ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩

স্বল্পমূল্যের ম্যাসটাইটিস ভ্যাক্সিন উদ্ভাবন করলেন বাকৃবির গবেষক

বাকৃবি প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৩ জানুয়ারি ২০২৫, ১২:২৬ এএম
ছবি : সংগৃহীত

দেশে প্রথমবারের মত গবাদিপশুর ম্যাসটাইটিস বা ওলান প্রদাহ রোগের ভ্যাক্সিন উদ্ভাবন করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন ও মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান ও তার গবেষক দল। চার বছরের গবেষণা শেষে এই ভ্যাক্সিন উদ্ভাবনে সক্ষম হয়েছেন বলে জানান তিনি। অধ্যাপক বাহানুরের এই গবেষক দলে ছিলেন ড. মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান ও বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর অধ্যয়নরত কয়েকজন শিক্ষার্থী।

জানা যায়, গবাদিপশুর ম্যাসটাইটিস বা ওলান প্রদাহ মূলত গাভীর ওলানে সংঘটিত ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রামক ব্যাধি। এ রোগে গাভীর ওলান ফুলে যায়, ওলানে জ্বালাপোড়াসহ ব্যথা অনুভূত হয় ও গাভীর দুধ উৎপাদন কমে যায়। অধিক সংক্রমণে গাভীর দুধ উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। এতে খামারীরা ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে থাকেন। এই রোগের ব্যাকটেরিয়া প্রচলিত এন্টিবায়োটিক রেসিট্যান্ট হওয়ায় প্রতিষেধক চিকিৎসায় কার্যকরী ফলাফল পাওয়া যায় না।

ড. বাহানুর বলেন, ২০২০ সালে আমরা গবেষণাটি শুরু করি। আমরা ঢাকা, ময়মনসিংহ, নেত্রকোণাসহ ৯টি জেলার ২০৯টি খামারে জরিপ পরিচালনা করি। জরিপে আমরা ৪৬ শতাংশ গাভীতে ম্যাসটাইটিসের সংক্রমণ খুজে পাই। মাঠ পর্যায় থেকে আমরা স্যাম্পল সংগ্রহ করে সোমটিক সেল কাউন্টের মাধ্যমে ম্যাসটাইটিসের সংক্রমণ ও এর তীব্রতা নিরুপণ করি। পরবর্তীতে গবেষণাগারে দীর্ঘ ক্লিনিকাল টেস্ট ও প্রক্রিয়াকরণ শেষে আমরা এই ভ্যাক্সিন উদ্ভাবনে সক্ষম হই। ৫১৭টি গাভী থেকে নমুনা সংগ্রহ করে এই গবেষণাটি পরিচালনা করা হয়েছে। এই ভ্যাক্সিন তৈরিতে ৪টি ব্যাকটেরিয়া নিয়ে কাজ করেছি। ব্যাকটেরিয়াগুলো হলো- Streptococcus agalactiae, Escherichia coli, Staphylococcus aureus ও Streptococcus uberis। এই ব্যাকটেরিয়াগুলো গবেষণায় ব্যবহৃত নমুনা থেকেই সংগ্রহ করা হয়েছে। চারটি ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করে বিধায় একে Polyvalent Mastitis Vaccine বলে। এই ব্যাকটেরিয়াগুলো জুনোটিক স্বভাবের কারণে প্রাণী থেকে মানুষেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।

জানা যায়, বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমী-ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অফ এগ্রিকালচার (বাস-ইউএসডিএ) প্রোগ্রামের অর্থায়নে ২০২০ সালের ১ অক্টোবর এই গবেষণাটি শুরু হয়ে ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হয়। গবেষণাটির মেয়াদকাল ছিল তিন বছর এবং এটি ২০২৪ সালের ১১ জুন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে উপস্থাপন করা হয়।

ড. বাহানুর বলেন, ভালো দুধ উৎপাদনে গাভীর ওলানের সুস্থতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। মূলত ব্যাকটেরিয়া ও ক্ষেত্র বিশেষ কিছু ছত্রাকের আক্রমণে গাভীর এই রোগ হয়ে থাকে। দেশে পূর্বে এই রোগের ভ্যাক্সিন বিদেশ থেকে আমদানি করা হলেও বর্তমানে এই ভ্যাক্সিন দেশে আর পাওয়া যায় না। গাভীর সুস্থতা নিশ্চিত করতে ও দুধ উৎপাদন যাতে ব্যাহত না হয় সেই উদ্দেশ্যে সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে আমরাই প্রথম ম্যাসটাইটিস ভ্যাক্সিনটি উদ্ভাবনে সক্ষম হয়েছি।

তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী কোনো ভ্যাক্সিনের কার্যকারিতা ৭০ শতাংশ হলেই সেটি সফল হিসেবে বিবেচিত হয়। কিন্তু উদ্ভাবিত আমাদের ভ্যাক্সিনটি প্রায় শতভাগ কার্যকর।

ভ্যাক্সিনটির ব্যবহারবিধি সম্পর্কে অধ্যাপক বাহানুর রহমান বলেন, উদ্ভাবিত ভ্যাক্সিনটি ইঁদুর ও গিনিপিগে প্রয়োগ করে এর নিরাপত্তা যাচাই করা হয়েছে এবং পঞ্চম প্রজন্মের এডজুভেন্ট এই ভ্যাক্সিনে ব্যবহার করা হয়েছে। ভ্যাক্সিনটি গাভীর গর্ভাবস্থায় প্রয়োগ করতে হয়। ভ্যাক্সিনটির দুইটি ডোজ গাভীকে দিতে হবে। প্রথম ডোজ গর্ভাবস্থার ৭ থেকে ৮ মাসের মধ্যে এবং দ্বিতীয় ডোজ বাচ্চা হবার আগ মুহূর্তে অর্থাৎ ৯ থেকে সাড়ে ৯ মাসের মধ্যে দিতে হবে। প্রতি প্রাণিকে ৫ মিলি করে ভ্যাক্সিন প্রতি ডোজে দিতে হবে। এই ভ্যাক্সিনের কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। ভ্যাক্সিনের দুইটি ডোজ গাভীকে দিয়ে দিলে ম্যাসটাইটিসে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা প্রায় ৯০ শতাংশ কমে যাবে। বাজারজাত করা সম্ভব হলে এই ভ্যাক্সিনের দাম কৃষকের নাগালের মধ্যেই থাকবে।

আরটিভি/একে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ক্যাম্পেইন এজেন্সি অব দ্য ইয়ার অ্যাওয়ার্ডে ‘এএমএল’র জোড়া সাফল্য
দক্ষিণ এশিয়ার বিজ্ঞাপনী বাজারে আবারো নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করলো এডভার্টাইজিং এজেন্সি এএমএল। ক্যাম্পেইন এজেন্সি অব দ্য ইয়ার অ্যাওয়ার্ডস ২০২৫-এ প্রতিষ্ঠানটি দুটি ক্যাটেগরিতে ব্রোঞ্জ অর্জন করেছে। এ বছর ‘রেস্ট অব সাউথ এশিয়া ডিজিটাল ইনোভেশন এজেন্সি অব দ্য ইয়ার’ এবং ‘রেস্ট অব সাউথ এশিয়া মিডিয়া এজেন্সি অব দ্য ইয়ার’-উভয় ক্যাটেগরিতেই জয় তুলে নেয় এএমএল। নব্বই দশকের গোড়া থেকে এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের বিজ্ঞাপন, কমিউনিকেশন, মিডিয়া এবং ডিজিটাল ইনোভেশনের উৎকর্ষতা উদযাপন করে আসছে ক্যাম্পেইন এজেন্সি অব দ্য ইয়ার অ্যাওয়ার্ডস। সৃজনশীলতার পাশাপাশি দূরদর্শী নেতৃত্ব, অপারেশনাল সক্ষমতা এবং শক্তিশালী ব্যবসায়িক পারফর্ম্যান্সও পুরস্কারের গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য উপাদান। এএমএল জানায়, এ বছরের এই স্বীকৃতি প্রতিষ্ঠানটির ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন ও মিডিয়া এফেক্টিভনেস-উভয় ক্ষেত্রেই ধারাবাহিক উন্নতির প্রমাণ। ডাটা-ভিত্তিক স্ট্র্যাটেজি, ভবিষ্যত-উপযোগী সমাধান এবং পরিবর্তনশীল ভোক্তা আচরণের সঙ্গে সমন্বয় ঘটিয়ে তারা ক্লায়েন্টদের জন্য কার্যকর ফলাফল নিশ্চিত করে আসছে। সাবমিশনে গত বছরের পারফর্ম্যান্স, এজেন্সির ভিশন, ইন্ডাস্ট্রিতে অবদান, সাসটেইনেবল বিজনেস ডেভেলপমেন্ট এবং ক্লায়েন্ট সাফল্যের গল্পগুলো তুলে ধরা হয় বলে জানায় প্রতিষ্ঠানটি। বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক অর্থনীতির পরিবর্তনশীল পরিস্থিতিতে ব্র্যান্ডগুলোর দ্রুত ট্রান্সফরমেশন নিশ্চিত করতে এএমএল-এর স্ট্র্যাটেজিক দৃষ্টিভঙ্গি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এএমএল আরও জানায়, এটি তাদের প্রথম আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নয়, তবে প্রতিটি অর্জনই পুরো দলের জন্য বিশেষ গর্বের। এই সাফল্য এজেন্সির প্রতিটি সদস্যের নিষ্ঠা ও পরিশ্রমের ফল, পাশাপাশি অংশীদার ও ক্লায়েন্টদের আস্থার প্রতিফলন। প্রতিষ্ঠানটি তাদের সকল ক্লায়েন্ট, সহযোগী ও অংশীদারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেছে, তাদের সমর্থনই এএমএল-কে প্রতি বছর নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে অনুপ্রেরণা জোগায়। আরটিভি/কেআই
ক্যাম্পেইন এজেন্সি অব দ্য ইয়ার অ্যাওয়ার্ডে ‘এএমএল’র জোড়া সাফল্য
দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের ওয়েবসাইটে প্রবেশে সমস্যা
দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে পাঠকদের। মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৫টা থেকে এই সমস্যার শুরু হয়েছে। পাঠকরা জানান, আরটিভি, কালবেলা, আজকের পত্রিকা, চ্যানেল টোয়েন্টিফোর, দৈনিক সমকাল, ঢাকা পোস্ট, জাগো নিউজসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে পারছেন না। এই তালিকায় আছে রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাও (বাসস)।  একজন ওয়েবসাইট ডেভেলপার বলেন, দেশে ডাটা সেন্টারে যোগাযোগ করার পর তারা জানিয়েছেন-এই সমস্যা স্থানীয় নয়। সিঙ্গাপুরে সাইবার ক্যাবলে সমস্যার কারণে আমাদের দেশে সমস্যা হচ্ছে। খুব শিগগিরই সমস্যার সমাধান হবে।   আরটিভি/এসকে
দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের ওয়েবসাইটে প্রবেশে সমস্যা
তেঁতুলিয়া থেকে টেকনাফ পর্যন্ত রিহাব হোসেনের অনন্য পদযাত্রা
পরিবেশ ও প্রকৃতি রক্ষায় জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে দেশের এক প্রান্ত পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া থেকে আরেক প্রান্ত কক্সবাজারের টেকনাফ পর্যন্ত দীর্ঘ পথ হেঁটে পাড়ি দিয়েছেন রিহাব হোসেন। তিনি পরিবেশবাদী সংগঠন গ্রিন ভয়েসের হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজ শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক। ‘প্রাকৃতিক জীবনকে হ্যাঁ বলুন, দূষণকে না বলুন’ স্লোগান নিয়ে তিনি এই পদযাত্রা করেন। গত ১৬ অক্টোবর তেঁতুলিয়ার বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট থেকে যাত্রা শুরু করে ১১ নভেম্বর টেকনাফ জিরো পয়েন্টে পৌঁছান তিনি। ২৭ দিনের এই যাত্রায় তিনি ৩১টি জেলা হয়ে এক হাজার কিলোমিটারেরও বেশি পথ অতিক্রম করেছেন। যাত্রাপথে তিনি বিভিন্ন স্থানে গাছ লাগান এবং স্থানীয় শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের সঙ্গে পরিবেশ সচেতনতা নিয়ে মতবিনিময় করেন। নিজের এই উদ্যোগ নিয়ে রিহাব হোসেন দেশকাল নিউজ ডটকমকে বলেন, আমার এই যাত্রার উদ্দেশ্য ছিল মানুষকে বোঝানো, প্রকৃতির সঙ্গে সহাবস্থানই টেকসই জীবনের পথ। প্রকৃতিকে ভালোবাসলেই জীবন হয় সুন্দর। রিহাবের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে গ্রিন ভয়েসের প্রধান সমন্বয়ক আলমগীর কবির বলেন, তরুণ প্রজন্মের এমন উদ্দীপনামূলক উদ্যোগ আমাদের দেশের পরিবেশ আন্দোলনে নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, রিহাব হোসেনের এই পদযাত্রা গ্রিন ভয়েসের মূল আদর্শ—প্রকৃতি, পরিবেশ ও জীবনের জীবন্ত প্রতিফলন। তার এই পদক্ষেপ প্রমাণ করেছে, সচেতন তরুণরাই পারে সবুজ বাংলাদেশ গড়তে পথ দেখাতে। সংগঠনটির সহ সমন্বয়ক শাকিল কবির বলেন, রিহাবের এই পদযাত্রা শুধু একটি উদ্যোগ নয়, এটি এক ধরনের সবুজ আন্দোলন। একজন তরুণের সচেতনতা ও সাহস থেকেই পরিবর্তনের সূচনা ঘটে, রিহাব সেই বার্তাই ছড়িয়ে দিয়েছে গোটা দেশজুড়ে। আরটিভি/একে
তেঁতুলিয়া থেকে টেকনাফ পর্যন্ত রিহাব হোসেনের অনন্য পদযাত্রা
আগামী ১০ বছরে যে জিনিস হতে যাচ্ছে সবচেয়ে মূল্যবান
নগদ অর্থ, সোনা বা জমির মতো প্রচলিত সম্পদের মূল্যবোধ আগামী দশকে আমূল বদলে যেতে পারে এমনই চাঞ্চল্যকর পূর্বাভাস দিয়েছেন ভারতের জনপ্রিয় ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠান জেরোধার সহ-প্রতিষ্ঠাতা নিখিল কামাত। তার দাবি, আগামী ১০ বছরে বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ বা কার্যত নতুন ‘কারেন্সি’ হয়ে উঠবে ইলেকট্রন ও বিদ্যুৎ। কামাতের এই ধারণার পেছনে রয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ডেটা সেন্টারের বিস্ফোরণধর্মী বৃদ্ধি। প্রতিদিন বাড়তে থাকা প্রযুক্তিনির্ভরতার কারণে যে হারে বিদ্যুৎ ব্যবহারের চাহিদা বাড়ছে, তা বিশ্ব অর্থনীতির ভবিষ্যৎ কাঠামোই বদলে দিতে পারে। বিশ্বজুড়ে গুগল সার্চ, নেটফ্লিক্স স্ট্রিমিং, ক্লাউড স্টোরেজসহ প্রতিটি অনলাইন কার্যক্রমের পেছনে কাজ করে ডেটা সেন্টার। আর এদের বিদ্যুৎ চাহিদা এখন চোখ কপালে তোলার মতো। একটি আধুনিক ডেটা সেন্টার বছরে যত বিদ্যুৎ ব্যবহার করে, তা প্রায় ৪ লাখ বৈদ্যুতিক গাড়ির মোট বিদ্যুৎ খরচের সমান।ডেটা সেন্টারের মোট ব্যয়ের প্রায় ৬৫% খরচ হয় শুধুমাত্র বিদ্যুতের জন্য কম্পিউটিং ও কুলিং সিস্টেম চালাতে। বর্তমানে সবচেয়ে বেশি ডেটা সেন্টার রয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে: ৩,৬৮০টি, জার্মানিতে: ৪২৪টি, ব্রিটেনে: ৪১৮টি। গবেষকদের ধারণা, ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের মোট বিদ্যুৎ ব্যবহারের ১০% খরচ হবে শুধু ডেটা সেন্টারের প্রয়োজন মেটাতে। বিদ্যুতের নিয়ন্ত্রণ মানেই ভবিষ্যতের সম্পদশালী। এই বাস্তবতা থেকেই নিখিল কামাত মনে করছেন যে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা দেশ বিদ্যুতের উৎপাদন, সঞ্চয় ও বিতরণের ক্ষেত্রে শক্তিশালী অবস্থানে থাকবে, ভবিষ্যতের প্রকৃত সম্পদ তার হাতেই থাকবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি শুধু একটি মন্তব্য নয়; বরং ভবিষ্যতের সম্পদ ব্যবস্থাপনা, বিনিয়োগ ও ভূ-রাজনীতির দিকনির্দেশনা। কেন বিদ্যুৎই হবে ভবিষ্যতের ‘সোনার খনি’,  এআই ও অটোমেশন যত বাড়বে, বিদ্যুৎ নির্ভরতা তত বাড়বে। নবায়নযোগ্য শক্তি হবে পরবর্তী অস্ত্র প্রতিযোগিতা। ডেটা সেন্টারের বিস্তারের কারণে বিদ্যুৎ একটি স্ট্র্যাটেজিক রিসোর্সে রূপ নেবে। শিল্প, পরিবহন ও প্রযুক্তি সব ক্ষেত্রই বৈদ্যুতিক শক্তিনির্ভর হয়ে উঠছে। আরও পড়ুন মর্গ থেকে যে ভাবে জীবিত ফিরে এলো ১২ বছরের কিশোরী বিশেষজ্ঞদের মতে, নিখিল কামাতের বিশ্লেষণ ভবিষ্যৎ অর্থনীতির নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, ২১শ শতাব্দীর দ্বিতীয় ভাগে বিদ্যুৎ ও শক্তির ওপর নিয়ন্ত্রণই হবে কোনো দেশের প্রকৃত ক্ষমতার মাপকাঠি। আরটিভি/এসকে
আগামী ১০ বছরে যে জিনিস হতে যাচ্ছে সবচেয়ে মূল্যবান
ব্লাড ক্যানসার ও হেপাটাইটিস ‘সি’ আক্রান্ত ফারাতুলকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন
ফারাতুল মাহমুদ হাসান, মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির ছাত্র। ফারাতুল ভীষণ অসুস্থ। অসহনীয় যন্ত্রণা বয়ে বেড়াচ্ছে সারাদিন। হেপাটাইটিস ‘সি’ ভাইরাস, ই-বিটা থ্যালাসেমিয়া মেজর এবং ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত সে। প্রতি মাসে ফারাতুলের জন্য প্রয়োজন হয় পাঁচ ব্যাগ রক্ত, প্রতিদিন চলে তিন হাজার টাকার ওষুধ। ফারাতুলের বাবা মো. সাদেকুল ইসলাম জানিয়েছেন, ভারত ও বাংলাদেশে গত তিন বছর ধরে তার চিকিৎসা চলছে, কিন্তু আরোগ্য হয়নি। তার ব্যবসার প্রায় সবকিছু বিক্রি করে ফেলেছেন। আর চিকিৎসা চালিয়ে যেতে পারছেন না তিনি। স্ত্রী ও দুই ছেলেকে নিয়ে তার সংসার। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, দ্রুত ফারাতুলের চিকিৎসার জন্য বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট করতে হবে। চিকিৎসকদের বরাতে সাদেকুল ইসলাম বলেন, এ জন্য প্রয়োজন প্রায় ৫০ লাখ টাকা। হাসপাতালের বিছানায় ক্যানসার আক্রান্ত ফারাতুল। ছবি: ফারাতুলের বাবা   সাদেকুল ইসলাম জানান, ঢাকা মেডিকেল কলেজের হেমাটোলোজি বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ডা. এম এ খান অতি দ্রুত বোন মেরু ট্রান্সপ্ল্যান্ট করাতে বলেছেন। চেন্নাইয়ের অ্যাপোলো ক্যানসার হাসপাতালের বোন মেরু ট্রান্সপ্ল্যান্টের জন্য অধ্যাপক ডা. রেভাতী রাজ বাংলাদেশি টাকায় ৫০ লাখ টাকা লাগবে বলে জানিয়েচেন।  তিনি আরও বলেন, আমার ছেলের দীর্ঘ ৭ বছর দেশে ও বিদেশে চিকিৎসা চালিয়ে ২ কোটি ৫০ লাখেরও বেশি টাকা খরচ করে আমি বর্তমানে নিস্ব হয়ে গেছি। এ অবস্থায় আমার পক্ষে ৫০ লাখ টাকা খরচ করা অসম্ভব।  দেশের হৃদয়বান ব্যক্তিদের কাছে সহযোগিতা কামনা তিনি বলেন, এই মুহূর্তে ছেলের চিকিৎসার জন্য ৫০ লাখ টাকা জোগাড় করতে পারলে আমার ছেলের মুখে হাসি ফুটবে।  সবকিছু ঠিক থাকলে চেন্নাই অ্যাপোলো ক্যানসার হাসপাতালেই বোন মেরু ট্রান্সপ্লান্ট সম্পূর্ণ হবে।  সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা:মো. সাদেকুল ইসলাম, ইসলামী ব্যাংক, রামপুরা শাখা, সঞ্চায়ী হিসাব নম্বর ২০৫০২২৬০২০১২৫১১০৮, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক, রামপুরা শাখা, সঞ্চয়ী হিসাব নম্বর ১৭৮১৫১১১০৬০৫, প্রাইম ব্যাংক বনশ্রী শাখা, সঞ্চয়ী হিসাব নম্বর ১৯২২১০৭০০১০৪৪০। সাহায্য পাঠানো যাবে মুঠোফোন নম্বরেও (বিকাশ/নগদ) ০১৮৬৪২৯১৩২৭, ০১৮৬৪২৯১৩২৮। আরটিভি/টিআই
ব্লাড ক্যানসার ও হেপাটাইটিস ‘সি’ আক্রান্ত ফারাতুলকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন
আরও পড়ুন
বার্ধক্য থামাতে ন্যানোফ্লাওয়ার প্রযুক্তি আবিষ্কার
জীবন্ত ফার্ন গাছে বিরল খনিজের সন্ধান, বিজ্ঞানীদের যুগান্তকারী সাফল্য
বিশ্বসেরা ২ শতাংশ গবেষকের তালিকায় ইবির ২ শিক্ষক
নতুন ধানের জাত উদ্ভাবন, লাগবে না সার-ওষুধ!