ঢাকা শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩

পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে আসছে বৃহস্পতি, দেখবেন যেভাবে

আরটিভি নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ : ০৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:১৯ পিএম
প্রতীকী ছবি

সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ বৃহস্পতি চলতি সপ্তাহেই পৃথিবীর সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থানে আসছে, যা জ্যোতির্বিদ ও আকাশপ্রেমীদের জন্য এক বিরল মহাজাগতিক দৃশ্য উপভোগের সুযোগ করে দিচ্ছে।

দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সময়ে রাতের আকাশে বৃহস্পতি অত্যন্ত উজ্জ্বলভাবে দৃশ্যমান হবে। জেমিনি নক্ষত্রমণ্ডলের দুই উজ্জ্বল তারা ‘ক্যাস্টর’ ও ‘পোলাক্স’-এর সঙ্গে মিলে বৃহস্পতি আকাশে একটি অসম ত্রিভুজ তৈরি করবে।

পৃথিবীর চেয়ে ১১ গুণ বড় ব্যাসের এই গ্রহটির মেঘাচ্ছন্ন পৃষ্ঠে প্রচুর পরিমাণে সূর্যের আলো প্রতিফলিত হওয়ায় এটি শুক্র গ্রহের চেয়েও অনেক দূরে থাকা সত্ত্বেও অবিশ্বাস্য উজ্জ্বল দেখাবে। এই বিশেষ মুহূর্তে পৃথিবী থেকে বৃহস্পতির দূরত্ব হবে প্রায় ৬৩৩ মিলিয়ন কিলোমিটার।

সূর্য থেকে আলো বৃহস্পতিতে পৌঁছাতে ৪৩ মিনিট সময় নিলেও, বৃহস্পতি থেকে প্রতিফলিত সেই আলো মাত্র ৩৫ মিনিটে পৃথিবীতে এসে পৌঁছাবে।

আরও পড়ুন

আগামী ৯ জানুয়ারি রাতে উত্তর ও দক্ষিণ উভয় গোলার্ধের মানুষ পূর্ব আকাশে খালি চোখেই সহজে বৃহস্পতিকে দেখতে পাবেন। তবে এর সৌন্দর্য আরও স্পষ্টভাবে উপভোগ করতে বাইনোকুলারের সাহায্য নেওয়া যেতে পারে, যার মাধ্যমে গ্রহটির চারটি বৃহত্তম উপগ্রহ দেখাও সম্ভব হবে।

এছাড়া ১০ গুণ বা তার বেশি ক্ষমতার টেলিস্কোপ ব্যবহার করলে বৃহস্পতির মেঘের বিচিত্র আচ্ছাদনও দেখা যাবে বলে জানানো হয়েছে। মহাকাশ পর্যবেক্ষকদের জন্য বছরের অন্যতম সেরা এই দৃশ্যটি মিস না করতে উৎসাহ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

আরটিভি/এএইচ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মৃত নক্ষত্রের ছাই থেকে তৈরি হওয়া গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা
মৃত নক্ষত্রের ধ্বংসাবশেষ থেকে নতুন একটি গ্রহ তৈরি হয়েছে—এমন সম্ভাবনার প্রথম প্রমাণ পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। মহাবিশ্বের বুকে নক্ষত্রের জন্ম ও মৃত্যুর চক্র অন্তহীন।
মৃত নক্ষত্রের ছাই থেকে তৈরি হওয়া গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা
মেয়ে সন্তান হলেই কি আয়ু বাড়ে বাবার? গবেষণায় মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য
সন্তান জন্মের পর বদলে যায় জীবনের অনেক হিসাব। বাড়ে দায়িত্ব, তৈরি হয় নতুন স্বপ্ন। তবে ছেলে না মেয়ে— সন্তানের লিঙ্গের সঙ্গে বাবার আয়ুর কোনো সম্পর্ক আছে কি? বিশেষ করে, কন্যাসন্তান হলে বাবার আয়ু বাড়ে— এমন ধারণার পেছনে কতটা বৈজ্ঞানিক সত্য রয়েছে?
মেয়ে সন্তান হলেই কি আয়ু বাড়ে বাবার? গবেষণায় মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য
প্রথমবার ৩ লাখ বছর আগের মানুষের মুখচ্ছবি উন্মোচন
প্রায় ৩ লাখ ১৫ হাজার বছর আগের এক আদি মানুষের মুখচ্ছবি পুনর্গঠন করেছেন গবেষকরা। তাদের মতে, আধুনিক পোশাক পরিয়ে ওই মানুষকে আজকের মানুষের ভিড়ে দাঁড় করালে প্রথম দেখায় আলাদা করে চেনা কঠিন হতো।
প্রথমবার ৩ লাখ বছর আগের মানুষের মুখচ্ছবি উন্মোচন
প্রথমবার সৌরজগতের বাইরের গ্রহ থেকে সরাসরি রেডিও সংকেত শনাক্ত
পৃথিবীর বাইরে প্রাণের অস্তিত্বের এখনো কোনো প্রমাণ মেলেনি। তবে মহাবিশ্বে আমরা একা কিনা, তা জানতে বিজ্ঞানীদের অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে। এবার সেই অনুসন্ধানে গুরুত্বপূর্ণ এক সাফল্য পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। প্রথমবারের মতো সৌরজগতের বাইরের একটি গ্রহ থেকে সরাসরি আসা রেডিও সংকেত শনাক্ত করেছেন তারা।
প্রথমবার সৌরজগতের বাইরের গ্রহ থেকে সরাসরি রেডিও সংকেত শনাক্ত
ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে বিশ্ব
প্রচণ্ড তাপপ্রবাহের কারণে পৃথিবীর তাপমাত্রা নিয়মিত নতুন রেকর্ড গড়ছে। চলতি বছরের প্রথম আট মাসে বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ১ দশমিক ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি রেকর্ড করা হয়েছে।  আবহাওয়াবিদদের মতে, এই ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি বছরকে ইতিহাসের অন্যতম উষ্ণতম বছর হিসেবে রেকর্ড করা হতে পারে। শুধু তা–ই নয়, আসন্ন সুপার এল নিনো পরিস্থিতির কারণে আগামী বছরগুলোয় এই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তারা। একিউওয়েদারের বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, আসন্ন সুপার এল নিনোর কারণে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের তাপমাত্রা মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।  কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের আগস্টকে ইতিহাসের উষ্ণতম আগস্ট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সাধারণত জুলাই বছরের উষ্ণতম মাস হলেও এ বছর আগস্ট জুলাইকে ছাড়িয়ে গেছে।  একিউওয়েদারের আবহাওয়াবিদ টাইলার রয়স জানান, বায়ুমণ্ডল ও মহাসাগরের সর্বত্র এই তাপমাত্রার ব্যাপক বিস্তার লক্ষ করা যাচ্ছে। এল নিনো দ্রুত শক্তিশালী হয়ে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের আবহাওয়া ও বৃষ্টির ধরন সম্পূর্ণ বদলে দিতে পারে। এল নিনো হলো একটি প্রাকৃতিক জলবায়ু চক্র, যা প্রতি দুই থেকে সাত বছর পরপর ঠান্ডা ও উষ্ণ দশার মধ্যে পরিবর্তিত হয়। এই উষ্ণ দশার সময় বিষুবীয় প্রশান্ত মহাসাগরের ভূপৃষ্ঠের উষ্ণতা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়। মহাসাগরের এই বর্ধিত তাপশক্তি ধীরে ধীরে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ে এবং চরম আবহাওয়ার সৃষ্টি করে।  যুক্তরাষ্ট্রের মেট অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ভবিষ্যতে প্রশান্ত মহাসাগরের উষ্ণতা ৩ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি এবং প্রচণ্ড তাপপ্রবাহের ঝুঁকিও বহুগুণ বেড়ে গেছে।  বিজ্ঞানীদের মতে, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এই জলবায়ুসংকট মানবসভ্যতার জন্য বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনবে। সূত্র: ডেইলি মেইল আরটিভি/এসএস
ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে বিশ্ব
আরও পড়ুন
প্রথমবার সৌরজগতের বাইরের গ্রহ থেকে সরাসরি রেডিও সংকেত শনাক্ত
দেশের আকাশে দেখা যাবে দুই গ্রহের মহামিলনের দৃশ্য