকল’ নিয়ে গুজবে কান না দিয়ে খোসা অক্ষত কি না, ডিম সঠিকভাবে সংরক্ষিত হয়েছে কি না এবং ব্যবহারের আগে এর গন্ধ ও চেহারা স্বাভাবিক কি না- এসব বিষয়ই আগে দেখুন। আরটিভি/টিআর
বাজার থেকে কেনা ডিম আসল কিনা, বুঝবেন যেভাবে
খাবারেই কমাতে পারেন কোলেস্টেরল
রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি থাকলে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে। তবে অনেকের ক্ষেত্রে খাবারের ধরন ও অভ্যাসে পরিবর্তন এনে কোলেস্টেরল কমানো সম্ভব।
খাবারেই কমাতে পারেন কোলেস্টেরল