
ফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। প্যারিসসহ বিভিন্ন শহরে দোকানপাট, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি স্থাপনায় হামলা হয়েছে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) বাংলাদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানও লুটপাট ও ভাঙচুরের শিকার হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত একাধিক ব্যবসায়ী।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, কয়েকটি বাংলাদেশি মালিকানাধীন দোকানে হামলা চালিয়ে পণ্য ও অন্যান্য মালামাল লুট করা হয়েছে। ভাঙচুরে দোকানের সরঞ্জাম ও অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে ব্যবসায়ীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। অনেক প্রবাসী বাংলাদেশির জীবিকা ছোট ও মাঝারি ব্যবসার ওপর নির্ভরশীল। তাই এসব হামলা তাদের আয় ও পারিবারিক জীবনে সরাসরি প্রভাব ফেলছে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের সঠিক সংখ্যা ও মোট আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ এখনো নির্ধারণ করা যায়নি।
বিক্ষোভের সময় কয়েকটি স্থানে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। দোকানপাট ভাঙচুর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে লুটপাট, যানবাহনে আগুন এবং সরকারি স্থাপনায় হামলার খবর পাওয়া গেছে।
বিক্ষোভে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রায় ৫০০ সদস্য আহত হয়েছেন এবং প্রায় ১ হাজার ৮০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। সহিংসতার ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছে ফ্রান্স প্রশাসন।
ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের জন্য এখন জরুরি বিষয় হলো নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ক্ষয়ক্ষতির সঠিক হিসাব নির্ধারণ এবং দ্রুত ব্যবসা চালু করার ব্যবস্থা করা। প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের মতে, ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ, প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা এবং ব্যবসা পুনরায় চালু করতে সহযোগিতা নিশ্চিত করা জরুরি।
আরটিভি/ এসকেডি


