ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

পিসিওএস নিয়ন্ত্রণে রাতে যে ৩ অভ্যাস জরুরি

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৫ এএম
পিসিওএস নিয়ন্ত্রণে রাখতে রাতে নিয়মিত ঘুম ও স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি। ছবি: সংগৃহীত

পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম বা পিসিওএস (PCOS) এখন অনেক নারীরই পরিচিত সমস্যা। এটি নিয়ন্ত্রণে শুধু ওষুধের ওপর নির্ভর না করে জীবনযাপনেও পরিবর্তন আনা জরুরি। নিয়মিত শরীরচর্চা, স্বাস্থ্যকর খাবার ও পর্যাপ্ত ঘুমের পাশাপাশি রাতের কিছু অভ্যাসও পিসিওএস ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বিশেষ করে ঘুমের আগে মোবাইল বা অন্য পর্দার যন্ত্র ব্যবহার, রাতে দেরিতে ভারী খাবার খাওয়া এবং অনিয়মিত ঘুমের অভ্যাস শরীরের হরমোনের ভারসাম্য ও বিপাকীয় স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলতে পারে। তাই পিসিওএস নিয়ন্ত্রণে রাখতে রাতে এই তিন অভ্যাসে পরিবর্তন আনা জরুরি।

ঘুমের আগে পর্দার যন্ত্র নয়

ঘুমাতে যাওয়ার সময় মোবাইল, কম্পিউটার বা টেলিভিশন দেখা এড়িয়ে চলা ভালো। এসব যন্ত্রের আলো ঘুমের জন্য প্রয়োজনীয় মেলাটোনিন হরমোনের উৎপাদনে বাধা দিতে পারে। ফলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে।

পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীরে চাপের সঙ্গে সম্পর্কিত হরমোনের মাত্রাতেও পরিবর্তন আসতে পারে। পিসিওএস থাকলে পর্যাপ্ত ও নিয়মিত ঘুম তাই বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

রাতে দেরি করে ভারী খাবার নয়

অনেকেই রাত ১১টা বা ১২টার দিকে রাতের খাবার খান। আবার সেই খাবারও হয় ভারী বা অস্বাস্থ্যকর। পিসিওএস থাকলে এমন অভ্যাস এড়িয়ে চলা ভালো।

পিসিওএসের সঙ্গে ইনসুলিনের কার্যকারিতা কমে যাওয়ার সমস্যা থাকতে পারে। দেরিতে খাবার খাওয়া ও অস্বাস্থ্যকর খাবারের অভ্যাস শরীরের বিপাকক্রিয়া এবং রক্তে শর্করার মাত্রায় প্রভাব ফেলতে পারে।

তাই ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত দুই থেকে তিন ঘণ্টা আগে হালকা ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস করা যেতে পারে। খাবারে পর্যাপ্ত আমিষ রাখাও গুরুত্বপূর্ণ।

ঘুম ও খাবারের নির্দিষ্ট সময় রাখুন

কখনো তাড়াতাড়ি ঘুমানো, আবার কোনো দিন অনেক রাত পর্যন্ত জেগে থাকা—এমন অনিয়মিত জীবনযাপন শরীরের জৈবিক ঘড়ির স্বাভাবিক ছন্দে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।

একইভাবে প্রতিদিন ভিন্ন সময়ে ঘুম থেকে ওঠা বা সকালের খাবার বাদ দেওয়ার অভ্যাসও শরীরের বিপাকীয় স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলতে পারে। এর ফলে ইনসুলিনের ভারসাম্য ও ওজন নিয়ন্ত্রণে সমস্যা হতে পারে এবং মাসিকের নিয়মিততাও ব্যাহত হতে পারে।

তাই পিসিওএস নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানো, ঘুম থেকে ওঠা এবং খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি।

শুধু রাতের অভ্যাস নয়

পিসিওএস নিয়ন্ত্রণে জীবনযাপন গুরুত্বপূর্ণ। তাই রাতের এসব অভ্যাসের পাশাপাশি নিয়মিত শরীরচর্চা, স্বাস্থ্যকর খাবার এবং পর্যাপ্ত ঘুমের দিকে নজর দিতে হবে। প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নেওয়াও জরুরি।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কৃমির সমস্যা কমাতে শিশুকে খাওয়ান এই খাবারগুলো 
শিশুদের মধ্যে কৃমির সমস্যা বেশ পরিচিত। মাটি, খাবার বা পানির মাধ্যমে কৃমির ডিম শরীরে ঢুকতে পারে।
কৃমির সমস্যা কমাতে শিশুকে খাওয়ান এই খাবারগুলো 
নারীদের শরীরে অতিরিক্ত লোম কেন হয় 
নারীদের শরীরের কিছু অংশে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি লোম দেখা দিলে অনেকেই বিষয়টি নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েন।
নারীদের শরীরে অতিরিক্ত লোম কেন হয় 
লো প্রেশার থাকলে ব্যায়ামের আগে জানুন এই সতর্কতা 
ব্যায়াম শরীর সুস্থ রাখার অন্যতম উপায়। তবে যাদের রক্তচাপ বা ব্লাড প্রেশার স্বাভাবিকের তুলনায় কম বা লো, তাদের ক্ষেত্রে ব্যায়ামের সময় কিছুটা বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।
লো প্রেশার থাকলে ব্যায়ামের আগে জানুন এই সতর্কতা 
লিফট ছেড়ে সিঁড়িতে ওঠানামায় কমতে পারে যে ঝুঁকি
শরীরচর্চার জন্য আলাদা করে সময় বের করা অনেকের পক্ষেই কঠিন। তবে প্রতিদিনের ছোট ছোট অভ্যাসেই যদি শরীরচর্চা হয়ে যায়, তাহলে বিষয়টি সহজ হয়ে ওঠে।
লিফট ছেড়ে সিঁড়িতে ওঠানামায় কমতে পারে যে ঝুঁকি
গর্ভাবস্থায় ‘ভুলে যাওয়া সমস্যার’ রহস্য খুঁজে পেলেন বিজ্ঞানীরা 
গর্ভাবস্থায় অনেক নারী হঠাৎ কিছু বিষয় ভুলে যাওয়ার সমস্যায় পড়েন।
গর্ভাবস্থায় ‘ভুলে যাওয়া সমস্যার’ রহস্য খুঁজে পেলেন বিজ্ঞানীরা