ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

ঘাড়ে পারফিউম স্প্রে করলে কি ক্যানসার হয়? যা বলছে বিজ্ঞান

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৩৪ পিএম
ঘাড়ে পারফিউম ব্যবহারে ক্যানসারের সরাসরি সম্পর্কের প্রমাণ নেই, তবে ত্বকের অ্যালার্জি ও সংবেদনশীলতার বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি। ছবি: সংগৃহীত

বাইরে বের হওয়ার আগে পারফিউম ব্যবহার এখন অনেকের দৈনন্দিন সাজগোজের অংশ। কেউ কবজিতে, কেউ কানের পেছনে আবার কেউ সরাসরি ঘাড়ে সুগন্ধি স্প্রে করেন। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায়ই দাবি করা হয়, ঘাড়ের মতো নির্দিষ্ট জায়গায় নিয়মিত পারফিউম ব্যবহার করলে নাকি ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

এমন দাবিতে অনেকের মধ্যেই উদ্বেগ তৈরি হয়। মূলত পারফিউমে থাকা বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদান নিয়েই এই প্রশ্ন। তবে বর্তমান বৈজ্ঞানিক তথ্য অনুযায়ী, ঘাড়ে পারফিউম স্প্রে করলেই ক্যানসার হয়—এমন প্রমাণ নেই।

আমেরিকান ক্যানসার সোসাইটির তথ্য অনুযায়ী, প্রসাধনী ও সুগন্ধি পণ্যের দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যপ্রভাব নিয়ে গবেষণায় কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তবে স্বাভাবিক ব্যবহারে এসব পণ্য ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়—এমন শক্ত প্রমাণ খুবই সীমিত।

পারফিউম নিয়ে এত আলোচনা কেন?

পারফিউমে বিভিন্ন ধরনের সুগন্ধি উপাদান, দ্রাবক ও অন্যান্য রাসায়নিক থাকতে পারে। এসব উপাদানের কিছু মানুষের ত্বকে অ্যালার্জি বা সংবেদনশীলতা তৈরি করতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, সুগন্ধি উপাদান কিছু মানুষের অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া বা ত্বকের সংবেদনশীলতার কারণ হতে পারে। পারফিউম ব্যবহারের পর ত্বকে চুলকানি, লালচে ভাব, জ্বালাপোড়া বা ফুসকুড়ি দেখা দিলে ব্যবহার বন্ধ করা উচিত।

তবে ত্বকে অ্যালার্জি বা জ্বালাপোড়া হওয়া এবং ক্যানসারের ঝুঁকি এক বিষয় নয়। কোনো পণ্য ত্বকে জ্বালা সৃষ্টি করলেই সেটি ক্যানসার সৃষ্টি করে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক নয়।

ঘাড়ে পারফিউম দিলেই কি ক্যানসার হতে পারে?

বর্তমান বৈজ্ঞানিক তথ্য অনুযায়ী, ঘাড়ে পারফিউম স্প্রে করার সঙ্গে ক্যানসারের সরাসরি সম্পর্ক প্রমাণিত হয়নি।

প্রসাধনী ও সুগন্ধি পণ্যে ব্যবহৃত অনেক উপাদানের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে এখনও পর্যাপ্ত গবেষণা হয়নি। কিছু রাসায়নিক নিয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকির প্রশ্ন থাকলেও বাস্তব জীবনে মানুষ যে মাত্রায় এসব উপাদানের সংস্পর্শে আসে, তা পরীক্ষাগারে ব্যবহৃত বেশি মাত্রার সংস্পর্শের সঙ্গে এক নয়।

তাই ঘাড়ে পারফিউম ব্যবহারকে সরাসরি ক্যানসারের কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা বৈজ্ঞানিকভাবে ঠিক নয়।

ত্বকের অ্যালার্জির বিষয়টি মাথায় রাখুন

পারফিউম ব্যবহারে ক্যানসারের প্রমাণ না থাকলেও ত্বকের অ্যালার্জির বিষয়টি অবহেলা করা উচিত নয়। বিশেষ করে যাদের ত্বক সংবেদনশীল, তাদের ক্ষেত্রে পারফিউম ব্যবহারের পর লালচে দাগ, চুলকানি বা জ্বালাপোড়া দেখা দিতে পারে।

নতুন কোনো পারফিউম ব্যবহারের পর এমন সমস্যা হলে সেটি নিয়মিত ব্যবহার না করাই ভালো।

সব উপাদান কি বোঝা যায়?

পারফিউমে থাকা সব উপাদানের নাম সবসময় আলাদাভাবে লেখা নাও থাকতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, অনেক প্রসাধনীতে সুগন্ধি তৈরিতে ব্যবহৃত একাধিক উপাদান আলাদাভাবে উল্লেখ না করে সামগ্রিকভাবে ‘সুগন্ধি’ হিসেবে লেখা হতে পারে।

ফলে শুধু পণ্যের গায়ে লেখা তথ্য দেখে সুগন্ধি মিশ্রণের প্রতিটি উপাদান জানা সবসময় সম্ভব হয় না। যাদের নির্দিষ্ট কোনো সুগন্ধি উপাদানে অ্যালার্জি রয়েছে, তাদের জন্য বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

ফথালেট নিয়ে কী জানা যায়?

পারফিউম নিয়ে ক্যানসারের আলোচনা হলে ফথালেটের নামও প্রায়ই আসে। বিভিন্ন প্রসাধনী ও সুগন্ধি পণ্যে ফথালেট ব্যবহার করা হয়েছে। এর মধ্যে ডাইইথাইল ফথালেট অন্যতম।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের বর্তমান তথ্য অনুযায়ী, প্রসাধনী ও সুগন্ধিতে বর্তমানে যেভাবে ডাইইথাইল ফথালেট ব্যবহার করা হয়, তা নিয়ে তাদের নিরাপত্তা-সংক্রান্ত উদ্বেগ নেই।

তাই শুধু পারফিউমে ফথালেটের উপস্থিতির কথা শুনেই ক্যানসারের ঝুঁকি নিশ্চিত ধরে নেওয়া ঠিক নয়।

সূর্যের আলোতেও হতে পারে সমস্যা

পারফিউমের কিছু উপাদান ত্বকে সংবেদনশীলতা তৈরি করতে পারে। আবার কিছু অপরিহার্য তেল সূর্যের আলোতে ত্বকের সংবেদনশীলতা বাড়াতে পারে।

জাতীয় ক্যানসার ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, কিছু সাইট্রাসজাতীয় অপরিহার্য তেল ত্বকে লাগিয়ে সূর্যের আলোতে গেলে সূর্যালোকজনিত সংবেদনশীলতা দেখা দিতে পারে।

তাই কোনো পারফিউম বা সুগন্ধি পণ্যের গায়ে ব্যবহারের বিশেষ সতর্কতা লেখা থাকলে তা মেনে চলা উচিত।

পারফিউম ব্যবহারে কী কী সতর্কতা নেবেন?

পারফিউম পুরোপুরি বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকা ভালো।

১. নতুন পারফিউম ব্যবহারের আগে পণ্যের গায়ে থাকা উপাদানের তালিকা দেখে নিন।
২. ত্বক সংবেদনশীল হলে সুগন্ধিবিহীন পণ্য বেছে নিতে পারেন।
৩. পারফিউম ব্যবহারের পর চুলকানি, জ্বালাপোড়া বা ফুসকুড়ি হলে ব্যবহার বন্ধ করুন।
৪. চোখ, কাটা বা ক্ষতস্থান এবং জ্বালাপোড়া করা ত্বকে পারফিউম ব্যবহার করবেন না।
৫. কোনো নির্দিষ্ট উপাদানে আগে থেকেই অ্যালার্জি থাকলে সেটি এড়িয়ে চলুন।
৬. পারফিউম ব্যবহারের পর ত্বকের সমস্যা বারবার হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

তাহলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের দাবিটি কতটা সত্য?

ঘাড়ে পারফিউম স্প্রে করলেই ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে—এমন দাবির পক্ষে বর্তমানে শক্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। তবে এর অর্থ এই নয় যে পারফিউমের প্রতিটি উপাদান নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা সম্পূর্ণ হয়ে গেছে। প্রসাধনী উপাদানের দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যপ্রভাব নিয়ে আরও গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে।

তাই পারফিউম নিয়ে অযথা আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। আবার ত্বকে কোনো অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে সেটিকেও অবহেলা করা উচিত নয়। পণ্যের মান, উপাদানের তালিকা এবং নিজের ত্বকের সংবেদনশীলতা বিবেচনা করে পারফিউম ব্যবহার করাই সবচেয়ে নিরাপদ পদ্ধতি।

আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিয়ের পর গুগলে কী খোঁজেন নারীরা, সামনে এল ৭ বিষয়
বিয়ের পর জীবনে আসে নানা পরিবর্তন। নতুন সংসার, দাম্পত্য সম্পর্ক, শ্বশুরবাড়ির পরিবেশ এবং বাড়তি দায়িত্বের সঙ্গে মানিয়ে নিতে গিয়ে নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হন অনেক নারী।
বিয়ের পর গুগলে কী খোঁজেন নারীরা, সামনে এল ৭ বিষয়
আজ বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস
আর্থ্রাইটিস বা বাতজনিত রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ এবং যথাযথ চিকিৎসার গুরুত্ব তুলে ধরতে আজ ১২ অক্টোবর পালিত হচ্ছে বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস।
আজ বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস
দাঁত পড়ে গেলে আর চিন্তা নেই, ওষুধেই গজাবে নতুন দাঁত!
একবার স্থায়ী দাঁত পড়ে গেলে বা তুলে ফেলতে হলে সাধারণত আর প্রাকৃতিকভাবে সেই দাঁত ফিরে আসে না। এ অবস্থায় ডেন্টাল ইমপ্ল্যান্ট, ব্রিজ কিংবা কৃত্রিম দাঁতের ওপর নির্ভর করতে হয়।
দাঁত পড়ে গেলে আর চিন্তা নেই, ওষুধেই গজাবে নতুন দাঁত!
লিভারের রোগের লক্ষণ মিলতে পারে হাত-পায়ে, যে ৫ পরিবর্তনে সতর্ক হবেন
লিভারের রোগ সব সময় স্পষ্ট উপসর্গ নিয়ে দেখা দেয় না। প্রাথমিক পর্যায়ে অনেকের শরীরে তেমন কোনো লক্ষণই প্রকাশ পায় না। ফলে অজান্তেই বাড়তে পারে রোগের জটিলতা।
লিভারের রোগের লক্ষণ মিলতে পারে হাত-পায়ে, যে ৫ পরিবর্তনে সতর্ক হবেন
কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ছে নারীদের, সতর্ক হবেন যে ৫ লক্ষণে
নারীদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা ও অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবিটিস, মূত্রনালির সংক্রমণ এবং কিছু অটোইমিউন রোগ কিডনির ক্ষতির কারণ হতে পারে। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক ক্ষেত্রে স্পষ্ট উপসর্গ না থাকায় রোগ শনাক্ত হতে দেরি হয়। তাই কিডনির সম্ভাব্য পাঁচটি লক্ষণ সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবিটিস কিডনি রোগের অন্যতম প্রধান কারণ। অনেক নারী নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা না করানোয় শরীরে এসব সমস্যার উপস্থিতি বুঝতে পারেন না। ফলে রোগ শনাক্ত ও চিকিৎসা শুরু হতে দেরি হয়, যা কিডনির পাশাপাশি শরীরের অন্যান্য অঙ্গের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। এ ছাড়া নারীদের মধ্যে মূত্রনালির সংক্রমণ তুলনামূলক বেশি দেখা যায়। লুপাস নেফ্রাইটিসের মতো অটোইমিউন রোগও কিডনির ক্ষতি করতে পারে। গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ, বারবার মূত্রনালির সংক্রমণ এবং কিছু ক্ষেত্রে পানিশূন্যতা কিডনির স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। কিডনি রোগের যে ৫ লক্ষণে সতর্ক হবেন ১. সকালে চোখ-মুখ ফুলে যাওয়া ঘুম থেকে ওঠার পর চোখ ও মুখ অস্বাভাবিকভাবে ফুলে যাওয়া কিডনির সমস্যার একটি সম্ভাব্য লক্ষণ। কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে শরীরে অতিরিক্ত তরল জমতে পারে। এ ছাড়া প্রস্রাবের মাধ্যমে প্রোটিন বেরিয়ে গেলেও শরীরে ফোলাভাব দেখা দিতে পারে। নিয়মিত এমন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। ২. পা ও গোড়ালি ফুলে যাওয়া পা, গোড়ালি কিংবা পায়ের পাতা অস্বাভাবিকভাবে ফুলে গেলে বিষয়টি অবহেলা করা ঠিক নয়। কিডনির কার্যকারিতা ব্যাহত হলে শরীরে তরল জমে এমন সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা, শিরার সমস্যা কিংবা হৃদ্‌রোগের কারণেও পা ফুলতে পারে। ৩. পেশিতে ব্যথা বা খিঁচুনি কিডনি শরীরে পানি ও বিভিন্ন খনিজের ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে এ ভারসাম্য বিঘ্নিত হয়ে পেশিতে ব্যথা, দুর্বলতা বা খিঁচুনি দেখা দিতে পারে। দীর্ঘদিন এমন সমস্যা চলতে থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। ৪. শ্বাসকষ্ট বা বুকে চাপ অনুভব করা কিডনির গুরুতর সমস্যায় শরীরে অতিরিক্ত তরল জমে ফুসফুসে প্রভাব ফেলতে পারে। এর ফলে শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে। বুকে চাপ বা ব্যথার সঙ্গে শ্বাসকষ্ট হলে তা জরুরি অবস্থার লক্ষণ হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে। ৫. প্রস্রাবের ধরনে পরিবর্তন প্রস্রাবের পরিমাণ বা ধরনে অস্বাভাবিক পরিবর্তন কিডনির সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে। রাতে বারবার প্রস্রাব হওয়া, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া, অতিরিক্ত ফেনাযুক্ত প্রস্রাব কিংবা প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া এসব লক্ষণ অবহেলা করা উচিত নয়। বিশেষ করে প্রস্রাবে রক্ত দেখা গেলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। কিডনি সুস্থ রাখতে কী করবেন? কিডনি রোগের ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত রক্তচাপ ও রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করা, সুষম খাবার খাওয়া, শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকা এবং পর্যাপ্ত পানি পান করা গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি মূত্রনালির সংক্রমণ হলে যথাযথ চিকিৎসা নিতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘদিন ব্যথানাশক ওষুধ সেবন থেকেও বিরত থাকা উচিত। তবে এসব লক্ষণ দেখা দিলেই কিডনি রোগ হয়েছে, এমন নয়। অন্য বিভিন্ন কারণেও একই ধরনের উপসর্গ হতে পারে। কিডনির অবস্থা জানতে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রক্তে ক্রিয়েটিনিন ও ইজিএফআর পরীক্ষা, প্রস্রাবে অ্যালবুমিন বা প্রোটিন পরীক্ষা করা প্রয়োজন হতে পারে। মনে রাখতে হবে, দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক সময় কোনো লক্ষণই দেখা যায় না। তাই ঝুঁকিতে থাকা নারীদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো এবং অস্বাভাবিক উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। সূত্র: আনন্দবাজার আরটিভি/এসকে
কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ছে নারীদের, সতর্ক হবেন যে ৫ লক্ষণে
আরও পড়ুন
জেনে নিন দীর্ঘদিন সুগন্ধি ভালো রাখার সহজ উপায়
পারফিউম ছাড়াই দূর হবে ঘামের দুর্গন্ধ
সুরভির ছোঁয়া: ব্যক্তিত্ব ও আত্মবিশ্বাসে মেয়েদের পারফিউম