ঢাকা শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে যেসব নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:৫৭ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নবগঠিত সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সচিবালয়ের এক নম্বর ভবনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী আগামী ১৮০ দিনের জন্য একটি বিশেষ ‘রোডম্যাপ’ বা কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেন এবং প্রতিটি মন্ত্রণালয়কে সেই অনুযায়ী অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করার নির্দেশ দেন। জনগণের ব্যাপক সমর্থনের প্রতিফলন ঘটাতে দ্রুত দৃশ্যমান অগ্রগতি আনাই এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য।

মন্ত্রিসভার এই বৈঠকে আসন্ন পবিত্র রমজান মাসকে কেন্দ্র করে বেশ কিছু জনগুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্দেশ দিয়েছেন, রমজান মাসে সেহরি, ইফতার ও তারাবির নামাজের সময় যেন কোনোভাবেই বিদ্যুৎ বিভ্রাট না ঘটে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের পাশাপাশি নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং বাজার সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়ে সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তিদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে তিনি সংশ্লিষ্টদের কড়া বার্তা দিয়েছেন। একই সাথে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরে মানুষের নির্বিঘ্নে বাড়ি ফেরা নিশ্চিত করতে আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বৈঠক শেষে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক নুর সাংবাদিকদের জানান, প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার সদস্যদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণের নির্দেশ দিয়েছেন। প্রশাসনের কোনো স্তরেই স্বজনপ্রীতি বা ক্ষমতার অপব্যবহার বরদাশত করা হবে না বলেও জানিয়েছেন। নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও স্বাস্থ্য কার্ড প্রবর্তনের কাজ দ্রুত শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ইমাম-মুয়াজ্জিনদের কল্যাণে বিশেষ উদ্যোগ এবং মধ্যপ্রাচ্যে নতুন শ্রমবাজার সম্প্রসারণের বিষয়েও বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

আরও পড়ুন

অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ সাকি বলেন, সরকার শিগগিরই ১৮০ দিনের একটি পূর্ণাঙ্গ রোডম্যাপ জাতির সামনে উপস্থাপন করবে। এই সময়ের মধ্যে প্রতিটি মন্ত্রণালয় তাদের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি গণমাধ্যম সংস্কারের লক্ষ্যে প্রস্তাবিত গণমাধ্যম কমিশন নিয়েও কাজ শুরু করার কথা জানান তিনি। বৈঠকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদুর রহমানও নিজ নিজ দপ্তরের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে দিকনির্দেশনা গ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে পৌঁছালে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। বিকেল ৩টায় শুরু হওয়া এই মন্ত্রিসভার বৈঠকটি দীর্ঘ সময় ধরে চলে এবং জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। মন্ত্রিসভার এই বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবদের সঙ্গেও একটি বিশেষ বৈঠকে মিলিত হয়ে প্রশাসনের গতিশীলতা বাড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করেন।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পারমাণবিক শক্তির নতুন যাত্রায় বাংলাদেশ, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র শান্তিপূর্ণভাবে পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার এবং বেসামরিক পারমাণবিক প্রযুক্তিতে সহযোগিতা বাড়াতে একটি কৌশলগত সমঝোতা স্মারক (MoU) সই করেছে। 
পারমাণবিক শক্তির নতুন যাত্রায় বাংলাদেশ, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি
বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত: প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেই সঙ্গে সরকার বাংলাদেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলে জানিয়েছেন তিনি। রাজনীতিতে আসার আগে ব্যবসায় কর্মজীবন শুরু করার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, সেখান থেকে তিনি একটি সহজ শিক্ষা পেয়েছেন- বিনিয়োগের জন্য আস্থা, পূর্বানুমেয়তা এবং প্রবৃদ্ধির উপযোগী সঠিক পরিবেশ প্রয়োজন। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে অংশ নিতে নিউইয়র্ক সফররত প্রধানমন্ত্রী শুক্রবার স্থানীয় সময় সকালে ম্যানহাটনে জেপি মর্গানের সদর দপ্তর ২৭০ পার্ক অ্যাভিনিউয়ে ওয়াল স্ট্রিটের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতা ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে এক প্রাতরাশ বৈঠকে একথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বৈঠকের আয়োজক জেপি মর্গান এবং অংশগ্রহণকারী ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ওয়াল স্ট্রিটের মানুষ নন; একজন বাংলাদেশি এবং রাজনৈতিক নেতা হিসেবে দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার দায়িত্ব নিয়ে এখানে এসেছি। তিনি বলেন 'ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীরা তাদের ব্যবসা এবং বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করেন, আর তিনি কাজ করেন বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষায়। দায়িত্ব ভিন্ন হলেও উভয়ের মূলনীতি একই-সাফল্য নিশ্চিত করা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে বাংলাদেশের অগ্রাধিকারগুলো তুলে ধরেছেন। আজ তিনি দেশের অর্থনীতি এবং বৈশ্বিক ব্যবসার জন্য বাংলাদেশে বিদ্যমান সুযোগগুলো সরাসরি তুলে ধরতে চান। তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশে ১৮ কোটিরও বেশি মানুষের বসবাস। দেশটির রয়েছে তরুণ ও কর্মঠ জনগোষ্ঠী, ক্রমবর্ধমান বাজার এবং কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থান। তিনি বলেন, বিশ্ব বাংলাদেশকে বড় উৎপাদন ও তৈরি পোশাকের কেন্দ্র হিসেবে চেনে। এটি বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ শক্তি এবং তা অব্যাহত থাকবে। তবে আজকের বাংলাদেশ এর চেয়েও অনেক বেশি সম্ভাবনা ধারণ করে। জ্বালানি, অবকাঠামো, লজিস্টিকস, প্রযুক্তি, ডিজিটাল সেবা, জলবায়ু অর্থায়ন, উৎপাদন, কৃষি ও স্বাস্থ্যসেবায় উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তোলা এবং বাংলাদেশকে বিশ্বব্যাপী সংযুক্ত উৎপাদন, বিনিয়োগ ও সেবা খাতের একটি কেন্দ্রে পরিণত করা সরকারের লক্ষ্য। তিনি বলেন,  এ লক্ষ্য অর্জনে বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশকে আরও সহজ, স্থিতিশীল ও নির্ভরযোগ্য করে তুলতে সরকার কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা সহজ করা, বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা জোরদার করা, বিধিবিধান সহজ করা, কর ও ভ্যাট প্রশাসনের উন্নয়ন, মুনাফা সহজে দেশে ফেরত নেওয়ার ব্যবস্থা এবং অবকাঠামোর উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায় তার সরকার। একই সঙ্গে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে নতুন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে নতুন অংশীদারত্বের উদ্যোগ এবং চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদারের কথা তুলে ধরেন তিনি। বিশ্বের প্রধান অর্থনীতিগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের আরও ঘনিষ্ঠ সংযোগ স্থাপনে এসব পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি উল্লেখ করেন। বাংলাদেশের প্রথম সার্বভৌম বন্ড ইস্যুতে জেপি মর্গ্যানের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের জন্য একটি নতুন রেফারেন্স পয়েন্ট পেয়েছেন এবং দেশের পুঁজিবাজারকে বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থার সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীরা শেষ পর্যন্ত কোনো বক্তব্যের পর কী ঘটে, তার ভিত্তিতেই একটি দেশকে মূল্যায়ন করেন। বিধিবিধান কতটা পূর্বানুমেয়, বিনিয়োগ কতটা সুরক্ষিত, মূলধন কতটা দক্ষতার সঙ্গে স্থানান্তর করা যায় এবং মুনাফা কতটা সহজে দেশে ফেরত নেওয়া যায়-এসব তাঁদের যৌক্তিক প্রশ্ন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, নীতির মাধ্যমে এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে তার কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে আস্থা তৈরি করাই সরকারের দায়িত্ব। সরকার স্বল্পমেয়াদি লেনদেন নয়, উভয় পক্ষের জন্য মূল্য সৃষ্টি করবে এমন দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্ব চায়। ওয়াল স্ট্রিটের প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে এমন একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্মে পরিণত করতে চায় সরকার, যেখান থেকে বিনিয়োগকারীরা বৃহত্তর আঞ্চলিক বাজারে তাঁদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজারবিষয়ক বিশেষ সহকারী তানভীর গনি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবেন এবং তাঁদের স্বার্থ ও সুনির্দিষ্ট বিষয়গুলো সরকারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করবেন। তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য অত্যন্ত সরল- আরও বিনিয়োগ, আরও বাণিজ্য, আরও কর্মসংস্থান, আরও প্রযুক্তি এবং বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আরও শক্তিশালী অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব। বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বিনিয়োগ এবং দীর্ঘমেয়াদি ভিত্তিতে ব্যবসা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনাদের সঙ্গে কাজ করতে, আপনাদের কথা শুনতে এবং যেখানে সম্ভব বাধা দূর করতে আমরা প্রস্তুত। আশা করি, আপনাদের অনেককেই শিগগিরই বাংলাদেশে দেখতে পাব। বৈঠকে ওয়াল স্ট্রিটের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতা, বিনিয়োগকারী ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। আরটিভি/এসআর
বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত: প্রধানমন্ত্রী
৩১ জানুয়ারির মধ্যে সব হাট-বাজারে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের নির্দেশ
দেশের সব উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের হাট ও বাজারে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
৩১ জানুয়ারির মধ্যে সব হাট-বাজারে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের নির্দেশ
আসছে পুলিশের নতুন ইউনিট
আগামী সপ্তাহে পুলিশের একটা আলাদা সাইবার সিকিউরিটি ‘এসআরইউ’ নামে ইউনিট গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
আসছে পুলিশের নতুন ইউনিট
জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক আকাঙ্ক্ষার দূরদর্শী প্রতিফলন
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম ভাষণ বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক আকাঙ্ক্ষার এক তাৎপর্যপূর্ণ, সময়োপযোগী ও ভারসাম্যের প্রতিফলন। 
জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক আকাঙ্ক্ষার দূরদর্শী প্রতিফলন
আরও পড়ুন
বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত: প্রধানমন্ত্রী
জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক আকাঙ্ক্ষার দূরদর্শী প্রতিফলন
জাতিসংঘে ভাষণের মাধ্যমে শান্তির দিশারী রূপে আবির্ভূত হয়েছেন তারেক রহমান
প্রধানমন্ত্রীর ফেনী সফর ঘিরে ব্যস্ত প্রশাসন ও নেতাকর্মীরা