
শীতের আমেজ শুরু হতে না হতেই বাঙালির রান্নাঘরে বিকেলের নাস্তার তালিকায় ভাজাপোড়ার কদর বেড়ে যায়। হালকা শীতের বিকেলে গরম চায়ের কাপের সঙ্গে যদি থাকে মচমচে ফুলকপির পাকোড়া, তবে আড্ডাটা জমে ওঠে বেশ।
বাইরের দিকে মচমচে আর ভেতরে নরম—এই দুইয়ের মিশেলে তৈরি ফুলকপির পাকোড়া শুধু স্বাদের দিক থেকেই সেরা নয়, এটি তৈরি করাও অত্যন্ত সহজ।
অতিথি আপ্যায়ন হোক কিংবা নিজের মন ভালো করতে, অল্প উপকরণে দ্রুত তৈরি করা যায় এই জনপ্রিয় বাঙালি স্ন্যাকস।
শুরুতেই একটি মাঝারি সাইজের ফুলকপি ছোট ছোট টুকরো বা ফ্লোরেট করে কেটে ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। এরপর সামান্য লবণ দেওয়া গরম পানিতে ৩ থেকে ৪ মিনিট ভাপিয়ে নিলে ফুলকপি নরম হয় এবং ভাজার সময় দ্রুত সেদ্ধ হয়। ভাপানো শেষে পানি ঝরিয়ে ঠান্ডা করতে হবে। পাকোড়ার আসল স্বাদ নির্ভর করে এর ব্যাটারের ওপর।
একটি বড় বাটিতে এক কাপ বেসন, আধা কাপ চালের গুঁড়ো (মচমচে করার জন্য), আদা-রসুন বাটা, কাঁচালঙ্কা কুচি, হলুদ, জিরা, ধনে ও গরম মশলা গুঁড়োর সঙ্গে স্বাদমতো লবণ মিশিয়ে নিতে হবে। অল্প অল্প করে পানি মিশিয়ে একটি ঘন ও মসৃণ মিশ্রণ তৈরি করে শেষে সামান্য ধনেপাতা কুচি যোগ করলে স্বাদ আরও বেড়ে যায়।
প্রস্তুত করা ভাপানো ফুলকপিগুলো এই ব্যাটারের মধ্যে দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে যাতে প্রতিটি টুকরোয় সমানভাবে প্রলেপ পড়ে। এরপর কড়াইয়ে তেল গরম করে মাঝারি আঁচে উল্টেপাল্টে সোনালী ও মচমচে হওয়া পর্যন্ত ভাজতে হবে। ভাজা হয়ে গেলে কিচেন টিস্যুর ওপর রেখে বাড়তি তেল শুষে নিতে হবে।
গরম গরম এই পাকোড়া টমেটো সস বা পুদিনার চাটনির সঙ্গে পরিবেশন করা যায়। পরিবেশনের সময় ওপর দিয়ে সামান্য চাট মশলা ছিটিয়ে দিলে এর স্বাদ কয়েক গুণ বেড়ে যায়।
ঘরোয়া উপায়ে তৈরি এই স্বাস্থ্যকর ও মুখরোচক নাস্তা আপনার বিকেলের আয়োজনে আনবে তৃপ্তি আর পরিবারের সদস্যদের প্রশংসার ঝড়।
আরটিভি/এএইচ




