ঢাকা সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

মিশরে মিলাদুন্নবী: মিষ্টির পুতুলে শতাব্দীপ্রাচীন ঐতিহ্যের ছোঁয়া

মিশর প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৩ আগস্ট ২০২৬, ০৩:০৩ পিএম
ঈদে মিলাদুন্নবী ঘিরে মিশরে দোকানে দোকানে হরেক রকম ঐতিহ্যবাহী মিষ্টির জমজমাট পসরা । ছবি: আরটিভি

নীলনদ, পিরামিড ও হাজারো মিনারের দেশ মিশরে আগামী ২৫ আগস্ট মঙ্গলবার পালিত হবে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)। তবে দেশটির সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী, এ উপলক্ষে সরকারি ও সাধারণ ছুটি থাকবে আগামী ২৭ আগস্ট বৃহস্পতিবার। ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার পর মিশরে অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসব হিসেবে পালিত হয় ঈদে মিলাদুন্নবী। মিশরীয়রা দিনটিকে সাধারণত মাওলিদ আল-নাবি বা মাওলিদ আল-রাসুল (সা.) নামে অভিহিত করেন।

মিষ্টির উৎসবে মেতে উঠেছে মিশর

প্রতি বছর রবিউল আউয়াল মাস শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কায়রোসহ দেশটির বিভিন্ন শহরের সুপারশপ, বাজার, পাড়া-মহল্লার মিষ্টি ও বেকারির দোকানগুলোতে বসে হালাওয়াত আল-মাওলিদের পসরা। বাদাম, তিল, চিনি ও ঘন সিরাপসহ বিভিন্ন উপকরণে তৈরি এসব মিষ্টির মধ্যে ‘মালবান’ অন্যতম জনপ্রিয়।

সরেজমিনে বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি ‘হালাওয়াত আল-মাওলিদ’ বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ২০০ মিশরীয় পাউন্ডে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২০০ থেকে ৫০০ টাকার সমান।

আরও পড়ুন

মিশরের প্রাচীন রাজধানী ফুসতাতে অবস্থিত সাইয়েদা জয়নব এলাকার দোকানি হিসাম মাহমুদ আরটিভিকে বলেন, এ বছর বেচাকেনা ভালো না। মানুষের হাতে পয়সা নেই। গত বছর যেখানে একজন ক্রেতা চার-পাঁচ কেজি মিষ্টি কিনতেন, এবার তারা এক বা দুই কেজি কিনে নিচ্ছেন।

তবে মিশরের মিলাদুন্নবীর উৎসবের সবচেয়ে আকর্ষণীয় ও পরিচিত ঐতিহ্য হলো আরুসাত আল-মাওলিদ—অর্থাৎ মাওলিদের পুতুল।

চিনি দিয়ে তৈরি এই পুতুলকে সাধারণত কনের সাজে সাজানো হয়। সাদা ও রঙিন কাপড়, কাগজ ও নানা ধরনের অলংকার দিয়ে তৈরি করা হয় এর পোশাক ও সাজসজ্জা। শিশুদের কাছে বিশেষ আকর্ষণীয় এই মিষ্টির পুতুল মিশরের লোকসংস্কৃতি ও উৎসবের ঐতিহ্যের একটি পরিচিত প্রতীক হয়ে উঠেছে।

মিলাদুন্নবী উপলক্ষে বাজার ও দোকানে নানা রং, নকশা ও আকারের আরুসাত আল-মাওলিদ দেখা যায়। সময়ের সঙ্গে এর নকশা ও উপস্থাপনায় পরিবর্তন এলেও মিশরীয়দের কাছে এর আবেদন এখনো অমলিন। মিশরের পথঘাট, বাজার ও উৎসবের সাজে আরুসাত আল-মাওলিদ নামের এই পুতুল যেন ধর্মীয় আবহের পাশাপাশি ইতিহাস, লোকসংস্কৃতি ও আনন্দের এক অনন্য মেলবন্ধন। প্রকারভেদে প্রতিটি আরুসাত আল-মাওলিদ বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে এক হাজার মিশরীয় পাউন্ডে।

ঐতিহাসিকদের মতে, মিশরে আনুষ্ঠানিকভাবে মিলাদুন্নবী উদযাপনের প্রচলন শুরু হয় ফাতিমীয় খেলাফতের সময়। দশম থেকে দ্বাদশ শতকের এ সময়ে শাসকগোষ্ঠী মাওলিদ উপলক্ষে দরিদ্র ও অভাবী মানুষের জন্য ভোজের আয়োজন করত এবং বিভিন্ন ধরনের মিষ্টি বিতরণ করত বলে ঐতিহাসিক সূত্রে উল্লেখ রয়েছে।

আরুসাত আল-মাওলিদের উৎপত্তি নিয়েও মিশরে একটি প্রচলিত লোককাহিনি রয়েছে। জনশ্রুতি অনুযায়ী, ফাতিমীয় শাসনামলের খলিফা আল-হাকিম তার এক স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে মাওলিদের দিনে শহরে বের হয়েছিলেন। তিনি রাজকীয় পোশাকে জনসম্মুখে উপস্থিত হলে তার সঙ্গে থাকা নারীর সাজসজ্জা ও সৌন্দর্য দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে এক মিষ্টি কারিগর কনের আকৃতিতে একটি মিষ্টির পুতুল তৈরি করেন। পরবর্তীকালে সেটিই ‘আরুসাত আল-মাওলিদ’ নামে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে বলে লোকমুখে প্রচলিত রয়েছে।

তবে মিশরীয়দের অধিকাংশই এই পুতুলকে ধর্মীয় কোনো অনুষঙ্গ হিসেবে নয়, বরং একটি ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক নিদর্শন হিসেবেই দেখেন।

মসজিদে দোয়া ও সুফি ঐতিহ্য

মিশর শাফেয়ি মাজহাবের ঐতিহ্যবাহী প্রভাব থাকা একটি দেশ হলেও দেশটির ধর্মীয় চর্চায় বিভিন্ন মাজহাব ও সুফি ধারার প্রভাব রয়েছে। ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে কায়রোর বিভিন্ন মসজিদে বিশেষ দোয়া, কোরআন তেলাওয়াত ও রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রতি দরুদ পাঠের আয়োজন করা হয়।

বিশেষ করে কায়রোর ঐতিহাসিক ইমাম হোসাইন (রা.) মসজিদকে ঘিরে এদিন ভক্তদের উপস্থিতি বাড়ে। মাগরিবের নামাজের পর দোয়া ও দরুদ পাঠের পাশাপাশি মসজিদের আশপাশে সুফি অনুসারীদের ঢোল বাজিয়ে ইসলামী সংগীত ও ধর্মীয় সংগীত পরিবেশন করতেও দেখা যায়।

মিষ্টি বিতরণে উৎসবের আমেজ

ঈদে মিলাদুন্নবীর দুই-তিন দিন আগে থেকেই পুরো মিশরে শুরু হয় মিষ্টি বিতরণের উৎসব। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যেও হালাওয়াত আল-মাওলিদ বিতরণ করা হয়। এছাড়া পাড়া-প্রতিবেশী, আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধবের মধ্যেও মিষ্টি উপহার দেওয়ার প্রচলন রয়েছে।

ফলে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি এ সময়টি পরিণত হয় সামাজিক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময়ের এক আনন্দঘন উৎসবে।

রোজা, কোরআন তেলাওয়াত ও ঘরোয়া আয়োজন

১২ রবিউল আউয়াল বা মিলাদুন্নবীর দিনে অনেক মিশরীয় নফল রোজা রাখেন। পাশাপাশি অতিরিক্ত সময় কোরআন তেলাওয়াত, নফল ইবাদত ও দরুদ পাঠে কাটান। তবে বাংলাদেশ বা দক্ষিণ এশিয়ার কিছু অঞ্চলের মতো মসজিদে দাঁড়িয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘মিলাদ কায়েম’-এর প্রচলন মিশরে সাধারণভাবে দেখা যায় না। বরং ব্যক্তিগত ইবাদত, দোয়া ও ধর্মীয় আলোচনাই এদিনের অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ।

সন্ধ্যার পর অনেক মিশরীয় পরিবারে বিশেষ খাবার তৈরির আয়োজন দেখা যায়। এর মধ্যে ‘রুজ বি লাবান’—দুধ ও চাল দিয়ে তৈরি এক ধরনের মিষ্টি পায়েস—ছোট ছোট পাত্রে করে প্রতিবেশী ও পথচারীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়।

মিশরে ঈদে মিলাদুন্নবী শুধু একটি ধর্মীয় উপলক্ষ নয়; বরং শতাব্দীপ্রাচীন ইতিহাস, লোকসংস্কৃতি, পারিবারিক বন্ধন ও সামাজিক সম্প্রীতির এক অনন্য উৎসব। আর সেই ঐতিহ্যের সবচেয়ে দৃশ্যমান প্রতীকগুলোর একটি হয়ে আজও টিকে আছে রঙিন সাজে সজ্জিত ‘আরুসাত আল-মাওলিদ’।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বাংলাদেশি গবেষক ইরফানের মৃত্যু নিয়ে মার্কিন গণমাধ্যমে চাঞ্চল্যকর তথ্য 
গত ৩১ অক্টোবর দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রকাশিত এই প্রতিবেদনের শিরোনাম, ‘দ্য সাডেন ডেথ অব অ্যান এনভিডিয়া এআই প্রডিজি লিভস বিহাইন্ড বিটার অ্যাকিউজেশনস’। প্রতিবেদনটি লিখেছেন সাংবাদিক জুশা এলিনসন।
বাংলাদেশি গবেষক ইরফানের মৃত্যু নিয়ে মার্কিন গণমাধ্যমে চাঞ্চল্যকর তথ্য 
মিশিগানে আবৃত্তিকার সাইফুল আজম সিদ্দিকীর একক আবৃত্তি অনুষ্ঠান ‘মনের গহীনে বাংলা’ 
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যে বাংলা কবিতা, গান ও নৃত্যের সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আবৃত্তিকার সাইফুল আজম সিদ্দিকীর একক আবৃত্তি অনুষ্ঠান ‘মনের গহীনে বাংলা’। রোববার (১ নভেম্বর) বিকেল ৩টা থেকে ৬ টা পর্যন্ত ফার্মিংটন হিলসের দ্য হক ফার্মিংটন হিলস কমিউনিটি সেন্টারে এ অনুষ্ঠান হবার কথা রয়েছে। ‘মনের গহীনে বাংলা’ নামের এই আয়োজনের মূল উপজীব্য দেশ, মা, মাটি, প্রেম, মাতৃভাষা এবং বাঙালির শিকড়ের প্রতি ভালোবাসা। প্রবাসে বসবাস করেও বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতিকে হৃদয়ে ধারণ করার যে নিরন্তর প্রয়াস, কবিতা ও আবৃত্তির মধ্য দিয়ে সেটিই দর্শকদের সামনে তুলে ধরা হবে। অনুষ্ঠানের শিরোনামের মধ্যেও রয়েছে বাংলার প্রতি গভীর আবেগ ও আত্মিক টানের প্রকাশ। অনুষ্ঠান সম্পর্কে সাইফুল আজম সিদ্দিকী বলেন, এখানে কবিতায় দেশের কথা বলব, প্রেমের কথা বলব, বাংলার কথা বলব।  তিনি জানান, দেশ, মা ও মাটির কথা মাথায় রেখেই অনুষ্ঠানের কবিতাগুলো নির্বাচন করা হয়েছে। বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন সময়ের শক্তিমান কবিদের রচনার পাশাপাশি সমকালীন ও প্রবাসী কবিদের কবিতাও আয়োজনে স্থান পাবে। অনুষ্ঠানে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার পাশাপাশি নির্মলেন্দু গুণ, হেলাল হাফিজ, রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ, আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ, সৈয়দ শামসুল হক এবং মহাদেব সাহার নির্বাচিত কবিতা আবৃত্তি করা হবে। বাংলা কবিতার বিভিন্ন সময়, ধারা ও অনুভূতিকে এক মঞ্চে তুলে ধরার চেষ্টা থাকবে পুরো আয়োজনে। এটি সাইফুল আজম সিদ্দিকীর একক আবৃত্তি অনুষ্ঠান হলেও মিশিগানের কয়েকজন কবি ও জনপ্রিয় আবৃত্তিকার অতিথি হিসেবে অংশ নেবেন। তাঁরা নিজেদের নির্বাচিত কবিতা পাঠ ও আবৃত্তির মাধ্যমে অনুষ্ঠানকে আরও বৈচিত্র্যময় করে তুলবেন। ফলে একক আবৃত্তির পাশাপাশি এটি প্রবাসী বাঙালি কবি, আবৃত্তিশিল্পী ও সংস্কৃতিপ্রেমীদের একটি মিলনমেলায় পরিণত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কেবল আবৃত্তির মধ্যে অনুষ্ঠানটি সীমাবদ্ধ থাকবে না। কবিতার সঙ্গে গান ও নৃত্যের সমন্বয়ে বিশেষ পরিবেশনার আয়োজন রাখা হয়েছে। রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলসংগীত এবং আবদুল করিমের গানসহ বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় গানের অংশবিশেষ পরিবেশিত হবে। কোনো কোনো পরিবেশনায় কবিতা ও গান মিলিয়ে তৈরি হবে বিশেষ ফিউশন। এ ছাড়া প্রবাসে বেড়ে ওঠা কয়েকজন তরুণ-তরুণী বাংলা কবিতার সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করবেন। কবিতা, কণ্ঠ, সুর ও নৃত্যের এই সমন্বয় অনুষ্ঠানটিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আয়োজকেরা মনে করছেন। দেড় যুগেরও বেশি সময় ধরে প্রবাসে বসবাস করছেন সাইফুল আজম সিদ্দিকী। তিনি একাধারে সাংবাদিক, কলামিস্ট, আবৃত্তিকার এবং প্রবাসী ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সংগঠক। ইউনিভার্সিটি অব মিশিগান থেকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের পর বর্তমানে বহুজাতিক গাড়ি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান স্টেলান্টিসে প্রকৌশল ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত আছেন। অনুষ্ঠানটি যথাসময়ে শুরু করার জন্য শিল্পী ও অংশগ্রহণকারীদের বিকেল ২টা ৪৫ মিনিটের মধ্যে অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত হওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। আয়োজকদের প্রত্যাশা, ‘মনের গহীনে বাংলা’ মিশিগানের প্রবাসী বাঙালিদের কাছে কবিতা, গান ও নৃত্যের একটি স্মরণীয় বিকেল হয়ে থাকবে। অনুষ্ঠানস্থলের ঠিকানা: The Hawk–Farmington Hills Community Center, 29995 W. 12 Mile Road, Farmington Hills, MI 48334। আরটিভি/টিআর
মিশিগানে আবৃত্তিকার সাইফুল আজম সিদ্দিকীর একক আবৃত্তি অনুষ্ঠান ‘মনের গহীনে বাংলা’ 
আমিরাতের দুই বাংলাদেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এইচএসসির সাফল্য
সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ফলাফলে সাফল্য দেখিয়েছে দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ২০২৬ সালের পরীক্ষায় রাস আল খাইমাহর বাংলাদেশ ইংলিশ প্রাইভেট স্কুল অ্যান্ড কলেজে পাসের হার ৮৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ। অন্যদিকে, আবুধাবির শেখ খলিফা বিন জায়েদ বাংলাদেশ ইসলামিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজে পাসের হার শতভাগ। প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, রাস আল খাইমাহর বাংলাদেশ ইংলিশ প্রাইভেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এবার ১৮ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১৬ জন। অকৃতকার্য হয়েছে দুজন। প্রতিষ্ঠানটির ছয়জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। বিভাগভিত্তিক ফলাফলে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে তিনজন এবং বিজ্ঞান বিভাগ থেকে তিনজন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ পেয়েছে। অন্যদিকে, আবুধাবির শেখ খলিফা বিন জায়েদ বাংলাদেশ ইসলামিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ১০০ শতাংশ। গ্রেডভিত্তিক ফলাফলে প্রতিষ্ঠানটির ১১ জন শিক্ষার্থী ‘এ’, তিনজন ‘এ-’ এবং একজন ‘বি’ গ্রেড অর্জন করেছে। দুই প্রতিষ্ঠানের মোট ৩৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩১ জন। সম্মিলিত পাসের হার ৯৩ দশমিক ৯৪ শতাংশ। দুই প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে ছয়জন শিক্ষার্থী। সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রবাসী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বাংলা মাধ্যমের শিক্ষাব্যবস্থা পরিচালনা করছে এসব প্রতিষ্ঠান। দেশ থেকে দূরে থেকেও বাংলাদেশের শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে শিক্ষার্থীদের এই ফলাফল প্রবাসে বাংলাদেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষাকার্যক্রমের অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরেছে। আরটিভি/টিআর
আমিরাতের দুই বাংলাদেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এইচএসসির সাফল্য
জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মোজিবুল হকের সাক্ষাৎ
জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং দেশটির ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) ভাইস প্রেসিডেন্ট তারো আসোর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট উদ্যোক্তা- শাহ গ্রুপ, টিএএস এভিয়েশন গ্রুপ ও বাকা হোল্ডিংস লিমিটেডের চেয়ারম্যান এবং ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের (ইউএপি) বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান কে. এম. মোজিবুল হক।
জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মোজিবুল হকের সাক্ষাৎ
নিউইয়র্কে কিশোরীর জামার নিচে হাত ঢুকিয়ে ‘কাজের অফার’ বাংলাদেশি চিকিৎসকের!
ঘটনাটি নিজের চেম্বারে ঘটিয়েছেন ডা. ফজল ইউসুফ, যা তার বাড়ির ভেতরেই অবস্থিত।
নিউইয়র্কে কিশোরীর জামার নিচে হাত ঢুকিয়ে ‘কাজের অফার’ বাংলাদেশি চিকিৎসকের!
আরও পড়ুন
পচা দই-মিষ্টির সিরায় তৈরি হচ্ছে শিশুদের চকলেট-সন্দেশ!
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সংঘাতে পরিণতি হবে ভয়াবহ ধ্বংসাত্মক, বলছে মিশর
এক ঘণ্টা পেছানো হচ্ছে মিশরের ঘড়ির কাঁটা
মিষ্টির আসনে মনোনয়ন পেলেন এলিজা জামান