ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

‘আমরাই সবচেয়ে বিখ্যাত জুটি’, মোদিকে মেলোনি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৯ জুন ২০২৬, ০৪:৫৩ পিএম

বিশ্বনেতারা যখন যুদ্ধ, অর্থনীতি আর কূটনীতির মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে ব্যস্ত, তখন জি-৭ সম্মেলনের মঞ্চে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠলেন সেই বহুল আলোচিত ‘মেলোডি’ জুটি। দেখা হতেই দুজনে হাত মেলালেন হাসিমুখে। তারপর ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি মজার ছলে করলেন এমন একটি মন্তব্য, তাতেই আবারও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে ‘মেলোডি’ ঝড়। কারণ মেলোনির দাবি, তিনি আর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং মোদি হলেন ইনস্টাগ্রামের সবচেয়ে বিখ্যাত জুটি।

ফ্রান্সের ইভিয়ান-লে-বাঁয়ে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনে অন্যান্য বিশ্বনেতাদের সঙ্গে গ্রুপ ছবির জন্য দাঁড়ানোর ঠিক আগ মুহূর্তেই ধরা পড়ে সেই মুহূর্ত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, একে অপরের সাথে হাসিমুখে হাত মেলাচ্ছেন মোদি-মেলোনি। সেখানে অডিও পুরোপুরি স্পষ্ট না হলেও, দেখা যায় দুই নেতার মধ্যে বেশ মজার আলাপ চলছে। আর তখনই হাসতে হাসতে মেলোনি বলে বসেন, “হ্যাঁ, আমরাই ইনস্টাগ্রামের সবচেয়ে বিখ্যাত জুটি।”

তবে এই প্রথম নয়। মাত্র মাসখানেক আগেই রোম সফরের সময় মেলোনির জন্য ভারতের জনপ্রিয় ‘পার্লে মেলোডি’ টফি উপহার নিয়ে গিয়েছিলেন মোদি। দুই নেতার নাম মিলিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া ‘মেলোডি’ ট্রেন্ডকে আরও একধাপ এগিয়ে নিয়েছিল সেই মুহূর্ত। পরে মেলোনি নিজেই সেই ভিডিও শেয়ার করে উপহারের জন্য মোদিকে ধন্যবাদ জানান।

আরও পড়ুন

আসলে ‘মেলোডি’ নামের জন্ম ২০২৩ সালে। নরেন্দ্র মোদি ও জর্জিয়া মেলোনির নামের অংশ মিলিয়ে মজা করেই এই নাম দিয়েছিলেন নেটিজেনরা। এরপর বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলনে দুই নেতার স্বতঃস্ফূর্ত মুহূর্ত, সেলফি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। মজার বিষয় হলো, এই ভাইরাল ট্রেন্ডকে নিজেরাও সাদরে গ্রহণ করেছেন দুই নেতা। ২০২৪ সালে মোদির সঙ্গে একটি সেলফি পোস্ট করে মেলোনি লিখেছিলেন, ‘হাই ফ্রেন্ডস, ফ্রম মেলোডি।’ আর ২০২৫ সালের জি-৭ সম্মেলনে আরেকটি ভিডিও পোস্ট করে তিনি লেখেন, ‘হ্যালো, ফ্রম দ্য মেলোডি টিম।’

তবে এই রসায়ন শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেই সীমাবদ্ধ নয়। দিন দিন আরও ঘনিষ্ঠ হচ্ছে ভারত ও ইতালির সম্পর্ক। অর্থনৈতিক করিডোর, বাণিজ্য ও কৌশলগত নানা বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করছে দুই দেশ। ইতোমধ্যে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ১৬ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। সম্প্রতি ইতালি সফরেও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনা করেছেন মোদি ও মেলোনি।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বুড়িয়ে যাচ্ছে জাপান, প্রবীণদের ভিড়ে কমছে শিশু জন্মহার!
দেশটিতে ১০০ বছর বা তার বেশি বয়সি মানুষের সংখ্যা প্রথমবারের মতো ১ লাখ ছাড়িয়েছে।
বুড়িয়ে যাচ্ছে জাপান, প্রবীণদের ভিড়ে কমছে শিশু জন্মহার!
আলো আর সুরের মায়াজালে জীবন্ত হয়ে উঠল প্রাচীন সমাধি
একটি পাহাড়ি টিলা, যেখানে ভেসে উঠে নানা নকশা, ছুটে চলা হরিণের অবয়ব আর রঙ্গিন আলোর খেলা। আর তা দেখেই অবাক দর্শকরা, অনেকেই আবার ব্যস্ত হয়ে পড়লেন ছবি তুলতে।
আলো আর সুরের মায়াজালে জীবন্ত হয়ে উঠল প্রাচীন সমাধি
যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দামে রেকর্ড; স্টেশনের ডিসপ্লেতেই জায়গা হচ্ছে না সংখ্যার! 
ডিজেলের দাম এতটাই বেড়েছে যে, পাম্পের ডিজিটাল ডিসপ্লেতেই আর বাড়তি দাম দেখানোর জায়গা নেই কোনো! ইরান যুদ্ধ ও হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহে চাপ তৈরি হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রেও হু হু করে বাড়ছে জ্বালানির দাম।
যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দামে রেকর্ড; স্টেশনের ডিসপ্লেতেই জায়গা হচ্ছে না সংখ্যার! 
তেল নয়, এবার মদিনার মাটির নিচে মিলল মূল্যবান খনিজ
তেলের দেশ হিসেবেই বিশ্বজুড়ে পরিচিত সৌদি আরব। কিন্তু এবার সেই সৌদির মাটির নিচে মিলেছে আরেক বিশাল সম্পদ। আর জায়গাটিও বেশ পরিচিত—পবিত্র দিনা অঞ্চল। সেখানে প্রায় ১১০ মিলিয়ন টন আকরিক সম্পদের সন্ধান পাওয়ার কথা জানিয়েছে দেশটি। যার মধ্যে রয়েছে মূল্যবান বিরল মৃত্তিকা খনিজ, সঙ্গে ইউরেনিয়ামের আশাব্যঞ্জক উপস্থিতি। সৌদি জ্বালানিমন্ত্রী প্রিন্স আবদুল আজিজ বিন সালমান জানিয়েছেন, মদিনা অঞ্চলের জাবাল সাইদ প্রকল্পে অনুসন্ধান ও ভূতাত্ত্বিক গবেষণায় এই খনিজ সম্পদের সন্ধান মিলেছে। ভিয়েনায় আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার সাধারণ সম্মেলনে তিনি জানান, এখানে উচ্চ ঘনত্বের বিরল মৃত্তিকা খনিজের পাশাপাশি রয়েছে আশাব্যঞ্জক মাত্রায় ইউরেনিয়াম। নামটা ‘বিরল মৃত্তিকা’ হলেও আধুনিক বিশ্বে এসব খনিজের গুরুত্ব অনেক। বৈদ্যুতিক গাড়ি, স্মার্টফোন, শক্তিশালী চুম্বক, বায়ু বিদ্যুৎ থেকে প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি—বিভিন্ন ক্ষেত্রেই প্রয়োজন হয় এসব উপাদানের। আর ইউরেনিয়াম ব্যবহৃত হয় পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের জ্বালানি হিসেবে। জাবাল সাইদে ডিসপ্রোসিয়াম ও টারবিয়ামের মতো প্রায় ৫ লাখ ৫২ হাজার টন ভারী বিরল মৃত্তিকা খনিজ রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পাশাপাশি নিওডিমিয়াম ও প্রেসিওডিমিয়ামের মতো হালকা বিরল মৃত্তিকা খনিজের পরিমাণ প্রায় ৩ লাখ ৫৫ হাজার টন। একই এলাকায় প্রায় ৩১ হাজার টন ইউরেনিয়ামের মজুত থাকার কথাও উঠে এসেছে বিশ্লেষণে। এই আবিষ্কার সামনে এলো এমন সময়ে, যখন তেলের বাইরেও অর্থনীতির নতুন ক্ষেত্র তৈরিতে খনিজ সম্পদের দিকে নজর বাড়াচ্ছে সৌদি আরব। দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত খনি কোম্পানি মা'আদেন গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উত্তোলন ও প্রক্রিয়াকরণে বাড়াচ্ছে আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব। এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতাও এগিয়েছে। সৌদি ও মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রীর মধ্যে হওয়া চুক্তি দীর্ঘমেয়াদি পারমাণবিক সহযোগিতার ভিত্তি তৈরি করেছে বলে জানিয়েছে মার্কিন জ্বালানি দপ্তর। তেল এতদিন সৌদি আরবের সম্পদের সবচেয়ে বড় পরিচয়। এবার মদিনার জাবাল সাইদের মাটির নিচে পাওয়া বিরল খনিজ ও ইউরেনিয়ামের সম্ভাবনা সেই পরিচয়ে যোগ করতে পারে নতুন এক অধ্যায়।  আরটিভি/ এসকেডি  
তেল নয়, এবার মদিনার মাটির নিচে মিলল মূল্যবান খনিজ
প্রায় ২শ’ বছর পরও দাঁড়িয়ে জমিদারদের মসজিদ-পুকুরঘাট
ভাঙা দেয়াল, খসে পড়া পলেস্তারা আর সময়ের ক্ষয়ে জীর্ণ হয়ে যাওয়া ভবন। দেখে এখন হয়তো বোঝার উপায় নেই, একসময় এখানেই ছিল জমিদারদের প্রভাব আর জৌলুশ। সেই সময় পেরিয়েছে বহু আগেই। তবে প্রাসাদের ধ্বংসাবশেষ, পুরোনো মসজিদ, বাঁধানো পুকুরঘাট আর পারিবারিক কবরস্থান এখনো ধরে রেখেছে সেই ইতিহাসের কিছু চিহ্ন। চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরের রূপসা গ্রাম। এখানেই রয়েছে ঐতিহ্যবাহী রূপসা জমিদারবাড়ি। মূল প্রাসাদের অনেক অংশ এখন আর অক্ষত নেই। তবে টিকে থাকা বিভিন্ন স্থাপনা দেখতে এখনো এখানে আসেন দর্শনার্থীরা। জমিদারবাড়ির ইতিহাস নিয়েও রয়েছে আগ্রহ। ফরিদগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের তথ্যে মোহাম্মদ গাজী ও তাঁর উত্তরসূরি আহমেদ গাজী চৌধুরীর নাম পাওয়া যায়। তবে স্থানীয় ইতিহাসভিত্তিক বিভিন্ন সূত্রে প্রতিষ্ঠার ইতিহাস ও নাম নিয়ে কিছুটা ভিন্ন তথ্যও রয়েছে। এখানকার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা পুরোনো মসজিদ। স্থানীয় সংবাদসূত্রে এটি ‘মসজিদে নূর’ নামে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সূত্রের দাবি, মসজিদটি প্রায় দুই শতাব্দীর পুরোনো এবং ১২৮৪ বঙ্গাব্দে জমিদার মোহাম্মদ গাজী চৌধুরী এটি নির্মাণ করেন।  মসজিদের পাশেই রয়েছে জমিদার পরিবারের কবরস্থান। পুরোনো কবর ও ফলকে এখনো পাওয়া যায় পরিবারের কয়েক প্রজন্মের স্মৃতি। কাছেই রয়েছে বাঁধানো পুকুরঘাট, যা জমিদারি আমলের জীবনযাত্রার আরেকটি চিহ্ন। সময়ের সঙ্গে রূপসা জমিদারবাড়ির অনেক স্থাপনাই ক্ষয়ে যাচ্ছে। কোথাও দেয়াল ভেঙেছে, কোথাও হারিয়ে যাচ্ছে পুরোনো কাঠামোর চিহ্ন। ফলে ঐতিহাসিক এই স্থাপনা সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তাও সামনে আসছে। জমিদার নেই, নেই সেই সময়ের জৌলুশও। পড়ে আছে শুধু কিছু ভবন, মসজিদ, পুকুরঘাট আর কবরস্থান। সময়ের সঙ্গে এগুলোও হারিয়ে গেলে হারিয়ে যাবে রূপসার ইতিহাসের দৃশ্যমান একটি অধ্যায়।  আরটিভি/ এসিকেডি  
প্রায় ২শ’ বছর পরও দাঁড়িয়ে জমিদারদের মসজিদ-পুকুরঘাট
আরও পড়ুন
মোদিকে ‘স্বৈরাচার’ আখ্যা দিলেন শ্রীলেখা, সঙ্গে আরও যা লিখলেন ফেসবুকে
জেন-জিদের মন জয়ে মোদির নতুন কৌশল
‘ঈদ মোবারক’ লিখে মিলাদুন্নবীর শুভেচ্ছা জানালেন মোদি
হঠাৎ ইনস্টাগ্রামে রিলস বানাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি