ঢাকা রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩

ফ্রান্সের বিক্ষোভে বাংলাদেশিদের দোকানে হরিলুট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত।

ফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। প্যারিসসহ বিভিন্ন শহরে দোকানপাট, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি স্থাপনায় হামলা হয়েছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) বাংলাদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানও লুটপাট ও ভাঙচুরের শিকার হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত একাধিক ব্যবসায়ী।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, কয়েকটি বাংলাদেশি মালিকানাধীন দোকানে হামলা চালিয়ে পণ্য ও অন্যান্য মালামাল লুট করা হয়েছে। ভাঙচুরে দোকানের সরঞ্জাম ও অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে ব্যবসায়ীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। অনেক প্রবাসী বাংলাদেশির জীবিকা ছোট ও মাঝারি ব্যবসার ওপর নির্ভরশীল। তাই এসব হামলা তাদের আয় ও পারিবারিক জীবনে সরাসরি প্রভাব ফেলছে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের সঠিক সংখ্যা ও মোট আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ এখনো নির্ধারণ করা যায়নি।

বিক্ষোভের সময় কয়েকটি স্থানে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। দোকানপাট ভাঙচুর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে লুটপাট, যানবাহনে আগুন এবং সরকারি স্থাপনায় হামলার খবর পাওয়া গেছে।

বিক্ষোভে ‌পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রায় ৫০০ সদস্য আহত হয়েছেন এবং প্রায় ১ হাজার ৮০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। সহিংসতার ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছে ফ্রান্স প্রশাসন।

ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের জন্য এখন জরুরি বিষয় হলো নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ক্ষয়ক্ষতির সঠিক হিসাব নির্ধারণ এবং দ্রুত ব্যবসা চালু করার ব্যবস্থা করা। প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের মতে, ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ, প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা এবং ব্যবসা পুনরায় চালু করতে সহযোগিতা নিশ্চিত করা জরুরি।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সৌদিতে ৭ বাংলাদেশির মৃত্যুর জন্য দায়ী এক পাকিস্তানি, গাড়ি চালাচ্ছিলেন বেপরোয়া গতিতে
স্থানীয় সময় শ‌নিবার (৭ ন‌ভেম্বর) রা‌তে জেদ্দায় অবস্থিত বাংলাদেশ কনস্যুলেট থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
সৌদিতে ৭ বাংলাদেশির মৃত্যুর জন্য দায়ী এক পাকিস্তানি, গাড়ি চালাচ্ছিলেন বেপরোয়া গতিতে
সৌদির সড়কে প্রাণ হারানো ৭ বাংলাদেশির পরিচয় জানা গে‌ল
গত ৭ অক্টোবর দিবাগত রাত ২টার দিকে মদিনা থেকে জেদ্দায় ফেরার পথে আল-হিমনা নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে মোট ১৩ জন বাংলাদেশি হতাহত হন।
সৌদির সড়কে প্রাণ হারানো ৭ বাংলাদেশির পরিচয় জানা গে‌ল
বাহরাইনে বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ফেন্সিং ফেডারেশনের প্রতিনিধির সৌজন্য সাক্ষাৎ
বাহরাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. রইস হাসান সরোয়ারের (এনডিসি) সঙ্গে আজ শনিবার বাংলাদেশ দূতাবাস মানামায় এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হয়েছেন বাংলাদেশ ফেন্সিং ফেডারেশনের জাতীয় রেফারি ও নবগঠিত এডহক কমিটির নির্বাহী সদস্য সৈয়দ রিয়াদ হোসেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ফেন্সিং খেলার সার্বিক অগ্রগতি, সম্ভাবনা এবং পেশাদারিত্ব বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে ফলপ্রসূ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত মো. রইস হাসান সরোয়ার বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশের এই উদীয়মান খেলাটির প্রসারে ফেডারেশনের উদ্যোগ ও কর্মকাণ্ডের ভূয়সী প্রশংসা করেন। একই সাথে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের ফেন্সারদের ধারাবাহিক সফলতা কামনা করে দেশের ফেন্সিংয়ের সুদূরপ্রসারী ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা জানান। বৈঠকে সৈয়দ রিয়াদ হোসেন ফেন্সিং খেলাকে তৃণমূল থেকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটির গৃহীত বিভিন্ন মেয়াদি পরিকল্পনা সম্পর্কে রাষ্ট্রদূতকে বিস্তারিত অবহিত করেন।  বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে খেলাধুলার আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক ও প্রবাসী ক্রীড়ানুরাগীদের সম্পৃক্ত করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার বিষয়েও আলোচনা হয়। ‎ আরটিভি/এসআর  
বাহরাইনে বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ফেন্সিং ফেডারেশনের প্রতিনিধির সৌজন্য সাক্ষাৎ
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন
যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনে এই বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। হাইকমিশনের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত, বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ এবং জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় কর্তৃক নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এরপর দিবসটির তাৎপর্যের ওপর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী, মালয়েশিয়া বিএনপির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার বাদলুর রহমান খান, মালয়েশিয়া বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন এবং সিনিয়র সহসভাপতি  মাহবুব আলম শাহ। বক্তারা বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসে ৭ নভেম্বরের তাৎপর্য তুলে ধরেন এবং দিনটিকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করেন। বক্তারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক ভূমিকা স্মরণ করেন এবং  পরবর্তী সময়ে তাঁর নেতৃত্ব বাংলাদেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রযাত্রায় বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন । হাইকমিশনার তার বক্তব্যে বাংলাদেশের ইতিহাস ও জাতীয় জীবনে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের তাৎপর্য তুলে ধরেন। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রযাত্রা, বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, মুক্তবাজার অর্থনীতির প্রসার, তৈরি পোশাকশিল্পের ভিত্তি স্থাপন, বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং কৃষি বিপ্লব ও খাল খনন কর্মসূচির ওপর আলোকপাত করেন । আলোচনা সভা শেষে দেশ ও জাতির শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তী সময়ে এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, মালয়েশিয়ায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ, মালয়েশিয়া বিএনপির নেতাকর্মী, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।  ‎ আরটিভি/এসআর  
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন
নেপালস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন
কাঠমান্ডুস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস আজ দূতাবাস প্রাঙ্গণে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন করেছে। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক মুহুর্ত  এবং বাংলাদেশের ইতিহাসে এ দিবসের তাৎপর্য স্মরণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শনিবার (৭ নভেম্বর) অনুষ্ঠানের শুরুতে দূতাবাস প্রাঙ্গণে বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশির উপস্থিতিতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। পরবর্তীতে দূতাবাসের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ও নেপালের জাতীয় সংগীত পরিবেশন, আলোচনা পর্ব এবং শহীদদের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা এবং দেশের অব্যাহত শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।  দিবসটি উপলক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়। এ ছাড়া দিবসটির ঐতিহাসিক পটভূমি ও তাৎপর্য তুলে ধরে দুটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। আলোচনা পর্বে বক্তারা ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক তাৎপর্য, জাতি গঠন প্রক্রিয়ায় এর অবদান এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এ দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাঁরা বহুদলীয় গণতন্ত্র, বাক্‌স্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভূমিকার কথা স্মরণ করেন।  একই সঙ্গে দেশের জাতীয় ঐক্য, সার্বভৌমত্ব এবং স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা সুরক্ষায় জনগণের সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষা ধারণ ও সংরক্ষণে তার গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা তুলে ধরেন।  সমাপনী বক্তব্যে নেপালে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শফিকুর রহমান বাংলাদেশের জাতীয় জীবনে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের গুরুত্ব ও প্রাসঙ্গিকতার ওপর আলোকপাত করেন। তিনি এ ঘটনাকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এদিন সৈনিক ও সাধারণ জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় স্বাধীনতার ঘোষক, বীর উত্তম শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন এবং পরবর্তীতে গভীর সংকট থেকে দেশকে উত্তরণের দায়িত্ব তাঁর ওপর অর্পিত হয়।  রাষ্ট্রদূত বলেন, জাতীয় নেতা হিসেবে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আবির্ভাব, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও সুরক্ষা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করে।  রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, বাংলাদেশে উৎপাদনমুখী রাজনীতির পথিকৃৎ হিসেবে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভূমিকা ও তার সুদূরপ্রসারী অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রচারসর্বস্ব রাজনীতির পরিবর্তে উৎপাদনমুখী রাজনীতির প্রবর্তন, জাতীয় নীতিনির্ধারণে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের অন্তর্ভুক্তি এবং বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ ও বিষয়াবলিকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরার মাধ্যমে তিনি ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির ভিত্তি স্থাপন করেন।  জাতীয় ঐক্য, সংহতি ও দেশপ্রেমের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে রাষ্ট্রদূত প্রবাসী বাংলাদেশিদের জাতীয় প্রতিষ্ঠানসমূহকে শক্তিশালী করা, অবকাঠামো নির্মাণ, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন এবং সর্বোপরি জাতীয় উন্নয়ন ও অগ্রগতির লক্ষ্যে সরকারের প্রচেষ্টায় সহযোগিতা করার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের সাবেক রাষ্ট্রদূতগণ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, নেপালের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সার্ক, ICIMODসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিবৃন্দ এবং নেপালে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিসহ প্রায় ১০০ জন অতিথি উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/এসআর  
নেপালস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন
আরও পড়ুন
ফ্রান্সে ফের বিক্ষোভের ডাক, শনিবার একই দিনে দুটি কর্মসূচি
ফ্রান্সে বিক্ষোভে উত্তাল রাজপথ: গ্রেপ্তার ৪৪৮, আহত ৫৩ পুলিশ
ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির দপ্তরের প্রশংসাপত্র পেলেন বাংলাদেশি আলোকচিত্রী ফরিদ আহাম্মদ রনি
ফ্রান্সে টিভি চ্যানেল বন্ধের দাবিতে ৫ লাখের বেশি মানুষের স্বাক্ষর