ঢাকা রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

নির্বাচনী স্মৃতিচারণায় মিলন 

‘নৌকার প্রতীক বুকে লাগিয়ে সবাই ভোট দিয়েছে ধানের শীষে’

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:৫৫ পিএম
মো. মাহবুব কবীর মিলন। ফাইল ছবি

নিজের কর্মজীবনে দায়িত্ব পালন করা নির্বাচনের স্মৃতি রোমন্থন করেছেন অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব মো. মাহবুব কবীর মিলন।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকালে এক ফেসবুক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে তিনি এ স্মৃতিচারণ করেন।

মাহবুব কবীর মিলন লিখেছেন, জাতীয় সংসদের এক নির্বাচনে ম্যাজিস্ট্রেরিয়াল ডিউটি করছি আর্মি সাথে নিয়ে। বিশাল এলাকা। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রধান দুই মার্কা নৌকা এবং ধানের শীষ। শুধু নৌকা আর নৌকা। পুরো এলাকায় ধানের শীষের কোনো চিহ্ন নেই। নেই কোনো বুথ, পোস্টার ব্যানার। ধানের শীষের বুথ দুমড়ে-মুচড়ে মাটির সাথে মিশে ফেলা হয়েছে। ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে সকল ব্যানার আর পোস্টার।

আরও পড়ুন

তিনি আরও লিখেছেন, নৌকার উল্লাস চলছে চারিদিকে। প্রতিটি মানুষের বুকে নৌকার স্টিকার লাগানো। সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ভোট চলছে। বিশাল দীর্ঘ লাইন। ভোটকেন্দ্রের ভেতরে, বুথে কোনো ঝামেলা নেই। সব দলের এজেন্ট উপস্থিত। কারো কারো মুখ অন্ধকার। কোনো প্রকার ঝামেলা ছাড়াই নির্বাচন শেষ হল। গণনাও শেষ হল।

অবসরপ্রাপ্ত এই অতিরিক্ত সচিব লিখেছেন, প্রতিটি সেন্টারে নৌকার চেয়ে প্রায় তিন-চার গুন বেশি ভোট পেয়েছে ধানের শীষ। ফলাফলে হতবাক হলাম। তার মানে নৌকার প্রতীক বুকে লাগিয়ে সবাই ভোট দিয়েছে ধানের শীষে। বাইরে এক, ভেতরে আর এক। জনগণ বহুত চালাক। তাদের মতিগতি বোঝা বড় দায়। জনগণ সকল শক্তির উৎস, যদি ভোট কেন্দ্রের ভেতরে সে যেতে পারে।

তিনি লিখেছেন, যেদিন এই ডিউটি করছি, তার আগের দিন আমার বাবা স্ট্রোক করে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে শুয়ে। ছুটি পাইনি। সেই ২০০১ সালের কাহিনী। কাজেই আগেভাগে আনন্দের কিছু নেই। কাজ করুন। জনগণের কাছে যান। আপনাদের প্রতি জনগণের আস্থা সৃষ্টি করুন। সব রাজনৈতিক দলের কাছে এটা একটা সতর্কবার্তা।

সবশেষে মাহবুব কবীর মিলন লিখেছেন, ফেসবুক ভোট যাচাইয়ের জায়গা নয়, ভাই।

Posted by Facebook on Date:

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুর
জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মোহাম্মদ মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে রাজধানীর ইসিবি চত্বরের নিউগ্রিনি প্রপার্টিজে এ ঘটনা ঘটে।
সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুর
‘মাদরাসা শিক্ষকের অপরাধে চুপ থাকেন কেন?’ যে জবাব দিলেন আহমাদুল্লাহ
মাদরাসায় শিশু নির্যাতনের বেশ কয়েকটি দুঃখজনক ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। শায়খ আহমাদুল্লাহ কিছু বক্তব্যে এ ধরনের অপরাধের নিন্দা করেছেন, মাদ্রাসার শিশু শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ৬ দফা সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনাও পেশ করেছেন। এরপরও অনেকে মনে করেন তিনিসহ আলেমরা এ ইস্যুতে যথেষ্ট সরব নন।  অপরাধীরা মাদরাসা শিক্ষক দেখেই তারা চুপ করে আছেন। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে একজন শ্রোতা সরাসরি এ রকম অভিযোগসহ প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন যে, ‘মাদরাসা শিক্ষক কর্তৃক শিক্ষার্থীর প্রতি পাশবিক নির্যাতনের ঘটনা প্রায়ই শোনা যায়। কিন্তু এ ধরনের ঘটনায় আপনাদেরকে কথা বলতে শোনা যায় না কেন?’ উত্তরে শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, এই ধরনের অভিযোগ আনা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ভাই। আমাদের সমাজের বড় একটি মসিবত হলো, আমরা কোনো অপরাধ সংগঠিত হলে অপরাধীকে বিভিন্ন ট্যাগ দিয়ে বা নানা গ্রুপে ফেলে তার অপরাধের মাত্রাটাকে অনেক সময় হালকা করে ফেলি; কখনো জ্ঞাতসারে, আবার কখনো অজ্ঞাতসারে। আমরা এর আগেও বহুবার স্পষ্ট ভাষায় কথা বলেছি যে, মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কোরআনে অপরাধের জন্য যেই নির্দিষ্ট শাস্তির বিধান দিয়েছেন, তা দেশের আর কারও প্রতি সরকার কার্যকর করতে পারুক বা না পারুক, যারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে আল্লাহর বিধান দ্বারা শাসিত হতে চায়—যেমন মাদ্রাসার ছাত্র, শিক্ষক, আলেম-ওলামা ও দ্বীনদার মানুষ—তাদের প্রতি তো অন্তত তা কার্যকর করা যায়। তাদেরকে তো এই বিধান দিয়ে শাসন করা সম্ভব, নাকি? আপনারা তাদের প্রতি সেই কোরআনিক শাস্তিটা কার্যকর করছেন না কেন? তাদের ওপর দৃষ্টান্তমূলক দু-চারটা শাস্তি নিশ্চিত করে কার্যকর করে দেখুন, দেখবেন অপরাধের সাথে যুক্ত সবাই এক নিমেষে সোজা হয়ে গেছে। কিন্তু কাজের বেলায় তো আপনারা সেই সঠিক পদক্ষেপটা গ্রহণ করেন না।   আমাদের বিচারব্যবস্থায় বিদ্যমান স্থবিরতা, চরম দীর্ঘসূত্রতা এবং ব্রিটিশদের রেখে যাওয়া অপরাধীর তথাকথিত অধিকার রক্ষার যে কালচার সেগুলো একটা বড় সমস্যা। অবশ্য ইসলামও স্বীকার করে যে, অপরাধীর মৌলিক অধিকার রক্ষা করা জরুরি। অপরাধ প্রমাণিত হওয়ার আগেই অভিযুক্তকে চূড়ান্ত অপরাধীর মতো ট্রিট করাটা এক ধরনের জুলুম। কিন্তু অপরাধীর প্রতি অতিরিক্ত সহানুভূতি দেখানো এবং তথাকথিত অধিকারের দোহাই দিয়ে তাকে ছাড় দিয়ে মাথায় তোলা কিংবা একের পর এক অপরাধের রাস্তা খুলে দেওয়া এগুলো তো সমাজ থেকে অপরাধ বন্ধের সঠিক পথ হতে পারে না। এজন্য অপরাধ সংগঠনের ক্ষেত্রে অপরাধী কি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, নাকি স্কুলের শিক্ষার্থী, সে কি মাদ্রাসার শিক্ষক নাকি স্কুলের শিক্ষক এসব পরিচয় বিবেচনার বিন্দুমাত্র দরকার নেই। আমরা তো দেশের নামীদামী স্কুল ও কলেজের বহু শিক্ষকের যৌন কেলেঙ্কারির খবর শুনেছি। কিন্তু কই, কোনোটার ক্ষেত্রে আমরা দৃষ্টান্তমূলক কোনো কঠোর শাস্তি কার্যকর হতে দেখেছি? বড়জোর তদন্তের নামে তাদেরকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে, কিছুদিন তারা একটু কোণঠাসা হয়ে মুখ লুকিয়ে থেকেছে, তারপর আবার সুবিধা বুঝে অন্য কোথাও ঠিকই ব্যবস্থা করে ফেলেছে।  অপরাধী যে-ই হোক না কেন, সে যদি মাদরাসার হুজুর বা দ্বীনি ব্যক্তিত্ব হয়, প্রয়োজনে তার শাস্তি আরও বাড়িয়ে দিন এবং আরও কঠিন রূপ দিন। কোরআন ও হাদিসে বর্ণিত কঠোর শাস্তির যে বিধান রয়েছে, তা অন্তত তাদের ওপর অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কার্যকর করার আইনি ব্যবস্থা করুন। অথবা দেশের প্রচলিত আইনেই যেভাবে হোক তদন্ত সাপেক্ষে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করুন, যদি তার অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়। নিরপেক্ষ তদন্ত পরিচালনা করে দ্রুত বিচারিক উদ্যোগ গ্রহণ করুন। এই প্রক্রিয়ার ব্যাপারে বা দোষীর শাস্তির ব্যাপারে আপনাদেরকে তো আলেমদের কেউ কখনো বাধা দেয় নাই।  কোনো মাদরাসা শিক্ষকের অপকর্ম কিংবা কোনো মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর কোনো কেলেঙ্কারী প্রকাশ পাওয়ার পর, যদি সিসিটিভি ফুটেজ বা অনুসন্ধানে তা সত্যি প্রমাণিত হয় আজকাল তো আসলে ঘুরিয়ে-পেচিয়ে বানিয়ে বানিয়ে অপরাধ লুকানোর সুযোগ খুবই কম। এটি প্রযুক্তির যুগ, সিসি ক্যামেরার যুগ, এআই ক্যামেরার যুগ। প্রযুক্তি ব্যবহার করে খুব দ্রুততার সাথেই সমস্ত কর্মকাণ্ড মনিটর করা যায়, গভীর তদন্ত করা যায় এবং ঘটনার পেছনের আসল সত্য বের করে আনা যায়। তো কোনো মাদ্রাসা শিক্ষকের অপরাধ দিবালোকের মতো পরিষ্কার হওয়ার পর তাকে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি করা হয়েছে আর অমনি সমস্ত হুজুরেরা রাস্তায় নেমে এসে প্রতিবাদ জানিয়েছে যে, না, আমাদের এই হুজুর যত অন্যায়ই করুক না কেন তাকে কোনো শাস্তি দেওয়া যাবে না, বাংলাদেশে আজ পর্যন্ত এমন কোনো ঘটনা কি কখনো ঘটেছে? আর ভবিষ্যতে কখনো ঘটবে বলে মনে হওয়াটাও কি সম্পূর্ণ অসম্ভব নয়?  অতএব আমাদের মূল প্রয়োজন হলো নিরপেক্ষ ও যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীকে দ্রুত বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির মুখোমুখি করা। সে কোন পরিচয়ের বা কোন পেশার লোক এই বিভাজনটা তৈরি করা আসলে আমাদের সমাজে অপরাধীদেরকে বেঁচে যাওয়ার সুযোগ পাইয়ে দেওয়া কিংবা বাঁচানোর এক অনভিপ্রেত অপচেষ্টা ছাড়া আর কিছুই নয়; যা হয়তো অনেক সময় আমাদের অজ্ঞাতসারেই ঘটে যাচ্ছে। এজন্য শিশুর ওপর কিংবা নারীর প্রতি পাশবিক নির্যাতন কে করেছে বা অপরাধীর পরনে কী পোশাক ছিল তা দেখার বিন্দুমাত্র প্রয়োজন নেই। সোজা হিসাব, অপরাধ প্রমাণিত হলে কঠোর শাস্তি কার্যকর করুন। একজন মাদরাসা শিক্ষক যদি অপরাধে ধরা পড়ে, তবে দিনশেষে সে-ও তো রক্তমাংসের মানুষ, সে তো আর আসমানের ফেরেশতা নয়! তার ভেতরেও নফস বা প্রবৃত্তি আছে, শয়তানের প্ররোচনা আছে। কেবল ধর্মীয় লেবাস গায়ে চাপালেই তো আর দুনিয়ার সব মানুষ রাতারাতি ভালো মানুষ হয়ে যায় না। অতএব অপরাধীর ওপর আইন অনুযায়ী শাস্তিটা প্রয়োগ করুন। আর আপনারা যে আমাদের মুখে শাস্তির দাবি শুনতে চান, এদেশে কত শত লোমহর্ষক ঘটনার পর দেশের সর্বস্তরের মানুষ কত কঠোর শাস্তির তীব্র দাবি তুলেছে, শেষ পর্যন্ত বাস্তবে কয়টা ঘটনার বিচার বা শাস্তি সঠিকভাবে কার্যকর হয়েছে? সুতরাং মূল যে বিচারিক ব্যবস্থার জায়গায় আমাদের সঠিক মনোযোগ দেওয়া দরকার, সেদিকে মনোযোগ না দিয়ে আমরা কেবল অহেতুক ব্লেম গেম করি এবং অনর্থক পরস্পরকে দোষারোপ করতে থাকি যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। যদি কোনো মাদরাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোনো প্রকার নৈতিক বা সামাজিক অপরাধের প্রমাণ সন্দেহাতীতভাবে পাওয়া যায়, তবে তাকে অবিলম্বে দৃষ্টান্তমূলক ও যথাযথ শাস্তির মুখোমুখি করা হোক—আমরা দেশের প্রতিটি সচেতন নাগরিকের মতো এই প্রত্যাশা করি এবং জোর দাবি জানাই। বিশেষ করে, দ্বীনি ও ইসলামিক লেবাস ধারণ করে কেউ যদি ইসলাম, সাধারণ মুসলিম এবং আলেম সমাজের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে, তবে তার ক্ষেত্রে কঠোর থেকে কঠোরতম শাস্তি কার্যকর হওয়ার প্রত্যাশা আমাদের অন্যান্যদের চেয়ে আরও অনেক বেশি এবং এই শাস্তির দাবি আমরাই সবচেয়ে উচ্চকণ্ঠে করি। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে একটি সুন্দর, সুস্থ, নিরাপদ ও শান্তিময় বাসযোগ্য আবাসভূমি লাভ করার তাওফিক দান করুন। আমিন। আরটিভি/এসআর
‘মাদরাসা শিক্ষকের অপরাধে চুপ থাকেন কেন?’ যে জবাব দিলেন আহমাদুল্লাহ
চুরির অভিযোগে আটক ক্ষুধার্ত বাবার মুখে রুটি তুলে দিচ্ছে মেয়ে
চুরির অভিযোগে বাজারের একটি খুঁটির সঙ্গে বাবাকে বেঁধে রাখা হয়েছে। খবর পেয়ে সকালে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে তার ছোট্ট রাজকন্যা। সারারাত না খেয়ে থাকা বাবার মুখে নিজের হাতে রুটি ও চা তুলে দেয় সে।  সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাবা-মেয়ের এই দৃশ্যের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনাটি বরিশালের উজিরপুর উপজেলার বামরাইল বাজারের। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দিবাগত গভীর রাতে বামরাইল বাজারের একটি দোকানে চুরির চেষ্টার অভিযোগে অনিক সরদার নামে এক যুবককে আটক করেন স্থানীয়রা। পরে তাকে বাজারের একটি খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়। খবর পেয়ে শনিবার সকালে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে অনিকের মেয়ে। সারারাত অনাহারে থাকা বাবার জন্য বাজারের একটি দোকান থেকে রুটি ও চা নিয়ে আসে সে। এরপর খুঁটির সঙ্গে বাঁধা বাবার মুখে নিজের হাতে খাবার তুলে দেয় ছোট্ট মেয়েটি। বাবার প্রতি মেয়ের এই ভালোবাসার দৃশ্যটি স্থানীয় এক যুবক মোবাইল ফোনে ধারণ করেন। পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে মুহূর্তের মধ্যেই তা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি দেখে অনেকেই বলছেন অভিযোগ যার বিরুদ্ধেই থাকুক, সন্তানের কাছে বাবা সবসময়ই বাবা। আরটিভি/এসআর
চুরির অভিযোগে আটক ক্ষুধার্ত বাবার মুখে রুটি তুলে দিচ্ছে মেয়ে
প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীদের ফেসবুকে যে বার্তা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এর নিয়োগপত্র পাওয়া নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীদের ফেসবুকে যে বার্তা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী
গরীবের ক্লিনিক ভাঙায় দুষ্কৃতিকারীদের কঠোর শাস্তির দাবি জামায়াত আমিরের
রাজধানীর মিরপুর-১ নম্বরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় দুষ্কৃতিকারীদের কঠোর শাস্তির দাবি করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
গরীবের ক্লিনিক ভাঙায় দুষ্কৃতিকারীদের কঠোর শাস্তির দাবি জামায়াত আমিরের
আরও পড়ুন
কোনো শিক্ষক নির্বাচন করতে চাইলে আগে চাকরি ছাড়তে হবে: শিক্ষামন্ত্রী
জাতীয় নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অ‌ভিযোগ পায়‌নি ইইউ পর্যবেক্ষণ মিশন
বিরোধী দলীয় নেতা, উপনেতা ও হুইপ হলেন যারা
নাটোরে কেন্দ্রগুলোর ভোটগ্রহণ উপকরণ প্রদান কার্যক্রম শুরু