ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

রাষ্ট্রপতিকে না জানিয়েই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করে অন্তর্বর্তী সরকার!

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০২:৫৯ পিএম
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। ফাইল ছবি

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে না জানিয়েই বিদায়ের প্রাক্কালে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করেছিল ড. মোহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার।

খোদ রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সম্প্রতি বঙ্গভবনে নিজ কার্যালয়ে একটি বেসরকারি সংবাদমাধ্যমকে একান্ত সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় এ কথা জানান।

সাক্ষাৎকারে নির্বাচনের আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সর্বশেষ যে চুক্তিটি হয়েছে, সে বিষয়ে তাকে অবগত করা হয়েছিল কিনা, এমন প্রশ্ন করা হলে রাষ্ট্রপতি বলেন, কোনো কিছুই আমি জানি না। এরকম রাষ্ট্রীয় একটা চুক্তি অবশ্যই আমাকে জানানো দরকার ছিল। এটা ছোটখাটো হোক আর বড় কিছু হোক, অবশ্যই পূর্ববর্তী সরকারপ্রধানরা রাষ্ট্রপতিকে জানিয়েছেন। আর এটি হলো সাংবিধানিক একটা বাধ্যবাধকতা। কিন্তু তিনি তো তা করেননি। মৌখিকভাবেও জানাননি, লিখিতভাবেও জানাননি। আসেনওনি। আর এমনিতেই তো উনার আসার কথা!

ড. মোহাম্মদ ইউনূস সংবিধান মেনে চলেননি উল্লেখ করে মো. সাহাবুদ্দিন সাক্ষাৎকারে বলেন, প্রধান উপদেষ্টা সংবিধানের কোনো বিধান মেনে চলেননি। সংবিধানে বলা আছে, উনি যখনই বিদেশ সফরে যাবেন, সেখান থেকে ফিরে এসে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করবেন এবং আমাকে ওই আউটপুটটা জানাবেন। কী আলোচনা হলো, কী হলো, কোনো চুক্তি হলো কি না, কী ধরনের কথাবার্তা হলো, এটা আমাকে লিখিতভাবে অবহিত করার কথা। তো, উনি তো বোধহয় ১৪ থেকে ১৫ বার বিদেশ সফরে গেছেন। একবারও আমাকে জানান নাই। একবারও আমার কাছে আসেননি।

তিনি বলেন, ড. ইউনূস যে প্রধান উপদেষ্টা হলেন, সেই প্রক্রিয়ার উৎসই ছিলাম আমি। অর্থাৎ, আমার উদ্যোগেই এই সরকার গঠনের প্রক্রিয়াটি শুরু হয়। কিন্তু প্রধান উপদেষ্টা পরবর্তী সময়ে আমার সঙ্গে সেভাবে সমন্বয় করেননি। এটি আসলে বোঝানোর কোনো উপায়ও নেই। কেননা তিনি একটিবারের জন্যও আমার কাছে আসেননি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, আমাকে সম্পূর্ণভাবে আড়ালে রাখার চেষ্টা করে গেছেন ড. ইউনূস। আমার দুইবার বিদেশ সফর উনি আটকে দিয়েছেন। একটা ছিল কসোভো। গত ডিসেম্বরের ঘটনা। সেখান থেকে রাষ্ট্রপতিকে দাওয়াত দেওয়া হয়েছিল কি-নোট পেপার ওখানে একটা অ্যাসেম্বলিতে পড়ার জন্য। কিন্তু আমাকে যেতে দেওয়া হয়নি। তারপর কাতারের আমির আমাকে দাওয়াত করল ওখানে একটা সামিটে অংশগ্রহণের জন্য। রাষ্ট্রপতি অ্যাড্রেস করবেন। সেই সেমিনারে রাষ্ট্রপতি ছাড়া আর কেউ থাকবে না। তখন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আমাকে একটি চিঠি দেওয়া হলো। চিঠিটি বানিয়ে দেওয়া হলো, তারাই ড্রাফট করল। ড্রাফট করে আমার কাছে পাঠায়। আর ওই দাওয়াতপত্রটাও পাঠায়। চিঠিটার মধ্যে ছিল যে, আমি রাষ্ট্রীয় কাজে ভীষণ ব্যস্ত। সুতরাং এই সেমিনারে অংশগ্রহণ করা আমার পক্ষে সম্ভব না। আমি দুঃখিত। ওই চিঠিতে আমি যেন সই করে দিই।

এই চিঠিটা লেখার সময় তার সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমার সঙ্গে কোনো পরামর্শ করা হয়নি, আমাকে জানানোও হয়নি। চিঠিটা দেওয়ার পর আমরা জানলাম যে, এ রকম একটা দাওয়াত এসেছিল। যাই হোক, পরে আমি ওই চিঠিতে একটি প্রশ্নবোধক চিহ্ন দিয়ে পাল্টা একটি চিঠি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠাই। তাতে আমি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এমন শিষ্টাচারবহির্ভূত ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের তীব্র নিন্দা জানাই। ভবিষ্যতে যাতে এই ধরনের অপরাধ না করা হয়, সে বিষয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টাকে চিঠি দিই। ওই চিঠির জবাবে তারা নিরুত্তর ছিল। তবে, এরপর আর কোনো দেশ থেকে আমন্ত্রণ এসেছিল কি না, সে বিষয়ে জানার সুযোগও হয়নি আমার।

রাষ্ট্রপতি বলেন, মূলত অন্তর্বর্তী সরকার সরকার চায়নি, কোথাও আমার নাম আসুক। আমাকে একদম অন্ধকারে ফেলে রাখার চেষ্টা করেছে। তারা চায়নি জনগণ আমাকে চিনুক, জানুক। এটি আমাকে খুবই কষ্ট দিয়েছে। শুধু বিদেশে নয়, দেশের কোনো অনুষ্ঠানেও আমাকে যেতে দেয়নি। বিশেষ করে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সমাবর্তন অনুষ্ঠানে রীতি অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির যাওয়ার কথা। সেটিও তারা আটকে দেয়।

আরও পড়ুন

মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, তারপর দেখেন, আরেকটি ঘটনা আমাকে অপমান করার জন্য। একদিন হঠাৎ করে কোনো একজন উপদেষ্টা বিদেশ ভ্রমণে গেছেন। সেখানে বাংলাদেশ হাইকমিশনে আমার ছবিটা লাগানো আছে। সারা বিশ্বে বাংলাদেশের কনস্যুলেট থেকে শুরু করে হাইকমিশন—সব জায়গায় রাষ্ট্রপতির ছবি থাকে। কারণ স্টেটকে রিপ্রেজেন্ট করে রাষ্ট্রপতি। এটা বছরের পর বছর ধরে চলে আসছে। কোনো একজন উপদেষ্টা তিনি বিদেশে গিয়ে আমার ছবিটা দেখেছেন। দেখে ওখানেই কনস্যুলেটের প্রধানকে গালিগালাজ করেছেন, এই ছবি এভাবে থাকবে কেন? তারপর এক রাতের মধ্যে সারা পৃথিবীর সব হাইকমিশন থেকে আমার ছবি নামিয়ে দেওয়া হলো। দীর্ঘদিনের একটা রেওয়াজ রাতারাতি শেষ করে দেওয়া হলো। ওই ঘটনাটি গণমাধ্যমে এলে আমি জানতে পারি। তখন আমার মনে হয়েছে যে এটি বোধহয় আমাকে অপসারণের প্রথম ধাপ। সুতরাং পরবর্তী ধাপে হয়তো আমাকে সরিয়ে দেবে। এ জন্য আমাকে প্রস্তুত থাকতে হবে। এ ছাড়া জনগণের মধ্যেও তো একটা বিরূপ বার্তা যায় যে উনাকে রাখা হচ্ছে না। এ ধরনের কাজও হয়েছে। তা-ও তো সহ্য করে, দৃঢ়তার সঙ্গে আমি থেকেছি, শুধু সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য।

অপমানজনক আরেকটি ঘটনার কথা স্মরণ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, একবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নির্বাচনে জেতার পর পুরো কমিটির সদস্যরা আমার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলেন। আমি সাংবাদিকবান্ধব মানুষ হিসেবে তাদের সঙ্গে দেখা করি। খুবই সাধারণ একটা সাক্ষাৎ ছিল। আমাদের মধ্যে সামান্য কথাবার্তা হয়েছিল, তারপর ফটোসেশন হয়। ওই ঘটনা পরদিন কয়েকটি পত্রিকায় প্রকাশ হলে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং তা স্বাভাবিকভাবে নেয়নি। জোর করে উনারা খুঁজতে থাকল যে বঙ্গভবনের প্রেস উইংয়ের কে এই কাজটা করেছে। আসলে প্রেস উইংয়ের কেউ তো এই কাজ করেনি। আমি নিজেই সাংবাদিকদের চিঠি পেয়ে তাদের আসতে বলেছিলাম। কিন্তু তারা অত্যন্ত নির্লজ্জভাবে তিনটা মানুষকে এখান থেকে অপসারণ করে নিয়ে গেল। প্রেস সেক্রেটারি, ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রেস সেক্রেটারি—তিনজনকেই নিয়ে গেল। পুরো উইংটাই প্রত্যাহার করে নিয়ে গেল।

ওই ঘটনার পর থেকে এখন নিজের কোনো প্রেস উইং নেই উল্লেখ করে মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, এমনকি দুজন ফটোগ্রাফার ছিল, যারা ৩০ বছর এখানে কাজ করছিল ফটোগ্রাফার হিসেবে, তাদেরও প্রত্যাহার করে নিয়ে গেল। প্রেস উইং একদম শূন্য করে দিল। আমরা এখান থেকে কোনো প্রেস রিলিজ দিতে পারি না। বাংলাদেশের ক্রিকেট টিম কোথাও জিতলে অভিনন্দন জানিয়ে যে একটা প্রেস রিলিজ দেব, সেটাও পারি না। একদম প্রতিবন্ধী করে দিল। আমি রাষ্ট্রপতি হয়ে নিজে ক্যাবিনেট সেক্রেটারিকে বারবার ফোন করেছি, প্রিন্সিপাল সেক্রেটারিকে ফোন করেছি, এস্টাবলিশমেন্ট সেক্রেটারিকে ফোন করেছি। কেউই পাত্তা দেয়নি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, এসব করা হয়েছে বাংলাদেশের জনগণের কাছে আমার এক্সপোজারটা বন্ধ করার জন্য। এই যে দেশের বিভিন্ন জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবসগুলোতে রাষ্ট্রীয় ক্রোড়পত্র প্রকাশিত হয়, সেখানে রাষ্ট্রপতির ছবি ও বাণী দেওয়া বন্ধ করে দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। ক্রোড়পত্র ঠিকই প্রকাশিত হয়েছে। তাতে আমার বাণী দেয় নি।

অন্তর্বর্তী সরকারের মদদে কয়েক দফায় তাকে উচ্ছেদ করার চেষ্টা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, টিয়ারশেল ও ইট-পাটকেলে রণক্ষেত্র নারায়ণগঞ্জ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় বেতন বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলনরত পোশাক শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের আবারও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে।  এবং শ্রমিকরা পাল্টা ইট-পাটকেল ছুড়ে পাল্টা জবাব দেয়। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল ১০টা থেকে ফতুল্লার শিবু মার্কেট ও আশপাশের এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এর আগে বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা একজোট হয়ে শিবু মার্কেট এলাকায় বিক্ষোভ শুরু করেন।     বিস্তারিত আসছে....
শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, টিয়ারশেল ও ইট-পাটকেলে রণক্ষেত্র নারায়ণগঞ্জ
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে চীনা মন্ত্রীর শ্রদ্ধা 
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বাংলাদেশে সফররত চীনা কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিং।
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে চীনা মন্ত্রীর শ্রদ্ধা 
সাভার-আশুলিয়ায় কারখানা ভাঙচুরের ঘটনায় তিন মামলায় আসামি ২৩০০, গ্রেপ্তার ১১
সাভার ও আশুলিয়ার শিল্পাঞ্চলে শ্রমিক অসন্তোষের জেরে বিভিন্ন কারখানায় ভাঙচুর ও কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় তিনটি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় অজ্ঞাতনামা ২ হাজার ৩০০ জনের বেশি ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) রাত সোয়া ১০টার দিকে এই তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) রাকিবুল হাসান ইশান। তিনি বলেন, আশুলিয়া থানায় দুটি এবং সাভার মডেল থানায় একটি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, সোমবার রাতে দুটি পৃথক কারখানা কর্তৃপক্ষ ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা করে। এসব মামলায় অজ্ঞাতনামা ৮০০ থেকে ১ হাজার ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সাভার মডেল থানার ওসি সাইফুল আলম বলেন, কারখানায় ভাঙচুর ও কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগে একটি মামলা হয়েছে। এতে অজ্ঞাতনামা ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদিকে মঙ্গলবার ভোরে সাভারের তেঁতুলঝোড়া এলাকায় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনায় সাভার মডেল থানায় আরও একটি মামলা হয়েছে।  এ মামলায় অজ্ঞাতনামা ৬০ থেকে ৭০ জনকে আসামি করা হয়েছে বলে জানান ওসি সাইফুল আলম। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে টানা চতুর্থ দিনের মতো মঙ্গলবারও পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ অব্যাহত ছিল। আরটিভি/এসআর
সাভার-আশুলিয়ায় কারখানা ভাঙচুরের ঘটনায় তিন মামলায় আসামি ২৩০০, গ্রেপ্তার ১১
কমনওয়েলথ সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে হুমায়ুন কবির
অ্যান্টিগা অ্যান্ড বারবুডার সেন্ট জন’সে কমনওয়েলথ হেডস অব গভর্নমেন্ট মিটিং (সিএইচওজিএৃম)-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আজ বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। বুধবার (৪ নভেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সকালে অ্যান্টিগা অ্যান্ড বারবুডা ন্যাশনাল পারফর্মিং আর্টস সেন্টারে অনুষ্ঠানটি হয়। কমনওয়েলথের প্রধান রাজা তৃতীয় চার্লস উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। সঙ্গে ছিলেন আয়োজক দেশের প্রধানমন্ত্রী গ্যাস্টন ব্রাউন। কমনওয়েলথের ৫৬ সদস্য দেশের সরকারপ্রধান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিনিধিদলের প্রধানরাও অনুষ্ঠানে যোগ দেন। এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ‘সমৃদ্ধ কমনওয়েলথের জন্য অংশীদারিত্ব ও বিনিয়োগ ত্বরান্বিতকরণ’। সদস্য দেশগুলোর মধ্যে নিবিড় সহযোগিতা, অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা ও বিনিয়োগের গুরুত্ব তুলে ধরাই এর লক্ষ্য। ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে হুমায়ুন কবির বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার বিকেলে কমনওয়েলথ সরকারপ্রধানদের নির্বাহী অধিবেশনে তাঁর বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে। কমনওয়েলথ শীর্ষ সম্মেলন পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা এবং সহযোগিতা ও অংশীদারিত্ব জোরদারের সুযোগ খুঁজে দেখার একটি প্ল্যাটফর্ম। আরটিভি/ এসআর
কমনওয়েলথ সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে হুমায়ুন কবির
পোশাক খাতে অস্থিরতা সৃষ্টির অভিযোগে ৩ শ্রমিক নেতা আটক
পোশাক খাতের শ্রমিকদের সর্বনিম্ন মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে চলা আন্দোলনে উসকানি দিয়ে অস্থিতিশীলতা তৈরির অভিযোগে ঢাকার সাভারের আশুলিয়া থেকে তিন শ্রমিক নেতাকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় আশুলিয়ার পৃথক স্থান থেকে তাদের আটক করা হয়। ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুল ইসলাম এ তথ্য জানান।  আটককৃতরা হলেন— জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের আশুলিয়া থানা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. আ. হালিম (৩৭), বাংলাদেশ ন্যাশনাল ট্রেড ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মো. শামীম (৪৮) এবং বাংলাদেশ টেক্সটাইল গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মনসুর আলী (৪৬)। ঢাকা জেলা উত্তর ডিবি পুলিশের ওসি সাইদুল ইসলাম আটকের বিষয়ে বলেন, চলমান শ্রমিক আন্দোলনে উসকানি দিয়ে অস্থিরতা তৈরির যথাযথ তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে এই তিন শ্রমিক নেতাকে আটক করা হয়েছে।  এর মধ্যে জিরাবো এলাকা থেকে শামীমকে, বসুন্ধরা সোনিয়া মার্কেট থেকে হালিম ও মনসুরকে আটক করা হয়। তাদের আশুলিয়া থানায় হস্তান্তর করা হবে এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান ওসি। আরটিভি/এসআর
পোশাক খাতে অস্থিরতা সৃষ্টির অভিযোগে ৩ শ্রমিক নেতা আটক
আরও পড়ুন
‘ফারাক্কা চুক্তি নবায়ন করে ভারত প্রমাণ করবে তারা বাংলাদেশের বন্ধু’
টেডি রুজভেল্টের জন্মদিন: প্রবেশমূল্য ছাড়াই যাওয়া যেসব যাবে পার্কে
এশিয়ার ৪ দেশের মধ্যে ‘বদর প্রতিরক্ষা চুক্তি’ স্বাক্ষর
প্রকাশ্যে এলো মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির বিস্তারিত