
পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে রাজধানীর মিরপুরে বেশ কয়েকটি নাশকতার ঘটনা ঘটেছে। এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে মিরপুরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছে যুবদলের নেতাকর্মীরা।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করতে সোমবার (০২ নভেম্বর) রাস্তায় যুবদলের অবস্থান দেখা যায়। মঙ্গলবারও (০৩ নভেম্বর) সেই অবস্থানেই আছেন তারা।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বেলা ১২টার দিকে মিরপুর ১২ নম্বর থেকে ১০ নম্বর গোলচত্বরে অভিমুখে নাশকতাকারীদের বিরুদ্ধে মিছিল করেন যুবদল নেতাকর্মীরা। এ সময় সরকারের পক্ষে বিভিন্ন শ্লোগান দিতে দেখা যায় তাদের। পরে মিরপুরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অবস্থান নেন তারা।
ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আইয়ুব আলী বলেন, শ্রম আইন অনুযায়ী প্রতি তিন বছর পরপর নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন হয়। চলতি বছরের ডিসেম্বরে আগের তিন বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু তার আগেই আন্দোলন শুরু হলো! একইসঙ্গে শুরু হলো ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ। এ ঘটনাগুলো কোনো অবস্থাতেই শ্রমিকদের হতে পারে না।
তিনি বলেন, শ্রমিকদের দাবি ছিল মজুরি বোর্ড গঠন করা। সেই দাবি মেনে সরকার মজুরি বোর্ড গঠন করেছে। দ্রুতই তাদের নতুন বেতন কাঠামো ঘোষণা হবে। কিন্তু সব দাবি মেনে নেওয়ার পরও এখনও কেন অবরোধ-সহিংসতা হচ্ছে?
‘এখনও কেন জনমনে আতংক সৃষ্টি এবং দেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা হচ্ছে? এটা স্পষ্ট যে, এখন যারা আন্দোলন করছে, তাদের ভিন্ন উদ্দেশ্য আছে। শ্রমিকদের আন্দোলনকে পুঁজি করে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা শ্রমিকদের ছদ্মবেশে সহিংস কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে।’
যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য শাহিনুজ্জামান মিন্টু বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য দাবির প্রতি আমাদের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। একই সঙ্গে আন্দোলনের নামে কোনো ধরনের ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ বা নাশকতা আমরা সমর্থন করি না। শ্রমিকদের অধিকার রক্ষা এবং এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে আমরা দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করছি।
এ সময় ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আমিনুল হক হিমেল, মনিরুল ইসলাম মনির, জুলহাজ আহমেদ, সাবেক সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু, কামরুল ইসলামসহ যুবদলের শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
আরটিভি/এসআর


-1793621796-413363_1793621838.jpg)