ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

দিল্লির রাজপথে ককরোচ জনতা পার্টি, নড়বড়ে নরেন্দ্র মোদির গদি! 

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২২ জুলাই ২০২৬, ০৭:০৯ পিএম

দিল্লি পুলিশ ভেবেছিল হয়তো হবে মাত্র কয়েক শ মানুষ। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ভেঙে যায় সেই ধারণা। দিল্লীর যন্তর মন্তরের ছোট্ট প্রতিবাদ মঞ্চ পরিণত হয় জনসমুদ্রে। এরপর যা ঘটেছে, তা অনেকের কাছেই মনে করিয়ে দিয়েছে ২০২১ সালের সেই ২৬ জানুয়ারির কথা। এখন প্রশ্ন উঠছে, ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনের প্রকৃত শক্তি কি একেবারেই বুঝতে পারেনি দিল্লি পুলিশ?

ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ কয়েকটি দাবিতে সংসদ অভিমুখে পদযাত্রার কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল ককরোচ জনতা পার্টি সিজেপি। প্রথমদিকে আন্দোলনটি খুব একটা গতি পায়নি। যন্তর মন্তরে প্রতিদিন মাত্র এক থেকে পাঁচ শ মানুষের উপস্থিতিই ছিল স্বাভাবিক ঘটনা। কিন্তু গেলো ১৮ জুলাই আন্দোলনের অন্যতম মুখ সোনম ওয়াংচুককে সফদারজং হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যেতে শুরু করে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস এর প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে এই তথ্য।

রোববার (১৯ জুলাই) সন্ধ্যার মধ্যেই দিল্লি ও ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ জড়ো হন যন্তর মন্তরে। দিল্লি পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের ধারণা ছিল, সোমবার (২০ জুলাই) সকালে এই সংখ্যা সাত থেকে আট হাজারে পৌঁছাতে পারে। সেই হিসাব ধরেই প্রায় দুই হাজার পুলিশ সদস্য ও প্যারামিলিটারি বাহিনীর ৩২টি কোম্পানি মোতায়েন করা হয়। তৈরি করা হয় বহুস্তরের ব্যারিকেড। সংসদ ভবনের দিকে যাওয়া প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ সড়কই বন্ধ করে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন

কিন্তু সোমবার সকালেই ভুল প্রমাণিত হয় পুলিশের সেই হিসাব। শুধু যন্তর মন্তরেই উপস্থিত হন প্রায় ১৫ হাজার মানুষ। আর দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় থাকা আন্দোলনকারীদের হিসাব করলে সেই সংখ্যা পঞ্চাশ হাজার বা তারও বেশি বলে ধারণা করা হচ্ছে। এমনকি আন্দোলনকারীদের একটি অংশ সংসদ ভবনের খুব কাছাকাছি পৌঁছে যায়।

পরিস্থিতি বুঝতে পেরে দিল্লি পুলিশ জরুরি ভিত্তিতে শহরের ১৪টি এলাকা থেকে অতিরিক্ত বাহিনী তলব করে। প্রতিটি এলাকা থেকে একজন সহকারী পুলিশ কমিশনার ও একশ পুলিশ সদস্যকে দ্রুত ঘটনাস্থলে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে আন্দোলনের আয়োজকদের সঙ্গে আপসের চেষ্টা চালান শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তারা। সীমিত পরিসরে মিছিল এগিয়ে নেওয়ার একটি প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে। তবে ব্যর্থ হয় তিন দফা আলোচনা।

আয়োজকরা আন্দোলন শান্তিপূর্ণ রাখার আহ্বান জানালেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি হয়ে ওঠে উত্তপ্ত। পুলিশের প্রধান লক্ষ্য ছিল, কোনোভাবেই যেন আন্দোলনকারীরা এগোতে না পারেন সংসদ ভবনের দিকে। শুরুতে কাঁদানে গ্যাসের শেল ও সীমিত বলপ্রয়োগ করা হলেও তা কার্যকর হয়নি। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে শুরু হয় সংঘর্ষ। বিক্ষোভকারীদের কেউ কেউ পুলিশের দিকে বোতল, জুতা, পাথর ও গাছের ডাল ছুড়ে মারেন। পাল্টা জবাবে পুলিশ ব্যবহার করে লাঠিপেটা ও কাঁদানে গ্যাস। কয়েকটি স্থানে আন্দোলনকারীরা ছত্রভঙ্গ হওয়ার পর আবার সংগঠিত হয়ে হন পুলিশের মুখোমুখি।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
স্কুলমাঠে শিশুদের খেলার বদলে সাঁতার কাটছে হাঁস
ভিডিওর এই শিশুরা সবাই প্রাথমিকের শিক্ষার্থী। যাদের এখন সহপাঠীদের সাথে ছুটোছুটি করার কথা বিদ্যালয়ের মাঠে। অথচ পানি জমে থাকায় তারা পারছে না খেলতে, কেউ আবার যেতে পারে না টয়লেটেও। আবার পানি পেরিয়ে ক্লাসে যেতে গিয়ে ভিজে যায় কারও পোশাক। বই-খাতায় লেগে যায় কাদা। অভিযোগের যেন শেষ নেই কোমলমতি এই শিশুদের। 
স্কুলমাঠে শিশুদের খেলার বদলে সাঁতার কাটছে হাঁস
সৌদি রক্ষায় নামছে ফরাসি সেনারা!
হরমুজ সংকটে সৌদি আরবের তেল রপ্তানির গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প হয়ে উঠেছিল লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দর। কিন্তু সেই পথও এখন রয়েছে হামলার ঝুঁকিতে। হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ এই তেলবন্দর রক্ষায় এবার সৌদি আরবে সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। শুধু সেনা নয়, সঙ্গে যাচ্ছে রাডার ও প্রতিরক্ষাব্যবস্থাও।  বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই ঘোষণা দিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ। সংবাদমাধ্যম রয়টার্স এর প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে এই তথ্য।  মাখোঁ জানান, ইয়ানবু রক্ষায় সৌদি আরবের সঙ্গে একটি চুক্তি চূড়ান্ত করেছে ফ্রান্স। সেই চুক্তির আওতায় সেখানে পাঠানো হবে ফরাসি সেনাসদস্য, রাডার ও প্রতিরক্ষাব্যবস্থা। তবে মাখোঁ একটি বিষয় স্পষ্ট করেছেন। ফরাসি সেনাদের পাঠানো হচ্ছে ইয়ানবু রক্ষার জন্য, চলমান সংঘাতে সরাসরি অংশ নেওয়ার জন্য নয়। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে সৌদি আরবের একটি বন্দর রক্ষায়  কেন সেনা পাঠাতে হচ্ছে ফ্রান্সকে? এর পেছনে বড় কারণ হরমুজ প্রণালির চলমান সংকট। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে হরমুজ দিয়ে জ্বালানি পরিবহন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার পর বিকল্প পথ হিসেবে ইয়ানবুর গুরুত্ব অনেক বেড়ে যায়। সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চল থেকে ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল নিয়ে যাওয়া হয় লোহিত সাগরের এই বন্দরে। সেখান থেকে হরমুজ এড়িয়ে সরাসরি তেল পাঠানো সম্ভব আন্তর্জাতিক বাজারে। কিন্তু সম্প্রতি সেই ব্যবস্থাও খেয়েছে বড় ধাক্কা। ইয়েমেনের হুতিরা সৌদি আরবের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুর পাশাপাশি ইয়ানবুতে আরামকোর স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে। সৌদি কর্তৃপক্ষও ইয়ানবুসহ বিভিন্ন এলাকার দিকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার কথা জানিয়েছে। এর আগে ড্রোন হামলায় সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের তিনটি পাম্পিং স্টেশন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এতে ইয়ানবু দিয়ে তেল রপ্তানিও বন্ধ হয়ে যায়। পরে পাইপলাইনটি আবার চালু করা হয়েছে সীমিত পরিসরে।  ফলে ইয়ানবুর নিরাপত্তা এখন শুধু সৌদি আরবের বিষয় নয়। বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার ক্ষেত্রেও বন্দরটির গুরুত্ব বেড়েছে বন্দরটির। আর ফ্রান্সও অনুভব করছে জ্বালানি সংকটের চাপ। মাখোঁ বলেন, আগামী শীতের জন্য ফ্রান্সে পর্যাপ্ত তেল ও গ্যাসের মজুত রয়েছে। নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে কাজ করছে তাঁর সরকার। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ডিজেল রপ্তানি নিষিদ্ধ করার কথা বিবেচনা করছে। এমন খবর সত্য হলে তার ফল বিশ্ব ও মার্কিন অর্থনীতির জন্য বিপর্যয়কর হতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি। যদিও হোয়াইট হাউস অস্বীকার করেছে এমন কোনো পরিকল্পনার কথা। আরটিভি/এআর 
সৌদি রক্ষায় নামছে ফরাসি সেনারা!
শতবর্ষী এই মুসাফিরখানায় আজও মিলে বিনামূল্যে আশ্রয় ও খাবার
আধুনিকতার ছোঁয়া লাগার আগে বরেন্দ্রভূমির মেঠোপথগুলো কেমন ছিল? সন্ধ্যা নামলেই চারপাশের খাঁ-খাঁ নীরবতা, বন্যপ্রাণীর ভয় আর ডাকাতের উপদ্রব— এমন এক অনিশ্চিত সময়ে ক্লান্ত পথিকের একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছিল একটি অনন্য মানবিক উদ্যোগ। প্রায় ১২ যুগ বা ১১৮ বছর ধরে নওগাঁর পোরশার ঐতিহাসিক ‘মুসাফিরখানা’ সেই মানবতার ঐতিহ্যকে পরম যত্নে টিকিয়ে রেখেছে। নিজ সম্পত্তির উপার্জনে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে আশ্রয় ও খাবারের এমন দৃষ্টান্ত আধুনিক সমাজেও এক বিরল মানবসেবার বার্তা দেয়।
শতবর্ষী এই মুসাফিরখানায় আজও মিলে বিনামূল্যে আশ্রয় ও খাবার
বুড়িয়ে যাচ্ছে জাপান, প্রবীণদের ভিড়ে কমছে শিশু জন্মহার!
দেশটিতে ১০০ বছর বা তার বেশি বয়সি মানুষের সংখ্যা প্রথমবারের মতো ১ লাখ ছাড়িয়েছে।
বুড়িয়ে যাচ্ছে জাপান, প্রবীণদের ভিড়ে কমছে শিশু জন্মহার!
আলো আর সুরের মায়াজালে জীবন্ত হয়ে উঠল প্রাচীন সমাধি
একটি পাহাড়ি টিলা, যেখানে ভেসে উঠে নানা নকশা, ছুটে চলা হরিণের অবয়ব আর রঙ্গিন আলোর খেলা। আর তা দেখেই অবাক দর্শকরা, অনেকেই আবার ব্যস্ত হয়ে পড়লেন ছবি তুলতে।
আলো আর সুরের মায়াজালে জীবন্ত হয়ে উঠল প্রাচীন সমাধি
আরও পড়ুন
এবার ভারতে ককরোচ পার্টির ‘দিল্লি চলো’ কর্মসূচি
ট্রাম্প-মোদি ফোনালাপ, যা কথা হলো
মোদিকে ‘স্বৈরাচার’ আখ্যা দিলেন শ্রীলেখা, সঙ্গে আরও যা লিখলেন ফেসবুকে
জেন-জিদের মন জয়ে মোদির নতুন কৌশল