ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

ভোটগ্রহণ চলাকালে ৪ ধাপে ভোটের শতকরা হার পাঠাতে ইসির নির্দেশ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:৫৯ পিএম
আরটিভি গ্রাফিকস

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটগ্রহণ চলাকালীন চার ধাপে প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা (শতকরা হার) পাঠাতে সব রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত চিঠি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

চিঠিতে বলা হয়ে, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটগ্রহণের দিন ভোটগ্রহণ চলাকালীন ভোটকেন্দ্র হতে নির্দিষ্ট সময় অন্তর সারাদিনে মোট চারবার সকাল ১০টা, দুপুর ১২টা, দুপুর ২টা এবং সর্বশেষ ভোটগ্রহণ শেষে প্রিজাইডিং অফিসারের নিকট হতে প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা (শতকরা হার) প্রতিটি আসন হতে সংগ্রহ করার জন্য নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত প্রদান করেছে। প্রতিটি কেন্দ্র অনুযায়ী প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় হতে তার তত্ত্বাবধানে ডাটা এন্ট্রি অপারেটর তার আরএমএস ইউজারের মাধ্যমে লগইন করে কেন্দ্র অনুযায়ী প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা এন্ট্রি করতে হবে। রিটার্নিং অফিসার এবং সহকারী রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক ড্যাশবোর্ডের মাধ্যমে এই তথ্য মনিটর করতে পারবে। এখানে উল্লেখ্য যে, নির্বাচন কমিশন এবং প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় হতেও এই পরিসংখ্যান পর্যবেক্ষণ করা হবে। তাই প্রদত্ত ভোটের তথ্য সঠিক সময়ে এবং শুদ্ধভাবে এন্ট্রি করা আবশ্যক।

আরও পড়ুন

এতে আরও বলা হয়, প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা সকাল ১০টা, দুপুর ১২টা, দুপুর ২টা এবং সর্বশেষ ভোটগ্রহণ শেষে প্রিজাইডিং অফিসার থেকে সংগ্রহ করে এন্ট্রি করতে হবে। প্রতিবার তথ্য নেওয়ার সময় খেয়াল রাখতে হবে এই সংখ্যা যাতে ভোটগ্রহণ শুরু থেকে রিপোর্টিং সময় পর্যন্ত ব্যালটের মুড়ি গণনা করে নেওয়া হয়। বর্ণিতাবস্থায়, উল্লিখিত সিদ্ধান্ত অনুসারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের তারিখ: প্রধানমন্ত্রী
১৯৭৫ সালের ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের তারিখ ছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ৭ নভেম্বরের বৈপ্লবিক চেতনাই হোক বাংলাদেশের আগামী নির্মাণের প্রেরণা ও পাথেয়। ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।  দিবসটি উপলক্ষে একগুচ্ছ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির পক্ষ থেকেও কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের এই দিনে দেশের সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সব চক্রান্ত রুখে দিয়েছিল। দেশের ইতিহাসে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের শত্রু-মিত্র চিহ্নিত করার দিন।’ সর্বদা ইতিহাস চর্চায় মশগুল থাকা সমীচীন নয়, একইভাবে ভবিষ্যতের পথ রচনায় ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহণ না করাও একটি ঐতিহাসিক ভুল বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমি মনে করি, ১৯৭৫ সালের ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের তারিখ। যারা বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করে রাখতে চেয়েছিল, যারা জনগণের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার হরণ করে দেশে একদলীয় স্বৈরাচারী শাসন কায়েম করতে চেয়েছিল, যারা দেশের শৌর্য, বীর্য, সাহস এবং সম্মানের প্রতীক সেনাবাহিনীর গৌরবকে ভূলুণ্ঠিত করতে চেয়েছিল, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের এই দিনে দেশপ্রেমিক সিপাহি জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের মাধ্যমে তাদের পরাজয় ঘটেছে। ইতিহাস সাক্ষী, দীর্ঘ ষড়যন্ত্রের পথ ধরে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের পরাজিত সেই অপশক্তি মহাজোটের নামে একজোট হয়ে দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল। বিডিআর পিলখানায় পরিকল্পিত সেনা হত্যাযজ্ঞ ঘটিয়ে সেনাবাহিনীর গৌরব এবং মর্যাদাকে ভূলুণ্ঠিত করেছিল, জনগণের ভোটের অধিকার, গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নিয়ে দেশে ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম করেছিল।  হাজারো শহীদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে, বীর ছাত্র জনতার রক্তক্ষয়ী গণ অভ্যুত্থানে দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় পর অবশেষে দেশ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছে, বাণীতে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭১ সালের যুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের। ২০২৪ ছিল দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার। দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য ২০২৪ সালে যেভাবে সর্বস্তরের মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিল একইভাবে ১৯৭৫ সালেও সিপাহি জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে নেমে এসে দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ববিরোধী সব ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছিল।’ তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতে আর কেউ যাতে দেশ এবং জনগণের অধিকার হরণ করতে না পারে, দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে না পারে, এটিই হোক আমাদের এবারের ৭ নভেম্বরের প্রধান অঙ্গীকার। এ অঙ্গীকার বাস্তবায়নে প্রয়োজন জাতীয় ঐক্য।’ বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক-ভৌগোলিক রাজনৈতিক বাস্তবতায় জাতীয় ঐক্য সমুন্নত রাখতে হলে ৭ নভেম্বরের মতো সিপাহি জনতার বিপ্লবের চেতনা মনে প্রাণে ধারণ করতে হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।  তার ভাষ্য, ৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ, ৭৫ সালের ৭ নভেম্বর তাঁবেদার অপশক্তির বিরুদ্ধে সিপাহি জনতার বিপ্লব, ৯০ স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন কিংবা ২৪-এর ফ্যাসিবাদবিরোধী গণ-অভ্যুত্থান, এভাবে ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ে প্রতিটি বিপ্লব কিংবা অভ্যুত্থানের একটাই আকাঙ্ক্ষা, স্বাধীন বাংলাদেশে জনগণের সবাইকে গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি স্বনির্ভর ও নিরাপদ কল্যাণমূলক রাষ্ট্র বিনির্মাণ। তিনি জানান, ঐতিহাসিক এই দিনে দেশপ্রেমিক গণতন্ত্রকামী জনগণের দীপ্ত উচ্চারণ হোক, দিল্লি নয়, পিণ্ডি নয়, নয় অন্য কোনো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ। জাতীয়ভাবে ৭ নভেম্বর উদ্যাপন উপলক্ষে সব কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি আরও বলেন, ৭ নভেম্বরের বৈপ্লবিক চেতনাই হোক বাংলাদেশের আগামী নির্মাণের প্রেরণা ও পাথেয়।  আরটিভি/এসআর  
১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের তারিখ: প্রধানমন্ত্রী
নতুন দায়িত্ব পেলেন অর্থমন্ত্রী 
সরকারি কর্মচারীদের বেতন কাঠামো ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পুনর্মূল্যায়নের জন্য নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তাকে আহ্বায়ক করে একটি ছয় সদস্য বিশিষ্ট  উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। 
নতুন দায়িত্ব পেলেন অর্থমন্ত্রী 
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর নাম নিয়ে বিভ্রান্তি, এক্সের অনুবাদে বিব্রত জাপানি মন্ত্রী
তিনি বলেন, এর আগে কুয়েতের এক মন্ত্রীর সঙ্গে অনলাইনে বৈঠকের বিষয়ে দেয়া পোস্টেও একই ধরনের ভুল হয়েছিল। এটি আসলে একটি গুরুতর বিষয়। বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে এই ধারণা তৈরি হতে পারে যে, জাপানের অর্থনীতি, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী কে—সেটিও জানেন না।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর নাম নিয়ে বিভ্রান্তি, এক্সের অনুবাদে বিব্রত জাপানি মন্ত্রী
বাংলাদেশিদের জন্য সহজ হয়ে গেল ভারতীয় ভিসার আবেদন 
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) এক বার্তায় এ তথ্য দিয়েছে ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন।
বাংলাদেশিদের জন্য সহজ হয়ে গেল ভারতীয় ভিসার আবেদন 
সংবিধানে বিসমিল্লাহ ও আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ফিরিয়ে আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, এ দেশে অনেকেই ইসলামের নামে রাজনীতি করে। অথচ তাদের মধ্যে ইসলামের প্রকৃত কোনো আদর্শ ও অনুশাসন নেই। এমনকি, তাদের দলীয় লোগোতেও ইসলাম ধারণ করে না।
সংবিধানে বিসমিল্লাহ ও আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা পুনরায় ফিরিয়ে আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
আরও পড়ুন
আইসিএপিপির ভাইস চেয়ারপারসন নির্বাচিত ইসমাইল জবিউল্লাহ
ওয়ানডে বিশ্বকাপের টিকিট পেল ওমান
এনআইডি সংশোধনে জালিয়াতি, কঠোর অবস্থানে ইসি 
আইসিএপিপির ১৩তম অধিবেশনে অংশ নেবে বিএনপি