ঢাকা সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

১৪ বছর ধরে ছেলের ছবি বুকে জড়িয়ে অপেক্ষায় মা

কচুয়া (চাঁদপুর) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২৯ পিএম
প্রবাসী শহীদুল্লাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ছবি হাতে নিয়ে এখনো অপেক্ষা করছেন বৃদ্ধা মা খুশিদা বেগম ও পরিবার। ছবি: আরটিভি

ছেলেটা আর কবে বাড়ি ফিরবে?—এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে খুঁজতেই কেটে গেছে দীর্ঘ ১৪ বছর। ছেলের ছবি হাতে নিয়ে আজও পথ চেয়ে বসে থাকেন বৃদ্ধা খুশিদা বেগম (৮০)। বয়সের ভারে নুয়ে পড়া এই মায়ের চোখের পানি যেন থামছেই না। একমাত্র প্রত্যাশা, জীবনের শেষ সময়ে অন্তত একবার ছেলেকে চোখের সামনে দেখা।

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার গোহট উত্তর ইউনিয়নের তফিরা গ্রামের প্রবাসী শহিদুল্লাহ দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে সৌদি আরবের দাম্মামের কারাগারে বন্দি রয়েছেন। তার স্ত্রী পেয়ারা বেগম, ছেলে জিহাদ ও মেয়ে পিয়া আক্তারসহ স্বজনরা দীর্ঘদিন ধরে তার দেশে ফেরার অপেক্ষায় দিন গুনছেন।

পরিবারের কাছে থাকা প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ২০২৩ সালের ২ ফেব্রুয়ারিতে একটি চিঠিতে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের দাম্মামে কর্মরত শহিদুল্লাহকে সৌদি নাগরিক জাকি আল আশুরকে হত্যার মামলায় ২০১৩ সালের ২৪ জুলাই আটক করা হয়।

চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে, বিচারে তার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় হয়েছে এবং রায় বাস্তবায়নের জন্য অপেক্ষাধীন। বিষয়টি বাংলাদেশ দূতাবাস, রিয়াদের পত্রের মাধ্যমে পরিবারকে জানানো হয়েছিল।

তবে শহিদুল্লাহর স্ত্রী ও স্বজনদের দাবি, ওই ঘটনায় তাকে ফাঁসানো হয়েছে। তারা বিষয়টি মানবিক ও আইনগত দৃষ্টিতে পুনর্বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার জন্য সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

শহিদুল্লাহর স্ত্রী পেয়ারা বেগম বলেন, দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে তিনি সৌদি আরবে। বিদেশে যাওয়ার ৪ বছর পর সে দেশে আসেন এবং ছুটি কাটিয়ে পুনরায় সৌদি আরবে চলে যান। তারপর শুরু তার ওপর নির্যাতন।

তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে স্বামীকে কাছে না পাওয়ার কষ্ট নিয়ে তিনি সন্তানদের নিয়ে দিন কাটাচ্ছেন। তার দাবি, স্বামীকে আইনি সহায়তা ও কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হোক।

শহিদুল্লাহর ছেলে জিহাদের বয়স যখন মাত্র সাত-আট বছর, তখনই বাবাকে আর দেখেননি তিনি। এরপর কেটে গেছে ১৪ বছর। শৈশব পেরিয়ে এখন যুবক জিহাদ। কিন্তু বাবার সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠার সুযোগ হয়নি তার। বাবাকে একবার চোখের সামনে দেখতে চান তিনি। এ জন্য সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন জিহাদ।

অন্যদিকে প্রায় ৮০ বছর বয়সী বৃদ্ধা মা খুশিদা বেগম এখনও ছেলের ছবি হাতে নিয়ে কাঁদেন। স্বজনরা জানান, প্রতিদিন বাড়ির দরজার দিকে তাকিয়ে থাকেন তিনি। ছেলের ফেরার আশায় দিন গুনতে গুনতে তার চোখেমুখে বয়সের ছাপ আরও স্পষ্ট হয়েছে।

খুশিদা বেগম বলেন, আমার ছেলে কবে আসবে জানি না। আমি শুধু একবার ছেলেকে চোখের সামনে দেখতে চাই। ছেলেকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

স্থানীয় প্রতিবেশী মিজান হোসেন ও বাচ্চু মিয়া জানান, শহিদুল্লাহ ৪ বছর সৌদি আরবে কাজ করেছেন। ৪ বছর পর দেশে এসে পুনরায় তিনি সৌদিতে চলে যান, তারপর শুরু তার ট্র্যাজেডি।

তাদের মতে, তিনি সহজ-সরল মানুষ ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে থাকায় তার পরিবার চরম মানসিক ও আর্থিক সংকটের মধ্যে রয়েছে।

পরিবারের সদস্যদের প্রত্যাশা, বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিতে বিবেচনা করে বাংলাদেশ সরকার সৌদি আরবের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও দূতাবাসের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনি ও কূটনৈতিক উদ্যোগ নেবে। একই
সঙ্গে শহিদুল্লাহর মামলার বর্তমান অবস্থা ও সম্ভাব্য আইনি পথ সম্পর্কে পরিবারকে সহায়তা করা হবে।

১৪ বছর ধরে অপেক্ষায় একটি পরিবার। স্ত্রী অপেক্ষা করছেন স্বামীর জন্য, সন্তানরা বাবার জন্য আর বৃদ্ধা মা অপেক্ষা করছেন তার প্রিয় ছেলের জন্য।

বয়সের ভারে নুয়ে পড়া খুশিদা বেগমের একটাই আকুতি, মৃত্যুর আগে যেন একবার ছেলেকে ফিরে পান তিনি।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সরকারের জরুরি বার্তা
সোমবার (২ নভেম্বর) নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে সৌদি প্রবাসীদের জন্য বিস্তারিত দিকনির্দেশনা সংবলিত জরুরি বার্তা প্রকাশ করেছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।
সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সরকারের জরুরি বার্তা
আমিরাতের সড়কে প্রাণ হারালেন ২ বাংলাদেশি
বর্তমানে দুজনের মরদেহ স্থানীয় হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে। পুলিশি আনুষ্ঠানিকতা ও দূতাবাসের প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ দুটি দেশে পাঠানো হবে। 
আমিরাতের সড়কে প্রাণ হারালেন ২ বাংলাদেশি
বাংলাদেশি গবেষক ইরফানের মৃত্যু নিয়ে মার্কিন গণমাধ্যমে চাঞ্চল্যকর তথ্য 
গত ৩১ অক্টোবর দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রকাশিত এই প্রতিবেদনের শিরোনাম, ‘দ্য সাডেন ডেথ অব অ্যান এনভিডিয়া এআই প্রডিজি লিভস বিহাইন্ড বিটার অ্যাকিউজেশনস’। প্রতিবেদনটি লিখেছেন সাংবাদিক জুশা এলিনসন।
বাংলাদেশি গবেষক ইরফানের মৃত্যু নিয়ে মার্কিন গণমাধ্যমে চাঞ্চল্যকর তথ্য 
মিশিগানে আবৃত্তিকার সাইফুল আজম সিদ্দিকীর একক আবৃত্তি অনুষ্ঠান ‘মনের গহীনে বাংলা’ 
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যে বাংলা কবিতা, গান ও নৃত্যের সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আবৃত্তিকার সাইফুল আজম সিদ্দিকীর একক আবৃত্তি অনুষ্ঠান ‘মনের গহীনে বাংলা’। রোববার (১ নভেম্বর) বিকেল ৩টা থেকে ৬ টা পর্যন্ত ফার্মিংটন হিলসের দ্য হক ফার্মিংটন হিলস কমিউনিটি সেন্টারে এ অনুষ্ঠান হবার কথা রয়েছে। ‘মনের গহীনে বাংলা’ নামের এই আয়োজনের মূল উপজীব্য দেশ, মা, মাটি, প্রেম, মাতৃভাষা এবং বাঙালির শিকড়ের প্রতি ভালোবাসা। প্রবাসে বসবাস করেও বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতিকে হৃদয়ে ধারণ করার যে নিরন্তর প্রয়াস, কবিতা ও আবৃত্তির মধ্য দিয়ে সেটিই দর্শকদের সামনে তুলে ধরা হবে। অনুষ্ঠানের শিরোনামের মধ্যেও রয়েছে বাংলার প্রতি গভীর আবেগ ও আত্মিক টানের প্রকাশ। অনুষ্ঠান সম্পর্কে সাইফুল আজম সিদ্দিকী বলেন, এখানে কবিতায় দেশের কথা বলব, প্রেমের কথা বলব, বাংলার কথা বলব।  তিনি জানান, দেশ, মা ও মাটির কথা মাথায় রেখেই অনুষ্ঠানের কবিতাগুলো নির্বাচন করা হয়েছে। বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন সময়ের শক্তিমান কবিদের রচনার পাশাপাশি সমকালীন ও প্রবাসী কবিদের কবিতাও আয়োজনে স্থান পাবে। অনুষ্ঠানে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার পাশাপাশি নির্মলেন্দু গুণ, হেলাল হাফিজ, রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ, আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ, সৈয়দ শামসুল হক এবং মহাদেব সাহার নির্বাচিত কবিতা আবৃত্তি করা হবে। বাংলা কবিতার বিভিন্ন সময়, ধারা ও অনুভূতিকে এক মঞ্চে তুলে ধরার চেষ্টা থাকবে পুরো আয়োজনে। এটি সাইফুল আজম সিদ্দিকীর একক আবৃত্তি অনুষ্ঠান হলেও মিশিগানের কয়েকজন কবি ও জনপ্রিয় আবৃত্তিকার অতিথি হিসেবে অংশ নেবেন। তাঁরা নিজেদের নির্বাচিত কবিতা পাঠ ও আবৃত্তির মাধ্যমে অনুষ্ঠানকে আরও বৈচিত্র্যময় করে তুলবেন। ফলে একক আবৃত্তির পাশাপাশি এটি প্রবাসী বাঙালি কবি, আবৃত্তিশিল্পী ও সংস্কৃতিপ্রেমীদের একটি মিলনমেলায় পরিণত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কেবল আবৃত্তির মধ্যে অনুষ্ঠানটি সীমাবদ্ধ থাকবে না। কবিতার সঙ্গে গান ও নৃত্যের সমন্বয়ে বিশেষ পরিবেশনার আয়োজন রাখা হয়েছে। রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলসংগীত এবং আবদুল করিমের গানসহ বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় গানের অংশবিশেষ পরিবেশিত হবে। কোনো কোনো পরিবেশনায় কবিতা ও গান মিলিয়ে তৈরি হবে বিশেষ ফিউশন। এ ছাড়া প্রবাসে বেড়ে ওঠা কয়েকজন তরুণ-তরুণী বাংলা কবিতার সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করবেন। কবিতা, কণ্ঠ, সুর ও নৃত্যের এই সমন্বয় অনুষ্ঠানটিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আয়োজকেরা মনে করছেন। দেড় যুগেরও বেশি সময় ধরে প্রবাসে বসবাস করছেন সাইফুল আজম সিদ্দিকী। তিনি একাধারে সাংবাদিক, কলামিস্ট, আবৃত্তিকার এবং প্রবাসী ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সংগঠক। ইউনিভার্সিটি অব মিশিগান থেকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের পর বর্তমানে বহুজাতিক গাড়ি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান স্টেলান্টিসে প্রকৌশল ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত আছেন। অনুষ্ঠানটি যথাসময়ে শুরু করার জন্য শিল্পী ও অংশগ্রহণকারীদের বিকেল ২টা ৪৫ মিনিটের মধ্যে অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত হওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। আয়োজকদের প্রত্যাশা, ‘মনের গহীনে বাংলা’ মিশিগানের প্রবাসী বাঙালিদের কাছে কবিতা, গান ও নৃত্যের একটি স্মরণীয় বিকেল হয়ে থাকবে। অনুষ্ঠানস্থলের ঠিকানা: The Hawk–Farmington Hills Community Center, 29995 W. 12 Mile Road, Farmington Hills, MI 48334। আরটিভি/টিআর
মিশিগানে আবৃত্তিকার সাইফুল আজম সিদ্দিকীর একক আবৃত্তি অনুষ্ঠান ‘মনের গহীনে বাংলা’ 
আমিরাতের দুই বাংলাদেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এইচএসসির সাফল্য
সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ফলাফলে সাফল্য দেখিয়েছে দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ২০২৬ সালের পরীক্ষায় রাস আল খাইমাহর বাংলাদেশ ইংলিশ প্রাইভেট স্কুল অ্যান্ড কলেজে পাসের হার ৮৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ। অন্যদিকে, আবুধাবির শেখ খলিফা বিন জায়েদ বাংলাদেশ ইসলামিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজে পাসের হার শতভাগ। প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, রাস আল খাইমাহর বাংলাদেশ ইংলিশ প্রাইভেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এবার ১৮ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১৬ জন। অকৃতকার্য হয়েছে দুজন। প্রতিষ্ঠানটির ছয়জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। বিভাগভিত্তিক ফলাফলে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে তিনজন এবং বিজ্ঞান বিভাগ থেকে তিনজন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ পেয়েছে। অন্যদিকে, আবুধাবির শেখ খলিফা বিন জায়েদ বাংলাদেশ ইসলামিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ১০০ শতাংশ। গ্রেডভিত্তিক ফলাফলে প্রতিষ্ঠানটির ১১ জন শিক্ষার্থী ‘এ’, তিনজন ‘এ-’ এবং একজন ‘বি’ গ্রেড অর্জন করেছে। দুই প্রতিষ্ঠানের মোট ৩৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩১ জন। সম্মিলিত পাসের হার ৯৩ দশমিক ৯৪ শতাংশ। দুই প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে ছয়জন শিক্ষার্থী। সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রবাসী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বাংলা মাধ্যমের শিক্ষাব্যবস্থা পরিচালনা করছে এসব প্রতিষ্ঠান। দেশ থেকে দূরে থেকেও বাংলাদেশের শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে শিক্ষার্থীদের এই ফলাফল প্রবাসে বাংলাদেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষাকার্যক্রমের অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরেছে। আরটিভি/টিআর
আমিরাতের দুই বাংলাদেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এইচএসসির সাফল্য
আরও পড়ুন
সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সরকারের জরুরি বার্তা
আবারও সৌদিতে সতর্কতা জারি
সৌদিতে হত্যা করে মরুভূমিতে বালুচাপা, জসিমের মরদেহ এলো দেশে
সৌদি আরবে হঠাৎ ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি, ঘটনা কী