ঢাকা শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩

লাখ লাখ ডলারের ট্যাংক ধ্বংস করে দিচ্ছে মাত্র ৫শ’ ডলারের ড্রোন 

সুপ্তি রায়, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৪ মে ২০২৬, ০৩:৪৪ পিএম

লাখ লাখ ডলারের রাশিয়ান ট্যাংক। আর সেই ট্যাংকই ধ্বংস করে দিচ্ছে মাত্র ৫০০ ডলারের ছোট একটি ইউক্রেনীয় ড্রোন। আধুনিক যুদ্ধের চেহারা যে কত দ্রুত বদলে যাচ্ছে, ইউক্রেন যুদ্ধ যেন সেটিই দেখিয়ে দিচ্ছে পুরো বিশ্বকে। এখন যুদ্ধক্ষেত্রে সবচেয়ে ভয়ংকর অস্ত্র হয়ে উঠছে চালকবিহীন ড্রোন। আর সেই কারণেই বিশেষ ড্রোন প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নিজেদের প্রস্তুত করছে ইউক্রেনের সৈন্যরা। সেখানে তারা শিখছেন কীভাবে আরও দ্রুত, নিখুঁত ও কার্যকরভাবে শত্রুকে লক্ষ্যবস্তু বানানো যায়। মূলত প্রযুক্তিনির্ভর নতুন এই যুদ্ধের জন্যই এভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে তাদের।

ইউক্রেনের ৯৩তম স্বতন্ত্র যান্ত্রিক ব্রিগেডের সৈন্যরা এখন অংশ নিচ্ছেন “ওয়াইল্ড ড্রোনস” নামে বিশেষ প্রতিযোগিতায়। বাইরে থেকে এটি সাধারণ ড্রোন রেস মনে হলেও বাস্তবে যুদ্ধক্ষেত্রের প্রশিক্ষণ। আগে যেখানে যুদ্ধ হতো কয়েকশ মিটার এলাকার মধ্যে। কিন্তু এখন পুরো যুদ্ধক্ষেত্রই পরিণত হয়েছে “১৫ কিলোমিটার কিল জোনে”। অর্থাৎ এমন এক এলাকা, যেখানে মানুষের চেয়ে বেশি চালকবিহীন এই যান।

আরও পড়ুন

একজন ব্যাটালিয়ন কমান্ডার জানান, বর্তমানে শত্রুপক্ষের ধ্বংস হওয়া সরঞ্জাম ও নিহত সেনাদের প্রায় ৯৯ শতাংশের পেছনেই দায়ী ড্রোন। ভারী সাঁজোয়া যান এখন খুব কমই পাঠানো হয় যুদ্ধক্ষেত্রে। তার বদলে ব্যবহার করা হচ্ছে এফপিভি, বোমারু এবং নজরদারি ড্রোন। এগুলো আকাশ থেকেই শনাক্ত করছে শত্রুর অবস্থান, আবার মুহূর্তেই চালাচ্ছে হামলা। আর শুধু আকাশেই নয়, যুদ্ধক্ষেত্রে বাড়ছে চালকবিহীন স্থলযানের ব্যবহার। এসব যান কখনও রসদ পৌঁছে দিচ্ছে, কখনও আহত সেনাদের সরিয়ে নিচ্ছে নিরাপদ স্থানে। এতে সৈন্যদের ঝুঁকি অনেকটাই কমছে বলে মনে করছেন সামরিক কর্মকর্তারা।

ডেভড্রয়েড কোম্পানির গবেষণা ও উন্নয়ন পরিচালক ওলেগ ফেদোরিশিনের ভাষায়, একটি মেশিন হারানো মানুষের জীবন হারানোর চেয়ে অনেক কম ক্ষতিকর। আর সেই কারণেই দিন দিন যুদ্ধক্ষেত্রে বাড়ছে চালকবিহীন প্রযুক্তির ব্যবহার। ইউক্রেন যুদ্ধ যেন এখন পুরো বিশ্বকে দেখাচ্ছে নতুন বাস্তবতা, যেখানে কোটি ডলারের ট্যাংকের চেয়েও বেশি ভয়ংকর হয়ে উঠছে হাতে ধরা ছোট একটি ড্রোন।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পূজায় নতুন জামা নয়, বাবাকে খুঁজছে এই শিশুরা!
বাবা, এক বটবৃক্ষের নাম। সন্তানের সবরকম ভাল থাকার উৎস, সেটিই যেন আবারও প্রমাণিত এই বাচ্চাদের কণ্ঠে। চারদিকে যখন বিরাজ করছে পূজার আমেজ তখন এই কোমলমতি শিশুদের চোখে পানি, আর কণ্ঠে আক্ষেপ। এ বছর যেন উৎসবের দিনগুলোতে নতুন জামার চেয়েও বড় অভাব হয়ে দাঁড়িয়েছে তাদের বাবা। তাই আনন্দের সময়ও যেন থামছেই না তাদের কান্না।
পূজায় নতুন জামা নয়, বাবাকে খুঁজছে এই শিশুরা!
স্কুলমাঠে শিশুদের খেলার বদলে সাঁতার কাটছে হাঁস
ভিডিওর এই শিশুরা সবাই প্রাথমিকের শিক্ষার্থী। যাদের এখন সহপাঠীদের সাথে ছুটোছুটি করার কথা বিদ্যালয়ের মাঠে। অথচ পানি জমে থাকায় তারা পারছে না খেলতে, কেউ আবার যেতে পারে না টয়লেটেও। আবার পানি পেরিয়ে ক্লাসে যেতে গিয়ে ভিজে যায় কারও পোশাক। বই-খাতায় লেগে যায় কাদা। অভিযোগের যেন শেষ নেই কোমলমতি এই শিশুদের। 
স্কুলমাঠে শিশুদের খেলার বদলে সাঁতার কাটছে হাঁস
সৌদি রক্ষায় নামছে ফরাসি সেনারা!
হরমুজ সংকটে সৌদি আরবের তেল রপ্তানির গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প হয়ে উঠেছিল লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দর। কিন্তু সেই পথও এখন রয়েছে হামলার ঝুঁকিতে। হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ এই তেলবন্দর রক্ষায় এবার সৌদি আরবে সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। শুধু সেনা নয়, সঙ্গে যাচ্ছে রাডার ও প্রতিরক্ষাব্যবস্থাও।  বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই ঘোষণা দিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ। সংবাদমাধ্যম রয়টার্স এর প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে এই তথ্য।  মাখোঁ জানান, ইয়ানবু রক্ষায় সৌদি আরবের সঙ্গে একটি চুক্তি চূড়ান্ত করেছে ফ্রান্স। সেই চুক্তির আওতায় সেখানে পাঠানো হবে ফরাসি সেনাসদস্য, রাডার ও প্রতিরক্ষাব্যবস্থা। তবে মাখোঁ একটি বিষয় স্পষ্ট করেছেন। ফরাসি সেনাদের পাঠানো হচ্ছে ইয়ানবু রক্ষার জন্য, চলমান সংঘাতে সরাসরি অংশ নেওয়ার জন্য নয়। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে সৌদি আরবের একটি বন্দর রক্ষায়  কেন সেনা পাঠাতে হচ্ছে ফ্রান্সকে? এর পেছনে বড় কারণ হরমুজ প্রণালির চলমান সংকট। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে হরমুজ দিয়ে জ্বালানি পরিবহন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার পর বিকল্প পথ হিসেবে ইয়ানবুর গুরুত্ব অনেক বেড়ে যায়। সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চল থেকে ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল নিয়ে যাওয়া হয় লোহিত সাগরের এই বন্দরে। সেখান থেকে হরমুজ এড়িয়ে সরাসরি তেল পাঠানো সম্ভব আন্তর্জাতিক বাজারে। কিন্তু সম্প্রতি সেই ব্যবস্থাও খেয়েছে বড় ধাক্কা। ইয়েমেনের হুতিরা সৌদি আরবের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুর পাশাপাশি ইয়ানবুতে আরামকোর স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে। সৌদি কর্তৃপক্ষও ইয়ানবুসহ বিভিন্ন এলাকার দিকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার কথা জানিয়েছে। এর আগে ড্রোন হামলায় সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের তিনটি পাম্পিং স্টেশন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এতে ইয়ানবু দিয়ে তেল রপ্তানিও বন্ধ হয়ে যায়। পরে পাইপলাইনটি আবার চালু করা হয়েছে সীমিত পরিসরে।  ফলে ইয়ানবুর নিরাপত্তা এখন শুধু সৌদি আরবের বিষয় নয়। বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার ক্ষেত্রেও বন্দরটির গুরুত্ব বেড়েছে বন্দরটির। আর ফ্রান্সও অনুভব করছে জ্বালানি সংকটের চাপ। মাখোঁ বলেন, আগামী শীতের জন্য ফ্রান্সে পর্যাপ্ত তেল ও গ্যাসের মজুত রয়েছে। নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে কাজ করছে তাঁর সরকার। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ডিজেল রপ্তানি নিষিদ্ধ করার কথা বিবেচনা করছে। এমন খবর সত্য হলে তার ফল বিশ্ব ও মার্কিন অর্থনীতির জন্য বিপর্যয়কর হতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি। যদিও হোয়াইট হাউস অস্বীকার করেছে এমন কোনো পরিকল্পনার কথা। আরটিভি/এআর 
সৌদি রক্ষায় নামছে ফরাসি সেনারা!
শতবর্ষী এই মুসাফিরখানায় আজও মিলে বিনামূল্যে আশ্রয় ও খাবার
আধুনিকতার ছোঁয়া লাগার আগে বরেন্দ্রভূমির মেঠোপথগুলো কেমন ছিল? সন্ধ্যা নামলেই চারপাশের খাঁ-খাঁ নীরবতা, বন্যপ্রাণীর ভয় আর ডাকাতের উপদ্রব— এমন এক অনিশ্চিত সময়ে ক্লান্ত পথিকের একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছিল একটি অনন্য মানবিক উদ্যোগ। প্রায় ১২ যুগ বা ১১৮ বছর ধরে নওগাঁর পোরশার ঐতিহাসিক ‘মুসাফিরখানা’ সেই মানবতার ঐতিহ্যকে পরম যত্নে টিকিয়ে রেখেছে। নিজ সম্পত্তির উপার্জনে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে আশ্রয় ও খাবারের এমন দৃষ্টান্ত আধুনিক সমাজেও এক বিরল মানবসেবার বার্তা দেয়।
শতবর্ষী এই মুসাফিরখানায় আজও মিলে বিনামূল্যে আশ্রয় ও খাবার
বুড়িয়ে যাচ্ছে জাপান, প্রবীণদের ভিড়ে কমছে শিশু জন্মহার!
দেশটিতে ১০০ বছর বা তার বেশি বয়সি মানুষের সংখ্যা প্রথমবারের মতো ১ লাখ ছাড়িয়েছে।
বুড়িয়ে যাচ্ছে জাপান, প্রবীণদের ভিড়ে কমছে শিশু জন্মহার!
আরও পড়ুন
যুদ্ধের নামে প্রকৃতি ধ্বংস, অপরাধীদের বিচারের দাবি ইরানের
২০২৬ সালের ১৩ নভেম্বর কি সত্যিই ধ্বংস হবে পৃথিবী?
ঝড়ে ১৪২ বছরের পুরোনো জাহাজের ধ্বংসাবশেষ ভেসে উঠল
দফায় দফায় হামলা, ধ্বংসস্তূপ থেকে যেভাবে বেঁচে ফিরলেন মোজতবা খামেনি