
সাবেক সংসদ সদস্য এবং বিএনপির বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক সালাহউদ্দিন আহমেদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) এক শোকবার্তায় তিনি মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর শোক ও সহমর্মিতা জানান।
শোকবার্তায় রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘আলহাজ সালাহউদ্দিন আহমেদের মৃত্যুতে আমি তার শোকাহত পরিবার-পরিজনদের প্রতি গভীর শোক ও সহমর্মিতা জ্ঞাপন করছি। তার মতো একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদের পৃথিবী থেকে চলে যাওয়া অত্যন্ত বেদনাদায়ক।’
তিনি আরও বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের নীতি ও আদর্শের প্রতি গভীরভাবে বিশ্বাসী ছিলেন মরহুম আলহাজ সালাহউদ্দিন আহমেদ। রাজনীতিবিদ হিসেবে তিনি ছিলেন জনসম্পৃক্ত এবং দলীয় নীতি ও আদর্শ থেকে কখনোই বিচ্যুত হননি। গণতন্ত্রের প্রতি তার ছিল অবিচল আস্থা।
বিএনপির এই ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, দলের চেয়ারপারসন ও প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেছিলেন। জনপ্রতিনিধি হিসেবে এলাকার উন্নয়নে অবদানের জন্য সালাহউদ্দিন আহমেদ এলাকাবাসীর কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
তিনি বলেন, বিনয়ী, সদালাপী ও মানবিক গুণাবলিসম্পন্ন মরহুম আলহাজ সালাহ উদ্দিন আহমেদ ছিলেন সবার কাছে একজন গ্রহণযোগ্য রাজনীতিবিদ।
বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, মহান রাব্বুল আলামিনের কাছে মরহুমের জান্নাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গকে ধৈর্য ধারণের ক্ষমতা দান করেন।
শোকবার্তায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যবর্গ, আত্মীয়স্বজন, গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
এর আগে, মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাত ৮টা ১০ মিনিটে রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন বিএনপির এই কেন্দ্রীয় নেতা।
রাজধানীর শ্যামপুর-কদমতলী এলাকার প্রভাবশালী এ নেতা ঢাকা-৪ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ১৯৯১ সালে ৫ম, ১৯৯৬ সালে ফ্রেব্রুয়ারিতে ৬ষ্ঠ এবং ২০০১ সালে ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। পাশাপাশি তিনি বিএনপির বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।
আরটিভি/আইএম




