ঢাকা রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

ঈদে মিলাদুন্নবীতে আবেগঘন বার্তা আজহারীর

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৬ আগস্ট ২০২৬, ০৬:১৯ পিএম
জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা ড. মিজানুর রহমান আজহারী। ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি গভীর অনুভূতির কথা ব্যক্ত করেছেন জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা ড. মিজানুর রহমান আজহারী। নবীজির অসীম ভালোবাসা ও উম্মতের প্রতি তার ব্যাকুলতার স্মৃতি স্মরণ করে আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন তিনি।

বুধবার (২৬ আগস্ট) নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে মিজানুর রহমান আজহারী লিখেছেন, “আপনাকে কী করে ভালো না বেসে থাকতে পারি, ইয়া রাসুলাল্লাহ? আপনি তো আমাকে না দেখেও ভালোবেসেছিলেন সেই ১৪০০ বছর আগে। অশ্রুসিক্ত নয়নে ‘ভাই’ বলে সম্বোধন করেছিলেন। আসন্ন সে বিভীষিকাময় দিনে আমার জন্য পেরেশান হয়ে ‘উম্মাতি উম্মাতি’ বলে কাঁদবেন। মাকামে মাহমুদে সিজদায় লুটিয়ে পড়ে আমার মুক্তির জন্য আকুতি জানাবেন। কী করে আপনাকে ভালো না বাসি, ইয়া রাসুলাল্লাহ?”

আরও পড়ুন

উম্মতের প্রতি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর গভীর মমত্বের কথা তুলে ধরতে গিয়ে আজহারী মূলত সহিহ হাদিসের একটি প্রসংগ টেনেছেন। হাদিসে এসেছে, নবীজি (সা.) তার মৃত্যুর পর আগমনকারী উম্মতকে নিজের ‘ভাই’ বলে আখ্যায়িত করেছিলেন।

সহিহ মুসলিমে বর্ণিত আবু হুরায়রা (রা.)-এর এক হাদিস থেকে জানা যায়, রাসুলুল্লাহ (সা.) একদা জান্নাতুল বাকিতে গিয়ে উপস্থিত হন এবং মৃতের উদ্দেশ্যে সালাম জানানোর পর বলেন, ‘আমরা আশা করি, আমাদের ভাইদের দেখতে পাব।’ তখন সাহাবিরা প্রশ্ন করেন, তারা কি তার ভাই নন? উত্তরে রাসুল (সা.) জানান, উপস্থিত সবাই তার সাহাবি, আর তার ভাই হবেন তারা—যারা পরে দুনিয়ায় আগমন করবেন।

হাদিসে আরও উল্লেখ আছে, কিয়ামতের ময়দানে অজু করার কারণে উম্মতের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ শুভ্র উজ্জ্বল আলো ছড়াবে, যা দেখে মহানবী (সা.) তার অনুসারীদের সহজেই চিনে নেবেন এবং তাদের হাউজে কাউসারে স্বাগত জানাবেন। পবিত্র দিনে মহানবীর (সা.) এই অসীম দয়ার কথাই ভক্ত ও অনুসারীদের স্মরণ করিয়ে দেন এই আলেম।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘ডিসেম্বরকে টার্গেট করে আন্দোলনের অপচেষ্টা, উসকে দিচ্ছে জামায়াত-এনসিপি’
রোববার (১ নভেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এমন মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) রাশেদ খাঁন।
‘ডিসেম্বরকে টার্গেট করে আন্দোলনের অপচেষ্টা, উসকে দিচ্ছে জামায়াত-এনসিপি’
সংবাদপত্র ছেঁড়ার যে ব্যাখ্যা দিলেন রাশেদ খাঁন
‘আমার দেশ’ পত্রিকা ছেঁড়ার ঘটনায় নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন।  তিনি বলেন, পত্রিকাটির বিরুদ্ধে মিথ্যা বয়ান তৈরির অভিযোগের প্রতিবাদ জানাতেই তিনি সংবাদপত্র ছিঁড়েছেন। শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের সঙ্গে তিনি এক হয়েছেন, এমন দাবি অসত্য বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। শনিবার (৩১ অক্টোবর) দিনগত রাতে নিজের নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন রাশেদ খাঁন। আরটিভির পাঠকদের সুবিধার জন্য পোস্ট হুবহু তুলে ধরা হলো: আমি একটি মিথ্যা ন্যারেটিভকে ছিঁড়েছি। হাসিনাপুত্রের সাথে আমি এক হয়েছি মর্মে আমার দেশ পত্রিকা যে মিথ্যাচার করেছে, আমি সেই অসত্যকে ছিঁড়ে ফেলেছি। আমি শেখ হাসিনাকে কটুক্তির মামলায় জেল খেটেছি। আমার কোন বক্তব্য অপছন্দ হলে, সেটিকে রাজনৈতিক ভাষায় সমালোচনা করতে পারে প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা। সেই সমালোচনাকে আমি অবশ্যই সাধুবাদ জানাব। কিন্তু আমার দেশ যদি একটি পত্রিকা হয়ে থাকে আমাকে ‘নব্য বিএনপি বলতে পারে না’। এই অধিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের নেই। তিনি আমাকে বলতে পারেন না যে, আমি শেখ হাসিনার পুত্রের সাথে এক হয়েছি। অর্থাৎ আমি যেহেতু জামায়াত নেতা মিয়া গোলাম পরওয়ারের ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তার সাথে বৈঠকের তথ্য সামনে এনেছি। সেহেতু পাল্টা ন্যারেটিভ হিসেবে আমার দেশ পত্রিকা সামনে এনেছে, আমি হাসিনাপুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের সাথে এক হয়েছি! এই অভিযোগ যদি জামায়াত কিংবা জামায়াত নেতা গোলাম পরওয়ার করতেন, আমি রাজনৈতিক ভাষায় জবাব দিতাম। যেহেতু জামায়াত আমার দেশ পত্রিকার মাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ন্যারেটিভ দাঁড় করাতে অপচেষ্টা করেছে। আমি একজন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি হিসেবে বিষয়টিকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করেছি, মিথ্যা ও অপবাদকে ছিঁড়ে ফেলেছি। আমার দেশ কোনো পত্রিকা না, আমি কোনো পত্রিকা ছেঁড়ার মতো ভুল করতে পারি না। এটা জামায়াতের পক্ষে ন্যারেটিভ দাঁড় করানোর একটি হাতিয়ার। এই হাতিয়ার ব্যবহার করে কারও চরিত্র হনন করার কোনো সুযোগ নেই। পত্রিকা হতে হলে সম্পাদকীয় ও সাংবাদিকতার নীতিমালা মেনে চলা উচিত। আমার দেশ সেটির কোনোকিছু অনুসরণ করে না। আরটিভি/এসআর
সংবাদপত্র ছেঁড়ার যে ব্যাখ্যা দিলেন রাশেদ খাঁন
লিফট ব্যবহারের অনুমতি নেই, মাথায় ব্লক নিয়ে ২১ তলা উঠলেন শ্রমিক
২১ তলা আবাসনে ওঠানামার জন্য রয়েছে চারটি লিফট। অথচ সেগুলোর একটিও ব্যবহারের অনুমতি নেই শ্রমিকদের। ফলে মাথায় প্রায় ২০ কেজি ওজনের কংক্রিটের ব্লক নিয়ে সিঁড়ি বেয়ে ২১ তলায় উঠতে হচ্ছে এক শ্রমিককে। এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর আবাসন কর্তৃপক্ষের মানবিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
লিফট ব্যবহারের অনুমতি নেই, মাথায় ব্লক নিয়ে ২১ তলা উঠলেন শ্রমিক
জিপিএ-৫ এর বন্যায় শিক্ষার উন্নয়ন দেখানোর দিন আর নেই: সাইয়েদ বিন আবদুল্লাহ
পড়াশোনার মান না বাড়িয়ে শুধু পাসের হার এবং জিপিএ-৫ এর বন্যা দেখিয়ে শিক্ষার উন্নয়ন দেখানোর দিন আর নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (যুব কর্মসংস্থান) সাইয়েদ বিন আবদুল্লাহ।  শনিবার (৩১ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন। পোস্টে তিনি বিগত কয়েক বছরের এইচএসসি পরীক্ষার পাসের হার এবং জিপিএ-ফাইভ প্রাপ্তির তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরেন। তার উল্লেখ করা তথ্যে দেখা যায়, ২০২১ সালে পাসের হার ৯৫.৫৭, এবং জিপিএ-ফাইভ ১ লাখ ৮৯ হাজার। ২০২২ সালে পাস ৮৪.৩১ শতাংশ ও জিপিএ-ফাইভ ১ লাখ ৭৬ হাজার। ২০২৩ সালে পাসের হার ৭৮.৬৪, আর জিপিএ-ফাইভ ৯২ হাজার। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালে পাস ৭৭.৭৮ শতাংশ আর জিপিএ-ফাইভ ১ লাখ ৪৫ হাজার। ২০২৫ সালে পাস ৫৮.৮৩ শতাংশ ও জিপিএ-ফাইভ ৬৯ হাজার এবং ২০২৬ সালে পাস ৫২.১২ শতাংশ ও জিপিএ-ফাইভ ৪০ হাজার। এসব তথ্য উল্লেখ করে তিনি লেখেন, পড়াশোনার মান না বাড়িয়ে শুধু পাসের হার এবং জিপিএ-৫ এর বন্যা দেখিয়ে শিক্ষার উন্নয়ন দেখানোর দিন আর নেই। পরীক্ষা দিলেই পাস এবং মোটামুটি লিখলেই জিপিএ-ফাইভ, সে ধারণা থেকে বের হয়ে আসা উচিত সবারই। আরটিভি/এসআর
জিপিএ-৫ এর বন্যায় শিক্ষার উন্নয়ন দেখানোর দিন আর নেই: সাইয়েদ বিন আবদুল্লাহ
‘ড. ইউনূসের দয়ায় বিরোধী দল হয়েছে জামায়াত’
সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দয়ায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বিরোধী দল হয়েছে বলে অভিযোগ করেন আমজনতার দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান।
‘ড. ইউনূসের দয়ায় বিরোধী দল হয়েছে জামায়াত’
আরও পড়ুন
মাদরাসায় শারীরিক শাস্তি বা অনুপযুক্ত স্পর্শ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়: আজহারী
মক্কা-মদিনাকে নিয়ে মিজানুর রহমান আজহারী ফেসবুক পোস্ট
অপ্রতিমসহ তিন হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ তুলে আজহারী ও শায়খ আহমাদুল্লাহর স্ট্যাটাস
মুসলিম হয়ে অমুসলিম দেশে বসবাস নিয়ে ইসলামের বিধান জানালেন আজহারী