ঢাকা সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রতিবছর দুর্ঘটনা-প্রাণহানি, তবু থামে না যে উৎসব!

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৬ এএম
ছবি: সংগৃহীত

এই উৎসব, যেখানে আনন্দের সঙ্গে প্রতিবছরই ফিরে আসে দুর্ঘটনার খবর। এবারও মুম্বাইয়ের দহি হান্ডিতে প্রাণ গেছে ৭ বছরের এক শিশুর। আর মুম্বাইসহ আশপাশের এলাকায় আহত হয়েছেন অন্তত ২১২ জন। তারপরও থামেনি মানুষের উন্মাদনা। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে একে অপরের কাঁধে উঠে তৈরি করা হয়েছে সাত-আট স্তরের মানব পিরামিড। অথচ প্রশ্ন হলো, এত ঝুঁকি ও দুর্ঘটনার পরও কেন ভারতের এই উৎসব ঘিরে মানুষের এতটা আগ্রহ?

মূলত শ্রীকৃষ্ণের জন্মদিন জন্মাষ্টমী ঘিরেই পালিত হয় দহি হান্ডি। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, শৈশবে কৃষ্ণ বন্ধুদের নিয়ে উঁচুতে রাখা হাঁড়ি থেকে দই-মাখন চুরি করতেন। সেই কাহিনি থেকেই এই উৎসবের প্রচলন। এখনো উৎসবে মাটি থেকে অনেক ওপরে দই ভর্তি হাঁড়ি ঝুলিয়ে রাখা হয়। আর সেটি ভাঙতে ‘গোবিন্দা’ নামে পরিচিত অংশগ্রহণকারীরা একজনের কাঁধে আরেকজন উঠে তৈরি করেন বিশাল মানব পিরামিড। কোথাও সেই পিরামিড উঠে যায় সাত থেকে আট স্তর পর্যন্ত। আর যত ওপরে ওঠে, ততই বাড়ে পড়ে গিয়ে আহত হওয়ার ঝুঁকি।

এবারও সেই ঝুঁকির চিত্র দেখা গেছে মুম্বাইয়ের বিভিন্ন জায়গায়। ফুটেজে অনেক অংশগ্রহণকারীকে ভারসাম্য হারিয়ে ওপর থেকে নিচে পড়ে যেতে দেখা যায়। আহতদের ঘটনাস্থলে চিকিৎসা দেওয়ার পাশাপাশি অ্যাম্বুলেন্সে করে নেওয়া হয় হাসপাতালে।

সবচেয়ে মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে মালভানিতে। সেখানে ঘরোয়া দহি হান্ডি আয়োজনে হাঁড়ি ঝোলানোর দড়ি বাঁধা ছিল একটি গাছ ও ইটের স্তম্ভের সঙ্গে। শিশুরা হাঁড়ি ভাঙার চেষ্টা করার সময় ধসে পড়ে স্তম্ভটি। এতে প্রাণ হারায় সাত বছরের রুদ্র কদম।

তবে এত ঝুঁকির পরও অংশগ্রহণকারীদের কাছে দহি হান্ডি শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়। এটি দীর্ঘদিনের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ। কেউ কেউ কয়েক সপ্তাহ থেকে দেড় মাস পর্যন্ত অনুশীলন করেন মানব পিরামিড তৈরির জন্য। তবে এবারের প্রাণহানি দেখিয়ে দিল, উঁচুতে ওঠার এই প্রতিযোগিতায় নিরাপত্তার জায়গাটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সৌদি রক্ষায় নামছে ফরাসি সেনারা!
হরমুজ সংকটে সৌদি আরবের তেল রপ্তানির গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প হয়ে উঠেছিল লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দর। কিন্তু সেই পথও এখন রয়েছে হামলার ঝুঁকিতে। হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ এই তেলবন্দর রক্ষায় এবার সৌদি আরবে সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। শুধু সেনা নয়, সঙ্গে যাচ্ছে রাডার ও প্রতিরক্ষাব্যবস্থাও।  বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই ঘোষণা দিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ। সংবাদমাধ্যম রয়টার্স এর প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে এই তথ্য।  মাখোঁ জানান, ইয়ানবু রক্ষায় সৌদি আরবের সঙ্গে একটি চুক্তি চূড়ান্ত করেছে ফ্রান্স। সেই চুক্তির আওতায় সেখানে পাঠানো হবে ফরাসি সেনাসদস্য, রাডার ও প্রতিরক্ষাব্যবস্থা। তবে মাখোঁ একটি বিষয় স্পষ্ট করেছেন। ফরাসি সেনাদের পাঠানো হচ্ছে ইয়ানবু রক্ষার জন্য, চলমান সংঘাতে সরাসরি অংশ নেওয়ার জন্য নয়। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে সৌদি আরবের একটি বন্দর রক্ষায়  কেন সেনা পাঠাতে হচ্ছে ফ্রান্সকে? এর পেছনে বড় কারণ হরমুজ প্রণালির চলমান সংকট। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে হরমুজ দিয়ে জ্বালানি পরিবহন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার পর বিকল্প পথ হিসেবে ইয়ানবুর গুরুত্ব অনেক বেড়ে যায়। সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চল থেকে ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল নিয়ে যাওয়া হয় লোহিত সাগরের এই বন্দরে। সেখান থেকে হরমুজ এড়িয়ে সরাসরি তেল পাঠানো সম্ভব আন্তর্জাতিক বাজারে। কিন্তু সম্প্রতি সেই ব্যবস্থাও খেয়েছে বড় ধাক্কা। ইয়েমেনের হুতিরা সৌদি আরবের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুর পাশাপাশি ইয়ানবুতে আরামকোর স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে। সৌদি কর্তৃপক্ষও ইয়ানবুসহ বিভিন্ন এলাকার দিকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার কথা জানিয়েছে। এর আগে ড্রোন হামলায় সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের তিনটি পাম্পিং স্টেশন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এতে ইয়ানবু দিয়ে তেল রপ্তানিও বন্ধ হয়ে যায়। পরে পাইপলাইনটি আবার চালু করা হয়েছে সীমিত পরিসরে।  ফলে ইয়ানবুর নিরাপত্তা এখন শুধু সৌদি আরবের বিষয় নয়। বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার ক্ষেত্রেও বন্দরটির গুরুত্ব বেড়েছে বন্দরটির। আর ফ্রান্সও অনুভব করছে জ্বালানি সংকটের চাপ। মাখোঁ বলেন, আগামী শীতের জন্য ফ্রান্সে পর্যাপ্ত তেল ও গ্যাসের মজুত রয়েছে। নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে কাজ করছে তাঁর সরকার। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ডিজেল রপ্তানি নিষিদ্ধ করার কথা বিবেচনা করছে। এমন খবর সত্য হলে তার ফল বিশ্ব ও মার্কিন অর্থনীতির জন্য বিপর্যয়কর হতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি। যদিও হোয়াইট হাউস অস্বীকার করেছে এমন কোনো পরিকল্পনার কথা। আরটিভি/এআর 
সৌদি রক্ষায় নামছে ফরাসি সেনারা!
শতবর্ষী এই মুসাফিরখানায় আজও মিলে বিনামূল্যে আশ্রয় ও খাবার
আধুনিকতার ছোঁয়া লাগার আগে বরেন্দ্রভূমির মেঠোপথগুলো কেমন ছিল? সন্ধ্যা নামলেই চারপাশের খাঁ-খাঁ নীরবতা, বন্যপ্রাণীর ভয় আর ডাকাতের উপদ্রব— এমন এক অনিশ্চিত সময়ে ক্লান্ত পথিকের একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছিল একটি অনন্য মানবিক উদ্যোগ। প্রায় ১২ যুগ বা ১১৮ বছর ধরে নওগাঁর পোরশার ঐতিহাসিক ‘মুসাফিরখানা’ সেই মানবতার ঐতিহ্যকে পরম যত্নে টিকিয়ে রেখেছে। নিজ সম্পত্তির উপার্জনে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে আশ্রয় ও খাবারের এমন দৃষ্টান্ত আধুনিক সমাজেও এক বিরল মানবসেবার বার্তা দেয়।
শতবর্ষী এই মুসাফিরখানায় আজও মিলে বিনামূল্যে আশ্রয় ও খাবার
বুড়িয়ে যাচ্ছে জাপান, প্রবীণদের ভিড়ে কমছে শিশু জন্মহার!
দেশটিতে ১০০ বছর বা তার বেশি বয়সি মানুষের সংখ্যা প্রথমবারের মতো ১ লাখ ছাড়িয়েছে।
বুড়িয়ে যাচ্ছে জাপান, প্রবীণদের ভিড়ে কমছে শিশু জন্মহার!
আলো আর সুরের মায়াজালে জীবন্ত হয়ে উঠল প্রাচীন সমাধি
একটি পাহাড়ি টিলা, যেখানে ভেসে উঠে নানা নকশা, ছুটে চলা হরিণের অবয়ব আর রঙ্গিন আলোর খেলা। আর তা দেখেই অবাক দর্শকরা, অনেকেই আবার ব্যস্ত হয়ে পড়লেন ছবি তুলতে।
আলো আর সুরের মায়াজালে জীবন্ত হয়ে উঠল প্রাচীন সমাধি
যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দামে রেকর্ড; স্টেশনের ডিসপ্লেতেই জায়গা হচ্ছে না সংখ্যার! 
ডিজেলের দাম এতটাই বেড়েছে যে, পাম্পের ডিজিটাল ডিসপ্লেতেই আর বাড়তি দাম দেখানোর জায়গা নেই কোনো! ইরান যুদ্ধ ও হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহে চাপ তৈরি হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রেও হু হু করে বাড়ছে জ্বালানির দাম।
যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দামে রেকর্ড; স্টেশনের ডিসপ্লেতেই জায়গা হচ্ছে না সংখ্যার!